Tanisha Ahmed

  • Home
  • Tanisha Ahmed

Tanisha Ahmed গল্প পড়তে সাথেই থাকুন

16/07/2020

কিছুক্ষন পরেই আমার বিয়ে আমার বেষ্ট ফেন্ড এর হাসবেন্ডের সাথে।কিরে তানজিন এখন ও এমন করে বসে আছিস কেনো??রেডি হতে বলে গেছি আরও এক ঘন্টা আগে তারপর ও এভাবেই বসে আছিস।নাছরিন বেগম তানজিন এর মা।মা আমার কথা টা একটু শুনো,তোর কোনো কথা আমি শুনতে রাজি না।আফরিন এদিকে এসো,হ্যা মা আসছি।তানজিন কে বিশ মিনিটের মধ্য রেডি করো।ঠিক আছে,নাছরিন বেগম চলে গেল।তানজিনকে আফরিন রেডি করছে তানজিন জানে কাউকে বলে লাভ হবে না কারন নাছরিন বেগমের উপরে কেউ কোনে কথা বলে না।এিশ মিনিট পর পাএ পক্ষ চলে আসল।বিয়েটা বেশি ধুমধাম করে হচ্ছে না। শুধু কাছের মানুষজন উপস্থিত।নাছরিন বেগমের প্রিয় বান্ধবী রেসমীর মা বাবা উপস্থিত আছে।আর রেশমী তানজিন এর বেস্ট ফেন্ড ।যার জামাইয়ের সাথে আমার বিয়ে।রাফসান আর তানজিন এর বিয়েটা অবশেষে শেষ হলো।রাফসানের পুরো নাম রাফসান আহমেদ রাফা।এবার তানজিনের বিদায়ের পালা।সব মেয়ে বিদায় বেলা প্রচুর কান্না করে পরিবারকে ছেড়ে যাওয়াটা খুবই কষ্টের।তানজিন এর ক্ষেএে তা হয় নাই।ওর চোখে একফুটো পানিও নেই।কিন্তু তানজিন এর পরিবার অনেক কান্নাকাটি করছে।
দুজনকে গাড়িতে তুলে দিল।তানজিন আর রাফা গাড়িতে বসে আছে।দুজনের একজনও কথা বলছে না।রাফা মনে মনে ভাবছে আসলেই তানজিন অনেক সুন্দরী তেমন একটা দেখা বা কথা বলা হয়নি কখনও।লালা শাড়িতে আরও বেশি সুন্দর লাগছে ।

রাফদের বাসার নিচে গাড়ি থামল।রাফার মা এসে তানজিনকে বরন করে নিল।সবাই বলাবলি করছে আগের বউয়ের থেকে এই বউ আর বেশি সুন্দরী।তানজিন বসে আছে।রাফার মা এসে তানজিনের কোলে ফুটফুটে একটা বাচ্চা মেয়েকে কোলে দিল।তানজিন মা আজ থেকে তুই তাছনিম এর মা।তুই ওঁকে আদর যত্নে কমতি রাখবি না আমি জানি।তানজিন শুধু মাথা নাড়ল।মা মরা মেয়েটাকে তুই আগলে রাখিস।তানজিন নিশ্চুপ তাছনিম এর দিকে তাকিয়ে আছে শুধু। হ্যা বলা হয়নি আমার বেষ্ট ফেন্ড রেশমী এই দুনিয়াতে নেই।

তানজিনকে বাসর ঘরে দেওয়া হলো।এই রাত টাকে ঘিরে সব মেয়দেরই আলাদা চিন্তাভাবনা থাকলেও তানজিন এর কোনো কিছু নেই।মা আমার মেয়ে কই ।ভাইয়া আজ তো তদের বাসর রাত তাই তাছনিম আমার কাছেই থাক।কাল থেকে তোর কাছেই থাকবে।এই বলে তুলি রাফাকে বাসর ঘরে দিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দিল।তুলি বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করিস না ।কে শুনে কার কথা।পরে রাফা রুমে আসল ।তানজিন নিশ্চুপ হয়ে বসে আছে।কোনো সারা শব্দ নেই।

আপনি তানজিন আপনার কথা অনেক শুনেছি।এবার রাফার মুখের দিকে তানজিন তাকাল।আসলে কী আমি বি....থামুন আমি কারো কোনো কথা শুনতে চায়ছি না।রাফার পুরু কথা টুকু বলা হয়ে উঠে নাই।রাফা আর কিছু না বলে ওয়াসরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে শুয়ে পড়ল সোফার মধ্য।রাফা ভাবছে হয়ত তানজিন আমাকে আর তাছনিমকে হয়তো এখনও মানতেই পারে নি।আমার মেয়েটার কী হবে।যার কথা ভেবে আমার দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলো।তানজিন ওয়াসরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে একটা গেন্জী আর টাওজার পরে শুয়ে পড়ল।আজ অনেক ক্লান্ত কিছুক্ষন পরেই ঘুমিয়ে পড়ল।রাফার চোখে কোনো ঘুম নেই।
চলবে....
#শেষটা সুন্দর
#তৃষা

22/01/2020

#কাঁচের পতুল
পর্ব:১১
#তানিশা তারিন
সকালে ঘুম উঠতে আরিয়ান কিছুটা লেট হয়ে গেছে।উঠে দেখে যে নয়টার বেশি বেজে গেছে।পাশে তাকিয়ে দেখল তানিশা নেই।ভাবছে হয়ত ওয়াসরুমে।কিছুক্ষন হয়ে গেল তানিশা আসে না।এরপর আরিয়ান উঠে ওয়াসরুমে গেল সেখানে গিয়ে দেখল ওয়াসরুমে কেউ নেই।আরিয়ান এবার অনেক চিন্তায় পরে গেল।মেয়েটা কখনও এখানে আসে নাই।একা একা গেল টা কোথায়।তানিশার ফোনে ফোন দিল।তারপর কোনো কাজ হলো।ফোন রুমেই আছে এবার আরিয়ান অনেক বেশি চিন্তায় পড়ে গেল।রেডি হয়ে নিচে চলে এলো সেখানেও নেই।আচ্ছা কাল আমার সাথে ছিল আমার ওয়াফ ওনাকে কোথাও যেতে দেখেছেন?না তো স্যার ম্যাম কে দেখি নাই।এরপর আরিয়ান তাড়াহুড়া করে সমুদ্রের পাড়ে চলে আসল।এসে পুরাই অবাক তানিশা সমুদ্র পাড়ে পানিতে খালি পায়ে হাটছে।অনেক হ্যাপি লাগছে।এই মেয়ে তুমি আমাকে মা বলে একা একা এখানে কেনো এসেছ?আরিয়ান অনেকটা রেগে গেছে।হাটতে এসেছি আর আপনি আসলেন কখন আমি তো সকাল সকাল ওঠে বারান্দায় দাড়িয়ে দাড়িয়ে সমুদ্র দেখছিলাম।আর আমার অনেক ইচ্ছা করছিল এইভাবে হাটতে।আরিয়ানের চোখ লাল হয়ে গেছে রাগে।আরিয়ান তাড়াতাড়ি করে চলে গেল।আর তানিশা আরিয়ানের পিছনে পিছনে আসছে।আরে শুনুন আরিয়ান হাটছে তো হাঁটছেই আর পিছনে তাকায় নি।আল্লাহ রাজ্ক্ষসটা তো রেগে আগুন হয়ে গেছে।এখন কী হবে।আরিয়ান না দাড়াও পিছন থেকে কে জানি বলে উঠল।আরিয়ান পিছনে তাকাল।আরু তুমি এখানে আরিয়ান অনা তুই এখানে কখন আসলি হাগ করে।তানিশা পিছন থেকে দেখে পুরা অবাক হয়ে গেছে।তার স্বামীকে অন্য কারো সাথে এমন ভাবে দেখে।অনামিকা,আমাকে তো পুরা ভুলে গেছিস দেশে এসে।আরে তোকে কেন ভুলব আমি তকে পুরা মনে আছে।অনেক ব্যাস্ততার মাঝে থাকি এই জ্ন্য তর খবর নিচে পারি না।তুই দেশে কবে ফিরেছিস এই সাত দিন।তো এখানে হ্যা আসলাম বোনদের সাথে বেড়াতে।আর তুই আরে তকে তো আমার মিসেস এর সাথে পরিচিয় করানো হয় নাই।তুই বিয়েও করেছিস তাও আমাকে বলিস নি আর দাওয়াতাও না।তানিশা এতক্ষন নিরব দর্শকের মতো দেখছিল।তানিশা এখানে এসো এই হচ্ছে আমার ওয়াই তানিশা।আর এই হচ্ছে আমার ফেন্ড অনামিকা আমাদের আমিরিকাতে পরিচিত হয়েছে পড়ার খাতিরে।একই সাথে পড়াশুনা করেছি।হায় তানিশা হ্যালো,কেমন আছ?ভালো আপনি?ভালোই আছি।আপু কার সাথে কথা বলছিস যার কথা তোকে বলেছিলাম তার সাথে।
ও তোর সেই ফেন্ড হ্যা।আচ্ছা আমার এখন আসি এখানেই পড়ে আবার দেখা হবে।ঠিক আছে আরিয়ান তানিশাকে নিয়ে চলে আসল।দুজন দুজনের সাথে আর কথা বলে নাই।

রাতে,রেডি হয়ে নাও আরুদের সাথে ডিনার করব।অনা ফোন দিয়ে বলল সবাই আমরা একসাথে ডিনার করব।তানিশার মনটা সেই থেকে খুবই খারাপ।আপনি একাই যান আমার ভালো লাগছে না।তাড়াতাড়ি রেডি হতে বলছি।অনিচ্ছা থাকা শর্তেও রেডি হলো।আরিয়ান এক পলকে তালিশার দিকে চেয়ে আছে।এমন সময় তানিশার ফোন বেজে উঠল।হ্যালো কী করছ তানিশা কোনো খোঁজও নেও না আর ফোন দিলে রিসিভও করো না।একটু বিজি ছিলাম তাই আর কি ও কী করছ?এই তো ঘুরতে আসছি ও কবে গেলে বললেও না।তা বলবে কেন আমারও অনেক দিন হলো কোথাও যাওয়া হয় না ভাবছি যাব।তানিশা আমাদের অনেক লেট হচ্ছে আসো আরিয়ান বলল।আচ্ছা এখন রাখছি পরে কথা হবে।আরিয়ানের কেন যানি রাগ হয় তানিশা কারো সাথে কথা বললে।

আরু এতো লেট করলি কেন অনেকক্ষন হলো আমরা সবাই অপেক্ষা করছি।আরিয়ান আর তানিশা পাশাপাশি বসে পড়ল।আচ্ছা খাবার অর্ডার করছিস না তদের জন্যই অপেক্ষা করছি।আরিয়ান খাবার অর্ডার করল।অনামিকা,তানিশা তোমাকে অনেক কিউট লাগছে।থ্যাংকস।আপু আপনাকেও অনেক সুন্দর লাগছে ।গল্প করতে করতে সবাই ডিনার শেষ করল।তানিশার খুবই ঘুম পাচ্ছে কিন্তু বলতে পারছে না।আরিয়ান আর সবাই মিলে আড্ডা দিচ্ছে।কী তানিশা তোমার কী ঘুম আসছে।না ঠিক আছে তবে কোনো কথা বলছ না কেন।আরিয়ান,অনেক রাত হয়ছে এখন রুমে গিয়ে ঘুমা কাল আবার দেখা হবে।যার যার রুমে চলে গেল।তানিশা কোনো রকম ফ্রেশ হয়েই শুয়ে পড়ল।
কাকে নিয়ে হানিমুনে আসলাম।এতো বাসায় থাকলেই ভালো হতো।এতো ঘুম কেমনে আসে।আরিয়ান একা একাই বলছে । তানিশা অলরেডি ঘুমিয়ে গেছে।আরিয়ান ফ্রেশ হয়ে এসে তানিশার পাশে গিয়ে শুয়ে পরল।

জানছ ঝুম আমি আরিয়ানকে খুবই ভালোবাসতাম শুধু প্রকাশ করতে পারি নি।আরিয়ানের সাথে বন্ধুত্ব নষ্ট হবে এই ভেবে।ও যখন চলে আসছে আমি অনেক কান্না করছি।আমরা অনেক ভালো ফেন্ড ছিলাম।ওর বাবা ওঁকে আর ফিরতে দেয় নাই।আর এবার আইসা সারপ্রাইজড হয়ে গেলাম।ওর সাথে ওর বউকে দেখে কষ্টে মরে যেতে ইচ্ছে করছিল।অনেক কষ্ট করে কান্না আটকে ছিলাম।রাগি ওর সাথে যোগাযোগ অফ দিছিলাম।এতক্ষন অনামিকা তার এক ফেন্ডকে মনের কথাগুলি শেয়ার করছিল।
চলবে...

20/01/2020

#কাঁচের পতুল
পর্ব:১০
#তানিশা তারিন
আলো কী করছ।এই তো ভাবি ফেবুতে ছিলাম।বসো কখন বের হবে এই তো কিছুক্ষন পর বের হবো।কীরে আলো কি করছিস আরিয়ান,ভাই তুই আমার রুমে এসেছিস সূর্য আজ কোন দিকে উঠছে।হ্যা তুই আমার একমাএ বোন আমি আসতেই পারি।হুম বুঝতে পারছি কেন আসছেন তোর বউ এখানেই😉।আরিয়ানের অনেক খারাপ লাগছে ।সে আজ তানিশার সাথে বেশ খারাপ বিহেভ করেছে।মনে মনে অনুতপ্ত হচ্ছে।ভাবছে হাশিখুশি মেয়েটি এমন করছে এই জন্য আরিয়ানের ভালো লাগছে না।কতক্ষনে স্যরি বলবে সে তানিশাকে।কিছুক্ষন গল্প করার পর তানিশা চলে গেল সাথে আরিয়ান ও।সকালে খারাপ ব্যবহার এর জন্য স্যরি তানিশা তখন আমি বুঝতে পারি নি।তানিশা নিশ্চুপ আমরা কিছুক্ষন পর বের হব তুমি রেডি হও।তানিশা আজ অনেক খুশি মনে মনে।মাথা নাড়ল তানিশা রেডি হয়ে গেছে আরিয়ান ও রেডি।বিদায় নিয়ে গাড়িতে উঠল।আমাদের প্লেনের টিকেট কাটেছি।আমাদের বেশি সময় লাগবে না।ও আচ্ছা তো কেমন লাগছে?ভালো।আরিয়ান ভাবছি তানিশাকে আজকেও কত সুন্দর লাগছে।আরিয়ানরা একটা হোটেলে উঠেছে।রির্সোট টা খুবই সুন্দর সমুদ্রের
এক পাশে।রুম গুলো খুবই সুন্দর।তানিশার খুবই পছন্দ হয়েছে।

যাও ফ্রেশ হয়ে নাও দেন ডিনার করে ঘুমিয়ে পর।অনেক রাত এখন কালকে ঘুরব।ফ্রেশ হয়ে দুজনেই খাবার খেতে গেল।তানিশা ভাবছি এতো ভালো কেমন করে হলো।ভালোবাসে ফেলেছে নাকি।তানিশার খুশি লাগছে।কী ব্যাপার একা একা পাগলের মতো হাসছ কেন?না কই এমনিই হাসছি।
আচ্ছা কেমন লাগছে এখন অনেক ভালো লাগছে।আরিয়ান তোমাকে হাসিমুখেই ভালো লাগে।দুজনেই ডিনার করে রুমে গেল।আরিয়ানের আজ অন্যরকম এক অনুভুতি কাজ করছে।মনে হচ্ছে যে আসলেই তানিশাকে সে খুব ভালোবেসে ফেলেছে।তানিশাকে খুব কাছে টানতে ইচ্ছা হচ্ছে।প্রথম রাতের কথা মনে করে আরিয়ানের খুব কষ্ট হচ্ছে।আরিয়ান মেয়েটাকে সেই প্রথম রাত থেকে কষ্ট দিয়ে আসছে।আর মেয়েটা সব মুখ বুঝে সহ্য করছে।কোনো প্রতিবাদ ও করে না।আচ্ছা আমি ঘুমাই এখনই ঘুমুবে হ্যা ।আচ্ছা তাহলে ঘুমাও।আরিয়ান সোফায় বসে ভাবছে যে তানিশা কী তাকে একটুও ভালোবাসে না।তানিশা আমাকে কী তুমি খুব খারাপ ভাব।ভাববেই তো আমি তো আমার বউটাক সাথে সবসময়ই খারাপ ব্যাবহার করেছি।এবার আমি আমার মনের কথা টা বলে দিব তানিশাকে।তানিশা এতক্ষনে ঘুমিয়ে পড়েছে।অনেক সুন্দর লাগছে ঘুমন্ত তানিশাকে।আসছে হানিমুন করতে আর বউ ঘুমুচ্ছে হায়রে কপাল।আরিয়ান তানিশাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়ল।

চলবে....

14/01/2020

#কাঁচের পতুল
পর্ব:৯
#তানিশা তারিন
বাসায় পৌছালাম ওনি রুমে চলে গেল।বুঝলাম না রাগ করার কি আছে করুক তাতে আমার কী।আলো ভাবি আসছ আমার জন্য কী আনছ এই নাও তোমার জন্য।ওয়াও অনেক সুন্দর হয়ছে ড্রেসেটা।আচ্ছা উপরে যাও।উপরে চলে আসলাম।রাক্ষসটা ওয়াসরুমে।কাপড় গোছগাছ করছি।কিছুক্ষন পর দেখালাম যে বের হলো রুমে থেকে।চোখ লাল হয়ে আছে।আমিও ফ্রেশ হয়ে আসছি।আর তিনি শুয়ে শুয়ে কি জানি ভাবছে।আচ্ছা আপনি কোন কোন কাপড় নিবেন আমাকে বলেদিন আমি ব্যাগে রাখছি।এমন সময় ফোন বাজছে রিসিভ করলাম।নাম্বারটা চিনি না।হ্যালো কে বলছেন।হ্যালো আরে আমি রাহুল এত তাড়াতাড়িই ভুলে গেলে।ও না এত রাতে কি মনে করে ফোন।না ঘুম আসছিল না এই জন্যই ফোন দিলাম।আচ্ছা রাখছি আমি এখন ঘুমুবো।ওঁকে কাল কথা হবে।ফোন রেখে ওনার দিকে তাকালাম উনি এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।লাইট অফ করে পাশে গিয়ে শুয়ে পরলাম।ঘুম আসছে না এপাশ ওপাশ করছি উনি হয়ত ঘুমিয়ে গেছে।এই সুযোগ জরিয়ে ধরলাম শক্ত করে ওনি ও তাই করল।মনে হয় ঘুমিয়েই গেছে এই জন্য।আরিয়ান ঘুম আসে নাই কেন যেন ওর অই রাহুলকে সহ্য হচ্ছে না তানিশার সাথে।তানিশার দিকে তাকিয়ে আছ।কত সুন্দর লাগে ঘুমালে বউটাকে।

সকাল ৮ টা দুজনেই ঘুমিয়ে আছে।তানিশা উঠে দেখল অনেক সকাল হয়েছে।ফ্রেশ হয়ে আসল আর আরিয়ানকে ডাকছে।এই যে উঠুন সকাল হয়ে গেছে।আর একটু পর উঠছি।এখনই কোনে পরে না।আরিয়ান আর কথা না বলে উঠে ওয়াসরুমে চলে গেল।তানিশা নিচে চলে আসল।স্যরি মা আজ একটু লেট হয়ে গেছে।ধুর পাগলি যা টেবিলে যা।টেবিলে সবাই খাবার খাচ্ছে।বাবা,কয়টায় রওনা হবে আরিয়ান।এই তো বিকেলে।আচ্ছা আজ বাসায় থাক ।আমি সামলাতে পারব অফিস ঠিক আছে।ব্রেকফাস্ট এর পর আলো চলল কলেজে।আর আরিয়ান ওর রুমে।তানিশা কিছুজ্ক্ষন বাদে রুমে গেল।আরিয়ান এক টানে তানিশাকে দেওয়ালের সাথে লাগিয়ে বলছে বেশি বাড়াবাড়ি যদি কর তাহলে তোমাকে ওখানেই রেখে আমি চলে আসব।ছাড়ুন আমাকে রেগে আরিয়ান ছেড়ে দিল।তানিশার ফোন বাজছে।হ্যালো তানিশা কি করো?কিছু করিনা বৃেকফাস্ট করছ হ্যা করছি।আরিয়ান কোথায় পাশেই কেন না এমনিই ।আচ্ছা রাখছি কাজ আছে আমার।আরিয়ান রুম থেকে বের হয়ে গেল।বেডে বসে পরল তানিশা রাক্ষসটা এতে খারাপ কেন😭।রাক্ষসটাকে যে আমি ভালবাসি সেটা কেন বুঝে না।শুধু খারাপ ব্যাবহারই করে😭।যাব না কোথাও ।

আরিয়ান রাস্তায় চলে আসছে বাইক নিয়ে।একটা নির্জন জায়গায়।মন খারাপ থাকলে ও এখানেই আসে।কেন যে আমি তানিশা কোরো সাথে কথা বললে মানতে পারি না।এতো হিংসে হয়।আমি কি তাহলে ভালোবেসে ফেলেছি।না না কি ভাবছি।আর আমি তো আমার বউকে ভালোবসতেই পারি।

দুপুরে একসাথে বসে সবাই লান্স করছে।আরিয়ান এসেই লান্স করতে বসছে।আরিয়ান একটু পর পর তানিশার দিকে তাকাচ্ছে।চোখ প্রায় ফুলে গেছে কান্না করতে করতে।কোনোরকম খায়েই উঠে গেল তানিশা।রুমে এসে শুয়ে পরল।আরিয়ান এসে দেখল শুয়ে আছে।পাশে শুয়ে বলল এতো কান্না করছ কেন।চোখ তো ফুলে গেছে।তানিশা একবার আরিয়ানের দিকে তাকিয়ে উঠে চলে গেল।আরিয়ান হা হয়ে আছে।
চলবে.......

10/01/2020

#কাঁচের পতুল
পর্ব:৮
#তানিশা তারিন
সন্ধায় আরিয়ান আর ওর বাবা বাড়ি ফিরলেন।কী রে বাবা এসেছিস হ্যা আচ্ছা যাও দুজনে ফ্রেশ হয়ে নিচে আসো।আমি খাবার রেডি করছি।আলো টিভি দেখছিল কী রে প্রেত্নী তুই একা টিভি দেখছিস আর একজনকে দেখছি না যে।হ্যা দেখবি কেমনে খুঁজে নে তোর বউ কে 😏।আরিয়ান উপরে গেল তানিশা শান্তিতে ঘুমুচ্ছে।এই মেয়ে তোমাকে না বলছি যে আমি আসার আগে তুমি রেডি হয়ে থাকবে।নাইলে আমি তোমাকে নিয়ে যাব না।তানিশা ঘুমঘুম চোখ নিয়ে উঠে বসল। দেখল যে রাক্ষসটা দাড়িয়ে আছে।পাঁচ মিনিটে রেডি হও।আরিয়ান ফ্রেশ হয়ে নিচে চলে আসল।তানিশা একা একা কথা বলছে আর রেডি হচ্ছে।এই রাক্ষসটার জ্বালায় আমাকে একটু ঘুমুতেও দেয় না।আরিয়ান খাওয়া শেষে রুমে আসল।তানিশাকে দেখে আরিয়ানের চোখ আটকে গেছে।তানিশা পিংক কালারের একটা টপস আর উপরে কুটি পরেছে।হিজাব পড়েছে অনেক সুন্দর ভাবে।হাল্কা সাজে মেয়েটাকে দারুন লাগছে।তানিশা পিছনে তাকিয়ে দেখল যে আরিয়ান দাড়ানো।আল্লাহ রক্ষা কর এতক্ষন একা একা বক বক করছি সব শুনে নিছে মনে হয়।এখন আমার কী হবে😢।কী রেডি হয়ছেন এই আপনার পাঁচ মিনিট।হ্যা আমি রেডি।তো আমাকে এতজ্ক্ষন কী কী বলছিলেন যে না কই আমি আপনাকে কিছুই বলি নাই🙂।দুজনে একসাথেই নিচে নামল।ভাবি তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে।হয়েছে আর পিম দিয়ো না।মনে মনে রাক্ষসটার জন্য একটু শান্তিতে সাজাতেই পারি না।আচ্ছা আম্মু আমরা বের হলাম।ওঁকে সাবধানে যা।

আরিয়ান ড্রাইভিং করছে আর একটু পর পর তানিশা কে দেখছে।মনে মনে মেয়েটাকে অনেক সুন্দর লাগছে আজ।কোনো কথা বলছে না কেন তানিশা।তো কী কী কিনবেন?দেখি।মার্কেটে চলে আসল।তানিশা ড্রেস কিনা শেষ।আপনি কিছু নিলেন না যে।আচ্ছা আসেন আমি পছন্দ করে দি।আরিয়ান তাকিয়ে আছে।কিছু বলছে না।না যদি আপনি বলেন তাহলে আচ্ছা দেন।তানিশা আরিয়ানকে ড্রেস পছন্দ করে দিল।আরিয়ান বলছে বাহ ছেলেদের শার্ট পেন্ট ও তো ভালো ভাবে চয়েস করলেন তো কয়টা বিএফ ছিল আর তাদের কিনে দিতেন বুঝি।একশ একটা বয়ফ্রেন্ড ছিল তাদেরই কিনে দিতাম।এই তানিশা তুমি এখানে পিছন থেকে ডাক দিয়ে।তানিশা পিছনে তাকাল আরে তুমি কবে আসছ।আর বলো না আসছি এক সাপ্তাহ হলো তোমার অনেক খোঁজ করলাম কারো কাছেই তোমার নাম্বার পেলাম না।তোমার সাথে এটা কে এটা আমার হাসবেন্ড।কী তুমি বিয়ে করে ফেলছ মন খারাপ করে।আসো পরিচিয় করিয়ে দি।আরিয়ান এতক্ষন নিরব দর্শকের মতো কথা শুনছিল।তানিশা আরিয়ানের হাত ধরে এই হচ্ছে রাহুল আমারা এক সাথে পড়তাম দেন বিদেশের তলে যায় পড়াশুনা করতে।আর এই হচ্ছে আমার হাসবেন্ড আরিয়ান।রাহুল হাই নাইচ টু মিট ইড।দুজনে হাগ করল।তানিশা তুমি কী পড়াশুনা বাদ দিয়ে দিয়েছ নাকি।না বাট কতদিন হলো যাই না কয়েকদিন পর থেকে যাব।চলো তানিশা আমরা একটা রেস্টুরেন্টে বসে কথা বলি।তিনজনে বসে আছে আরিয়ান কথা বলছে না তানিশা আর রাহুল কথা বলছে।আরিয়ানের কেন যে। সহ্য হচ্ছে না তানিশাকে রাহুলের সাথে কথা বলতে দেখে।এরই মধ্য খাবার চলে আসছে।সবার খাওয়া শেষে বিল দিয়ে বাইরে চলে আসল।আমাদের বাসায় একদিন আইসেন তারপর আবার জমিয়ে আড্ডা দেওয়া যাবে।অনেক রাত হয়ছে বাড়িতে ফিরতে হবে।

আচ্ছা,চলে আসল আরিয়ান ড্রাইভিং করছে অনেক রেগে আছে।প্রকাশ করছে না।জোড়েজোড়ে ড্রাইভিং করছে।তানিশা,জানেন আমরা যখন কলেজে পরতাম তখন রাহুল আমার জন্য একদম পাগল ছিল।প্রোপজ করছে হাত কেটে নাম লেখছে তারপরও আমি রাজি হয় নাই।এরপর একদিন শুনলাম ওর বাবা ওঁকে পড়াশুনা করতে বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছে।আরিয়ান ব্রেক করে ফেলল।কী হলো কী ব্রেক করলেন কেন।আর একটা কথা বললে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিব।এই বলে আবারও ড্রাইভিং করেছে।
চলবে......

09/01/2020

#কাঁচের পতুল
#তানিশা তারিন
#পর্ব:৭
সকালে নামাজের জন্য ঘুম থেকে উঠলাম।রাক্ষসটা আমাকে জরিয়ে ধরে ঘুমিয়ে আছে।অবাক লাগল হয়তো ঘুমের মধ্য তাই না ঢেকে হাতটা সরিয়ে দিয়ে চলে আসলাম।ওযু করে নামাজ পরতে গেলাম।নামাজ শেষে নিচে গেলাম।মা আপনি উঠে গেছেন এতো সকালে।হ্যা রে মা তোর শশুড় আর আরো তো নাস্তা করে অফিসে যাবে।তাই আমি তাড়াতাড়ি উঠে নাস্তা রেডি করছি।আচ্ছা মা আমিও আপনাকে সাহায্য করব।আচ্ছা কর মাকে সাহায্য করলাম।সকাল আটটা বেজে গেছে এরই মধ্য।মা যা আরো কে ডেকে নিয়ে আয়।আমি তর বাবাকে চা দিতে যাচ্ছি।রুমে গিয়ে দেখলাম নবাব আরামসে ঘুমুচ্ছে।এই যে নবাব উঠুন আপনার অফিসের সময় হয়ে গেছে।আর একটু ঘুমায় তারপর উঠছি।এখনই উঠুন নাইলে পানি ঢেলে দিব।

রাক্ষস উঠে ওয়াসরুমে গেল।আমি নিচে চলে আসলাম।কিছুক্ষন পরে রাক্ষসটাও নিচে নামল।আলো,শুভ সকাল শুইটহার্ট।আপনার ঘুম তাহলে এতক্ষনে ভাঙল।সবাই টেবিলে বসে নাস্তা করছি।বাবা,আজ নাস্তাটা অন্যরকম লাগছে।কে বানিয়েছে আরিয়ানের মা।ঠিকই বলছ বাবা আজ টেষ্টটা অন্যরকম লাগছে।কে আবার তোমার বউমা।বাবা,এই জন্যই এতো মজা হয়ছে।আলো,দেখতে হবে না কার ভাবিটা।হ্যা তাই তো দেখছি।আরিয়ান নিচে তাকিয়ে খেয়ে চলছে কোনো কথা না বলে।আলো,বাবা একটা কথা ভাবছি।কী কথা রে মা ভাবিদের বিয়ে হয়েছে এক সাপ্তাহ হয়ে গেল বাট কোনো জায়গায় ঘুরতেই গেল না।আমি বলছি কী ভাই আর ভাবি কোথাও থেকে ঘুরে আসুক।বাবাও বললেন ঠিক কথা টা মনে করিয়ে দিয়েছিস।আমি অসহায় দিষ্টিতে আলোর দিকে তাকালাম।আলো চোখ টিপপ দিল।মা হ্যা ঠিক বলেছিস ।কোথাও থেকে ঘুরে আসলে মনটাও ভালো হবে।আরিয়ান,না বাবা অফিসে অনেক কাজ আমি যাব না।আমি আছি আর আমি বলছি যাতে হবেই।খাবার টেবিল থেকে উঠে গেল উনি।থাক না বাবা উনি যেহেতু চাইছে না।না বউমা তোমরা কালই যাচ্ছ।

আরিয়ান,ইয়েছ আমিও চাচ্ছিলাম।বাট আব্বু আমার মনের কথাটা বুঝে গেল।টেবিলে তো আমি ভাব নিছিলাম।আমিও চাচ্ছি আমার সুন্দরী বউটীকে কাছ থেকে জানতে।আরিয়ান মনে মনে আলোকে ধন্যবাদ দিল।তানিশা রুমে আসল।এই যে শুনছেন বাবা বলল কাল পাঠাবে।আরিয়ান রাগি মুড নিয়ে ওয়াসরুমে গিয়ে অফিসের জন্য রেডি হয়ে আসল।তানিশা,বলছি কী আমার শপিং করা লাগবে।রাগি দৃষ্টিতে তাকিয়ে আচ্ছা রেডি থেকো এসে নিয়ে যাব।
আরিয়ান অফিসে চলে আসল।আর তানিশা ভাবছে এতো ভালো ব্যাবহার নিশ্চয় কোনো প্লান আছে রাক্ষসটার।ওঁকে ডিয়ার জামাই আমিও দেখে নিব।আরিয়ান অফিসে এসে তানিশার কথায় ভাবছে।কেন যে মেয়েটাকেই শুধু ভাবে এই অভুজ মনটা বুঝিনা।
চলবে.......

05/01/2020

#কাঁচের পতুল
#পর্ব:৬
#তানিশা তারিন
আরিয়ান হা হয়ে তানিশা কে দেখছে।মেয়েটা এমনি সুন্দর এর মধ্য কালো পরছে।আরো সুন্দর লাগছে।আরিয়ানের চোখ আটকায় গেছে।কীরে ভাই আয় কেক কাটবি আসছি ।

এরপর আরিয়ান কেক কাটল।সবাইকে কেক খাইয়ে দিল।আরিয়েন সব বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছে ।মনেমনে শুধু তানিশাকে খুঁজছে।তানিশা ফ্রেশ হয়ে ঘুমাতে গেল নিচে।আজ তানিশা অনেক টায়ার্ড।আরিয়ানের সব বন্ধুরা চলে গেছে।আরিয়ান রুমে আসল দেখল তানিশার ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ।এই সব প্লান নিশ্চয় আপনার ছিল।আমার মন জয় করার জন্য।কোনো লাভ হবে না।আমার বয়েই গেছে আপনার মন জয় করতে।আলো আমাকে বলল যে ভাবি আমাকে একটু হেল্প করো।আমি আলোকে জাস্ট হেল্প করছি।😏আসছে মন জয় করতে যাব রাক্ষসের।কী বললে যা বলছি ঠিকই ই বলছি।আল্লাহ কী বললাম এখন মনে হয় রাক্ষসটা আমারে গিলে খাবি জিহ্বায় কামড় দিয়ে।না কিছু না।তানিশা অন্যদিকে ঘুরে শুয়ে পরল।

আরিয়ান আর কিছু না বলে ওয়াসরুমে গেল।ফ্রেশ হয়ে আসল।আসার সময় চোখে পরল কয়েকটা গিফট রাখা আছে সোফায়।আরিয়ান গিয়ে গিফট গুলি খুলতে লাগল।একটা দামি ঘুড়ি,একটা পান্জাবি ব্লু কালারের অনেক সুন্দর পান্জাবিটা।আর একটা শুপিচ একটা রাক্ষসের মতো রাগি শুপিচ।এগুলা নিশ্চয় পাগলিটার কাজ।একটা চিরকুট আছে তাতে লেখা।আপনাকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।আগামি দিন গুলো যেন ভালো কাটে।জানি আপনার গিফট হয়ত পছন্দ হয় নাই।এই পাগলিটা যেন কেমন।এতো রাগ দেখানোর পর কোনো কিছু বলে না।

গিফট গুলো রেখে আরিয়ান তানিশার পাশেই ঘুমুতে গেল।এই কী এতটুক সময়ের মধ্য ঘুমিয়ে গেল।আজ না আপনাকে অনেক সুন্দর লাগছে।পরী একটা।এই আমি যে এতো রাগ দেখায় তারপরও আমার জন্য এতকিছু।ধন্যবাদ।তানিশা ঘুমে আচ্ছন্ন।আরিয়ান আজ ইচ্ছা করে তানিশাকে জরিয়ে ধরে ঘুমাচ্ছে।
চলবে.....
আমার ছোট খালু অনেক অসুস্থ সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।মনটা খুবই খারাপ।তারপরও একটু লেখছি।

01/01/2020

Happy new year 2020
সবার ২০২০ অনেক ভালো কাটুক এই কামনাই রইল।

01/01/2020

#কাঁচের পতুল
#পর্ব:৫
#তানিশা তারিন
হাত ছেড়ে দিয়ে বাইরে চলে গেল।আমি ওয়াসরুমে গেলাম আমিও দেখে নিব কতদিন এমন করতে পারেন মি.আরিয়ান।ফ্রেশ হয়ে নিচে চলে আসলাম।এসে দেখি রাক্ষসটা আফিসে যাচ্ছে।একবার তাকিয়ে অন্য দিক দিয়ে চলে গেলাম।উনিও অফিসের জন্য বের হয়ে গেছে।কি করছ আলো এখন এলে এত লেট করলে কেন ভাবি।আচ্ছা বসো মা কোথায় আলো মা হয়ত রান্না ঘরে মেইডদের কাজ দেখাচ্ছে তুমি থাকো আমি মাকে হেল্প করে আসি।না একটু পরে যাও আচ্ছা বলো।বসে বসে ভাবছিলাম যে জানুয়ারির এক তারিখে ভাই আর জন্মদিন আর থার্টিফাস্ট নাইট কীভাবে ইনজয় করব।ওহ এই ব্যাপার খুবই সিম্পল ছাদে একটা পার্টি করা যেতে পারে পরে বড় করে করব।বাট ভাবি ভাইয়া তো এসব পছন্দ করে না।রাক্ষসটার পছন্দে কী সব হবে।রাক্ষসটা তো সারপ্রাইস হবে।তা ঠিক বলেছ।আচ্ছা তাহলে মাকে বলে আমরা এখন বাইরে যাব কেনাকাটা করতে।আচ্ছা চলো,মা আমাকে বললেন না কেন কী করতে হবে না মা কিছু করতে হবে না আমি ওদের রান্নার জন্য সব এগিয়ে দিচ্ছিলাম।আলো,মা বলছি কী আজ থার্টিফাস্ট নাইট এবং আপনি কী আপনার একমাএ ছেলের জন্মদিনের কথা ভুলে গেছেন ।হ্যা কাজের চাপে ভুলেই গেছিলাম।আমরা সবাই মিলে কী ইনজয় করতে পারব ।হ্যা পারিছ তাহলে এখন বাইরে যাব পার্টির সব আয়োজন করতে হবে।আমার সব ফেন্ডের দাওয়াত দিতে হবে।আচ্ছা যা তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে আসিস।আচ্ছা ওরা দুজন বের হলো।
অফিসে পৌঁছে আরিয়ান তার বাবার কেবিনে গেল।কীরে বাবা শুশুড় বাড়ি থেকে আজই চলে আসলি কয়দিন থেকে আসতে পারতি।তোমার কষ্ট হয় সবটা সামলাতে তাই আজই চলে আসলাম।দুটি দিনেরই ব্যাপার আমি সবটা সামলাতে পারতাম।আচ্ছা আমি আমার কেবিনে যাচ্ছি।আরিয়ান কেবিনে বসে বসে আছে তার চোখে তানিশার চেহারাটা ভেসে আসছে।আজ সকালে হয়তো মেয়েটা অনেক ব্যাথা দিয়ে ফেলছি হাতে।তাও কিছু বলল না।কী ভাবছি এসব আবার কাজে মন দিল।
আলো আর তানিশা সব কিছু শপিং করে নিয়ে আসল।তানিশা আরিয়ানের জন্য অনেক সুন্দর একটা গিফট নিয়্ছে।রাক্ষসটার পছন্দ হলেই হলো।বাড়ি এসেই দুজন কাজে লেগে পরল।তানিশা আর আলোর সবটা সাজানো হয়ে গেছে।আরিয়ান আর ওর বাবা বাসায় আসল।তানিশা আলো দুজনেই বিজি কাজে এর মধ্য ১১ টা প্রায়ই বেজে গেছে আরিয়ান শুধু একবারই চোখের দেখা পেয়েছে।ভাবছি যে করছটা কি বিজি দেখলাম নিচে।যা মন চায় তাই করক তাতে আমার কী।তানিশা রেডি হলো কালো কালারের একটা শাড়ি পরছে মাথায় বেলি ফুল লাগিয়েছে হাল্কা সাজে ওঁকে অনেক সুন্দর লাগছে।এর মধ্য তানিশার ফেন্ড আর আরিয়ানেরও কিছু ফেন্ড এসেছে।আরিয়ানকেই না জানিয়েই দাওয়াত দিয়েছে আলো।সবাই উপরে চলে গেছে।আরিয়ান একটা মেসেজ আসল,একটু উপরে আসবেন প্লিজ দরকার ছিল।আরিয়ান ভাবল নাম্বারটা তো চিনি না কে আবার মেসেজ দিল।আরিয়ান ভাবল যাবে আবার ভাবল যাবে না।১২ টা বাজার আর এক মিনিট আছে।সবাই ভাবছে আসবে না।আরিয়ান উপরে আসল সবাই একসাথে বলেছে হ্যাপি ব্যার্থডে টু ইউ।হ্যাপি বার্থডে ডিয়ার আরো।আরিয়ান অনেক সারপ্রাইজ হয়েছে।বাট প্রকাশ করছেনা।
চলবে.....

31/12/2019

#কাঁচের পতুল
#পর্ব:৪
#তানিশা তারিন
ঘুম আসছে না ভাবছি যে চান্দু আজ কই ঘুমাবেন দেখব।যে শীত কতক্ষন বসে থাকতে পারেন দেখা যাবে।চুপচাপ ঘুমের ভান ধরে শুয়ে আছি।যে পরিমানে শীত পরছে তার মধ্য একটা কম্বলই রাখা বেডে।দেখি কী করে আজ ঘুমায় রাক্ষস বরটা।কিছুক্ষন পরে দেখলাম ঘুমাতে আসছে উপায় না পেয়ে।খুব হাসি পাচ্ছে।পাশে এসে আস্তে করে শুয়ে পরল।এখনও মনে হয় রাগ কমে নাই।ভাবছি এই রাক্ষস জামাইকে কীভাবে শুযা করা যায়।ভাবতে ভাবতেই কখন যে ঘুম এসে গেছি।সকালে ঘুম ভাঙল আমার আবার আজান এর সাথে সাথে ঘুম ভেঙে যায়।ঘুম থেকে উঠে দেখি যে রাক্ষস বরের বুকের উপরেই ঘুমিয়ে আছি।কী যে নিষ্পাপ লাগছে ঘুমন্ত অবস্থায়।চেয়েই থাকতে ইচ্ছা হচ্ছে।আল্লাহ বাচাইছে জেগে থাকলে কাঁচাই গিলে ফেলত।ওযু করে এসে নামাজ পরার জন্য একবার ভাবলাম ডাকি আবার ভাবলাম যদি আবার রেগে যায়।ডেকেই ফেললাম।এই যে শুনছেন উঠুন আজান দিছে উঠে নামাজ পরে তারপর ঘুমান।আবারও আমাকে ডিস্টার্ব করছ তোমার সাহস তো কম না।তুমি এখান থেকে যাও আমি উঠব না।আর কিছু না বলেই নামাজ পরতে গেলাম।

সকাল ৯ টা বেজে গেছে।বাসার সবাই উঠে গেছে।আমিও খেতে চলে আসলাম একাই।আম্মু কি করছ এইতো তদের জন্য নাস্তা বানানো শেষ করলাম।ও তাহলে তাড়াতাড়ি খেতে দেও অনেক ক্ষুধা লাগছে।কিরে তুই একা কেন আসলি জামাই বাবাজি কই।ঘুমুচ্ছে বলল যে আমি পরে উঠে খাব।যা আরিয়ানকে ডেকে আন একসাথে খাবি।আচ্ছা যাচ্ছি।রুমে গিয়ে এইযে উঠুন বলছি না হলে কালকের মতো অবস্থা হবে বলে দিলাম।কাল তো এক গ্লাস পানি দিছি।আজ পুরা এক বাল্টি পানি মাথার উপর ঢেলে দিব।আবারও চেচামেচি আরম্ভ করছ।দাড়াও একবার বাড়ি যাই তারপর তোমার ব্যাবস্থা করছি।দেখা যাবে কী করেন এখন ফ্রেশ হয়ে আসেন সবাই নিচে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।আচ্ছা তুমি যাও এখান থেকে আমি আসছি।

আমি চলে আসলাম।দশ মিনিট পরে মহাশয় আসলেন।বাবাজি আসো খেতে বসো।আন্টি আমাদের আজই বাসায় যেতে হবে।বাবার এই বয়সে একা ব্যাবসা সামলাতে কষ্ট হয়।কী বাবা আন্টি কেন বলছ মা বলো।ওহ স্যরি মা ভুল হয়ে গেছে।আর দুটি দিন থাকলে হতো না।না মা আবার অন্য সময় এসে থাকব।আমার মনটা খারাপ হয়ে গেল।মা বলছি কী আমি নাহয় একাই থাকি।না তানিশা অন্য সময় এসে থেকো।ভূতের মুখে রামরাম আমি আবাকের শেষ পর্যায় বলছে কী এটা।নিশ্চিত শাস্তি দেওয়ার প্লান আছ রাক্ষসের।কী আর কারার আবার রাক্ষসটার সাথে আমারও আসতে হলো।মাকে এবং বাবাকে বললাম ওল্টা আমাকে বকা দিয়ে বলল জামায়ের সাথে যা অন্যসময় এসে থাকিছ।গাড়িতে বসলাম।ওনি ড্রাইভিং করছে।মিস তানিশা দুদিন ধরে আমাকে ঠিক মকতো ঘুমুতেই দেন না এর শাস্তি পেতে হবে আপনাকে।আমি চুপ হয়েই রইলাম।

বাসায় পৌঁছে বউমা আসছ।বাড়িটা খালি হয়ে গেছিল তুমার যাবার পর।হ্যা এই জন্যই তো তাড়াতাড়ি চলে আসলাম।বাবা কোথায় মা সে তো ভোরেই অভিসে চলে গেছে ওহ আচ্ছা।আলো,ভাবি গলা ধরে তুমাকে আমি অনেক মিস করছি জানো।আমিও তোমাকে মিস করছি।তোমার সাথে অনেক গল্প আছে।আগে যাও তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে আসো।আচ্ছা যাচ্ছি।রাক্ষসটা এসেই রুমে চলে গেছে।ভয় করছে যদি কিছু বলে বা মারে তখন কী হবে ।😭😭রুমে প্রবেশ করলাম ওনি ওয়াসরুম থেকে বের হলো।রাগি দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।আমি পাশ কাটিয়ে ওয়াসরুমে যাব এমন সময় হাতটা ধরে ফেলল।শুনো আমার সাথে বেশি বাড়াবাড়ি করতে আসবা না।তাহলে অনেক খারাপ হবে।
চলবে......

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tanisha Ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share