22/02/2025
একসময় আমাদের নেইমারও এমবাপ্পের মতো ফাস্ট ছিলেন। ৩৪/৩৫ কি.মি বেগে দৌড়ানো চারটে খানি কথা না। নেইমার একসময় ৩৪/৩৫ কি.মি বেগে বল টানতো। সে কি গতি, বল পেলেই লেফট উইং থেকে সাইড লাইন ঘেঁষে দৌড়, একের পর এক ড্রিবলিং করে ডি-বক্সের দিকে মুভতারপর শট কিংবা চান্স ক্রিয়েট। সেই নেইমারকে বড্ড মিস করে ব্রাজিলিয়ানরা।
২০১৪ সালের ইনজুরিকে হার মানিয়ে নেইমার যে আবারও কামব্যাক করবে সেটা একরকম কল্পনার বাহিরেই ছিল। শুধুই কি কামব্যাক? সেই ইনজুরি থেকে ফিরেও মেসি রোনালদোর সাথে টক্কর দিতে এসেছিলেন। কিন্তু কথায় আছে না অভাগা যেদিকে যায় সাগর শুকিয়ে যায়। একের পর এক ইনজুরি একের পর এক রিকোভারি। ইনজুরি নামক শত্রুর সাথে যুদ্ধ করতে করতে বড্ড ক্লান্ত নেইমার। কিন্তু ফুটবল যে নেইমারের আবেগ সেটা জানে না ইনজুরি তাইতো ইনজুরি বনাম নেইমার যুদ্ধে বরাবরই নেইমার জিতে যায়।
নেই কোনো বিশ্বকাপ, নেই কোনো ব্যালন ডি অর কিংবা ফিফা দ্যা বেস্ট তাতে কি? আছে তার পায়ের যাদু। ব্যাস নেইমারিয়ানদের কাছে এটাই যথেষ্ট। একদিকে নেইমার মাসের পর মাস ইনজুরির সাথে লড়াই করে অন্যদিকে তার ভক্তরা দিন গুনতে থাকে কবে পিচে ফিরবে নেইমার। হঠাৎ করে একদিন চলে আসে নেইডে আহ সেই দিনের অনুভূতি নেইমার ভক্তরা ছাড়া আর কেউ বুঝবে না।
একের পর ইনজুরি, মিডিয়ার সমালোচনা, রাইভালদের ট্রল সবকিছুকে হার মানিয়ে এখনো যে নেইমার খেলছে এটাই
তো ব্রাজিলিয়ান দের বড় প্রাপ্তি।
হোক না গল্পটা ব্যার্থতায় ভরা
তবুও আমাদের গল্পে নেইমারই সেরা।
আমাদের নিজস্ব রাজা, আমাদের নিজস্ব ছাগল, আমাদের আবেগ।