Mahadev Bhakto

  • Home
  • Mahadev Bhakto

Mahadev Bhakto শ্মশান বাসির সাথে সম্পর্ক করেছি জনাব এই পৃথিবীর মানুষ আমার কিচ্ছু করতে পারবে না..🚩

মোক্ষদা একাদশীর মাহাত্ম্য:যুধিষ্ঠির বললেন, ''হে বিষ্ণু! আপনাকে আমি বন্দনা করি। আপনি ত্রিলোকের সুখ প্রদানকারী, বিশ্বেশ্বর...
01/12/2025

মোক্ষদা একাদশীর মাহাত্ম্য:

যুধিষ্ঠির বললেন, ''হে বিষ্ণু! আপনাকে আমি বন্দনা করি। আপনি ত্রিলোকের সুখ প্রদানকারী, বিশ্বেশ্বর, পুরুষোত্তম। আমার একটি সংশয় আছে। অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কী, বিধিই বা কী এবং কোন দেবতা এই একাদশীতে পূজিত হন, তা আমাকে বলুন।''

শ্রীকৃষ্ণ বললেন, "হে মহারাজ! আপনি উত্তম প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছেন, যার মাধ্যমে আপনার যশ চতুর্দিকে বিস্তৃত হবে। এখন এই একাদশীর কথা বর্ণনা করছি যা শোনামাত্রেই বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।

অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী 'মোক্ষদা' নামে পরিচিত। সর্বপাপবিনাশিনী ও ব্রত মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠা এই একাদশীর দেবতা শ্রী দামোদর। তুলসী, তুলসী মঞ্জরী, ধূপ, দীপ ইত্যাদি উপচারে শাস্ত্রবিধি অনুসারে শ্রী দামোদরের পূজা করতে হবে। পূর্ববর্ণিত বিধি অনুসারে দশমী ও একাদশী পালন করতে হবে। এই উপবাস দিনে স্তব-স্তুতি, নৃত্য-গীত আদি সহ রাত্রি জাগরণ করা কর্তব্য।
হে মহারাজ! প্রসঙ্গক্রমে একটি অলৌকিক কাহিনী আমি বলছি। মনোযোগ দিয়ে এই ইতিহাস শ্রবণ মাত্রই সর্বপাপ ক্ষয় হয়। যে পিতৃপুরুষেরা নিজ নিজ পাপে অধঃযোনি প্রাপ্ত হয়েছে, এই ব্রত পালনের পুণ্যফল বিন্দুমাত্র তাদেরকে দান করলে তারাও মুক্তিলাভের যোগ্য হন। কোন এক সময় মনোরম চম্পক নগরে বৈখানস নামে এক রাজা ছিলেন। তিনি ছিলেন সমস্ত বৈষ্ণব সদ্গুণে বিভূষিত। প্রজাদের তিনি পুত্রের মতো পালন করতেন। তার রাজ্যে বহু বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ বাস করতেন। রাজ্যের সকলেই ছিল বেশ সমৃদ্ধশালী। একবার রাজা স্বপ্নে দেখলেন যে তার পিতা নরকে পতিত হয়েছেন। তা দেখে তিনি অত্যন্ত বিস্মিত হলেন। পরদিন ব্রাহ্মণদের ডেকে বলতে লাগলেন, "হে ব্রাহ্মণগণ! গতরাত্রিতে স্বপ্নে নরকযাতনায় পিতাকে কষ্ট পেতে দেখে আমার হৃদয় বিদীর্ণ হচ্ছে। তিনি আমাকে লক্ষ্য করে বলতে লাগলেন, 'হে পুত্র! তুমি আমাকে নরকসমুদ্র থেকে উদ্ধার কর।' তার সেই অবস্থা দেখে আমার অন্তরে সুখ নেই। আমার এই বিশাল রাজ্য, স্ত্রী-পুত্র, কিছুতেই আমি শান্তি পাচ্ছি না। কী করি, কোথায় যাই কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। আমার পূর্বপুরুষেরা মুক্তিলাভ করতে পারেন এমন কোন পুণ্য ব্রত, তপস্যা ও যোগের কথা আমাকে উপদেশ করুন। আমি তা অনুষ্ঠান করব। আমার মতো পুত্র বর্তমান থাকা সত্ত্বেও যদি পিতা-মাতা, পূর্বপুরুষেরা নরক যাতনা ভোগ করতে থাকেন, তবে সে পুত্রের কী প্রয়োজন?''

ব্রাহ্মণগণ বললেন, "হে মহারাজ! আপনার রাজ্যের কাছেই মহর্ষি পর্বত মুনির আশ্রম রয়েছে। তিনি ত্রিকালজ্ঞ। তাঁর কাছে আপনার মুক্তির উপায় জানতে পারবেন।" ব্রাহ্মণদের উপদেশ শ্রবণ করে মহাত্মা বৈখানস তাঁদের সঙ্গে নিয়ে সেই পর্বত মুনির আশ্রমে গমন করলেন। তাঁরা দূর থেকে ঋষিবরকে সাষ্টাঙ্গ প্রণাম করে তাঁর কাছে গেলেন। মুনিবর রাজার কুশলবার্তা জিজ্ঞাসা করলেন। রাজা বললেন, "হে প্রভু! আপনার কৃপায় আমার সবই কুশল। তবে আমি একদিন স্বপ্নযোগে পিতার নরক যাতনা ভোগ ও কাতর আর্তনাদ শুনে অত্যন্ত দুঃখিত ও চিন্তাগ্রস্ত হয়েছি। হে ঋষিবর! কোন পুণ্যের ফলে তিনি সেই দুর্দশা থেকে মুক্তি পাবেন, তার উপায় জানতেই আপনার শরণাগত হয়েছি।"

রাজার কথা শুনে পর্বত মুনি কিছুক্ষণ ধ্যানস্থ হয়ে বললেন, "হে মহারাজ! পূর্বজন্মে তোমার পিতা অত্যন্ত কামাচারী হওয়ায় তার এরকম অধোগতি লাভ হয়েছে। এখন এই পাপ থেকে মুক্তির উপায় বর্ণনা করছি অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লপক্ষের মোক্ষদা একাদশী পালন করে সেই পুণ্যফল পিতাকে প্রদান কর। সেই পুণ্য প্রভাবে তোমার পিতার মুক্তি লাভ হবে।"

মুনির কথা শুনে রাজা নিজের প্রাসাদে ফিরে এলেন। সেই পবিত্র তিথির আবির্ভাবে তিনি স্ত্রী-পুত্রাদিসহ যথাবিধি মোক্ষদা একাদশী ব্রত পালন করলেন। ব্রতের পুণ্যফল পিতার উদ্দেশ্যে প্রদান করলেন। ঐ পুণ্যফল দানের সঙ্গে সঙ্গে আকাশ থেকে পুষ্পবৃষ্টি হতে লাগল। 'হে পুত্র! তোমার মঙ্গল হোক।' এই বলতে বলতে বৈখানস রাজার পিতা নরক হতে মুক্ত হয়ে স্বর্গে গমন করলেন।

হে মহারাজ যুধিষ্ঠির! যে ব্যক্তি এই মঙ্গলদায়িনী মোক্ষদা একাদশী ব্রত পালন করে, তার সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয় এবং মৃত্যুর পরে মুক্তি লাভ করে। এই ব্রতের পুণ্য সংখ্যা আমিও জানিনা। চিন্তামণির মতো এই ব্রত আমার অত্যন্ত প্রিয়। এই ব্রতকথা যিনি পাঠ করেন এবং যিনি শ্রবণ করেন, উভয়েই বাজপেয় যজ্ঞের ফল প্রাপ্ত হন।

✨💖ভগবান  #শ্রীরাম'কে ২৫ বছর বয়সে বনবাসে যেতে হয়েছিল। ভগবান শ্রীরাম ১৪টি স্থানে ১৪ বছর বনবাস কাটিয়েছিলেন–💖✨💖✨১)  #তমসা...
19/06/2025

✨💖ভগবান #শ্রীরাম'কে ২৫ বছর বয়সে বনবাসে যেতে হয়েছিল। ভগবান শ্রীরাম ১৪টি স্থানে ১৪ বছর বনবাস কাটিয়েছিলেন–💖✨

💖✨১) #তমসা_নদীর_তীর– মাতা সীতা এবং লক্ষ্মণের সাথে সুমন্তের রথে চড়ে ভগবান শ্রীরাম বনবাসের সময় প্রথম তমসা নদীর তীরে পৌঁছেছিলেন। এটি অযোধ্যা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ভগবান শ্রীরাম এখানে এক রাত শয়ন করেছিলেন।✨💖

💖✨২) #শৃঙ্গবেরপুর– এর পর ভগবান শ্রীরাম‌ তিনটি নদী পার হয়ে অয্যোধ্যার সীমান্ত পার হন। গঙ্গার শাখানদী গোমতী, বেদশ্রুতি ও সান্দিক্য নদী পার হয়ে প্রয়াগরাজ থেকে ২০ থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শৃঙ্গবেরপুরে পৌঁছান। শৃঙ্গবেরপুর ছিল নিষাদরাজ বন্ধু গুহকের রাজ্য। গুহক অনুরোধ করেছিলেন এই নিষাদ রাজ্যেই চৌদ্দ বছর অবস্থান করতে। কারণ নিষাদেরা বনে জঙ্গলে থাকতো। সেখানে অবস্থান করলেও চৌদ্দ বছরের বনবাসের শর্ত পালন করা যেতো। কিন্তু নিষাদ রাজ্য অয্যোধ্যার কাছাকাছি হওয়ায় ভগবান শ্রীরাম এখানে কেবলমাত্র একদিনই অবস্থান করেছিলেন। সারথি সুমন্ত নিষাদ রাজ্য থেকে বিদায় নিলে নিষাদরাজ গুহক নিজে নৌকার মাঝি হয়ে শ্রীরাম, মা সীতা ও লক্ষ্মণকে গঙ্গা পার করিয়ে দিয়েছিলেন। গঙ্গা পার হয়ে শ্রীরাম, লক্ষ্মণ এবং মা সীতা প্রয়াগে ঋষি ভরদ্বাজের আশ্রমে উপস্থিত হন। ঋষি ভরদ্বাজ তাঁদের চিত্রকূটে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন।💖✨

💖✨৩) #চিত্রকূট– সঙ্গম পেরিয়ে শ্রীরাম যমুনা নদী পার হয়ে চিত্রকূটে পৌঁছান। এই সেই জায়গা যেখানে ভরত তাঁর গুরু এবং সেনাবাহিনী সহ বড় ভাই রামকে অযোধ্যায় ফিরিয়ে নিতে এসেছিলেন। এখানেই শ্রীরাম তাঁর পাদুকা ভরতকে দিয়েছিলেন এবং তিনি তা সিংহাসনে রেখেই রাজ্যের ভার গ্রহণ করেছিলেন।💖✨

💖✨৪) #ঋষি_অত্রির_আশ্রম– চিত্রকূটের কাছে সাতনায় ঋষি অত্রির একটি আশ্রম ছিল। এখানেও শ্রীরাম কিছু সময় কাটিয়েছিলেন। এখানেই ঋষি অত্রির স্ত্রী অনুসূয়ার আশীর্বাদ থেকে ভাগীরথী গঙ্গার একটি পবিত্র স্রোত বের হয়েছিল। এই স্রোত মন্দাকিনী নামে বিখ্যাত। তাঁরা তাঁদের দণ্ডকারণ্যে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন।💖🌿

✨💖৫) #দণ্ডকারণ্য– শ্রীরাম দণ্ডকারণ্যে দশ বছরের বনবাস কাটিয়েছিলেন। এটি ছিল সেই বনাঞ্চল যেটিকে শ্রীরাম তাঁর আশ্রয়স্থল বানিয়েছিলেন।🌿💖

✨💖৬) #শাহদোল– এরপর তিনি শাহদোল অর্থাৎ অমরকণ্টকে যান। এই স্থানে একটি জলপ্রপাত আছে। যে জলাশয়ে জলপ্রপাত পড়ে তার নাম সীতাকুন্ড। বশিষ্ঠ গুহাও এখানে অবস্থিত।🌿💖

✨💖৭) #অগস্ত্য_মুনির_আশ্রম– শ্রীরাম দণ্ডকারণ্যে পঞ্চবটী অর্থাৎ নাসিকে পৌঁছানোর পর সেখানে তিনি ঋষি অগস্ত্যের আশ্রমে কিছু সময় অতিবাহিত করেন। এই সময় ঋষি তাঁকে অগ্নিকুণ্ডে তৈরি অস্ত্র উপহার দেন। এই জায়গার সাথে জড়িয়ে আছে অনেক গল্প। এটা বিশ্বাস করা হয় যে পঞ্চবটী অর্থাৎ পাঁচটি গাছ (অশ্বত্থ, বট, আমলকী, বেল এবং অশোক) জানকী, রাম এবং লক্ষ্মণ নিজ হাতে রোপণ করেছিলেন। এই স্থানেই লক্ষ্মণ শূর্পণখার নাক কেটে দেন এবং রাম-লক্ষ্মণের সঙ্গে খর-দুষণের যুদ্ধ হয়।🌿💖

✨💖৮) #সর্বতীর্থ– নাসিক থেকে ৫৬ কিলোমিটার দূরে সর্বতীর্থ অবস্থিত। এই স্থানে রাবণ-জটায়ুর যুদ্ধ হয় এবং জটায়ুর মৃত্যু হয়। বনবাসের ১৩তম বছরে এই স্থানে সীতাকে অপহরণ করা হয়েছিল।🌿💖

✨💖৯) #মাতা_শবরীর_আশ্রম– সর্বতীর্থের পর সীতার সন্ধানে শ্রীরাম অনুজ লক্ষ্মণ সহ ঋষ্যমূক পর্বতে পৌঁছেন। এরপর তিনি মাতা শবরীর আশ্রমে যান, যা বর্তমানে কেরালায় রয়েছে। এই আশ্রমটি পম্পা নদীর কাছে অবস্থিত।✨💖

✨💖১০) #ঋষ্যমুক_পর্বত– ঋষ্যমূক পর্বত ছিল বানরদের রাজধানী কিষ্কিন্ধার কাছে। এখানেই শ্রীরাম-লক্ষ্মণ হনুমান ও সুগ্রীবের দেখা পেয়েছিলেন, যারা সীতার সন্ধানে গিয়েছিলেন।🌿💖

✨💖১১) #রামেশ্বরম্– সীতার সন্ধানে, মর্যাদা পুরুষোত্তম লঙ্কায় আরোহণের আগে রামেশ্বরমে ভোলেনাথের পূজা করেছিলেন। এখানে তিনি শিবলিঙ্গ স্থাপন করেন।🌿💖

✨💖১২) #ধানুষ্কোডি– বাল্মীকি রামায়ণে উল্লেখ আছে যে ভগবান শ্রীরাম রামেশ্বরমের সামনে ধনুষ্কোডি নামক একটি স্থান আবিষ্কার করেছিলেন। এটি ছিল সমুদ্রের সেই বিন্দু যেখান থেকে সহজেই শ্রীলঙ্কায় পৌঁছানো যায়।🌿💖

✨💖১৩) #নুয়ারা_এলিয়া_পর্বতশ্রেণী– নুয়ারা এলিয়া পাহাড় থেকে প্রায় ৯০ কিমি দূরে বান্দ্রভেলার পাশে রাবণের প্রাসাদ ছিল। এই স্থানটি মধ্য লঙ্কার উঁচু পাহাড়ের মাঝখানে ছিল।🌿💖

✨💖১৪) #লঙ্কা– ভগবান শ্রীরাম এবং লঙ্কাপতি রাবণের মধ্যে যুদ্ধ ১৩ দিন ধরে চলেছিল। এরপর রাবণ বধের মাধ্যমে রাম-রাবণের যুদ্ধ শেষ হয়।✨💖💖

🌿💖লঙ্কা থেকে অযোধ্যায় ফেরার পথে শ্রীরাম আবার রামেশ্বরমে্ পৌঁছান, এরপর নাসিক থেকে প্রয়াগে ঋষি ভরদ্বাজের আশ্রমে পৌঁছে অযোধ্যায় ফিরে আসেন।

এভাবে বনবাসের কালে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, শ্রীলঙ্কা হয়ে আবার অযোধ্যায় ফিরে এসেছিলেন শ্রীরাম।✨💖

✨💖🙌🙇‍♀️জয় শ্রীরাম ❤️🌿🙇‍♀️🙌

16/06/2025

সত্যম্ শিবম্ সুন্দরম্🙏

চরক পূজা

আয়োজনে,,"নাসিরনগর কাশিপাড়া আদি সন্ন্যাসী বাড়ি"

❝অযথা কৈফিয়ত দিয়ে সময় নষ্ট করিও না, লোকে তাই শোনে যা তারা শুনতে চায়।❞  —পাওলো কোয়েলহো
22/05/2024

❝অযথা কৈফিয়ত দিয়ে সময় নষ্ট করিও না, লোকে তাই শোনে যা তারা শুনতে চায়।❞

—পাওলো কোয়েলহো

🕉️নরক আছে খোলা,স্বর্গে আছে তালা🌺🙏যদি চাবির সন্ধান চাও,তাহলে ঈশ্বরের নামটি🙏🌺🙏স্মরণ করে যাও🙏🌺_কারণ এই কলিযুগে মুক্তির একমা...
21/05/2024

🕉️নরক আছে খোলা,স্বর্গে আছে তালা🌺🙏
যদি চাবির সন্ধান চাও,তাহলে ঈশ্বরের নামটি🙏
🌺🙏স্মরণ করে যাও🙏🌺

_কারণ এই কলিযুগে মুক্তির একমাত্র পথই মধুর..
---এই কৃষ্ণ নাম,তাই আমরা সবাই মিলে বলি..🙏

👉🙏🕉️ হরে কৃষ্ণ🕉️🙏

Address


Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahadev Bhakto posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mahadev Bhakto:

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share

l="false"> Add listing
  • Login
  • Subscribe

    We will notify you when anything happens in Columbus.