29/05/2026
🇯🇵 ‘ভারতীয় আমে ব্যাপক পোকামাকড়’ 🇮🇳
২০ বছর পর আবারও ভারতীয় আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিল জাপান
🥭 জাপান সরকার ভারত থেকে আম আমদানির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। দেশটির কোয়ারেন্টাইন কর্মকর্তারা ভারতীয় Vapour Heat Treatment (VHT) কেন্দ্রে পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় ত্রুটি পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
🥭 এর ফলে চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে ভারতের জনপ্রিয় ও প্রিমিয়াম জাতের আম—আলফানসো, কেশর, ল্যাংড়া ও বাঙ্গানাপল্লি—রপ্তানি বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে।
🥭 ২০ বছরের মধ্যে প্রথম নিষেধাজ্ঞা
ফ্রুট ফ্লাই বা ফলের মাছির ঝুঁকির কারণে জাপান এর আগেও ভারতীয় আমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। পরে ভারত উন্নত তাপপ্রক্রিয়া ব্যবস্থা চালু করলে ২০০৬ সালে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। প্রায় দুই দশক পর আবারও একই ধরনের উদ্বেগ সামনে এলো।
🥭 জাপানের “জিরো টলারেন্স” নীতি
জাপান কৃষিখাতে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে ফলের মাছিকে দেশটির কৃষির জন্য বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এজন্য আম রপ্তানির আগে বাধ্যতামূলকভাবে Vapour Heat Treatment (VHT) করা হয়।
🥭 পরিদর্শনে কী পাওয়া গেছে?
গত মার্চে উত্তর প্রদেশের রহমানপুরে অবস্থিত একটি VHT কেন্দ্রে জাপানি কর্মকর্তারা পরিদর্শনে যান। সেখানে ফিউমিগেশন ও জীবাণুমুক্তকরণ প্রক্রিয়ায় কিছু ঘাটতি ধরা পড়ে বলে জানা গেছে। যদিও দুই দেশের কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত প্রযুক্তিগত ত্রুটির তথ্য প্রকাশ করেনি।
🥭 অর্তীতে জাপানের Yokohama Plant Protection Association ঘোষণা দেয়, ২৫ মার্চ ২০২৬-এর পর ইস্যুকৃত পরিদর্শন সনদযুক্ত ভারতীয় আম আর গ্রহণ করা হবে না।
🥭 রপ্তানিকারকদের জন্য বড় ধাক্কা
যদিও জাপান ভারতের সবচেয়ে বড় আমের বাজার নয়, তবে সেখানে ভারতীয় আম উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়। ফলে এই নিষেধাজ্ঞা রপ্তানিকারক ও চাষিদের জন্য বড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
🥭 বিশ্বের সবচেয়ে বড় আম উৎপাদনকারী দেশ ভারত। বছরে প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদিত হয় দেশটিতে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নিষেধাজ্ঞা ভারতের কৃষিপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।
✍🏿এনডিটিভি ॥ Japanbanglanews