The Trioo

The Trioo Let's explore the world

01/05/2024

যেই মেয়ে রা ব্রেকাপের পরে 'hair holds memory' বলে চুল কেটে ফেলে, তাদের কাছে একটা প্রশ্ন আছে। তোমাদের চুল যদি আগে থেকেই ছোট হইতো তাহলে কি মেমোরি দূর করার জন্য ন্যাড়া হইতে?🤓

25/04/2024

সবাইকে Blur করে তোমাকে Focus করলাম!
আর সেই তুমি কিনা আমাকেই Crop করে দিলে!!🙂

18/04/2024

অধিকাংশ ছেলেদের ই দেখি পারফেক্ট এক জোড়া ভ্রু থাকে। চোখ এমন যেন কাজল পড়িয়ে দেয়া। ইয়া বড় বড় আই ল্যাশ। দেখে যে কোনো মেয়েই বলবে, "ইশ, এমন টা যদি আমার হতো!"
এখন আমার প্রশ্ন হলো, মেয়ে রা কি এত সুন্দর করে চোখ সাজায় শুধুমাত্র নিজেদের কে ছেলে বানানোর জন্য?🙂

15/03/2024

একটা মনের মানুষও নাই যে ঈদে তারে কিছু গিফট করবো...🙂

14/03/2024

আজকে π দিবস অথচ তোমাকে π লাম না! 🙂

05/03/2024

তারপর বলুন, কে কয়বার আইডি লগ-ইন করার বৃথা চেষ্টা করেছেন? আর আইডি হ্যাক হয়েছে ভেবে এতক্ষণ ধরে কারা কারা হাহুতাশ করলেন? 🙂

05/03/2024

আরেকটু হলেই হার্ট অ্যাটাক করতাম 🙂

05/03/2024

জানে পানি আসলো 🥺🥲

Timeless love৭ দিন পর...ডাক্তার : তোমার নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়া উচিৎ। মাস খানেক পরেই তোমার অপারেশন। শুভ: আমি কি আজ বাড়ি...
07/02/2024

Timeless love

৭ দিন পর...
ডাক্তার : তোমার নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়া উচিৎ। মাস খানেক পরেই তোমার অপারেশন।
শুভ: আমি কি আজ বাড়ি যেতে পারি?
ডাক্তার: হ্যাঁ

শুভর কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। পরের মাসেই তার অপারেশন। ডোনারও পাওয়া গেছে

লাল গোলাপের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে আছে শুভ। রুহি কে মেসেজ দিয়ে বলল তাড়াতাড়ি ক্যাফে তে পৌছাতে। সাথে হুমকিও দিল দেরি করলে দুই ঘন্টা বসিয়ে রাখবে।

আজ রুহি দারুন খুশি। কারণ আজ শুভ নিজে ক্যাফে তে বসার কথা বলেছে।

----

পশ্চিম আকাশে সূর্য অনেক আগেই ঢলে পড়েছে। ক্যাফে থেকে বেড়িয়ে বাড়ির রাস্তা ধরছে শুভ। আজ সারাদিন সে রুহির জন্য অপেক্ষা করেছে কিন্তু রুহি আসেনি। বাড়ি ফিরে টিভিতে শুভ একটা নিউজ দেখতে পায়। তাদের ইউনিভার্সিটির একটা মেয়ে সকালে রোড এক্সিডেন্ট এ মারা গেছে। পুরো নিউজ টা সে আর শোনে না। কারণ সে অনেক ভীতু...

৬ মাস পর...
হ্যাঁ, রুহি মারা গেছে আজ ৬ মাস হলো। রোজকার মতো আজও শুভ চেয়ারে বসে আছে হায়ে নোটস গুলো নিয়ে যেগুলো রুহি তাকে দিয়েছিল। নোটস বললে ভুল হবে। আসলে ওগুলো রুহির লেখা কিছু কথা যা রুহি শুভ কে বলতে চাইতো

।।।।।।।।।।।।।।রুহির লেখা কথা।।।।।।।।।।।।।
বলো তো আমাদের প্রথম কবে দেখা হয়েছিল? তুমি বলবে ক্লাসে। কিন্তু না। আমি তোমাকে চিনি আরো এক বছর আগে থেকে। আমি প্রথম তোমায় হসপিটাল এ দেখেছিলাম। সেই দিন ডাক্তার বলেছিলেন আমি আর বেশি দিন বাচবো না। কাওকে আবার এ কথা বলো না, এটা সিক্রেট। জান প্রথম দিন আমি যখন তোমার নাম জিজ্ঞেস করলাম আর তুমি চলে গেলে সেদিন আমার অনেক খারাপ লেগেছিল। তার পরেও আমি তোমার সাথে হেসে কথা বলেছি। মনে আছে হসপিটালে যেদিন তোমার সাথে দেখা হলো? ওই দিন কোনো কাজিনের জন্য নয়, আমার নিজের জন্য গিয়েছিলাম। সেদিন রাতে তোমায় ফোন দিয়েছিলাম। কারণ তখন মনে হচ্ছিল আমি মারা যাচ্ছি। খুব কষ্ট হচ্ছিল।
শুভ, আমি মরতে ভয় পাই। আমি বাচতে চাই। প্রতিটি শিশির কণা হতে চাই। রোদের প্রথম পরশ হতে চাই। অনেক অনেক দিন বাচতে চাই। তবুও আমি খুব খুশি কারণ আমার মৃত্যুর পরে আমার কিডনি তোমায় দেয়া হবে। জীবন টা খুব ছোট। প্লিজ ইনজয় ইট। কিন্তু তুমি যদি জীবন টা বন্ধ দরজার মধ্যে কাটাতে চাও তবে কাটাতে পার। আর যদি খোলা আকাশের নিচে বুক ভরে বাচতে চাও, তবে বলব 'ওয়েলকাম মিস্টার '
আর হ্যাঁ, আমি বেচে থাকবো তোমার মধ্যে....

এই নিয়ে কত বার লেখাটা শুভ পড়েছে সে নিজেও জানে না। তবুও পড়তে ভালো লাগে। প্রতিবার মনে হয় রুহি তার সামনে বসে বিনা সংকোচে কথা গুলো বলছে।

(সমাপ্ত)

Written by Kumori Sora

Part 3পরের দিন সকালে সাকিব আমায় সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিল। আমার শশুর মশাই কে দেখে মনে হচ্ছে না সে আমার প্রতি সন্তুষ্ট। জ...
01/02/2024

Part 3

পরের দিন সকালে সাকিব আমায় সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিল। আমার শশুর মশাই কে দেখে মনে হচ্ছে না সে আমার প্রতি সন্তুষ্ট।
জয়েন্ট ফ্যামিলি সবসময়ই আমার কাঙ্খিত। তাই নিজেকে যথেষ্ট মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি। আমি আর রেণু সাহেদের বাসরের খাট সাজাচ্ছি। হ্যাঁ, সাহেদের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে সেই মেয়েটির সাথে যাকে ও প্রেগন্যান্ট করে ফেলেছে। রেণু বলল সেই জন্যই হয়তো আমার শশুর মশাই এর মন মেজাজ ভালো নেই।

৩ মাস পর :
আজ তিন মাস হয়ে গেল আমার আর সাকিবের বিয়ের। শশুর বাড়ি তেই আছি। গ্রামের মধ্যে শশুর বাড়ি আমার।বাইরের দুনিয়ার সাথে আমার যোগাযোগ নেই বললেই চলে। আমার জা সবিতা বেশ ভালো মেয়ে। চার মাসের অন্তঃস্বত্তা সে। আমি যথেষ্ট খেয়াল রাখার চেষ্টা করি মেয়েটার। এখানে এসে যা বুঝলাম তা হলো এই পরিবারের ছেলেরা মেয়েদের অতটা সম্মান করে না। সাহেদ সবিতার সাথে খুব একটা ভালো ব্যবহার করে না। মেয়ে টা প্রায়ই কান্নাকাটি করে। ভাবলাম সাহেদের সাথে কথা বলি। সাহেদ এর সাথে কথা বলতে গিয়ে দেখি সাকিব আর সাহেদ কোনো একটা বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি করছে। আমি সাহেদ কে ডাকতেই সাকিব চিৎকার দিয়ে উঠল, "দেখছ না আমরা দুই ভাই কথা বলছি? এর মাঝে কথা বলতে আসো কেন?"
আমি ভয়ে থমকে দাড়ালাম। "সাহেদ এর সাথে একটু কথা ছিল।"
"দেওর এর সাথে আবার কিসের কথা! যাও ভেতরে যাও!"
আমি কান্না করতে করতে ভেতরে চলে গেলাম। কখনো কল্পনাও করতে পারিনি সাকিব আমার সাথে এমন টা করতে পারে!
অনেক কিছু বলার ছিল সাকিব কে। কিন্তু আমি বলব না। রাগ করে ঘুমিয়ে পড়লাম। সে কখন ঘরে এসেছে তা বুঝতেও পারিনি।

২ দিন পর-
আজ কয়েকদিন ধরেই প্রেগন্যান্সির সিম্পটম দেখা দিচ্ছে। সাকিবের সাথে এ বিষয়ে কথা বলার সময়ই পাচ্ছি না। ও কেমন যেন হয়ে গেছে। আমার আগের সাকিব এখন আর ও না। এ যেন অন্য কেউ। মাঝে মাঝে চেনা লাগে, আবার মনে হয় অচেনা।
আজ সব অভিমান ভেঙে সাকিবকে কথা টা বলেই দিলাম। ও প্রথমে বিষয় টা বুঝতে না পারলেও কিছুক্ষণ পর আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেল। সাকিবের খুশি মুখ দেখে মনে হলো আমি আবার আমার সাকিবকে ফিরে পেয়েছি। আমার হাস্যজ্জ্বল সাকিব, যে কিনা তার মায়ার জন্য পাগল ছিল।
সেদিন সারা রাত সাকিব আমাকে জড়িয়ে ধরে রেখেছিল। আমি ভাবতেও পারিনি সাকিব এতটা খুশি হবে।
---
৫ মাস পর।

আমার জা এর একটা ছেলে হয়েছে আজ ৩ দিন। বাড়িতে প্রায় উৎসব মতো লেগে গেছে। শাশুড়ি মা বলেছিলেন ডাক্তারের কাছ থেকে আল্ট্রাসাউন্ড করিয়ে আনতে, আমার সন্তান ছেলে নাকি মেয়ে জানার জন্য। আমি রাজি হয়নি। বলেছিলাম, যাই ই হোক, আমার সন্তান সে। মা আর বেশি জোর করেন নি। তবে আমার বাহ্যিক ভঙ্গিমায় নাকি মনে হয় আমার মেয়ে হবে।

Part 4রুহি ও তার ভার্সিটির বন্ধুরা মিলে সুন্দরবন এসেছে। আপাতত সামনের দুইদিন জমিয়ে ঘুরবে সে। কিন্তু অবাক হয় যখন জানতে পার...
27/01/2024

Part 4

রুহি ও তার ভার্সিটির বন্ধুরা মিলে সুন্দরবন এসেছে। আপাতত সামনের দুইদিন জমিয়ে ঘুরবে সে। কিন্তু অবাক হয় যখন জানতে পারে শুভও এসেছে।
বিগত কিছু সময় ধরে শুভর পিছনে হাটছে সে।
শুভ: আমাকে অনুসরণ করা বন্ধ কর। যাও তোমার সাব্বির ভাইয়ার কাছে যাও।(সাব্বির রুহির ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র ভাই। সাব্বিরের সাথেই রুহি কে কথা বলতে দেখেছিল শুভ সেদিন)
বোকার মতো দাঁড়িয়ে রইল রুহি। কী বলবে বুঝতে পারলো না।

পড়ন্ত বিকেল। ইতিমধ্যে কেউ কেউ বেরিয়ে পরেছে আশ পাশ টা ঘুরে দেখতে। যদিও বেশি দূরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ।
সাব্বির: আমি এর আগেও অনেক বার এখানে এসেছি। তুমি চাইলে তোমায় ঘুরিয়ে দেখাতে পারি।
রুহি: ওকে ডান।
বিদ্যুৎ গতিতে এসে শুভ রুহির হাত ধরে একই গতিতে রুহিকে নিয়ে গেল। উপস্থিত কেউ বুঝলোনা কী ঘটে গেল।
রুহি: এটা কী হলো?
শুভ: তুমি ওই ছেলের সাথে মিশবে না।
রুহি: বললেই হলো হলো নাকি? আর আমি কি বোবা নাকি? নাকি আমার মুখ নেই?
দুজনে কথা বলতে বলতে হঠাৎ খেয়াল করলো তারা জঙ্গলের অনেক ভিতরে চলে এসেছে। একটু পর সন্ধ্যা নামবে। এদিকে পথ হারিয়ে ফেলেছে দুজনেই। রুহির তো হাত পা ছড়িয়ে কান্না করার উপক্রম। আর আমাদের শুভ, তাকে আপাতত বিন্দাস দেখাচ্ছে।
রুহি: সব তোমার জন্য হয়েছে।
শুভ: ফালতু কথা বাদ দিয়ে বের হওয়ার রাস্তা খোঁজ।
কারো পায়ের শব্দে সজাগ হয়ে ওঠে রুহি আর শুভ। পাশেই কোথাও হয়তো মধু নিতে এসেছিল মৌয়াল এর দল। তাদের সাথে তাদের গ্রামে গেল রুহি আর শুভ।

রাত কত বাজে জানা নেই। দূর জঙ্গল থেকে পশু পাখির শব্দ শোনা যাচ্ছে। চারদিকে নিস্তব্ধতা। ছোট একটা কাঠে আগুন জ্বলছে। তার পাশে বসে আছে শুভ আর রুহি। আকাশের পানে তাকিয়ে জীবনের হিসাব মিলাচ্ছে শুভ। বেরঙ জীবন টা আজকাল রঙিন লাগে। চারপাশে প্রেম প্রেম আবেশ ঘিরে থাকে। খুব করে বাচতে ইচ্ছা করে।
-
--
খুব ভালোভাবে কাটে তাদের ট্যুর। ক্লাসের শেষ বেঞ্চে রোজকার মতই বসে ছিল শুভ। রুহি দৌড়ে এসে হাত ধরে শুভ কে ক্লাসের বাইরে নিয়ে যায়।
রুহি: আজকে আমরা ক্লাস বাঙ্ক দিচ্ছি।
শুভ: কী!
রুহি: হুম। আজ আমরা পুরো শহর ঘুরবো।
শুভ: একদম বাজে আইডিয়া।
রুহি: উফফ চলো তো

রাত বারোটা বাজে।
খাবারের চামচ হাত থেকে পড়ে যায় শুভর। খেতে পারছে না সে। এ কেমন অনুভূতি? তবে কি এটাকেই মৃত্যু ভয় বলে? সে কি মারা যাচ্ছে? চোখ জোড়া ঝাপসা হয়ে আসছে। সে যেন গভীর খাদে হারিয়ে যাচ্ছে....

Timeless love
Written by Kumori Sora

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Trioo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share