Tumpa's lifestyle

  • Home
  • Tumpa's lifestyle

Tumpa's lifestyle অন্যের দোষ খোঁজার আগে, আয়নায় নিজের টা খুঁজবেন, বুঝবেন এবং শুধরে নিবেন।সময় নষ্ট করতে হলে নিজেকে নিয়ে করুক, অন্যকে ভেবে নয়...
(2)

শুভ রাত্রি 😴😴
28/07/2025

শুভ রাত্রি 😴😴

গল্প: “অদৃশ্য আত্মীয়”গ্রামের এক প্রান্তে বাস করত রাজু। খুব সাধারণ এক জীবন, কৃষি কাজ করে সংসার চালায়। পরিবার বলতে মা,  ...
23/07/2025

গল্প: “অদৃশ্য আত্মীয়”

গ্রামের এক প্রান্তে বাস করত রাজু। খুব সাধারণ এক জীবন, কৃষি কাজ করে সংসার চালায়। পরিবার বলতে মা, বাবা ছোট ভাই আর এক ভাঙা ঘর। রাজু ছোটবেলা থেকেই বুঝেছিল, তাদের পরিবারের ওপর আত্মীয়-স্বজনদের তেমন ভরসা নেই। তবে বিপদে পড়লে সবাই আসে, সাহায্যের জন্য নয়—উপকার নেওয়ার জন্য।

রাজু খুব কষ্ট করে নিজের পড়ালেখা চালিয়ে গিয়েছিল। পরে চাকরি পেয়ে শহরে চলে যায়। শহরের ব্যস্ত জীবনে সে তার পরিবারের দায়িত্ব ভুলে যায়নি এক মুহূর্তও। প্রতি মাসে টাকা পাঠায়, বাড়ির খরচ , ভাইয়ের পড়াশোনা—সব সামলে চলে।

হঠাৎ একদিন রাজুর এক আত্মীয় ফোন করে—
“তোর বড় ভাইয়ের চাকরির জন্য একটা লোক দরকার, তুই তো এখন বড় অফিসে আছিস, একটু সাহায্য কর।”

রাজু কিছু না বলেই চেষ্টা করে, চাকরিটা পাইয়ে দেয়। কেউ ধন্যবাদও জানায় না।

এভাবেই একে একে আত্মীয়-স্বজনরা আসতে থাকে—

কারো বাচ্চার ভর্তি

কারো বিয়ের খরচ

কারো জমিজমার ঝামেলা

সব কিছুর জন্য রাজুর দরজাই যেন শেষ ভরসা।

কিন্তু বছর ঘুরতেই রাজুর বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লেন। জরুরি অপারেশন দরকার। রাজু তখন দেশের বাইরে ছিলো অফিসের কাজে। খুব অসহায় অবস্থায় সে আত্মীয়দের ফোন করে—
“আমার মা হাসপাতালে ভর্তি, একটু সাহায্য দরকার, আমি পৌঁছাতে দেরি হবে।”

কেউ বলে,
“ভাই, এখন তো সময় নেই।”
কেউ আবার ফোনই ধরল না।

রাজুর বাবা অনেক কষ্টে অপারেশন পার করলেন, পরে সে নিজেই ফিরে সব খরচ সামলে নেয়।

সেই দিন রাজুর চোখ খুলে যায়।

একদিন নিজের ছোট ভাইকে নিয়ে বসে বলল,
“দেখিস, জীবনে যত বড় হবি, আত্মীয়-স্বজনের কথা মনে রাখবি, কিন্তু চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করবি না। আমরা যত দিন কিছু দিতে পারব, তত দিনই ওরা আপন। বিপদে পড়লে ওরা অদৃশ্য হয়ে যাবে।”

সেই দিন থেকে রাজু সিদ্ধান্ত নেয়—কেউ বিপদে পড়লে সাহায্য করবে ঠিকই, কিন্তু নিজের সংসার, নিজেকে আগে গুরুত্ব দেবে।
গল্পের শিক্ষা:

সবাই আমাদের পাশে থাকে না। পরিবার বলেই সবসময় বিশ্বাস করা যায় না। সত্যিকারের মানুষ তারাই, যারা প্রয়োজনে নিরবে পাশে থাকে—বিনা স্বার্থে।

পথের আলোনিমগ্নপুর—a ছোট্ট, সবুজে ঘেরা এক গ্রাম। চারদিকে ধানক্ষেত, মাটির রাস্তা, আর নিস্তব্ধ দুপুরবেলার কোকিলের ডাক। সেই ...
22/07/2025

পথের আলো

নিমগ্নপুর—a ছোট্ট, সবুজে ঘেরা এক গ্রাম। চারদিকে ধানক্ষেত, মাটির রাস্তা, আর নিস্তব্ধ দুপুরবেলার কোকিলের ডাক। সেই গ্রামে বাস করে ষোলো বছরের রুশনী। রুশনী একটু অন্যরকম। সবার মত শুধু রান্না-বান্না বা গরু-ছাগল চরাতেই তার মন বসে না। বইয়ের পাতায় চোখ রাখলেই তার মুখে আলো ফুটে ওঠে।

তার বাবা, হরিদাস মিস্ত্রি, গ্রামের একমাত্র ছুতার মিস্ত্রি। মা বাসন্তী বেগম গৃহিণী। তাদের সংসার খুব সাদাসিধে, কিন্তু ভালোবাসায় পূর্ণ।

রুশনী স্কুলে যায় প্রতিদিন, হেঁটে প্রায় তিন কিলোমিটার পথ পেরিয়ে। সাদা স্কুল ড্রেস, মাথায় বিনুনি করা চুল আর হাতে গাট্টাগোট্টা বইয়ের ব্যাগ নিয়ে সে যখন স্কুলে যায়, তখন গ্রামের লোকেরা তাকিয়ে বলে,
— “এই মাইয়াটা একদিন অনেক দূর যাইবো...”

রুশনীর স্বপ্ন ছিল—ডাক্তার হবে। কারণ, তার ছোট ভাইটা একবার খুব অসুস্থ হয়েছিল, আর গ্রামে ডাক্তার ছিল না। সেই ভয়াবহ রাত তার মনে গেঁথে আছে। তার ছোট ভাই সেরে উঠলেও, রুশনী নিজের ভেতর একটা দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল—
"আমি ডাক্তার হবো, আমি আমার গ্রামকে সেবা করবো।"

কিন্তু সব স্বপ্ন সহজে পূর্ণ হয় না।

একদিন রুশনীর বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। ডাক্তার বলল, হার্টের সমস্যা। শহরে নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু টাকা নেই। বাড়ির গরু বিক্রি করে কোনোভাবে চিকিৎসা করানো হলো, কিন্তু বাবার কাজ বন্ধ হয়ে গেল।

এদিকে মাধ্যমিক পরীক্ষা সামনে। রুশনীর স্কুল যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। মা বলে,
— “তুই থাক ঘরে, ভাইটারে দেখ, আমি ক্ষেতে কাম করি...”

রুশনী রাতে চুপিচুপি পড়াশোনা চালিয়ে যায়। হারিকেনের আলোয়, ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দে, তার চোখে ঘুম না আসা অনেক রাত।
সে ফরম ফিলাপের টাকাও জোগাড় করতে পারে না। কিন্তু হাল ছাড়ে না। একদিন গ্রামের প্রধান, রহিম চাচা, জানতে পেরে তার পরীক্ষা ফি দিয়ে দেয়।

রুশনী পরীক্ষায় বোর্ডে মেধা তালিকায় আসে। পত্রিকায় নাম ছাপে—"নিমগ্নপুরের রুশনী, অসাধারণ ফলাফলের গল্প"।

এরপর অনেক কষ্টে, বৃত্তি নিয়ে শহরে কলেজে ভর্তি হয়। প্রথমবার শহরে গিয়ে ভয় পায়, কিন্তু ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে যায়।

চার বছর পর, আজ রুশনী একজন ডাক্তার। সে শহরে থাকতেও পারত, কিন্তু ফিরে এসেছে তার নিজ গ্রামের ক্লিনিকে। লোকজন বলে,
— “আমাদের রুশনী এখন গ্রামের আলো, আমাদের মেয়েটা আমাদেরই রত্ন।”
রুশনী এখন শুধু ডাক্তার নয়, অনেক মেয়ের অনুপ্রেরণা। সে সপ্তাহে একদিন মেয়েদের পড়ায়, তাদের স্বপ্ন দেখতে শেখায়।
শেষ কথা
রুশনীর গল্প শুধু এক মেয়ের নয়—এটি হাজারো গ্রামের মেয়েদের গল্প, যারা স্বপ্ন দেখে, লড়াই করে, আর আলো হয়ে উঠে।

গল্পের নাম: “নির্বাসনের ঘর”ছোটবেলা থেকেই শাওনের জীবনটা এক অদ্ভুত শূন্যতায় ভরা। তার মা-বাবা ছিলেন জীবিত, কিন্তু অনুভবে য...
21/07/2025

গল্পের নাম: “নির্বাসনের ঘর”

ছোটবেলা থেকেই শাওনের জীবনটা এক অদ্ভুত শূন্যতায় ভরা। তার মা-বাবা ছিলেন জীবিত, কিন্তু অনুভবে যেন তাদের অস্তিত্ব কখনোই ছিল না। শাওন বড় হয়েছে নানা-নানির কাছে। মা মাঝে মাঝে ফোন করত, বাবা তেমন একটা খোঁজ নিত না। আত্মীয়-স্বজনের চোখে এটা স্বাভাবিক ছিল — "বাচ্চা তো, দাদাবাড়িতে ভালোই আছে!"

শাওন বুঝে গিয়েছিল, তাকে কেউ চায় না। অথবা, তাদের জীবনে তার চাওয়াটা অপ্রয়োজনীয়।

কিন্তু সে হাল ছাড়েনি। পড়াশোনা করেছে, চাকরি পেয়েছে, নিজের মতো একটা জীবন গড়ে তুলেছে। তারপর বিয়ে — মায়ার সাথে। মায়া ছিল একদম আলাদা। ভালোবাসতো, শ্রদ্ধা করতো, বোঝাতে চাইতো — “তুমি নিজের অতীত না, তুমি নিজের ভবিষ্যৎ।”

একটা ছোট সংসার, একটা ফুটফুটে ছেলে — সায়ন।
শাওনের জীবনে প্রথমবারের মতো একটা "পুরো পরিবার" ছিল।
এবং সেটাই যেন গাত্রদাহের কারণ হলো তার পুরনো পরিবারের।

হঠাৎ করেই মা ফোন করে বললো —
“তুই তো এখন সুখেই আছিস, ছেলেমেয়েকে নিয়ে! আমাদের তো ভুলেই গেছিস!”

শাওন চুপ করে শুনে গেলো। সেই মা, যিনি তার ছোটবেলার জন্মদিনেও পাশে ছিলেন না, আজ খোঁজ নিচ্ছেন।

তারপর এলো সামাজিক চাপ।
"তোর বউ তোকে আলাদা করে ফেলেছে",
"ছেলের বউ ভালো না, আগলে রেখেছে তোকে",
"তুই বদলে গেছিস!"

আসলে, কেউ বোঝে না — শাওন আসলে প্রথমবার নিজের জন্য একটু ভালোবাসা খুঁজে পেয়েছে।
সে বদলায়নি, সে তো সবসময়ই এই মানুষটা ছিল — শুধু এবার, সে নিজের পরিবার গড়েছে, যেখানে তার সন্তানের যেন তার মতো অতীত না হয়।

শেষে একদিন মা এসে বললেন —
“তুই যদি চাস, আমাদের সম্পর্ক আবার ঠিক হতে পারে। কিন্তু তোকে আগে মায়ার উপর কর্তৃত্ব রাখতে হবে। ওর মত চলবি না।”

শাওন দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছিল,
“আমি ক্ষমা করে দিতে পারি মা, ভুলে যেতে পারি না। আর, যাকে পাশে পেয়ে আমি মানুষ হতে পেরেছি — তাকে ফেলে আমি আবার শূন্যতায় ফিরতে চাই না।”

---

শেষ কথা:
সব পরিবার রক্ত দিয়ে তৈরি হয় না। কিছু পরিবার ভালোবাসা দিয়ে গড়ে ওঠে — এবং সেই ভালোবাসাই হয় প্রকৃত আশ্রয়।

নিঃশব্দের ভাষাশুরুটারুদ্র আর অনন্যার দেখা হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে। রুদ্র ছিল শান্ত, একটু কুন্ঠিত ধরনের। অনন্য...
19/07/2025

নিঃশব্দের ভাষা

শুরুটা

রুদ্র আর অনন্যার দেখা হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে। রুদ্র ছিল শান্ত, একটু কুন্ঠিত ধরনের। অনন্যা ঠিক উল্টো—চঞ্চল, প্রাণবন্ত, আর খুব স্পষ্টভাষী। প্রথম দিনেই ক্লাসে রুদ্র তার পাশে বসেছিল। কথা হয়নি, শুধু একবার চোখাচোখি হয়েছিল। সেই একবারেই যেন দু’জনের ভেতর এক অদ্ভুত সেতুবন্ধন তৈরি হয়ে যায়।

ক্লাসের পর রুদ্র ধীরে ধীরে অনন্যার প্রতি আকৃষ্ট হতে শুরু করে। কিন্তু সে কখনো কিছু বলতে পারেনি। তার ভেতরের দ্বিধা, ভয়, আর অভিমান মিলে এক অদৃশ্য দেয়াল গড়ে দেয় তার চারপাশে।

বন্ধুত্ব

সময় যত গড়ায়, তাদের বন্ধুত্ব গাঢ় হয়। অনন্যা সবসময় রুদ্রকে বুঝতে চাইত, তার ভাবনা, তার নিঃশব্দ থাকা। রুদ্র অনন্যার হাসির মধ্যে নিজের স্বপ্ন খুঁজে পেত। কিন্তু তবুও, সে কিছু বলত না। হয়তো ভয় পেত, হয়তো ভাবত—“সে তো এত ভালো, আমি তাকে কী দিতে পারি?”

একদিন অনন্যা মৃদু হেসে বলেছিল,
"রুদ্র, তুমি কখনো ভালোবাসা নিয়ে কিছু বলো না কেন?"

রুদ্র হেসে এড়িয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা কাঁপন লেগে গিয়েছিল।

ভালো লাগা না বলা ভালোবাসা

সময় গড়াল, বিশ্ববিদ্যালয় শেষ হলো। চাকরি, জীবন, দায়িত্ব—সব একেক দিকে টেনে নিয়ে গেল তাদের। অনন্যা অন্য শহরে চলে গেল, রুদ্র থেকে গেল নিজের জায়গায়। কথাবার্তা কমে গেল। মাঝে মাঝে হয়তো হোয়াটসঅ্যাপে “কেমন আছো?” এক দুইবার।

রুদ্র জানত, সে কিছু বলেনি। বলতে পারেনি।
তাকে ভালোবাসত, কিন্তু বললে যদি সে দূরে চলে যেত?
তাই বলেনি।

হঠাৎ একদিন...

বছর তিনেক পরে, হঠাৎ একদিন রুদ্র জানতে পারল অনন্যার বিয়ে ঠিক হয়েছে। বুকের ভেতর যেন একটা কিছু থমকে গেল। একটা অদৃশ্য বোঝা দীর্ঘদিন ধরে চেপে ছিল, আজ সেটা যেন ভেঙে পড়ল।

সে কেবল একটা মেসেজ করল:

> “অনন্যা, তোমার জন্য খুশি হলাম। অনেক ভালো থেকো।”

অনন্যা উত্তর দিল:

> “ধন্যবাদ রুদ্র। জানো, আমি সবসময় চেয়েছিলাম তুমি একদিন বলো—‘তোমাকে ভালোবাসি’। কিন্তু তুমি না বললে, আমি তো কখনো জোর করতে পারি না। তাই আজ আমি চলে যাচ্ছি।”

রুদ্র বুঝেছিল—সে ভালোবাসত, কিন্তু প্রকাশ করেনি। আর আজ সে হারাল।

শেষটুকু

বন্ধুরা জিজ্ঞেস করে,
“তুই তো কখনো তাকে খারাপ কিছু বলিসনি, তাহলে কষ্ট কিসের?”
রুদ্র উত্তর দেয় না। শুধু মনে মনে ভাবে:

> “তাকে না ভালো বলতে না পারলে, কখনো খারাপ বলো না…
কারণ না বলা ভালোবাসার চেয়ে ভয়ংকর কিছু নেই,
আর তার চেয়েও ভয়ংকর হলো—না বলা বিদায়।”

---

শেষকথা:

ভালোবাসা যদি মনে থাকে, বলেই ফেলো। কারণ না বলা ভালোবাসা শুধু হারানোর গল্প হয়ে থাকে। আর জীবন কোনো গল্প নয়—এটা একটাই সুযোগ

পুরোটা নিজের সাথে মিলে গেল...গল্পের নাম: "নিরব নায়িকা"অবন্তিকার ক্লান্ত চোখে ঘুম নেই। চোখের নিচে কালি পড়েছে বহুদিন আগে...
19/07/2025

পুরোটা নিজের সাথে মিলে গেল...

গল্পের নাম: "নিরব নায়িকা"

অবন্তিকার ক্লান্ত চোখে ঘুম নেই। চোখের নিচে কালি পড়েছে বহুদিন আগেই, কিন্তু সেটাও এখন তার জীবনের স্বাভাবিক চিহ্ন হয়ে গেছে।
স্বামী অফিস থেকে ফিরেছে, সন্তান ঘুমোচ্ছে, রান্নাঘরের গ্যাস বন্ধ হয়েছে... সবকিছু ঠিকঠাক।

সবাই ভাবে অবন্তিকা একটা “পারফেক্ট হাউজওয়াইফ”।
কিন্তু কেউ জানে না, দিনের পর দিন নিজের স্বপ্নগুলোকে সে ছুটি দিয়েছে।
ছোটবেলায় সে পুলিশ হতে চেয়েছিল।
কিন্তু তারপর বিয়ে, সংসার, বাচ্চা… আর সব স্বপ্ন আটকে গেল রান্নাঘরের ধোঁয়ায়।

তার স্বামী ভালো মানুষ, কিন্তু “তুমি তো ঘরেই থাকো” বলে অনেক কিছু আশা করে বসে।
শাশুড়ি বলেন, “আমার সময়ে তো দুটো বাচ্চা, সংসার, পরিবার সব সামলেছি।”
পাড়া-পড়শি বলে, “অবন্তিকা তো সব সামলে ফেলে, ওকে বলে দিলেই হয়।”

অবন্তিকা তাই “হ্যাঁ” বলতেই শিখেছে।
সব জায়গায়, সব সময়।

আজ রাতে সে চুপচাপ জানালার ধারে বসে ছিল।
হাতে একটা পুরনো ডায়েরি—কলেজ জীবনের, যেখানে শেষ পাতায় লেখা ছিল:

"আমি একদিন নিজেকে হারাতে চাই না।"
অবন্তিকা হাঁসলো, একরাশ কষ্ট নিয়ে।
সে জানে, সে অনেক আগেই হারিয়ে গেছে।

হঠাৎ সে নিজের মেয়েকে ডাকে—“তুই কী হতে চাস বড় হয়ে?”
মেয়ে বলে, “মা, আমি তোমার মতো হতে চাই না। আমি নিজের মতো বাঁচতে চাই।”

সেদিন প্রথমবার অবন্তিকার চোখে জল এল, কিন্তু সেটাও একরকম মুক্তির জল।

---

এই গল্পের শেষে একটাই বার্তা:
প্রিয় মেয়েরা,
দায়িত্ব নেয়া একটা গুণ, কিন্তু সব সময় নিজেকে ভুলে গেলে সেই গুণ অভিশাপে পরিণত হয়।
নিজেকে ভালোবাসো, নিজের জন্যও সময় রাখো।
কারণ একটা কথা মনে রেখো—যদি তুমি সব সময় সব সামলে ফেলো, তাহলে সবাই ধরে নেবে তুমি সব সামলাতেই পারো।

এটা মেনে নিও না।
নিজেকে সময় দাও, সম্মান দাও, আর “না” বলার সাহস রাখো।

যারা নিজে দায়িত্ব পালন করে না, তাদের মুখে আদর্শ কথা মানায় না। কথার ওজন তখনই হয়, যখন তার পেছনে থাকে কাজের প্রমাণ।
17/07/2025

যারা নিজে দায়িত্ব পালন করে না, তাদের মুখে আদর্শ কথা মানায় না। কথার ওজন তখনই হয়, যখন তার পেছনে থাকে কাজের প্রমাণ।

এই সংসারে কিছু কিছু লোকের কাছে তুমি কখনও ভালো হতে পারবে না, কারণ তাদের ভালো-মন্দের মাপকাঠি আসলে তোমার চরিত্র নয় — তাদের...
16/07/2025

এই সংসারে কিছু কিছু লোকের কাছে তুমি কখনও ভালো হতে পারবে না, কারণ তাদের ভালো-মন্দের মাপকাঠি আসলে তোমার চরিত্র নয় — তাদের ঈর্ষা, অসন্তুষ্টি, আর অন্ধ দৃষ্টিভঙ্গি। তুমি শুধু চেষ্টা করো নিজেকে সৎ, সহানুভূতিশীল, আর আত্মবিশ্বাসী রাখতে — সেটাই যথেষ্ট।

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tumpa's lifestyle posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share