07/10/2025
জাতীয় নাগরিক জোটের আত্মপ্রকাশ।
আজ ৭ অক্টোবর ২০২৫ ইং তারিখে , জাতির সংক*টে জাতীয় নাগরিক জোট এর আত্মপ্রকাশ করেছে জাতীয় প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া হলে।
জোটের বক্তব্যঃ
গণ অভ্যু*ত্থান-উত্তর বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই চৌদ্দ মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। এই সময়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন কতটা ঘটছে, তা আজ আমাদের নতুনভাবে বিবেচনা করতে হচ্ছে। একটি মানবিক-গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পুনর্গঠনে ভোটাধিকারসহ যে বিষয়গুলো গুরুত্ব দেয়ার প্রয়োজন তা উপেক্ষিত হয়েছে। জনগনের চিন্তা, আকাঙ্খা ও কল্যানের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পায় নাই এই সময়ে।
অন্তর্বর্তী সরকারের পাশাপাশি কিছু রাজনৈতিক দল সম্রাজ্যবাদী ও বৈদেশিক শক্তির প্রতি নতজানু আচরণ দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরা*পত্তাকে সংকটে ফেলছে। যার প্রতিফলন ঘটছে বিভিন্ন বৈদেশিক চুক্তি ও সমঝোতায় বাংলাদেশের স্বার্থ উপেক্ষিত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক কর্মী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন সংগঠনের সমন্বয়ে “জাতীয় নাগরিক জোট” গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক জোটের লক্ষ্য ও কর্মপন্থা:
ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারঃ
আগামী ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষিত নির্বাচনের সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ আয়োজন নিশ্চিত করতে জাতীয় নাগরিক জোট একটি গণচাপ সৃষ্টি হচ্ছে। জনগনের নির্বাচিত সরকার গঠনের লক্ষে নির্বাচন আয়োজনের নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণার করতে হবে। জাতীয় নাগরিক জোট সকল শ্রেণি-মতের মানুষের ভোটাধিকার ও প্রার্থীদের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামার আহবান করছে।
জনবান্ধব টেকসই সংস্কারঃ
গত এক বছরে রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার নিয়ে আলোচনা হলেও আইন*শৃঙ্খলা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নির্বাচন কমিশন ও দু*র্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংক্রান্ত সংস্কার উপেক্ষিত ছিল বা গুরুত্ব পায়নি। জাতীয় নাগরিক জোট একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা নির্মানের লক্ষে বাস্তবসম্মত টেকসই সংস্কারের দ্রুত বাস্তবায়ন চায়।
নিবর্তনমূলক কালো আইন বাতিলঃ
নাগরিক স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের অধিকার রক্ষায় জাতীয় নাগরিক জোট নিবর্তনমূলক সকল আইন বাতিলের দাবি জানায়। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য— সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ - ২৪ বাতিল, যা নাগরিক স্বাধীনতাকে সংকুচিত করছে;
দণ্ডবিধির ৭৭ ধারা (বিচারক সুরক্ষার নামে অন্যায় বিচার উৎসাহিত করে) বাতিল; অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট বাতিল, যা রাষ্ট্রীয় তথ্যের স্বচ্ছতা বাধাগ্রস্ত করে; ৫৪ ধারা-তে ‘যথাযথ সন্দেহ কীভাবে নির্ধারিত হবে— তা স্পষ্ট করা ও অপব্যবহার রোধে সংস্কা*র। রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের কালা কানুন বাতিল সহ জাতীয় নাগরিক জোট সকল শ্রেনী মতের নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিতের লড়াইয়ের পাশাপাশি গুনগত সংস্কা*র ও নিবর্তনমূলক কালো আইন বাতিলে কাজ করবে।
অন্তর্বতীকালীন সরকারের জবাবদিহিতাঃ
অন্তরবর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে না, উপদেষ্টাদের কাজের জবাবদিহিতা ও সম্পদের হিসাব দিতে হবে, নির্বাচনকালী সময়ে উপদেষ্টাদের নিরপেক্ষ আচরনের নীতিমালা প্রকাশ করতে হবে।
জাতীয় নাগরিক জোটের নেতৃবৃন্দ প্রতিনিধি হিসাবে বিবেচিত হবেন, প্রত্যেক প্রতিনিধি ৫ জন সহপ্রতিনিধি নিয়ে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন।
জোট প্রতিনিধিঃ
মোঃ তারেক রহমান,
সাধারণ সম্পাদক,আমজনতা দল।
কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন,
সভাপতি,দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন।
কুলসুম সাধনা মহল,
সিনিয়র সহ সভাপতি,আমজনতা দল।
মো: আতিকুর রহমান (রাজা),
সভপতি,বাংলাদেশ বেকার মুক্তি পরিষদ।
মাহবুব আলম,
সমন্বয়ক, বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন।
সোনিয়া চৌধুরী,
সদস্য সচিব, স্নিগ্ধ বাংলাদেশ।
আল আমিন রাজু,
আহ্বায়ক, জাতীয় মুক্তিফ্রন্ট।
আনোয়ার হোসেন রানা,
সভাপতি, জাতিয় সমাজ পার্টি।
তরিকুল ইসলাম ভুঁইয়া
জনতার অধিকার পার্টি (পি আর পি)
মোঃ আল কাওছার মিয়াজী
বাংলাদেশ দেশপ্রেমিক প্রজন্ম (বিজিপি)
রাজু আহম্মদ খান,
চেয়ারম্যান, গ্রীনপার্টি বাংলাদেশ।
মাহবুব হোসাইন
অধ্যাপক, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ, ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়
গিয়াস উদ্দিন খোকন,
বাংলাদেশ সমাজ কল্যাণ পরিষদ।
ড.কবির জুয়েল।
প্রফেসর শাহ আলম,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষক জুলাই যো*দ্ধা, চেয়ারম্যান , আগামীর বাংলাদেশ।
মিম আক্তার,
যাত্রাবাড়ী শহীদ পরিবার প্রতিনিধি।
ইসরাত জাহান রেলি,
ডি এস এ ভিক্টিম নেটওয়ার্ক।
আব্দুর রউফ ,
সংগঠক, শহীদ পরিবার জুলাই গণ অ*ভ্যুত্থান।
শরীফ সামসুজ্জামান পীনু,
কনভেনার, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি