The Crime Report

  • Home
  • The Crime Report

The Crime Report Published only for crime news

Monday , 24 April 2017* এক্সক্লুসিভ * কৃষিবার্তা * দূর্নীতি * লাইফস্টাইল * শেয়ার বাজার * সাক্ষাৎকার* http://aparadhbichi...
26/04/2017

Monday , 24 April 2017
* এক্সক্লুসিভ * কৃষিবার্তা * দূর্নীতি * লাইফস্টাইল * শেয়ার বাজার * সাক্ষাৎকার*
http://aparadhbichitra.net/*


সরেজমিনে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে থাকছেন না আবাসিক মেডিকেল অফিসার * রোগী ভর্তিতে তালবাহানা * নিয়মবহির্র্ভূত অর্থ আদায় * ঔষধ সংকট * কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলা * উন্নয়নের নামে আইÑওয়াশ মাত্র
Posted by: admin April 23, 2017 in অপরাধ Leave a comment

ষ্টাফ রিপোর্টার ঃ ১৬ই এপ্রিল ২০১৭, সময় বিকাল ৫.৫০ মিনিট। সরেজমিনে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরূরী বিভাগে গিয়ে দেখা গেল রোগীর চিকিৎসায় ব্যাস্ত জরূরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকসহ অন্যান্য ব্যাক্তিরা। পাশেই বসে আছেন একটি ঔষধ কোম্পানীর দুজন মার্কেটিং বিভাগের লোক। অতঃপর জরূরী বিভাগ ছেড়ে সোজা হাসপাতালের ২য় তলায় আবাসিক মেডিকেল অফিসারের কক্ষের সামনে গিয়ে দেখা গেল কক্ষটি তালাবদ্ধ। পাশেই নার্সেস রুম। সেখানে কর্তব্যরত এক সেবিকার নিকট হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসারকে কখন পাওয়া যাবে জানতে চাইলে তিনি সোজাসুজি জানিয়ে দিলেন, ”এই সময়কি আর.এম.ও স্যারকে পাবেন! আগামীকাল সকালে ১২টার মধ্যে আসেন পেয়ে যাবেন। শুক্র ও শনিবার ব্যাতিত সপ্তাহে যে কোন দিন বেলা ১২টা পর্যন্ত তাকে পাওয়া যায়, এর পরে আর তিনি থাকেন না।” ঐ সেবিকার সাথে কথা বলে বিদায় নিয়ে হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডের সামনে ষাটোর্দ্ধ এক নারীকে এক নবজাতক শিশুকে কোলে নিয়ে পায়চারি করতে দেখে এগিয়ে গিয়ে তার সাথে কুশল বিনিময়ের পর হাসপাতালের সেবা সম্পর্কে তার মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ” সরকারী হাসপাতালের চিকিৎসা আর কেমুন হইবো! যেমুন দেখতাছেন এমুনই। পোলার বউয়ের বাচ্চা হইবো দেইখা কালকা (গতকাল) এইহানে আইনা ভর্তি করাইলাম, আইজকা (আজ) সকালে এইযে নাতি হইলো। চিকিৎসা বইলতেতো স্যালাইন ছাড়া আর কিছুই হেরা (তাহারা) দেয়না, সব ঔষধই বাইরেরতুন কিনন লাগে। বাচ্চা হইতেও ওটির (অপারেশন থিয়েটার) লাইগা ৫০০ টেহা (টাকা) নিলো। সরকারী দেইখা খরচ তো আর কম না, শুধু ডাক্তার আর বেডের খরচটাই মাফ পাওন যায়। আর হাসপাতাল থেইকা যেই খাওন (খাবার) দেয়, সকালের নাশÍা ছাড়া আর কিছুই খাওন (খাওয়া) যায় না। দুপুর-রাইতে ভাতের সাথে এক টুকরা তেলাপিয়া মাছ আর পাতলা ডাইল (ডাউল), এক্কেরে বাজে তরকারী, খাওন যায়না। আর বাথরূমের যে গন্ধ আহে (আসে) তাতে ওয়ার্ডে থাকন (থাকা) যায়না। অতঃপর তার সাথে কথা বলে মহিলা ওয়ার্ডে প্রবেশ করে পাওয়া গেল তার অভিযোগের সত্যতা। বাথরুমের দূর্গন্ধে ওয়ার্ডে বসে থাকা কষ্টসাধ্য। রোগীদের আশেপাশে চোখে পড়লো কয়েকটি বিড়ালের আনাগোনা। এরপর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আরও কয়েকজন রোগীর সাথে কথা বলে পাওয়া গেল প্রায়ই একই রকম অভিযোগ। সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে ওটি ফি’র বাহানায় রোগী প্রতি আদায় করা হচ্ছে ৫০০ টাকা হারে।
সরেজমিনে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবা কার্যক্রম পর্যবেক্ষন ও দীর্ঘ অনুসন্ধানে এসকল চিত্রই ফুটে ওঠে অপরাধ বিচিত্রার কাছে।
অনুসন্ধানে হাসপাতালে আসা বিভিন্ন ভর্তি ইচ্ছুক রোগী ও তাদের স্বজনদের সাথে কথা বলে দেখা যায়, কোন ব্যাক্তি বা সংঘবদ্ধ চক্র কর্তৃক হামলার শিকার , কোন ঘটনায় আহত বা শারীরিক আঘাতপ্রাপ্ত পুলিশ কেসের রোগীদের ভর্তির ক্ষেত্রে তালবাহানা করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন বাহানায় এসকল রোগীদের নিজ বাড়িতে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহনের পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। দেখা গেছে শারীরিক আঘাতজনিত কারনে সোজা হয়ে বসতে পাড়ছেন না এমন রোগীকেও বাসায় নিয়ে যেতে বলছেন হাসপাতালে কর্তব্যরতরা। অন্যদিকে পুলিশ কেস ব্যতিত অন্য কোন রোগীর ক্ষেত্রে এই অনিহা প্রকাশ করতে দেখা যায়না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। এ বিষযে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালে কর্তব্যরত একাধীক ব্যাক্তি জানান, ” হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আমজাদুল হক এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ জাহিদুর রহমানের নির্দেশেই তারা এসকল রোগীদের ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । মূলত পুলিশি ঝামেলা ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের সম্মুখীন হওয়া থেকে বিরত থাকতেই তাদের এই সিদ্ধান্ত।” হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে রোগীদের নিকট হতে ৫০০ টাকা হারে অর্থ আদায়ের ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা বলেন, ” আগে ওটি ( অপারেশন থিয়েটার) বাবদ ২০০ টাকা হারে আদায় করা হতো, তবে বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা দায়িত্ব গ্রহনের পর তা বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়েছে।” অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তার বিভিন্ন কর্মকান্ড, ব্যাবহার ও স্বেচ্ছাচারিতায় খোদ হাসপাতালে কর্মরত অনেকেই ক্ষুব্ধ। অভিযোগ রয়েছে তার অবর্তমানে হাসপাতালে কর্মরত কোন ব্যাক্তি কোন সাংবাদিকদের সাথে কথা বললে সেই ব্যাক্তির ওপর বিভিন্ন প্রকার চাপ সৃষ্টি করেন ওই কর্মকর্তা। কোন সাংবাদিকের সাথে কথা বলতে রয়েছে তার কড়া নিষেধাজ্ঞা। অন্যদিকে আবাসিক মেডিকেল অফিসারের সার্বক্ষনিক হাসপাতালে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও, সর্বোচ্চ বেলা ২ টার পর আর তাকে হাসপাতালের আশে পাশেও পাওয়া যায়না। এর আগে গত অক্টোবর ২০১৬ মাসে হাসপাতালের জরূরী বিভাগের সামনে এক অজ্ঞাতনামা ব্যাক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। সে-সময় আবাসিক মেডিকেল অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আমজাদুল হক। সেই ঘটনার রাতেও হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ছিলেন অনুপস্থিত। হাসপাতাল করিডোরে লাশটি কিভাবে এলো, কিভাবে ওই ব্যাক্তির মৃত্যু হলো তার কোন যৌক্তিক ব্যাখ্যা আজও মেলেনি। হতে পারে তখনকার কর্তব্যরত ব্যাক্তিদের অবহেলাই ছিল ঐ অজ্ঞাতনামা ব্যাক্তির মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারন! তাছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হতে ঔষধের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঔষধ সংকট থাকলেও সংকট নেই আশেÑপাশের ঔষধ বাজারে। সাভারের নামা বাজার, বাজার রোড, থানা রোড, কর্ণপাড়া, উলাইল, নামাগেন্ডা, ফুলবাড়িয়াসহ বিভিন্ন এলাকার ফার্মেসীগুলো ঘুরে দেখা যায়, ফার্মেসীগুলোতে হরদম চলছে সরকারী ঔষধের বেচাকেনা। এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশ না করার শর্তে থানা রোডের এক ফার্মেসী মালিক জানান, ” খোলা বাজারে সরকারী এ সকল ঔষধের সরবরাহ নিশ্চিত করছে খোদ সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ব্যাক্তিরা। এক সাথে বেশ কিছু ঔষধ জমিয়ে তা হাসপাতালের মাঠকর্মি দ্বারা পাইকারী ঔষধ বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করা হয়। এরপর পাইকারী ব্যাবসায়ীদের হাত হয়ে তা চলে যায় বিভিন্ন মহল্লার খুচরা ফার্মেসীগুলোতে।”
এছাড়া সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা নিতে আসা বিভিন্ন রোগীদের সাথে কথা বলে খোদ হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের মৌখিকভাবে রোগীদের বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে প্রেরনের প্রবনতার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তাদের এসকল অনিয়ম, অবহেলা আর নিয়মবহির্ভূত অর্থ আদায়ের বিষয়ে ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন জনাব মোঃ এহসানুল করিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ সকল বিষয়ে অবগত নন বলে দাবী করেন। সেই সাথে তিনি এসকল বিষযে তদন্তপুর্বক যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহনেরও আশ্বাস দেন।
সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষনে দেখা যায়, বর্তমান সময়ে উন্ন্য়নের নামে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন কার্যক্রম সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের চোখ ফাকি দেওয়ার জন্য আই-ওয়াশ মাত্র। চিকিৎসাখাতে উন্নয়নের স্বার্থে বর্তমান সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের গ্রহন করা সকল পদক্ষেপ ও কার্যক্রম প্রতিনিয়তই ব্যাহত হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এসকল অনিয়ম আর অবহেলা দ্বারা। চিকিৎসাখাতে বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক সকল কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী এসকল অনিয়ম-অবহেলা অনতিবিলম্বে বন্ধ করা না গেলে আগামীতে এর ভয়াবহতা আরও বৃদ্ধি পাবে সেই সাথে বাড়বে সাধারন রোগীদের হয়রানী আর ভোগান্তির মাত্রা। (অপরাধ বিচিত্রা)

এম.পি. চৌধুরী ঃ ৭৩ নং ওয়ার্ড ও বেগুনবাড়ী, দাসপাড়া, মানিকদিয়া এলাকার কৃতিসন্তান ও যুবলীগের সদ্য সভাপত...

17/04/2017

সাভারে ওআমিনবাজার জমজমাট মাদকের হাট!

এহসান রায়হান
(বিশেষ প্রতিবেদন পর্ব-১):

দুপুর গড়িয়ে বিকাল। ব্যস্ততম গলির মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে কয়েক যুবক। এগুতেই একটি পলিথিন উঁচু করে ধরে এক যুবক জানতে চায় ‘মামা লাগবে?’ পলিথিনে আনুমানিক শতাধিক মরণনেশা ইয়াবা। ছোট কত আর বড় কত? যুবক বলে, ‘ছোটটা শট পড়ছে। চাহিদা বেশি। কালকে নতুন চালান আসবে। আজ বড়টা নেন। দাম কমে রাখতাছি। মাত্র ২২০ টাকা।’ বড়টা কিনতে আগ্রহ না দেখিয়ে তার নাম জিজ্ঞাসা করতেই যুবক বলে, ‘নাম দিয়ে কি করবেন। এখানে আসলেই পাবেন।’ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই যুবকের নাম সলিম।সাভারেএভাবেই প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে মাদক।

পাকিজার পিছনে, শিমুলতলা, রেডিও কলোনী , পশ্চিম বাংক টাউন,হুলাইল,হেমায়েতপুর এর ফুলবাড়িয়ায় ও
ইমানদিপুর সহ আশেপাশের এলাকায় প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে মাদক।

সাভারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে বিভিন্ন মোড়ে। অভিযানও হয় মাঝে-মধ্যে। গ্রেপ্তারও করা হয়। তারপরও থেমে নেই মাদকের হাট। দিনে-রাতে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন কৌশলে। এখানে রয়েছে মাদকের শক্তিশালী সিন্ডিকেট। পুলিশের পাশাপাশি কখনও কখনও মাঠে নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। দরিদ্র মানুষকে ব্যবহার করে একটি প্রভাশালী চক্র সাভার ও আশপাশের এলাকায় গড়ে তুলেছে মাদকের হাট।

সাভারের এই এলাকায় মাদক ব্যবসায় জড়িত রয়েছে শতাধিক নারী-পুরুষ। মদ, গাঁজা, ফেন্সিডিল, ইয়াবা এমন কোনো মাদক নেই যা এখানে পাওয়া যায় না। রয়েছে ‘হোম ডেলিভারি’র ব্যবস্থা। এমনকি মাদক সেবন করার জন্য নিরাপদ স্থানও রয়েছে এই চক্রের। ৫০ টাকা দিলেই সেই নিরাপদ স্থানে মাদক সেবনের ব্যবস্থা করে দেয়া । সরজমিনে সেখানে গিয়ে আশপাশেই পাওয়া গেছে ফেন্সিডিলের খালি বোতল, ইয়াবা সেবনের আলামত। যদিও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন লাখ লাখ টাকা মূল্যের মাদক বিক্রি হয় সেখানে। এসব এলাকা থেকে সাভারের বিভিন্নস্থান ও আমিনবাজার, নবীনগর ও ধামরাই এর আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে যাচ্ছে মাদক।

পরিচয় গোপন করে খুচরা মাদক বিক্রেতা সলিম, রুবেল, কামালদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যকে ম্যানেজ করেই এখানে মাদক ব্যবসা পরিচালিত হয়। পরিচিত ক্রেতাদের হোম ডেলিভারি দেয়া হয়। অনুসন্ধানকালে এমনই সব চিত্র ফুটে উঠে ঢাকা ক্রাইম মিডিয়া লিঃ এ। একজন

বিক্রেতা যুবক ইয়াবার নাম ধরে জানতে চান,
মামা
কোনটা লাগবে আর সেভেন নাকি চম্পা? তরুণ আস্তে করে কিছু একটা বলেন। তারপর একটি ছোট্ট পলিথিনের প্যাকেট এগিয়ে দেয়া হয়। তরুণ ক্রেতা মানিব্যাগ বের করে টাকা দেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাউকে দেখলেই খবর পৌঁছে যায় মাদক বিক্রেতাদের কাছে। পাল্টে যায় পরিবেশ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কয়েকজন প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় এসব এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালিত হয়। ওই চক্রটির সঙ্গে জড়িত রয়েছে অনেক খুচরা মাদক বিক্রেতা। বিভিন্ন সময়ে চক্রের খুচরা বিক্রেতা ও কয়েক পাইকারি বিক্রেতা গ্রেপ্তার হলেও মূল হোতারা রয়েছে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।

এসব স্পট নিয়ন্ত্রণ করছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। তাদের অনেকেই সরকারি দলের পদ-পদবি ব্যবহার করছেন। তাদের কাছে প্রশাসনও অনেকটা জিম্মি। যে কারণে এসব মাদকের হাট বন্ধ হচ্ছে না কিছুতেই। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বলেন, সাভারের বিভিন্নস্থানে অবাধে মাদক বিক্রি হচ্ছে। আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করছি নিয়ন্ত্রণ করতে।

আমাদের জনবল কম। তারপরও প্রায়ই অভিযান চালানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত প্রভাবশালী। নানা প্রতিকূলতা থাকলেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সক্রিয় বলে জানান তিনি।

16/03/2017
24/02/2017

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির একদল ভোটার। শুধু তাই নয়, ভোটারদের...

24/02/2017
24/02/2017

ভাঙাচোরা টিনের একচালা ঘর। ভেতরে উৎকট গন্ধ। ধুলোবালি আর খড়ের ছড়াছড়ি। ঘরে ঢুকতেই গন্ধে দম আটকে যাওয়ার দশা। এই ঘরেই...

24/02/2017

বটতলাতে প্রায় ২৫টিরও বেশি খাবারের দোকান রয়েছে। জানতে চেয়েছিলাম, কত রকমের খাবার তৈরি হয়। সুজন হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের মালিক সুজনের কাছে জানান, ছুটির দিনে অন্যান্য দিনের তুলনায় সবচেয়ে বেশি খাবার রান্না করা হয়। প্রায় ৪০ ধরনের আইটেম থাকে ছুটির দিন! আর সাধারণ দিনে প্রায় ৩০ রকমের

24/02/2017

এক. ইদানীং কাউকে নিমন্ত্রণ করেন না আমার মা। কারণ রাত ১১টার আগে চুলা জ্বলে না আমাদের পুরান ঢাকার চকবাজারের বাসায়। আগের

24/02/2017

বিডিমর্নিং ডেস্ক- আগামী রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ। গ্রহণটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় ওইদিন সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে। যা শেষ হবে রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে। তবে কেন্দ্রীয় গ্রহণ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৬ মিনিট ৬ সেকেন্ডে। শেষ হবে রাত ১০টা ৩০ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে। এর মধ্যে ...বিস্ত...

24/02/2017

বাসে কিংবা ট্রেনে দাঁড়ানো যাত্রী বহন করার কথা জানা গেলেও বাণিজ্যিক বিমানে এর আগে কখনো দাঁড়ানো যাত্রী পরিবহনের

24/02/2017

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে অবিলম্বে ‘গ্রিক মূর্তি’ না সরালে শাপলা চত্বরের বসার হুমকি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। শুক্রবার জুমা’র নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ‘সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর মূর্তি অপসারণের দাবিতে’বিক্ষোভ মিছিল...

Address


Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Crime Report posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share