04/05/2025
শোনো মেয়ে তুমি সারাবাড়ি মাথায় উঠিয়ে খিলখিলিয়ে হাসবে। বেসুরো গলায় গান গাইবে, ছোটোদের মতো হাত-পা ছড়িয়ে লাফালাফি করবে, ঘরের পরিবেশ উৎসব মুখর থাকবে তোমার বিচরণের কারণে।
সময় পেলেই মায়ের শাড়ি পড়ে বিকেলে ছাঁদে গিয়ে বাতাসে আঁচল উড়িয়ে দেবে। হাতভর্তি কাঁচের চুড়ি পরে ঝুম বৃষ্টিতে ভিজবে। শীতের সকালে ঘাসের উপর জমে থাকা শিশিরের ওপর খালি পায়ে হাঁটবে।
রাতের আকাশের তাকিয়ে পছন্দের সব গানের লাইন আওড়াবে। নুপুর পড়ে পুকুরের জলে পা ভিজিয়ে বসে থাকবে। মাকে কাজে সাহায্য করবে, বাবাকে চা বানিয়ে দেবে। তাদের কাছে ছোটছোট আবদার করবে।
বাড়ির ছোটদের শাসনের নামে কানমলা দেবে। কাজে অকাজে প্রতিবেশীদের বাড়ির দরজায় কড়া নাড়বে। ছুটির পরে বাড়ি ফেরার পথে প্রিয় বান্ধুবিকে নিয়ে এক প্লেট ফুচকায় কাড়াকাড়ি করবে। নিয়ম ভেঙে আড্ডা জমাবে আশপাশের সমবয়সী মেয়েদের সাথে।
পড়াশোনা থেকে ছুটি মিললেই ব্যাগ গুছিয়ে নানা বা দাদাবাড়িতে দৌড় লাগাবে। অসময়ে বই পড়বে, ছবি আঁকবে, গান গাইবে, গাছ লাগাবে। দিনশেষে রাত নামলে কোলের মাঝে তুলতুলে কোলবালিশ জড়িয়ে ধরে, আরাম করে ঘুমের দেশে পারি জমাবে।
তুমি কেনো মনখারাপ করে বসে থাকো? কেনো ভাবো তুমি অসহায়? কেউ বললেই হলো তোমার গায়ের রঙে সমস্যা? কেনো ভাবছো তোমাকে দিয়ে কিছুই হবে না? কাউকে ব্যাখ্যা দেয়ার বা বোঝানোর এতো দায় কেনো তোমার? একটু থামো, বেরিয়ে আসো দেখি।
কথা বলো মনখুলে। সাজো নিজের ইচ্ছেমত। মেশো পছন্দের সবার সাথে। তুমি কেনো আকাশ দেখা ছেড়ে দেবে? আকাশ কি কারো একার? তুমি দুশ্চিন্তায় নির্ঘুম রাত কেনো কাটাও? জীবনে অবসাদের বাইরে বহু সুখ রয়েছে তোমার। বিষণ্নতায় ডুবে ভালো থাকাটা ভুলে যেও না। জীবনকে অবহেলায় নষ্ট করো না।
দুশ্চিন্তা ভাগ্য বদলাতে পারে না। ভাগ্যে যা-যেমন আছে তেমনই হবে। দুশ্চিন্তা কমিয়ে বুক ভরে একবার শ্বাস নাও। চোখ বন্ধ করে ঠান্ডা বাতাসকে একটু অনুভব করো। ম�