Niam Prodhan

Niam Prodhan সব ধরনের পরিশুদ্ধ ও পরিমার্জিত সংবাদ ?

20/05/2026
05/09/2015

এই যুগের তরুণদের নতুন দাবি:
========================
প্রেমিক প্রেমিকাদের স্বার্থে ভালোবাসার ১৩
দফা দাবি-
১.প্রেমকে সম্পূর্ণ সরকারী করতে হবে
(আধা সরকারী গ্রহনযোগ্য নয়)
২.প্রেমিক প্রেমিকাদের ফোনে কথা বলার
জন্য ফ্রী টকটাইম দিতে হবে।
৩.ডেটিং করার জন্য আলাদা পার্ক তৈরি করে দিতে
হবে। (প্রতিটি থানায় সর্বনিম্ন তিনটি)
৪.প্রেম করে বিয়ে করার জন্য স্পেশাল
কাজী নিয়োগ করতে হবে।
৫.পালিয়ে বিয়ে করার পর থাকার জন্য স্পেশাল
বাংলো তৈরি করে দিতে হবে।
৬.বিয়ের পর হানিমুন করার ৫০% খরচ সরকারকে
বহন করতে হবে (শুধু মাত্র Love married এর
ক্ষেত্রে)
৭.প্রতি বছর চ্যাম্পিয়ান প্রেমিক প্রেমিকাদের
জন্য জতীয় পুরস্কারের ব্যাবস্থা করতে হবে।
৮.প্রেমের বিরুদ্ধে থানায় কোন প্রকার
অভিযোগ নেওয়া চলবে না।
৯.গরিব প্রেমিক প্রেমিকাদের জন্য স্পেশাল
ভাতার ব্যাবস্থা করতে হবে।
১০.সংসদে 'প্রেম আইন' পাশ করতে হবে।
১১.মন্ত্রী পরিষদে প্রেম বিষয়ক মন্ত্রী
দিতে হবে।
১২.প্রেম কাউন্সিল এর নিবন্ধন দিতে হবে।
১৩.সর্বশেষে প্রেম করার পূর্ণ স্বাধীনতা
দিতে হবে।(দাবি না মানলে লাগাতর হরতাল কর্মসূচী দেওয়া
হবে)....................................................................
আপনারা আছেন তো আমাদের সাথে ??

05/09/2015

কোন কোন জায়গাসমুহকে #পাবলিক #প্লেস বলা হয় -
পাবলিক প্লেস অর্থ হচ্ছে - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি
অফিস, আধা-সরকারি অফিস, স্বায়ত্তশাসিত অফিস ও
বেসরকারি অফিস, গ্রন্থাগার, লিফট, আচ্ছাদিত কর্মক্ষেত্র,
হাসপাতাল ও ক্লিনিক ভবন, আদালত ভবন, বিমানবন্দর ভবন,
সমুদ্রবন্দর ভবন, নৌ-বন্দর ভবন, রেলওয়ে স্টেশন ভবন, বাস
টার্নিমাল ভবন, প্রেক্ষাগৃহ, প্রদর্শনী কেন্দ্র, থিয়েটার হল,
বিপণী ভবন, চতুর্দিকে দেয়াল দ্বারা আবদ্ধ রেস্টুরেন্ট,
পাবলিক টয়লেট, শিশুপার্ক, মেলা বা পাবলিক পরিবহনে
আরোহণের জন্য যাত্রীদের অপেক্ষার জন্য নির্দিষ্ট সারি,
জনসাধারণ কর্তৃক সম্মিলিতভাবে ব্যবহার্য অন্য কোন স্থান
অথবা সরকার বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কর্তৃক, সাধারণ
বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, সময় সময় ঘোষিত অন্য যে কোন বা
সকল স্থান।

05/09/2015

আপনিও খুন করতে পারবেন! কিন্তু কখন ?
খুন করা সবচেয়ে বড় ফৌজদারী অপরাধ। বাংলাদেশের
দণ্ডবিধি অনুযায়ী খুনের শাস্তি সর্বোচ্চ মৃত্যুদন্ড পর্যন্ত
হতে পারে। তবে এ বিধানেরও কিছু ব্যতিক্রম আছে।
দণ্ডবিধির ১০০ ধারা অনুযায়ী যদি কাউকে খুন করা হয়,
তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
তবে এ ধারাটি তখনই প্রয়োগ করা যাবে যখনঃ
১) যদি কোন লোক আপনার উপর এমন আঘাত করতে উদ্ধ্যত হয়
যার ফলে ন্যায় সঙ্গতভাবেই আপনার এরূপ আশংকার সৃষ্টি হয়
যে,
আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে সে আঘাতকে প্রতিহত
না করলে আপনার মৃত্যু অনিবার্য।
২) যদি কোন লোক আপনাকে এমন আঘাত বা আক্রমণ করে যার
ফলে ন্যায় সঙ্গতভাবেই এরূপ আশাংকার সৃষ্টি হয় যে, সে
আঘাত
বা আক্রমণের ফলে আপনার গুরুতর আহত হওয়া অনিবার্য।
৩) আপনি যদি স্ত্রীলোক হন এবং আপনাকে যদি কেউ ধর্ষণ
করতে আসে। (অর্থাৎ স্ত্রীলোক তার ইজ্জত
রক্ষার্থে ধর্ষণে উদ্ধত লোকের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারেন।)
৪) যদি কেউ কোন অস্বাভাবিক কামনা চরিতার্থ করার
উদ্দেশ্যে আঘাত বা হামলা করে।
৫) যদি কোন লোক কোন শিশু বা নারীকে অপহরণের
উদ্দেশ্যে আঘাত বা হামলা করে।
৬) যদি আপনাকে কেউ বেআইনীভাবে আটক করতে উদ্যত হয়
এমন
পরিস্থিতিতে আপনার ন্যায়সঙ্গতভাবে আশংকা হয় যে,
আপনি আটক হলে সরাসরি কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে আপনি আর
উদ্ধার হতে পারবেন না, তখন আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ
করা যাবে।
এইতো গেল দেহরক্ষার ক্ষেত্রে আপনার খুন করার অধিকার।
আর
সম্পত্তি রক্ষার ক্ষেত্রে আপনাকে খুন করার অধিকার
দেয়া হয়েছে দণ্ডবিধির ১০৩ ধারায় ।
এ ধারায়ও আপনার কষ্টার্জিত সম্পত্তিতে যদি-
১) দস্যুদের দ্বারা লুন্ঠনের উপক্রম হয়,
২) রাত্রিকালে আপনার গৃহে কেউ বেআইনী প্রবেশ করে,
৩) কোন গৃহ, তাঁবু বা যানবাহনে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়, যদি
সে গৃহ,
তাঁবু বা যানবাহন কোন মানুষের বাসস্থান
হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার জায়গা হিসেবে ব্যবহার
করা হয়ে থাকে,
৪) যদি কোন লোক চুরি করার উদ্দেশ্যে আপনার গৃহে
অনধিকার
প্রবেশ করে। চুরি করার সুবিধার জন্য আপনাকে গুরুতর আঘাত
করতে উদ্ধত হয় এবং আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ
না করলে আপনার মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য,
প্রভৃতি ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার জন্য মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত
ক্ষমতা আইন আপনাকে দিয়েছে।
তবে আইন এও বলেছে (দঃ বিঃ ৯৯ ধারায়) আত্মরক্ষার জন্য
যতদুর
পর্যন্ত ক্ষতিসাধন করা প্রয়োজন তার বেশী ক্ষতি সাধন
করা যাবে না।

05/09/2015

তালাকে করণীয়:--
ছেলে যদি মেয়েকে তালাক দিতে চায় তাহলে সর্বপ্রথমে
মেয়েকে লিখিতভাবে নোটিশ প্রদান করতে হবে। এরপর
মেয়ে যে এলাকায় বসবাস করেন সে এলাকার সিটি
কর্পোরেশনের/পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদকে নোটিশের
মাধ্যমে জানাতে হবে।
উপরোক্ত কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী ৯০
দিনের মধ্যে ক্ষেত্রবিশেষে ১০০ দিনের মধ্যে তালাক
প্রক্রিয়া কার্যকর হয়।
বিবাহের মতো তালাকের ক্ষেত্রেও সাক্ষী থাকতে হয়।
ছেলে যদি মেয়েকে তালাক প্রদান করে তাহলে একজন
ব্যক্তিকে সাক্ষী থাকতে হয়। তবে এক্ষেত্রে সাক্ষী না
থাকলেও তালাক প্রক্রিয়াটি কার্যকর হবে। কিন্তু মেয়ে যদি
ছেলেকে তালাক প্রদান করে তাহলে অবশ্যই একজন সাক্ষী
থাকতে হবে। অন্যথায় তালাক কার্যকর হবে না।
এছাড়া ছেলে-মেয়ে উভয়ে কোর্টের মাধ্যমেও তালাক
প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। তালাকের ক্ষেত্রে ছেলে
যদি মেয়েকে তালাক দেয় তাহলে মেয়ের খোরপোষের
বিষয়টি আপোষের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়ে থাকে। আর মেয়ে
যদি ছেলেকে তালাক দেয় সেক্ষেত্রে মেয়ের খোরপোষের
কোন দায়-দায়িত্ব ছেলের উপর বর্তায় না। তবে ইদ্ধত এর জন্য
৩ মাস সময় থাকে।

05/09/2015

চেক নিয়ে প্রতারিত
হলে কি করবেন?
ধরা যাক, আপনি এক ব্যক্তির কাছে এক লাখ
টাকা পান। লোকটির
কাছে টাকা চাইতে গেলে তিনি এক
লাখ টাকার একটি চেক দিলেন।
আপনি চেকটি সংশ্লিষ্ট
ব্যাংকে জমা দিলেন। কিন্তু ব্যাংক
‘অপর্যাপ্ত ফান্ড’
দেখিয়ে চেকটি ডিজঅনার করল।
আপনি কয়েক দিন পর আবারও
টাকা তুলতে গেলেন; কিন্তু এবারও
বলা হলো, যিনি আপনাকে চেকটি ইস্যু
করেছেন, তাঁর অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত
টাকা নেই। আপনি মহাচিন্তায়
পড়ে গেলেন। চেকদাতার
কাছে বারবার চেয়েও আর লাভ
হলো না। এখন আপনি কী করবেন?
কিন্তু এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। প্রচলিত
আইনেই আছে উপায়। পাওনাদারের
কাছে যদি এমন চেকের
মাধ্যমে প্রতারিত হন, তাহলে চাইলেই
আইনের আশ্রয় নিতে পারেন। এই
অপরাধের বিচারের জন্য
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১
নামের একটি আইন রয়েছে। এই
আইনের ১৩৮ নম্বর ধারায় আপনি প্রতারক
ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিকার
পেতে পারেন।
কীভাবে চাইবেন প্রতিকার:
মনে রাখতে হবে, চেক
ডিজঅনারের ক্ষেত্রে কিছু
সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত সময়সীমা পার
হয়ে গেলে আর প্রতিকার পাওয়া যায়
না। প্রথমেই
যেটি জেনে রাখতে হবে তা হলো,
যেকোনো চেক ইস্যু করার তারিখ
থেকে ছয় মাসের
মধ্যে ব্যাংকে উপস্থাপন
না করলে চেকটির কার্যকারিতা আর
থাকে না। এ ক্ষেত্রে প্রতিকার পাওয়ার
প্রথম শর্ত হচ্ছে, চেকটি ইস্যুর তারিখ
থেকে ছয় মাস সময়ের
মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে ক্যাশ করার জন্য
জমা দিতে হবে।
চেকটি ব্যাংক থেকে ডিজঅনার হওয়ার
পর থেকে ৩০ দিনের
মধ্যে টাকা পরিশোধের জন্য চেক
প্রদানকারীকে লিখিতভাবে নোটিশ
দিতে হবে।
প্রথমে চেষ্টা করতে হবে নোটিশটি ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি
চেক
প্রদানকারীর ওপর জারি করতে। যদি এ
ক্ষেত্রে সম্ভব না হয়, তাঁর বাসস্থান
বা যে স্থানে তিনি সর্বশেষ কাজ
করেছেন, সেই ঠিকানায়
প্রাপ্তি স্বীকার রসিদসহ (এডি)
ডাকযোগে নোটিশ পাঠাতে হবে।
উল্লেখ্য, নোটিশটি ফেরত
না এলেও নোটিশটি চেক
প্রদানকারীর ওপর
সঠিকভাবে জারি হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।
নোটিশ জারির তৃতীয় পদ্ধতিটি হচ্ছে,
একটি বহুল প্রচারিত জাতীয় পত্রিকায়
নোটিশটি প্রকাশ করা। ওই
নোটিশে চেক
প্রদানকারীকে টাকা পরিশোধের
জন্য ৩০ দিনের সময়
বেঁধে দিতে হবে। এ সময়ের
মধ্যে চেক
প্রদানকারী টাকা পরিশোধে ব্যর্থ
হলে এ সময় পার হওয়ার পর তাঁর
বিরুদ্ধে মামলা করতে হবে।
কোনোভাবেই নোটিশ প্রেরণ
না করে সরাসরি মামলা করা যাবে না।
কোনো প্রতিষ্ঠানের
মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হলে এই
আইনের ১৩৮ ধারার পাশাপাশি ১৪০
ধারা উল্লেখ
করে মামলা করতে হবে। এ ধরনের
নোটিশ জারি ও মামলা করার জন্য
আপনি একজন আইনজীবীর শরণাপন্ন
হতে পারেন।
কোথায় করতে হয় মামলা:
এ ধরনের অভিযোগ নালিশি মামলা বা সিআর
মামলা হিসেবে মহানগর
এলাকা হলে মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেট
আদালতে অথবা মহানগরের
বাইরে হলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
আদালতে করতে হবে।
চেকটি যে ব্যাংকে ডিজঅনার
হয়েছে, সেই ব্যাংকের
এলাকা যে আদালতের এখতিয়ারের
মধ্যে রয়েছে, সেই
আদালতে করতে হবে। তবে এ
অপরাধের মূল বিচার
হবে দায়রা আদালতে। দায়রা আদালত
ইচ্ছা করলে যুগ্ম
দায়রা আদালতে মামলাটি বিচারের জন্য
পাঠাতে পারেন।
যা দাখিল করতে হয়:
মামলা করার সময় আদালতে মূল চেক,
ডিজঅনারের রসিদ, আইনি নোটিশ
বা বিজ্ঞপ্তির কপি, পোস্টাল রসিদ,
প্রাপ্তি রসিদ আদালতে প্রদর্শন
করতে হবে। এসবের
ফটোকপি ফিরিস্তি আকারে মামলার
আবেদনের সঙ্গে দাখিল
করতে হয়।
মনে রাখতে হবে, একবার চেক
ডিজঅনার হলে একবার অপরাধ সংঘটিত হয়।
কোনো কারণে যদি প্রথমবার
চেকটি ডিজঅনার হওয়ার পর ৩০ দিনের
মধ্যে নোটিশ না পাঠাতে পারেন,
তাহলে দ্বিতীয়বার চেকটি ডিজঅনার
করাতে পারেন। এভাবে একাধিকবার
ডিজঅনার করিয়ে নোটিশ
পাঠাতে পারেন। তবে একবার চেক
ডিজঅনার হলে এবং নির্ধারিত সময়ের
মধ্যে মামলা করা হলে এক অপরাধের
জন্য বারবার মামলা করা যাবে না।
শাস্তি:
চেক ডিজঅনার অপরাধের শাস্তি হচ্ছে,
এক বছর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ড
অথবা চেকে বর্ণিত অর্থের তিন গুণ
পরিমাণ অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডেও
দণ্ডিত হতে পারে। এ
ক্ষেত্রে আপিলের সুযোগ
আছে। তবে আপিল করার পূর্বশর্ত
হচ্ছে, চেকে উল্লেখিত টাকার
কমপক্ষে শতকরা ৫০ ভাগ যে আদালত
দণ্ড প্রদান করেছেন, সেই
আদালতে জমা দিতে হবে।

05/09/2015

একাকী জীবনটা অাসলেই বড়ো কষ্টকর।

অার পৃথিবীর মাঝে একা থাকা অনেক দুস্কর।

অাজ অামি সেটা বুঝতে
পারছি তবুও সেটা তোমার কারনে।
কেননা অামার একাকীত্বের মাঝেই
অন্য প্রান্তে দাড় করিয়েছিলাম
তোমাকে কিন্তু দুর্ভাগ্য।
অাজ তুমি হয়তো একা নও
কেননা তোমার
একাকীত্বের মাঝেই পাগলের মত
প্রবেশ করে অাছি অামি।
কিন্তু
অামি অাজ বড় একা,

অামার মনের মাঝে
নেই তুমি।
তোমাকে ছাড়াই অামি
জীবনে একাকীত্বটা অনুভব করি।
কারন
প্রকৃত কোন সঙ্গী হিসাবেই পেতে
চেয়েছিলাম তোমাকে।
যে সঙ্গীর
মর্যাদাটাও তুমি অামাকে দাওনি।

ভালবাসলেও না তুমি অামার এই
একাকীত্ব জীবনটাকে।
তুমি বুঝতেও পারলেনা অামার এই জীবনটাকে যে জীবনটার মধ্যে শুধুই তোমাকে খুজে বেড়ায়।
তাই একাকী জীনটাই অাজ
বয়ে বেড়াতে হবে।
তবুও যদি কোনদিন
সময় পাও তাহলে চলে এসো এই
একাকীত্বের মাঝে...

05/09/2015

এই পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ
শুধু নিজ প্রয়োজনে কাছে আসে,
আবার প্রয়োজন শেষ হলে চলে যায়|
শুধু মাঝ খানে রেখে যাই,
বেঁচে থাকার কিছু দীর্ঘশাস,
যা আমাদের প্রতিনিয়ত কাঁদায়।

05/09/2015

ব্ল্যাকমেইলের শিকার
হলে কি করবেন
ব্ল্যাকমেইল( Blackmail)
কি তা আমরা সবাই জানি।
সাদা বাংলায় বলতে গেলে, আপনার
ব্যক্তিগত এমন কোন তথ্য বা চিত্র
যদি কারো কাছে থাকে যেটি প্রকাশ
পেলে আপনার সামাজিক মান
মর্যাদার হানি হবে-
এবং সেটি প্রকাশের ভয়
দেখিয়ে কেউ যদি আপনাকে ইচ্ছার
বিরূদ্ধে কোন কাজ করাতে চায়-
তাকেই বলে ব্ল্যাকমেইল।
আপনি যদি এ ধরণের ব্ল্যাকমেইলের
শিকার হন, নিম্নলিখিত
পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করুনঃ
ক) শুরুতেই যে কথাটি মনে রাখবেন
সেটি হচ্ছে- আপনি অপরাধী নন,
ভিকটিম। ইটস নট ইয়োর ফল্ট।
মাথা উঁচু রাখুন। আপনার
অতীতকে আপনি পেছনে ফেলে এসেছেন,
সেটাকে খুঁচিয়ে বের করে কোন
কাপুরুষ বর্বর
যদি ফায়দা লুটতে চায় সেটা আপনার
দোষ না।
খ) দেশের প্রচলিত আইন
সম্পূর্ণরূপে আপনার পক্ষে। ১৮৬০
সালের দণ্ডবিধির ৩৮৩
ধারা অনুযায়ী সাদা বাংলায়
বললে, যে কোন ধরণের
ব্ল্যাকমেইলকে এক্সটরশন
বা চাঁদাবাজির আওতায়
ফেলা যাবে, ৩৮৪ ধারা অনুযায়ী এর
শাস্তি সর্বোচ্চ তিন বছরের
কারাদণ্ড, সেটি জরিমানা সহ
বা ব্যতীরেকে।
আর ইন্টারনেট/ফেসবুকের
মাধ্যমে কেউ যদি আপনার
ক্ষতি করতে চায়
সেক্ষেত্রে নীচের
আইনটি দেখুনঃ
ICT (Amendment) Act-2013
According to the Section 57 of the ordinance, if any
person deliberately publishes any material in
electronic form that causes to deteriorate law and
order, prejudice the image of the State or person or
causes to hurt religious belief the offender will be
punished for maximum 14 years and minimum 7
years imprisonment. It also suggested that the
crime is non-bailable.
জ্বি, ঠিক দেখেছেন। ফেসবুকে কেউ
আপনার আপত্তিকর ছবি প্রকাশ
করলে সাহস করে মামলা করে দিন,
প্রমাণ হলে বাছাধন ন্যুনতম ৭ বছর
"রাষ্ট্রীয় অতিথিশালায়"
ফ্রিতে থাকা খাওয়ার "সুবিধা"
পাবে। এটা জামিনের অযোগ্য
অপরাধ।
গ) যখন বুঝতে পারবেন
আপনি ব্ল্যাকমেইলের শিকার
হচ্ছেন, ভয় না পেয়ে কাছের
মানুষজনের সহায়তা নিন।
প্রয়োজনে পরিবারকে জানান।
আমাদের দেশে অধিকাংশ
ক্ষেত্রে পরিবারকে জানাতে দ্বিধা করেন।
জেনে রাখুন, আপনার চরম
দুঃসময়ে আপনার পরিবারই আপনার
সবচাইতে বড় ভরসা।
তাঁরা হয়তো আপনার অতীতের ভুলের
কারণে কষ্ট পাবেন, কিন্তু
প্রাথমিক
ধাক্কাটা কেটে গেলে আপনার
সাহায্যে তাঁরা এগিয়ে আসবেন
এটা মোটামুটি ১০০ ভাগ নিশ্চিত।
ঘ)
শুরুতে যা বলেছি সেটা আবারো বলি,
মনের জোর হারাবেন
না বা নিজেকে দোষ দেবেন না।
ব্ল্যাকমেইলিং একটি জঘন্য অপরাধ,
তথাকথিত সমাজ আপনাকে যতই ছোট
করতে চাক না কেন আইন
অনুযায়ী আপনি সহায়তা পাবেন।
সমাজের মুখোশধারী মুরুব্বিদের
চোখ-কপালে তোলাকে অগ্রাহ্য
করে অন্যায়ের প্রতিবাদ করুন,
আইনের সহায়তা নিন।
মনে রাখবেন, Every saint has a past and every
sinner has a future.
সবাইকে ধন্যবাদ।

05/09/2015

ফৌজদারী কার্যবিধি ৫৪ ধারা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা মোতাবেক পুলিশ বিনা
পরোয়ানায় ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়াই ৯টি সুনির্দিষ্ট
অভিযোগের ভিত্তিতে যেকোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে
করতে পারে।
কোন ব্যক্তি কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত থাকলে
বা জড়িত বলে বিশ্বাসযোগ্য খবর বা অভিযোগ থাকলে
পুলিশ তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করতে পারে।
আইনগত কোন অজুহাত (যুক্তি) ছাড়া কারো কাছে ঘর ভাঙার
সরঞ্জাম থাকলে তাকে গ্রেফতার করা যেতে পারে।
আইন অনুসারে বা সরকার আদেশ দ্বারা কাউকে অপরাধী বলে
ঘোষণা করলে তাকে গ্রেফতার করা যায়।
কারো কাছে থাকা মালপত্র চোরাই বলে সন্দেহ করার যুক্তি
সঙ্গত কোন কারণ থাকলে।
পুলিশের কাজে বাধা দিলে, বা কেউ পলায়ন করলে বা করার
চেষ্টা করলে।
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনী হতে পলায়ন করেছেন এই
মর্মে যৌক্তিক সন্দেহ থাকলে।
যে কাজ বাংলাদেশে করা হলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে
বিবেচনা করা হত তা বলাদেশের বাইরে করে থাকলে বা
করেছেন এই মর্মে নির্ভরযোগ্য তথ্য বা যুক্তিসঙ্গত তথ্য
সন্দেহ থাকলে।
মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী কাঃ বিঃ ৫৬৫ (৩) উপধারার নিয়ম
লংঘন করলে। এই নিয়মানুযায়ী জেল থেকে মুক্তির পর ৫ বছর
পর্যন্ত সদব্যবহারের নিয়ম রয়েছে।
কাউকে গ্রেফতারের জন্য অন্য কোন পুলিশ অফিসারের কাছ
থেকে রিকুইজিশন পাওয়া গেলে।

Address

Dhanmondi

1209

Telephone

+8801712856310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Niam Prodhan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Niam Prodhan:

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share