Gopalganj Online Shop

Gopalganj Online Shop শুধুমাত্র মহিলাদের পোশাক এর হাট।

ঈদ মোবারক
22/04/2023

ঈদ মোবারক

14/05/2021

ইয়াবা উধাও তাওবা এক লক্ষ পিচ ইয়াবা??

12/01/2017

#ইমপোর্ট____এক্সপোর্ট_____ট্রেনিং

চায়নায় বিজনেসনেটওয়ার্ক ও গাইডলাইন সহ বাস্তবে ইমপোর্ট–এক্সপোর্ট ট্রেনিং।

২০১৫ সালে বাংলাদেশে ৪০ বিলিয়ন ডলার বা ৩ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকার পণ্য চায়না,ইন্ডিয়া এবং অন্যান্য দেশ থেকে ইমপোর্ট হয়েছে।অর্থাৎ প্রতিমাসে ২৭০০০ কোটি বা প্রতিদিন ৯০০ কোটি টাকার পণ্য বিদেশ থেকে বাংলাদেশে ইমপোর্ট হচ্ছে।

ইমপোর্ট–এক্সপোর্ট ব্যাবসার ব্যাপক সুযোগ থাকা সত্ত্বেও (বিশেষ করে চায়নার সাথে) এখানে নতুন উদ্যোক্তাদের সংখ্যা কম।যার অন্যতম কারন হচ্ছে এই ব্যাবসার খুঁটিনাটি তথ্য সম্পর্কিত পূর্ণাঙ্গ ধারণা না থাকা।
ইমপোর্ট–এক্সপোর্ট ব্যাবসা শুরু করার জন্য প্রাথমিকভাবে উদ্যোক্তাকে পরিষ্কার ধারণা ও নির্দিস্ট কিছু তথ্য জেনে তবেই শুরু করা উচিৎ।আর এই সুযোগটিই করে দিচ্ছে www.importexportbd.net.

ইমপোর্ট–এক্সপোর্ট নিয়ে যারা কাজ করতে আগ্রহী তাদের জন্য আগামী ২ ও ৩ ডিসেম্বর ,২০১৬ ( শুক্র বার ও শনি বার ) দুইদিনব্যাপী ইমপোর্ট–এক্সপোর্ট প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করতে যাচ্ছে
www.importexportbd.net .

এই কোর্সটি মুক্ত বাজার অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক বাজার ও ইমপোর্ট–এক্সপোর্ট ব্যাবসা নিয়ে যারা ভাবছেন তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি কোর্স।

#কোর্সের_বিষয়বস্তূ:

* বিজনেস প্ল্যান
* কত টাকা নিয়ে শুরু করবেন
* কি পণ্য আনবেন
* সাপ্লাইয়ার সোর্সিং
* সর্বনিম্ন কত টাকায় L/C ওপেন করতে পারবেন।
* কিভাবে কস্টিং করবেন
* কিভাবে মার্কেটিং করবেন।
* লাইসেন্স,ব্যাংকিং,শিপিংডকুমেন্টসহ এল/সি-র প্রাকটিক্যাল ডেমো কপি |

#যা_যা_শেখানো_হবেঃ

*কিভাবে পণ্যের সোর্সিং ও HS কোডের মাধ্যমে মূল্য নির্ধারণ করবেন।
*চায়নায় বিভিন্ন পাইকারি মার্কেট ও সাপ্লাইয়ার এর সাথে কিভাবে সরাসরি যোগাযোগ করবেন।

*ঢাকায় কমলাপুর ICD, বেনাপোল স্থলবন্দর, চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর এর কাস্টমস ও ভ্যাট সংক্ৰান্ত বিষয়াদি সহ বন্দর থেকে মালামাল খালাস সম্পর্কিত সকল ডকুমেন্টেশন প্রক্রিয়া কিভাবে সম্পাদন করতে হবে।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সবাইকে ইমপোর্ট–এক্সপোর্ট ব্যাবসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা সম্বলিত কাগজ পত্রের তালিকা প্রদান করা হবে।

এছাড়াও চায়নায় চলাফেরা ও যোগাযোগের সুবিধার্থে স্বল্প মাত্রায় চাইনিজ ভাষা শিক্ষা (Survival Chinese Language)দেয়া হবে।

প্রয়োজনীয় লাইসেন্স সম্পর্কিত বিষয়াদি যেমনঃ
* Trade Licence
* IRC (Import Registration Certificate)
* ERC (Export Registration Certificate)
* Bank Account (Foreign Exchange Branch)
* TIN Certificate
* Certificate of Chambers of Commerce

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সম্পর্কিত বিষয়াদি যেমনঃ
* পিআই (PI)
* এল সি(L/C)
* Packing list/Invoice/ B/L copy
* Certificate of origin
* Bill of exchange

প্রয়োজনীয় ইনকোটার্ম সম্পর্কিত বিষয়াদি যেমনঃ
* FOB (Free On Board )
*CFR ( Cost N Freight )
*EXW ( Ex Works )
*C&F ( Clearing & Forwarding )

প্রশিক্ষণশেষে ওপেন ডিসকাশনের মাধ্যমে ট্রেইনার আপনাদের সাথে
ইমপোর্ট–এক্সপোর্ট সম্পর্কিত দেশ বিদেশের বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন। সেই সাথে আপনাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিবেন।

#প্রশিক্ষণ_ফী_ও_অন্যান্যঃ

*প্রশিক্ষণ ফী - ৩৫০০/=(পঁয়ত্রিশ শত টাকা)

*প্রশিক্ষণের তারিখঃ
২ ও ৩ ডিসেম্বর ,২০১৬ ( শুক্র বার ও শনি বার ) সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত (দুই দিন ব্যাপী)।

*আবেদনের নিয়মাবলিঃ
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য আবেদনকারীকে ১ ই ডিসেম্বর এর মধ্যে (সকাল ১০টা থেকে বিকেল 8 টা) অফিসে এসে আবেদন পত্র (ছবি ও ভিজিটিং কার্ড সহ) পূরন করে প্রশিক্ষণ ফী সহ জমা দিতে হবে।

*প্রশিক্ষণ চলাকালীন অফিস কতৃক হালকা চা নাস্তা ও দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হবে।

*প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী সবাইকে সার্টিফিকেট দেয়া হবে।

** আসন সংখ্যা সীমিত। দ্রুত যোগাযোগ করে আপনার আসন সংরক্ষণ করুন।

#যোগাযোগের_ঠিকানাঃ
Import Export BD
Lift -3,Flat-B4, House-40, Road-25, Gulshan-1, Dhaka.
Cell no: 01795 699 646 (সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৬ টা পর্যন্ত)

#প্রশিক্ষক
Md. Abu Hasan
BBA;MBA (Dhaka University)
(চায়না, মালয়েশিয়া ও ইন্ডিয়া সহ বিভিন্ন দেশের সাথে ইমপোর্ট–এক্সপোর্ট ব্যবসায়ের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ।)

12/01/2017

জেনে নিন ট্রেড লাইসেন্স করতে হয় কিভাবে

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বৈধভাবে ব্যবসা করতে গেলে প্রয়োজন হয় ট্রেড লাইসেন্স করার। বৈধভাবে যেকোনো ব্যবসা পরিচালনার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করা বাধ্যতামূলক। আর এর জন্য কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয় ও কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয়। আজ আপনাদের সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করব। চলুন তাহলে শুরু করা যাক…..
সাধারণত সিটি করপোরেশন ও মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা বা জেলা পরিষদ এই লাইসেন্স প্রদান করে থাকে। ব্যবসা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এ ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহারযোগ্য নয়।

ঢাকা সিটি করপোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ) তার নাগরিকদের সেবা দেওয়ার জন্য সিটি করপোরেশনকে কতগুলো অঞ্চলে বিভক্ত করেছে। এর মধ্যে উত্তর সিটি করপোরেশন এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মিলে মোট দশটি অঞ্চল রয়েছে। আপনার প্রতিষ্ঠানটি যে অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, সেই অঞ্চলের অফিস থেকেই আপনার ট্রেড লাইসেন্সটি সংগ্রহ করতে হবে।

ট্রেড লাইসেন্সের জন্য সিটি করপোরেশনের দুই ধরনের ফরম রয়েছে। আপনি যে ধরনের ব্যবসা করছেন বা করতে ইচ্ছুক, তার ওপর ভিত্তি করে ফরম সংগ্রহ করতে হবে। ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ছবি জমা দিয়ে মূল ট্রেড লাইসেন্স বইটি সংগ্রহ করতে হবে। সিটি করপোরেশনের দ্বারা আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তদন্ত হতে পারে। এজন্য আপনার প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করতে পারে সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স শাখার নির্ধারিত কর্মকর্তারা। তাদের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট পরিমাণ লাইসেন্স ফি পরিশোধের মাধ্যমে লাইসেন্স দেওয়া হয়ে থাকে।

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের স্থানটি নিজের হলে সিটি করপোরেশনের হালনাগাদ করের রসিদ এবং ভাড়ায় হলে ভাড়ার চুক্তিপত্র বা রসিদ আবেদনপত্রের সঙ্গে দাখিল করতে হবে। এ ছাড়া আবেদনপত্রের সঙ্গে তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দাখিল করতে হবে।

প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি লিমিটেড হলে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলস ও সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন দিতে হবে। প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান, কারখানা বা কোম্পানির পার্শ্ববর্তী অবস্থান বা স্থাপনার নকশাসহ ওই স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামাও দাখিল করতে হবে। এসব ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য বিভিন্ন কাগজপত্র জমা দিতে হয়। যেমন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ওপরের সব দলিলের সঙ্গে পরিবেশসংক্রান্ত অনাপত্তিপত্র, প্রতিষ্ঠানের অবস্থান চিহ্নিত মানচিত্র ও অগ্নিনির্বাপণ প্রস্তুতিসংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।

ক্লিনিক বা ব্যক্তিগত হাসপাতালের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন, ছাপাখানা ও আবাসিক হোটেলের ক্ষেত্রে ডেপুটি কমিশনারের অনুমতি, রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য মানবসম্পদ রপ্তানি ব্যুরো কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স, অস্ত্র ও গোলাবারুদের জন্য অস্ত্রের লাইসেন্স, ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে সিভিল এ্যাভিয়েশনের অনুমতিপত্র, সিএনজি স্টেশন বা দাহ্য পদার্থের ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তর বা ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

লাইসেন্স নবায়ন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। একটি লাইসেন্সের মেয়াদ এক বছর এবং এর মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যেই আবেদন করতে হবে। এ জন্য আগের ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত আঞ্চলিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত আঞ্চলিক কর কর্মকর্তা নবায়নকৃত লাইসেন্স প্রদান করবেন। লাইসেন্স নবায়ন ফি নতুন লাইসেন্স ফির সমান। এই ফি আগের মতোই ফরমে উল্লিখিত ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরনের ওপর নির্ভর করে কমবেশি হতে পারে। এই ফি সংশ্লিষ্ট অফিসে রসিদের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। লাইসেন্স ফি সর্বনিম্ন ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ২৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। একটি লাইসেন্স পেতে তিন থেকে সাত দিন সময় লাগতে পারে।

মিথ্যা বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে, লাইসেন্সে উল্লিখিত শর্তাবলি এবং সিটি করপোরেশনের আইন ও বিধি মেনে না চললে লাইসেন্স বাতিল হতে পারে। এ ছাড়া লাইসেন্স গ্রহীতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়াও হতে পারে। তবে যেকোনো ব্যবস্থা নেওয়ার আগে গ্রহীতাকে কারণ দর্শানোর মত সুযোগ দেওয়া হয়ে থাকে।

সুত্রঃ অনলাইন

12/01/2017

কৃষি স্টোর এর ডিলার/এজেন্ট এর জন্য আগ্রহীরা আবেদন করুণ এই ফর্মে

11/01/2017

কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইউকে, ইউক্রেনের নাগরিকত্ব

২০১৬-১৭ সালকে বলা হচ্ছে ইমিগ্রেশনের জন্য সোনালি সময়ের সেরা বছর। সারা পৃথিবী থেকে সর্বাধিক সংখ্যক লোকজন চলতি ও আগামী বছর মাইগ্রেশন করে পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত দেশগুলোতে স্থায়ীভাবে বসবাস করার সুযোগ পাবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, আর্থিক সামর্থ্যের মাপকাঠিতে নির্ধারণ হবে আপনার স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা।
ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেড একটি নিবন্ধিত আইনি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী, আন্তর্জাতিক অভিবাসন ও কম্পানি আইন বিশেষজ্ঞ, সাইথ এশিয়ান ল' ইয়ার্স ফোরামের বর্তমান সভাপতি এবং ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. শেখ সালাউদ্দিন আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের মাইগ্রেশন সুবিধা দিয়ে আসছে। আপনি আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং কিছু পদ্ধতি ও আইন মেনে আবেদন করে পরিবারসহ মাইগ্রেশন করার সুযোগ নিতে পারেন।

আপনার গন্তব্য হতে পারে কানাডা: পৃথিবীর সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী দেশগুলোর একটি কানাডা। কানাডায় যাওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণের এখনই সময়। নতুন ইমিগ্র্যান্টদের জন্য ইতিমধ্যে কানাডার ফেডারেল এবং প্রোভিনশনাল সরকার তাদের কর্ম পদ্ধতি অনুযায়ী কাজ শুরু করেছে। ৬০টির ‌ওপর কানাডায় ইমিগ্রেশন করার পদ্ধতি রয়েছে। প্রফেশনালদের জন্য অনেকগুলো ক্যাটাগরি রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো ফেডারেল ও কুইবেক স্কিল প্রোগ্রাম, প্রভিনশনাল নমিনি প্রোগ্রাম, কানাডিয়ান এক্সপেরিয়েন্স ক্লাস, ফেডারেল সেলফ এমপ্লয়েড প্রোগ্রাম। এ ছাড়া রয়েছে ফ্যামিলি ক্লাস স্পন্সরশিপ প্রোগ্রামস। কানাডায় সর্বাধিক সংখ্যক আবেদনকারী এফএসডাব্লিউ অ্যান্ড এক্সপ্রেস এন্ট্রি প্রোগ্রামে আবেদন করছে। তাছাড়া বিপুল সংখ্যক লোকজন বিভিন্ন পিএনপি প্রোগ্রামের মাধ্যমে নমিনেশন নিয়ে কানাডায় নাগরিকত্ব গ্রহণ করছে। অনেকগুলো পিএনপি প্রোগ্রাম চালু রয়েছে। তাই দেরি না করে ভালো ইমিগ্রেশন আইনজীবীর সহায়তা নিয়ে জেনে নিন আপনি যোগ্য কিনা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে সঠিকভাবে ফাইল জমা দিন।

কেয়ারগিভারের চাকরিসহ স্থায়ী হতে পারেন কানাডায়: 'কেয়ারগিভার' বা সেবা শুশ্রূষাকারীদের উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে রয়েছে বিশেষ মর্যাদা। বিশেষ করে কানাডায় কেয়ারগিভার হিসেবে কাজ করতে গেলে সহজেই পাওয়া যায় সেদেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ (নাগরিকত্ব)। আর এ কাজে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ ডলার পর্যন্ত আয়ের সুযোগ রয়েছে। কানাডার অন্যান্য প্রোগ্রামের মতো এ প্রোগ্রামটি জটিল বা সময়সাপেক্ষ নয়। ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেড বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কেয়ারগিভার বা ন্যানি প্রোগ্রাম চালু করেছে। যারা যোগ্য কেয়ারগিভার হিসেবে বিবেচিত হবেন, তারা পাবেন কানাডায় পরিবারসহ স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ। ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের মাধ্যমে চাকরি ও কাজের অনুমতি দুটোই মিলবে বাংলাদেশ থেকে। নুন্যতম এইচএসসি বা ডিপ্লোমা, ইংরেজীতে কথা বলার প্রাথমিক দক্ষতা ও নার্সিংয়ের ওপর ছয় মাসের ট্রেনিং বা এক বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকলেই আপনি চাইলে চাকরিসহ কানাডায় বসবাস করতে পারেন।

চাকরির জন্য স্বর্গ খ্যাত অস্ট্রেলিয়া: চাকরি, বসবাস, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা যে কোনো ক্যাটাগরিতে অস্ট্রেলিয়া সবার পছন্দের শীর্ষের দেশ। অস্ট্রেলিয়া স্কিল মাইগ্রেশন (সেলফ এমপ্লয়েড, স্টেট নমিনেশন, এমপ্লয়ার নমিনেশন) টেম্পরারি ওয়ার্ক ভিসা, স্টুডেন্ট, ফ্যামেলি, ভিজিটর যে কোনো ভিসা আপনি নিতে পারেন আপনার পছন্দ ও প্রয়োজন অনুযায়ী। ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেড আপনাকে দিবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিবার সুযোগ এবং আপনার ভিসা সংক্রান্ত যাবতীয় কাজগুলো করে দিবে দক্ষ ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে। ইঞ্জিনিয়ার, চিকিৎসক, ব্যাংকার, এনজিও কর্মীসহ অনেক পেশার লোকজন অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী অভিবাসন নিতে পারে।

শান্তির দেশ নিউজিল্যান্ড: নির্দিষ্ট সময় পরপর স্কিলড মাইগ্রেশন ক্যাটাগরিতে ড্র অনুষ্ঠিত হয়। বছরে প্রায় কয়েক হাজার পরিবার এ প্রোগ্রামের আওতায় নিউজিল্যান্ডের স্থায়ী নাগরিকত্ব (পিআর) পেয়ে থাকেন। এই ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশিরাও নিউজিল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ নিতে পারেন। স্কিলড মাইগ্রেশন ক্যাটাগরি সম্পর্কে ও এই আবেদনের শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতা সম্পর্কে জানানো হয় নিউজিল্যান্ডের সরকারি ওয়েবসাইট। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন। নিউজিল্যান্ডে সম্ভাব্য পেশার মধ্যে রয়েছে জেনারেল প্র্যাকটিশনার, প্যাথলজিস্ট, সাইকোথেরাপিস্ট, সোনোগ্রাফারসহ আরো কিছু খাত। নিউজিল্যান্ড সরকারের ওয়েবসাইটে দেশটিতে চাহিদা থাকা বিভিন্ন পেশার কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া স্টুডেন্ট ভিসা নিয়েও পড়াশুনা করতে পারেন দেশটিতে।

ব্যবসার স্বর্গ খ্যাত মালয়েশিয়ায় বিজনেস মাইগ্রেশন মালয়েশিয়ায় নিজ নামে কম্পানি খুলে যে কোনো বৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করার মাধ্যমে আপনি চাইলেই পরিবারসহ স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারেন এবং ব্যবসা করে আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারবেন। খুব কম বাজেটে ব্যবসা করে ইউরোপের লাইফ স্টাইলে জীবনযাপন করা যায় একমাত্র মালয়েশিয়ায়। মাত্র চার মাসে ব্যবসা শুরু করা যায় দেশটিতে।

ইউক্রেন সিটিজেনশিপ প্রোগ্রাম: প্রায় ১০ হাজার মার্কিন ডলার মাথাপিছু আয়ের দেশ ইউক্রেন। পৃথিবীর মধ্যে বর্তমান সবচেয়ে কম সময়ে পাসপোর্ট পাওয়া যায় দেশটিতে। বসবাস ও ব্যবসা করার জন্য রয়েছে অসাধারণ কিছু সুযোগ-সুবিধা। ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেড বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য প্রোগ্রামটি উন্মুক্ত করেছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ অফিস ভিজিট করলেই আপনি জানতে পারছেন আপনার সম্ভবনা কতটুকু। আমরাই প্রথম এই প্রোগ্রামটির সূচনা করেছি। এ প্রোগ্রামের অধীনে মাত্র এক বছরের মধ্যে ইউক্রেনের পাসপোর্ট পাওয়া সম্ভব।

পড়াশুনা করুন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে: সেশনজট, রাজনৈতিক হানাহানি, নিম্নমানের সিলেবাস ইত্যাদি কারণ ছাড়াও অনেকে বিদেশে পড়াশুনা করতে চায় শুধুমাত্র বিদেশি নাগরিকত্ব ও ভালো একটি চাকরির প্রত্যাশায়। আপনার সম্ভাবনাময় ভবিষ্যত গড়ে তুলতে ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেড হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ সোপান। আপনার যোগ্যতা ও পছন্দ অনুযায়ী আমরা বিশ্বের যে কোনো দেশে ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিংয়ে থাকা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ব্যবস্থা করতে পারব। সাধারণত বাংলাদেশি ছেলে-মেয়েদের কাছে কানাডা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইউকে, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই থাকে পছন্দের শীর্ষে। ইঞ্জিয়ারিং, মেডিক্যাল, বিজনেস, আইটি, আইন ইত্যাদি যে কোনো বিষয়ে পড়াশুনা করতে পারেন।

এ ছাড়া পোল্যান্ড, নরওয়ে, চিলিতে চাকরি ভিসা বা ব্যবসা করার সুযোগ নিতে পাবেন ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের মাধ্যমে। বিদেশ কাজ করার বা পরিবারসহ বসবাস করা যাদের স্বপ্ন তারাই বেছে নিতে পারেন। দেরি না করে বিস্তারিত জানতে ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডে যোগাযোগ করুন। অল্প সময়ে নিশ্চিত চাকরিসহ শান্তির লীলাভূমি নরওয়েতে বসবাস করতে পারেন। কোনো আইইএলটিএস'র প্রয়োজন নেই। আপনি আগ্রহী থাকলে দেরি না করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আন্তর্জাতিক অভিবাসনবিষয়ক আইনজীবী, ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজুর সাথে সরাসরি দেখা করতে ০১৯৬৬০৪১৩৩৩, ০১৯৯৩৮৪৩৩৪০ এই নম্বরে ফোন করে এপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ করা যাবে অথবা পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে পারেন এই ই-মেইল [email protected] ঠিকানায়

কালের কণ্ঠ অনলাইন ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৮:১৩ শেয়ার মন্তব্

11/01/2017

বিনামূল্যে আইটি প্রশিক্ষণ > বেকার যুবকদের জন্য লোভনীয় অফার !


ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিনামূল্যে আইটি প্রশিক্ষণ দেবে। স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেপ) প্রকল্পের আওতায় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে বিনামূল্যে এ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

প্রশিক্ষণ দেয়া হবে পাঁচটি বিষয়ে। এর মধ্যে দুইটি বিষয়ে আবাসিক এবং তিনটি বিষয়ে অনাবাসিক প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। আবাসিক প্রশিক্ষণ কোর্সগুলো হল- ১) প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সিং (আপ স্কিল) এবং ২) গ্রাফিক্স ডিজাইন (আপ স্কিল)। উভয় কোর্সে প্রশিক্ষণের মেয়াদ ৩ মাস।

অনাবাসিক প্রশিক্ষণ কোর্সগুলো হল- ১) ওয়েবসাইট ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ২) প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সিং এবং ৩) গ্রাফিক্স ডিজাইন। কোর্সগুলোর মেয়াদ ৬ মাস।

সব কোর্সে অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের কমপক্ষে এইচএসসি পাস হতে হবে। কম্পিউটারের মৌলিক জ্ঞান এবং ইংরেজিতে দক্ষতা থাকতে হবে। আবাসিক প্রশিক্ষণ কোর্সের প্রার্থীদের বয়স ২০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। অনাবাসিক প্রশিক্ষণ কোর্সের প্রার্থীদের বয়সসীমা ১৮ থেকে ৪৫ বছর।

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে www.niet.edu.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। অথবা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অফিসেও সরাসরি ভর্তি হতে পারবেন। আবেদন করা যাবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখ পর্যন্ত।

বিজ্ঞপ্তি-

প্রিয় পাঠক, আপনার প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ক্যারিয়ার বিষয়ক যেকোন প্রশ্নের উত্তর জানতে, আপনার মতামত জানাতে বা লেখা পাঠাতে চাইলে আমাদের ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়। বাংলানিউজের সাথেই থাকুন...

11/01/2017

সুযোগ কাজে লাগাতে শিখুন…

ধন্যবাদ মার্কিন অর্থনীতিবিদ স্টিভেন ডি লেভিট ও সাংবাদিক স্টিফেন জে ডুবনার । অসাধারন শিক্ষামূলক এ গল্পটির জন্য…

দুজন মিলে ঠিক করল ব্যাংক ডাকাতি করবে। একজন অভিজ্ঞ ডাকাত, আরেকজন নতুন, শিক্ষানবিশ। এক সকালে তারা একটা বন্দুক নিয়ে চলে গেল ব্যাংকে। তারপর চিৎকার করে বলল, ‘কেউ নড়বেন না। যে যেখানে আছেন, সেখানেই শুয়ে পড়ুন। মনে রাখবেন, টাকার বিমা আছে, টাকার দায়িত্ব রাষ্ট্রের, কিন্তু জীবনটা আপনার।’—এ হচ্ছে মন বদলের ধারণা। অর্থাৎ, প্রথাগত চিন্তাভাবনা বদলে দাও, ভালো কাজে দেবে।

এক নারী একটু অন্যভাবে বসে ছিলেন। সহজেই চোখ যায় সেদিকে। অভিজ্ঞ ডাকাতটা তাকে বলল, ‘শালীন হয়ে বসুন। মনে রাখবেন, এটি ডাকাতি, ধর্ষণ না।’—এর নাম হচ্ছে পেশার প্রতি একনিষ্ঠ থাকা। প্রশিক্ষণ যেখানে, তাতেই মনোনিবেশ করা উচিত।

এরপর তারা সব টাকা ব্যাগে ভরল। এবার শিক্ষানবিশ ডাকাতটা বলল, ‘ওস্তাদ, গুনে দেখি কত পেলাম।’ অভিজ্ঞ ডাকাত ধমক দিয়ে বলল, ‘দূর বোকা, এত টাকা কী করে গুনব! তারচেয়ে টিভি খুলে বসে থাকো, জানতেই পারবে কত টাকা পেলাম।’—এর নাম হচ্ছে অভিজ্ঞতা। আজকাল কাগুজে দক্ষতার চেয়ে অভিজ্ঞতাই বেশি দামি।

ডাকাত দুজন চলে যাওয়ার পর ব্যাংকের এক সহকারী এবার ম্যানেজারকে বলল, ‘স্যার, দ্রুত পুলিশকে খবর দেন।’ ম্যানেজার মৃদু হেসে বলল, ‘আরে অপেক্ষা করুন। আগে ডাকাতির সমপরিমাণ পাঁচ কোটি টাকা দ্রুত সরিয়ে ফেলুন।’—এর নাম হচ্ছে স্রোতের পক্ষে হাঁটা। বিপরীত পরিস্থিতিকে নিজের অনুকূলে নিয়ে আসা।

ওই রাতে সংবাদে বলা হলো, ১০ কোটি টাকা ডাকাতি হয়েছে। শুনে দুই ডাকাত বারবার গুনেও পাঁচ কোটি টাকার বেশি অর্থ পেল না। এবার প্রচণ্ড রাগ হলো তাঁদের। শিক্ষানবিশ ডাকাতটা বলল, ‘এটা কী হলো? আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঁচ কোটি টাকা ডাকাতি করলাম। আর ওই ব্যাংক ম্যানেজার বসে বসেই তুড়ি মেরে পাঁচ কোটি টাকা আয় করে ফেলল!

তাহলে চোর-ডাকাত হওয়ার চেয়ে শিক্ষিত হয়ে ব্যাংক ম্যানেজার হওয়াই তো ভালো।’—এর নাম হচ্ছে জ্ঞানই শক্তিই, শিক্ষাই সবচেয়ে মূল্যবান।
ব্যাংকের ওই ব্যবস্থাপক এবার খানিকটা হেসে ভাবল, ‘যাক, ব্যাংকের এই পদে আসতে দুই কোটি টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। তারপরেও তিন কোটি টাকা লাভ।’—এর নাম হচ্ছে সুযোগের সদ্ব্যবহার।

11/01/2017

গার্মেন্টস এক্সোসারিজ ব্যবসার আইডিয়া ও বিস্তারিত…

দেশের বৈদেশির মুদ্রা আয় ও স্বল্প শিক্ষিত নারীদের কর্মসংস্থান তৈরিতে বিরাট ভূমিকা পালন করছে গার্মেন্টস শিল্প। এই শিল্পের পরিধি ও প্রসারতা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। ফলে এখানে কর্মসংস্থানের নানামুখী ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। গার্মেন্টসে নিয়মিত লেভেল, ট্যাগ, বোতাম, জিপারসহ এ জাতীয় ছোট ছোট কিছু পণ্যের প্রয়োজন হয়।

গার্মেন্টসের চাহিদানুযায়ী এসব পণ্য সরবারহ করে ভালো আয় করা সম্ভব। যারা এই পণ্য সরবারহ করে তাদের বলা হয় সাপ্লায়ার বা ট্রেডার। স্বল্প মূলধন নিয়ে যে কেউ এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। তবে এই ব্যবসা শুরুর পুর্বে এর ওপর বাস্তবিক জ্ঞান প্রয়োজন, না হলে ব্যবসায় ঝুঁকি থেকে যায়। নতুন যারা ব্যবসাটির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে চান তাদের অবশ্যই কিছুদিন কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে।

কারখানায় চাকরি করে বা অন্য যে কোনোভাবে জানতে হবে ব্যবসার খুঁটিনাটি। প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ছাড়া এ ব্যবসায় উন্নতি করা এবং লাভজনক জায়গায় নিয়ে যাওয়া কঠিন। পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু ধারণা নিয়ে নামতে পারলে এই ব্যবসায় সফল হওয়া সম্ভব।

প্রাথমিক কাজ:

সাপ্লায়ার বা ট্রেডার হিসেবে ব্যবসা শুরু করতে হলে প্রথমে কোম্পানির একটি ভালো নাম ঠিক করতে হবে। তারপর একটি অফিস। এরপরে ব্যবসার বৈধতার জন্য কোম্পানির নাম ও অফিসের ঠিকানা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। সরকার অনুমোদিত যে কোনো একটি ব্যাংকে খুলতে হবে চলতি হিসাব। এর বাইরে কর্মী নিয়োগ, কারখানা স্থাপনের জন্য জায়গা নির্বাচন, মেশিন কেনাসহ আরো কিছু কাজ করতে হবে।

পুঁজি প্রাথমিক:

পুঁজি হিসেবে এই ব্যবসার জন্য মোটামুটি পাঁচ থেকে দশ লাখ টাকা দরকার। তবে পণ্য নিজে উৎপাদন করতে চাইলে মেশিন কিনতে হবে। পাশপাশি কারখানাও ভাড়া নিতে হবে। এতে পুঁজির পরিমাণটা বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে যারা দু’একটি পণ্য উৎপাদন করতে চান তাদের জন্য বিশ থেকে পঁচিশ লাখ টাকার প্রয়োজন হবে। আর আরো বেশি উৎপাদন করতে চাইলে প্রয়োজন অনুযায়ী পুঁজি নিতে হবে।

পণ্যসমূহ:

প্রতিদিন গার্মেন্টসের অনেক পণ্যের প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে আপনি যেসব গার্মেন্টসের সাথে ব্যবসা করবেন তাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে আপনাকে পণ্য নির্বাচন করতে হবে। সাধারণত মেইন লেভেল, কেয়ার লেভেল, হ্যান্ডট্যাগ, কার্টন, পলি, গ্রামটেপ, বোতাম, জিপার, কলার ইনসার্ট, ইন্টার লাইনিং, টুইল টেপ, হ্যাংগার, ইলাস্টিক, সুতার রিল ইত্যাদি পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে বোতাম, হ্যান্ডট্যাগ, কার্টন, কলার ইনসার্ট- এই পণ্যগুলোতে লাভ বেশি হয়।

কোথায় পাবেন:

সাপ্লায়াররা চকবাজার, সদরঘাট, বংশাল ইত্যাদি জায়গা থেকে পণ্য সংগ্রহ করে। আর এসব পণ্যের ৯০ শতাংশের বেশি কাঁচামাল চীন থেকে আমদানি করা হয়। তাই যারা কারখানা করতে চান, তাদের হয় চীন থেকে আমদানি করতে হবে অথবা যারা আমদানি করে তাদের কাছ থেকে পাইকারি ক্রয় করতে হবে।

পণ্য সরবরাহ ও আয়:

এই পণ্য সরবারহের ক্ষেত্রে সব চেয়ে ভালো উপায় হলো গার্মেন্টসের সাথে চুক্তি করা। যদি সেটা সম্ভব না হয় সে ক্ষেত্রে বায়িং হাউসের মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ করা যায়। সরাসরি গার্মেন্টসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলে লাভ বেশি হয়। বায়িং হাউসের মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ করা হলে লাভের পরিমাণটা কমে যায়। তবে সে ক্ষেত্রেও ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে লাভ থাকে। এজন্য প্রয়োজন ওই সেক্টরের লোকজনের সাথে ভালো যোগাযোগ। সাপ্লায়ার বা ট্রেডারের ব্যবসাটা মূলত যোগাযোগনির্ভর। যার যোগাযোগ যত ভালো তার জন্য ব্যবসা করাটা তত সহজ ও লাভজনক হবে।

লেখক: নুরুল ইসলাম।
তথ্যসুত্র: দি ডেইলী ইনকিলাব।

11/01/2017

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবসার আইডিয়া !

তথ্যপ্রযুক্তির দিক থেকে বাংলাদেশ খুব বেশী এগোতে না পারলেও সাফল্য কিন্তু কম নয়। মুক্তপেশা ফ্রিল্যান্সিং এ তরুনরা এগিয়ে চলেছে সমান তালে। সফটওয়্যার রপ্তানীতেও বাংলাদেশ সাফল্য দেখিয়েছে। নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্বেও ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে তরুন প্রজন্ম এগিয়ে চলছে সমান তালে। যদিও উন্নত বিশ্ব যখন ফাইভ জি নেটওয়ার্ক নিয়ে এগিয়ে চলছে সেখানে আমরা এখনও থ্রিজি সেবা পৌছে দিতে পারি নাই প্রতিটি জেলা শহরে। আর এই পিছিয়ে পড়া থেকে এগিয়ে যাওয়ার পথে তৈরী হয়েছে নতুন ব্যবসার সম্ভাবনা।

snekআমাদের অনেকেরই হয়ত জানা নেই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবসা সম্পর্কে। আমি মাসুদুর রহমান আজ আপনাদের এ বিষয়ে ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব। সাথে থাকবেন আশা রাখছি।

কম টাকায় উচ্চ গতির ইন্টারনেট পাওয়ার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। আনলিমিটেড প্যাকেজ, স্বল্প মূল্য এবং নিরবিচ্ছিন্ন সঠিক গতির নিশ্চয়তার কারণে অধিকাংশ মানুষ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করতে আগ্রহী। কিন্তু আমাদের দেশের খুব কম জায়গাতেই পাওয়া যায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ব্যবসা যদিও অনেক কম ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু এব্যবসা সম্পর্কে জানার সীমাবদ্ধতার কারনে শুরু করতে পারছেন না অনেকেই।

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবসা মূলত ইন্টারনেট ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবসা। বিভিন্ন ভাবেই মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে। যেমন ওয়ারল্যাস, ওয়াইফাই, ওয়াইম্যাক্স, ব্রডব্যান্ড। এগুলোর মধ্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে সবচেয়ে নিরবিচ্ছিন্ন সেবা দেওয়া যায় গ্রাহকদের।

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ব্যবসা করতে সর্বপ্রথম ধারনা নিন আপনার নির্ধারিত ব্যবসায়িক এলাকায় কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা কেমন। যদি সন্তোষজনক হয় তাহলে শুরু করতে পারেন। ব্রডব্যান্ড ব্যবসা করার জন্য বিটিআরসি থেকে লাইসেন্স নিতে হবে আপনাকে। লাইসেন্স করার জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। ফরমে বর্ণিত সকল কাগজপত্র সংযুক্ত করে বিটিআরসি হেড অফিসে জমা দিতে হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে আবেদন করার তিন মাসের মধ্যেই লাইসেন্স পেয়ে যাবেন আপনি। লাইসেন্স পাওয়ার পর আপনাকে কিনতে হবে ব্যান্ডউইথ।

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবসার জন্য সবার আগে প্রয়োজন হবে ব্যান্ডউইথ। আর ব্যান্ডউইথ আসে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে। তাই প্রথমে দেখতে হবে যে আপনার ব্যবসায়ীক এলাকায় অপটিক্যাল ফাইবার আছে কিনা। শুধু ফাইবার থাকলেই হবে না কানেকশন দেওয়ার পপস পোর্টও থাকতে হবে। বিটিসিএলের ফাইবার লাইনের পপস পোর্ট আছে শুধুমাত্র জেলা শহরগুলোতে। তাতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। মোবাইল অপারেটরদের ৩জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কারণে এখন গ্রাম পর্যায়েও অপটিক্যাল ফাইবার পৌঁছে গেছে। বেসরকারি আইআইজি (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) গুলো প্রায় সারাদেশে তাদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেছে। আপনাকে সেসব আইআইজি এর কাছ থেকে জেনে নিতে হবে আপনার এলাকায় তাদের অপটিক্যাল ফাইবারের পপস পোর্ট আছে কিনা।

কম দামে ব্যান্ডউইথ বিক্রি করে ও সারাদেশে নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেছে এমন কয়েকটি আইআইজি হল বিটিসিএল, ম্যাঙ্গো টেলিকম, সামিট কামিউনিকেশন, বাংলা ফোন, ভার্গো কামিউনিকেশন, ফাইবার এ্যাট হোম, নভোকম ও বিডি লিংক কামিউনিকেশন। আমাদের দেশে মোট ৩৬ টি ব্যান্ডউইথ প্রোভাইডার রয়েছে। আপনি এদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যে ব্যান্ডউইথ কিনে নিতে পারবেন।

যদি আপনার কাছাকাছি পোর্ট থাকে তাইলে ব্যবসা শুরু করতে আর বাধা নেই। কাছাকাছি না হয়ে একটু দূরে পোর্ট থাকলে সেখান থেকেও রেডিও লিংক করে আনতে পারবেন। আর যদি পপস পোর্টের দূরত্ব বেশি হয় তাইলে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ব্যান্ডউইথ নিতে পারবেন বা মাইক্রোওয়েভ দ্বারা কানেক্টেড মোবাইল টাওয়ারের বিটিএস থেকেও নিতে পারবেন ব্যান্ডউইথ। তবে এই দুই পদ্ধতিতেই ব্যান্ডউইথের দাম অনেক বেশি পরবে। বিভাগীয় শহরগুলিতে অনেক আইএসপি কম দামে সাবলাইন দিয়ে থাকে। তাদের থেকে ব্যান্ডউইথ নিয়েও ব্যবসা করতে পারবেন আপনি।

fibre-internet_718ব্রডব্যান্ড ব্যবসা করতে হলে আপনাকে কিছু যন্ত্রপাতি কিনতে হবে। সেগুলি হল স্পিড কন্ট্রোল করার জন্য মাইক্রোটিক রাউটার, মিডিয়া কনভার্টার, ক্যাবল, পিসি, বেজ ষ্টেশন স্থাপন করার জন্য সুইচ ও বক্স। সেই সাথে আপনাকে চব্বিশ ঘণ্টা নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে হবে মাইক্রোটিক রাউটার চালু রাখার জন্য।

প্রাথমিক ভাবে দুই লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলেই শুরু করতে পারবেন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা ব্যবসা। পর্যায়ক্রমে ব্যবসার পরিধির উপর বিনিয়োগ বাড়াতে হবে আপনাকে। প্রাথমিক বিনিয়োগ থেকে আপনি প্রতি মাসে বিশ থেকে পঁচিশ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। ব্যবসার পরিধি বাড়ার সাথে সাথে আয়ের পরিমানও বাড়বে।

প্রথমেই বলেছি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবসায় ঝুঁকি অনেক কম। কারণ এই ব্যবসায় শুরুতেই একবার সব কিছু স্থাপন করে নিলে তারপর ব্যান্ডউইথ কেনা ছাড়া তেমন কোন খরচ নেই। বর্ষাকালটা যদিও ব্রডব্যান্ড ব্যবসার জন্য শত্রুতামুলক আচরন করে। কারন বজ্রপাতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে যন্ত্রপাতি পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়।

আপনার ব্যবসায়িক এলাকায় আপনি যে ব্রডব্যান্ড ইন্টানেটের সার্ভিস নিয়ে এসেছেন সেটা তো মানুষকে জানাতে হবে। আর এর জন্য আপনাকে অবশ্যই প্রচার করতে হবে। যেহেতু আপনি একটা এলাকা টার্গেট করে ব্যবসায় নামবেন সেহেতু মার্কেটিং এর জন্য আপনাকে তেমন বড় বাজেট রাখতে হবে না। লিফলেটে আপনার প্যাকেজ সমূহ, প্যাকেজ মূল্য, স্পিড, শর্তাদি ইত্যাদি বিস্তারিত লিখে আপনার টার্গেটকৃত এলাকায় বিতরণ করতে হবে। আগে থেকেই কোন আইএসপি থাকলে তাদের সাথে কম্পেয়ার করে রেট নির্ধারণ করতে হবে। এ ছাড়া সরাসরি বাসায় বাসায় গিয়ে, মাইকিং করে, ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে, পরিচিত মহলকে অনুরোধ করেও মার্কেটিং করতে পারেন।

এই ব্যবসা যেহেতু ব্যবহারকারী ভিত্তিক এবং এক ব্যবহারকারীর সাথে আরেক ব্যবহারকারী সম্পর্কযুক্ত থাকে তাই আপনার বর্তমান ব্যবহারকারীদের বিশেষ ডিসকাউন্টের অফার দিয়ে প্রভাবিত করেও উইজার বাড়াতে পারবেন। এ ছাড়াও এমন ঘোষণা দিতে পারেন প্রথম নির্দিষ্ট সংখ্যার কিছু ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট পার্সেন্ট ডিসকাউন্ট পাবেন। এতে করে দ্রুত কাস্টমার পাওয়া আপনার জন্য সহজ হবে।

এই ব্যবসায় আপনি কর্মী নিয়োগ দিতে চাইলে দেখতে হবে সে মাইক্রোটিক রাউটার কন্ট্রোলিং এর কাজ জানে কিনা, নতুন পোর্ট বানানো, সুইচ, কানেকশন দিতে পারে কিনা, যোগাযোগ দক্ষতা কেমন, মানুষকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা কেমন। এ ছাড়াও যোগ্যতা হিসেবে বাই সাইকেল চালানো জানলে বাড়তি সুবিধা পাবেন। কেননা দূর দূরান্তে গিয়ে লাইন ঠিক করতে হবে।

আপনার কাস্টমারদের সার্বক্ষণিক সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে আপনাকে। তারা খারাপ কিছু করলেও তাদের উপর রাগ করা যাবে না। গভীর রাতেও অনেকে ফোন করতে পারে আপনার সেবার জন্য। তাতে বিরক্ত হওয়া চলবে না আপনাকে।

সুত্রঃ অনলাইন

আইভি কে শামিম ওসমানের প্রস্তাব ছোট বোন আসো।
24/11/2016

আইভি কে শামিম ওসমানের প্রস্তাব ছোট বোন আসো।

ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে আবারো দলীয় নেতাকর্মীদের বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার রাত

Address

Dhaka Bangladesh
Abu Dhabi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gopalganj Online Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category