11/07/2026
❤️❤️❤️❤️❤️❤️দ্বীন মানতে গিয়ে একটু বুদ্ধিমান হোন।❤️❤️
উঁচু-নিচু মর্যাদা শুধু দুনিয়াতেই নয়, জান্নাতেও আছে। আল্লাহ তা’আলা এমন কিছু সহজ আমলের সুযোগ দিয়েছেন, যেগুলোর মাধ্যমে অল্প কষ্টে অনেক সওয়াব অর্জন করা যায়। এই “বুদ্ধিমত্তা” আল্লাহর কাছেও প্রিয়, কারণ এটি তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রচেষ্টা।
◉ ১. ইশা ও ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করুন।
যদিও সব ওয়াক্তই জামাতে পড়ার চেষ্টা করবেন, তবে বিশেষভাবে ইশা ও ফজর যেন কোনোভাবেই ছুটে না যায়।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি ইশা ও ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করল, সে যেন সারা রাত দাঁড়িয়ে ইবাদত করল।”
(সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৬৫৬)
◉ ২. প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়ুন।
এটি কোনোভাবেই বাদ দেবেন না।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়বে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।”
(সুনানে নাসাঈ, হাদিস: ৯৯২৮)
◉ ৩. ঘুমানোর আগে সূরা আল-মুলক তিলাওয়াত করুন।
ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা আল-মুলক তিলাওয়াত করবে, আল্লাহ তা’আলা তাকে এর বরকতে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবেন।”
(সহিহুত তারগিব, হাদিস: ১৫৮৯)
◉ ৪. তাহাজ্জুদের নিয়ত করে ঘুমান।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়ত করে ঘুমায়, কিন্তু ঘুমের কারণে জেগে উঠতে পারে না, তার নিয়ত অনুযায়ী সওয়াব লেখা হয় এবং তার ঘুমও আল্লাহর পক্ষ থেকে সদকা হিসেবে গণ্য হয়।”
(সুনানে নাসাঈ, হাদিস: ১৭৮৭)
◉ ৫. সন্তানকে কুরআনের হাফেজ/হাফিজা বানানোর চেষ্টা করুন।
এটি ফরজ নয়, তবে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি কুরআন শিখবে এবং সে অনুযায়ী আমল করবে, কিয়ামতের দিন তার পিতা-মাতাকে এমন এক মুকুট পরানো হবে যার আলো সূর্যের আলোর চেয়েও উজ্জ্বল হবে।”
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৪৫৩)
◉ ৬. প্রতিদিন অন্তত ১০০ বার ইস্তিগফার করুন।
মুমিন কখনো নিজের গুনাহ নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকে না। তাই বেশি বেশি ইস্তিগফার করুন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদের সবাইকে এসব আমলের তাওফিক দান করুন। আমীন।
পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে অন্যরাও উপকৃত হতে পারে।❤️