Shabz Diary

Shabz Diary ....where i keep all my random thoughts

সিডনির Vivid night এ প্রথম গিয়েছিলাম ২০১১ তে। তখন খুব ভালো লেগেছিলো। এরপর গেলাম এই ২০২৬ এ। এরিশার প্রথম Vivid দেখা। ওর ন...
31/05/2026

সিডনির Vivid night এ প্রথম গিয়েছিলাম ২০১১ তে। তখন খুব ভালো লেগেছিলো। এরপর গেলাম এই ২০২৬ এ। এরিশার প্রথম Vivid দেখা। ওর নাকি ভালো লেগেছে। আর আমি ততটাই disappointed হয়েছি। 'যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ' এই নীতি ফলো করে কিনা কে জানে! নাকি যা কিছু প্রথম, তাই সুন্দর আর মুগ্ধতা জাগানিয়া কিনা কে জানে! যদিও প্রথম সবকিছু সুন্দর বা প্রথম দেখায় প্রেম হওয়া এসব কোনটাই আমি বিশ্বাস করিন। কিন্তু দুঃখ লাগছে এই ভেবে যে মন আর আগের মতো সহজে সবকিছুতে ভালো লাগা খুঁজে পাচ্ছে না। যা এতোদিন বড়দের মুখে শুনে এসেছি, তা এখন নিজের ক্ষেত্রেই উপলব্ধি করছি। আমি কি তাহলে ফাইনালি বড় হয়ে যাচ্ছি!

যাইহোক ভিভিড নাইটে হাঁটাহাটি করে আরও বেশি ক্লান্ত লাগছিলো। কোনভাবেই চেহারা থেকে সরাতে পারছিলাম না সেই ক্লান্তি। এই আরেক সমস্যা! রাগ, ক্ষোভ, ভালো লাগা, খারাপ লাগা সব যদি মুখ দেখেই সবাই বুঝে যায় তাহলে আর আধুনিক যুগের nonchalant ভাব কিভাবে ধরবো! যাইহোক, সকালে ঘুম ভেঙেও রাতের ক্লান্তি কোনভাবেই যাচ্ছিলো না। আর বের হওয়ারও কোন ইচ্ছা ছিলো না। কিন্তু দিনটা এতো সুন্দর আর চকচকে ছিলো যে ওমরের উৎসাহে বের হতেই হলো। বের হওয়ার সময় গাইগুই করলেও, সমুদ্র পাড়ের ঠান্ডা বাতাস, শীতের মিষ্টি রোদ আর সিডনির ঝকঝকে নীল আকাশ শরীর, মনেকে সতেজ করেছে।

বয়স যত বাড়ছে ততই বুঝতে পারছি জীবন মানে ভালো, খারাপের মাঝামাঝি কিছু একটা। মানুষেরাও তাই। অংকে একশতে একশো পাওয়ার মতো পারফেকশন আমাদের মাঝে ঢোকানোর চেষ্টা করা হলেও, আমৃত্যু আসলে ইমপারফেক্টই থেকে যাই। আমার কিন্তু ব্যাপারটা ভালোই লাগে। পারফেক্ট কোন কিছুই আমাকে কেন যেন টানে না!

©মুনলীন

এবারের ঈদটা কেন যেন একটুও ঈদ, ঈদ মনে হচ্ছেনা। ফেবুতে ঢুকেও সেইম ব্যাপারটা অনুভব করছি। এতো হত্যা, ধর্ষন, শিশু মৃত্যু ব্রে...
28/05/2026

এবারের ঈদটা কেন যেন একটুও ঈদ, ঈদ মনে হচ্ছেনা। ফেবুতে ঢুকেও সেইম ব্যাপারটা অনুভব করছি। এতো হত্যা, ধর্ষন, শিশু মৃত্যু ব্রেইন আর নিতে পারছে না। কেমন দম বন্ধ লাগছে। সাথে গাও গুলাচ্ছে।

নিজের প্রফেশনের কারনেই হয়তো মানুষের বহু অন্যায়, অবিচার, নোংরামির খবর গা সওয়া হয়ে গেছে। কোন কিছুতেই আর চমকে উঠিনা। মনে হয় এ আর নতুন কি! মন্দের ভালো হিসেবে ব্যাপারটা শুধুই কর্মক্ষেত্রে আবদ্ধ ছিলো।

কিন্তু গত কয়দিন ধরে ফেবুতে প্রতিনিয়ত ধর্ষন, হত্যার ভিডিও, নিউজ দেখতে দেখতে এখন মনও অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে ঘরে, বাইরে, দেশে, বিদেশে শুধু ট্রমা আর ট্রমা। কেউ ট্রমার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। কেউ শুনে শুনে বা দেখে দেখে ট্রমাটাইজড হচ্ছে। আশা বা পরিবর্তনের কথা কেউ আর বলছে না। সম্মিলিতভাবে সবাই 'যা হওয়ার তাই হবে' স্রোতে ভেসে যাচ্ছে। কারও কিচ্ছু করার নেই! কি ভয়ংকর এক আশাহীনতার ভেতর দিয়ে আমরা যাচ্ছি ভাবতেই শিউরে উঠছি!

গতকাল সন্ধ্যায় আম্মুর সাথে ফোনে দীর্ঘক্ষন গল্প করতে করতেই বললাম 'তুমি বেঁচে আছো বলে তাও কথা বলতে পারছি, তানা হলে কি করতাম'! মন চাইলেইতো আর যাকে তাকে নিজের ভালো না লাগার কথা বলা যায়না। মন চাইলেই যার তার কাছে দৌড়ে ছুটে যাওয়া যায়না। আর সবচেয়ে ভয়ংকর লাগে যে আম্মু না থাকার নিস্তব্ধতা আমি এখনি কল্পনা করতে পারি। অনুভব করতে পারি। এই নিঃসংগতা আসলে ভাষায় প্রকাশ করা যায়না। আমার মতো 'তাল মিলিয়ে' চলতে না পারা মানুষের জন্য সে এক ভয়াবহ শাস্তি। কথা বলার মানুষের এতো অভাব! নাহ, ভুল বললাম। আসলে, কথা বলে মন ভালো করার মানুষের এতো অভাব! ৮ বিলিয়ন মানুষের এই পৃথিবীতে জীবন মানে হয় শুধু নিঃসংগতা, না হয় কুৎসিত বেঁচে থাকা, না হয় বীভৎস মৃত্যু হতে পারেনা! কিন্তু মুক্তি কিভাবে মিলবে, কোথায় মিলবে সে উত্তরও জানি না।

©মুনলীন

গত দু/তিন বছর ধরে শীতে আমাদের বাসায় একটা mandatory আইটেম হচ্ছে খাসির পায়া। দেশে থাকতে এই জিনিস শুধু কোরবানির পর খাওয়া হত...
23/05/2026

গত দু/তিন বছর ধরে শীতে আমাদের বাসায় একটা mandatory আইটেম হচ্ছে খাসির পায়া। দেশে থাকতে এই জিনিস শুধু কোরবানির পর খাওয়া হতো বাসায়। কি যে মজা লাগতো। কিন্তু সেটা হতো গরুর পায়া। আর অস্ট্রেলিয়ার গরু যেমন বিশাল তার পায়ের সাইজও বিশাল। আমার বাসার ছোট পাতিলে আটবে না বলে কখনো রান্না করা হয়নি।
তবে দেশের পায়া আর এখানেরটার পার্থক্য হচ্ছে, এখানে পা এর চামড়া সহ বিক্রি হয়। দেশে চামড়া সহ খেয়েছি বলে মনে পড়ে না। আমার কাছে যদিও এই চামড়াসহটাই খেতে মজা লাগে সবচেয়ে বেশি। ওমর প্রথমবার একটু অস্বস্তিতে ছিলো ব্যাপারটা নিয়ে। কিন্তু এখন সেও মজা পেয়ে গেছে।

তো এবছরে পায়ার দ্বিতীয় ব্যাচ রান্না করে এরিশার ঘানাইয়ান টিউটর জোয়ানাকে দিয়েছিলাম খেতে। যদিও আগে জিজ্ঞেস করে নিয়েছিলাম ও গোট খায় কিনা। স্যুপের কথা শুনে বললো Goat feet soup ওরাও বাসায় খায়। তারপর আমি যখন আমার দেশিয় স্টাইলে রান্না করা স্যুপ দিলাম, খেয়ে বললো she loved it! ঝালটা অন্যান্য সময়ের চাইতে একটু বেশি হওয়ায় ভাবছিলাম খেতে পারে কিনা। শুনে নিজে থেকেই বললো 'dont worry, i am African. We can handle chillies'.

জোয়ানাকে নিয়ে আগেও একবার লিখেছিলাম। মেয়েটার hard working, responsible ক্যারেক্টারটা আমি খুব পছন্দ করি। সিডনি ইউনিতে নার্সিং এ পড়ার পাশাপাশি আরও ছয়টা স্টুডেন্টকে বাসায় গিয়ে পড়ায়। সাথে একটা প্রাইভেট হাইস্কুলে টিচার্স এইড হিসেবেও কাজ করে।

সেদিন কথায় কথায় বলছিলো স্কুলের কাজটা নাকি ওকে বেশি ক্লান্ত করে ফেলে। স্কুলের ছেলেগুলো এতোবেশি আনরুলি আর অবাধ্য যে কাজ করা নাকি টাফ। এই প্রবলেমের কথা অবশ্য শুধু জোয়ানা না, এখানকার বেশিরভাগ টিচাররাই বলে। এখানকার স্কুলগুলোতে স্টুডেন্টের নেগেটিভ আচরণকে, পজিটিভে পরিবর্তন করার স্ট্র্যাটেজি হচ্ছে reward system.
যেমন, কোন এক স্টুডেন্ট হয়তো বারবার বলার পরও ঠিকমতো ইউনিফর্ম পরে আসছে না। কিন্তু হঠাৎ যেদিন সে মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঠিকঠাক ইউনিফর্ম পরলো, সেদিন তাকে good behavior এর স্টিকার দেওয়া হবে। তার এই পজিটিভ চেইঞ্জকে এনকারেজ করার জন্য। তো জোয়ানা বলছিলো ওর এই রিওয়ার্ড সিস্টেম পছন্দ না। কারন এতে করে স্টুডেন্টদের মিনিমাল এফোর্টকেই উৎসাহিত করা হচ্ছে। ওর কথা হচ্ছদ স্টুডেন্টদের কাছে স্কুলের এক্সপেক্টেশন এতো লো থাকবে কেনো!

ব্যাপারটার সাথে আমিও আসলে দ্বিমত করতে পারলাম না। এখানকার অস্ট্রেলিয়ান বাচ্চাদের মধ্যে বড়দের প্রতি রেসপেক্ট ব্যাপারটা এতো কম যে এর আগে এখানকার এক সিনিয়র কলেজের প্রিন্সিপাল আমাকে বলেছিলো সে আরব বা এশিয়ান কান্ট্রির ছেলেমেয়েদের স্টুডেন্ট হিসেবে বেশি প্রেফার করে। কারন শিক্ষকদের তারা সম্মান দিতে জানে।
এমনকি জোয়ানাও তার স্কুলের একটা এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করলো যেখানে ছেলেটা মিসবিহেইভ করছিলো। ক্লাসটিচার যখন জোয়ানাকে স্টুডেন্টের সাথে কথা বলতে বললো, সে জোয়ানাকে বলেছে তার চোখের দিকে না তাকিয়ে কথা বলতে। কারন ডিরেক্ট আই কন্টাক্ট তার পছন্দ না। জোয়ানাকেও বাধ্য হয়ে স্টুডেন্টের সাথে সাইডে তাকিয়ে কথা বলতে হয়েছে।
আমাকে বাসায় এসে বলছিল, জোয়ানার বাবা মা হলে টিচারের সাথে এই বেয়াদবির জন্য ভীষন শাসন করতো। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান বাবা মা'রা জীবনেও তা করবেনা। কথা কিন্তু সত্য!
এখানকার টিচারদের জন্য আসলেই আমার মায়া হয়, স্টুডেন্টকে নিয়ে পজিটিভ ফিডব্যাক দিতে তারা বাধ্য। কারন তাদের নেগেটিভ ফিডব্যাক যদি স্টুডেন্টের মেন্টাল হেলথের উপর কোন ইম্প্যাক্ট ফেলে, তাহলে বাবা মা এসে সেই টিচার আর স্কুলের বারটা বাজায় ফেলবে। আর এতে করে যা হচ্ছে অসংখ্য entitled কিডস আর এ্যাডাল্টে এই সমাজ ভরে যাচ্ছে।

আর আমাদের দেশে উল্টো সমস্যা। শিক্ষিকরা কতরকমভাবে ছাত্রদের সাথে অন্যায় আচরন করে। কেউ কেউ নাকি পিটাতে পিটাতে ছাত্র মেরেও ফেলে। আবার ছাত্র যদি ছাত্রনেতা হয় সে তখন শিক্ষকদের নানারকম ভাবে অপমান, অপদস্থ করে। এর কোনটাইতো আসলে কাম্য না। আমি অস্ট্রেলিয়ান পলিসিকেও যেমন ১০০% এ্যাপ্রিশিয়েট করিনা, দেশেরটাও না। সমাধানতো আসলে ব্যালান্সে। আর ব্যালান্স মেইনটেইন করার দায়িত্বতো আসলে সবার! কিন্তু কয়জন সে দায়িত্ব পালন করে সেটাই আসল প্রশ্ন।

©মুনলীন

ববি ব্রাদারের পরকিয়ার খবর বের হওয়ার পর থেকে ফেবু ভর্তি সবার এক আওয়াজ মেয়েদের চোখ নাকি বিবাহিত পুরুষদের দিকেই বেশি যায়! অ...
16/05/2026

ববি ব্রাদারের পরকিয়ার খবর বের হওয়ার পর থেকে ফেবু ভর্তি সবার এক আওয়াজ মেয়েদের চোখ নাকি বিবাহিত পুরুষদের দিকেই বেশি যায়! অন্যের ঘর ভেংগে, অন্যের জামাইকে নিজের জামাই বানাতেই নাকি এদের যত আনন্দ।

তো পরকিয়া সম্পর্কিত বহুত আজাইরা হাউকাউ নিয়া মাথা না ঘামাইলেও, এই কথা অস্বীকার করি না যে আসলেই কিছু নারীরা বিশেষ করে সিংগেল, আনম্যারিড নারীরা, ম্যারিড পুরুষদের ব্যাপারে আকর্ষণ ফিল করে। সেদিন এক জেনজি রিসার্চেও দেখলাম ব্যাপারটা উঠে আসছে। সেখানে দেখা গেছে জেনজি নারীরা বয়স্ক পুরুষদের সাথে ডেইট করার বেলায় বেশী আগ্রহী! ব্যাপারটা যে শুধু বয়স রিলেটেড তা কিন্তু না। বয়সের সাথে সাথে পুরুষের ইমোশনাল ম্যাচিওরিটি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আর লং-টার্ম সম্পর্কের কথা বিবেচনা করেই তারা বয়স্ক পুরুষদের প্রেফার করে। আর শুধু সিংগেল নারীদের কথাই বা বলছি কেন, ডিভোর্সড বা বিধবা নারী কেউই কিন্তু দ্বিতীয় বিয়ের সময় অল্প বয়সী, সিংগেল পুরুষ সহজে খোঁজেনা। কারন ওই একটাই-মানসিক পরিপক্কতা আর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা। আর এটাতো প্রতিষ্ঠিত সত্য যে সমবয়সী নারী পুরুষদের মাঝে নারীরা মানসিক পরিপক্কতায় সবসময়ই বেশি এগিয়ে থাকে।

এছাড়াও ম্যারিড পুরুষদের বেপারে নারীদের আকর্ষণবোধ করার আরও কিছু কারন যেগুলো আছে-

১. পছন্দ করার মতো ব্যাক্তি: একজন ম্যারিড পুরুষ মানে সে একজন 'husband material'! যে পুরুষকে অন্য একজন নারী পার্টনার হিসেবে চুজ করেছে, তারমানে সে পুরুষের মাঝে সংসার করার মতো সব রকম ইমোশনাল, ফাইন্যান্সিয়াল আর সোশ্যাল কোয়ালিটি বিদ্যমান। যা কিনা কাছাকাছি বয়সের সিংগেল পুরুষদের মধ্যে প্রমানিতভাবে থাকেনা।

২. কনফিডেন্স আর ম্যাচিওরিটি: একজন ম্যারিড পুরুষ তার বয়স, লাইফ এক্সপেরিয়েন্স আর ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটির কারনে স্বাভাবিকভাবেই নিজেকে নিয়ে, নিজের অবস্থান নিয়ে কনফিডেন্ট থাকে। সে তার বউ, বাচ্চাকে কম্ফোর্টেবল রাখতে পারছে, তাদের দায়িত্ব নিতে পারছে, এটা অনেক সিংগেল মেয়ের কাছেই ড্রিম কম্বিনেশনস টু ফাইন্ড ইন আ পার্টনার!

৩.এ্যাটেনশন & ভ্যালিডেশন: যাকে পাওয়া সম্ভব না তার কাছে desired হতে পারাটা কিছু মেয়ের জন্য কম্পিটিশন আর ইগো বুস্টিং' হিসাবে কাজ করে।

৪.ফ্যান্টাসি v রিয়েলিটি: একজন বিবাহিত পুরুষকে বাইরে থেকে দেখে যা ধারনা হয়, কিছু নারী সে 'ধারনার' প্রেমে পরে! বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে শুধু ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ডে বসবাস করে 'পরকিয়া' পরবর্তী জটিলতা, ভাগ হয়ে যাওয়া অনুভুতি, দায়িত্ব, ভালোবাসা, অনুশোচনা সবকিছুই তখন মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। প্রেমকে না যায় ফেলা না যায় গেলা!

তো যাইহোক, চাই না চাই, মানি না মানি, ভালো লাগুক না লাগুক, পরকিয়া ছিলো, আছে, থাকবে! একজন মানুষের মন অন্য আরেকজন কন্ট্রোল করতে পারেনা। মানুষ নিজেই নিজের মন সামলাইতে পারেনা। কিন্তু তারপরও যারা চেষ্টা চালায় যায় তারা ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য! ধুসর এ মানবমনকে তারা সাদা কালোর ভেতর বাঁধতে চাইছে, এই বা কম কি!

©মুনলীন

মা দিবসে মাকে নিয়ে কি যে লিখবো মাথায় আসছিলো না। তারপরও, মায়েদের জন্য যে দিন, সে দিন মাকে নিয়ে অন্তত দু একটা কথা না লিখলে...
10/05/2026

মা দিবসে মাকে নিয়ে কি যে লিখবো মাথায় আসছিলো না।
তারপরও, মায়েদের জন্য যে দিন, সে দিন মাকে নিয়ে অন্তত দু একটা কথা না লিখলে নিজের ভেতরই কেমন যেন খচখচ করে। যদিও মা কে নিয়ে আমি অল্পবিস্তর আগে লিখেছি! যারা আমার লেখা পড়েন তারা অনেকেই আমার মা সম্পর্কে কিছুটা হলেও জানেন। নিজে আমি মা হিসেবে কেমন সে মার্কিংতো আর করতে পারবো না। কিন্তু মেয়ে হিসেবে গত কিছুদিন ধরে যে উপলব্ধি আমার হয়েছে, তাতে বুঝেছি মা হিসেবে নিজের মা'কে কখনো ছাড়িয়ে যেতে পারবো না। সে ধৈর্য্য, আবেগ আর ডেডিকেশন এখনো আমার নেই। যেহেতু এসব দেশে বাচ্চাকাচ্চাদের অধিকার বাবা মার চেয়েও বেশি! মেয়ের উপর যখন প্রচন্ড মেজাজ খারাপ হয়, ভাবি 'থাকলে থাকবে, না থাকলে না! যাক, নিজের ইচ্ছেমতো দুনিয়া চড়ে বুঝুক, কত ধানে কত চাল'!

অথচ আমার মা কিন্তু এমন ভাবেনি! আমি যে পরিমান 'ঘাড়ত্যাড়া' ছোটবেলায় ছিলাম এবং এখনো আছি, তার ধারেকাছে আমার মা বা মেয়ে কেউই না। আমার মনে আছে ছোটবেলায় মা একবার রেগে গিয়ে বলেছিলো, 'বের হয়ে যা ঘর থেকে'! আমারও সেকি জেদ! সংগে সংগে খালি পায়ে বের হয়ে গিয়েছিলাম। ছোটছিলাম বলেই হয়তো খুব বেশি পথঘাট চেনা ছিলো না। ১৫/২০ মিনিটের পথ হেঁটে এক নানীর বাসায় গিয়ে বসে ছিলাম! আর আমার মেয়েকে এই কথা বললে, উল্টা বলে 'this is my home too'😄!

মা হিসেবে মেয়ের কোন টিনএইজ ট্যানট্রাম, আচার আচরন বা চিন্তাভাবনা পছন্দ না হলে, মাথা ঠান্ডা রাখা আমার জন্য যখন কঠিন হয়ে যায়, তখন মা'ই আমাকে শেখায় কিভাবে 'মা' হয়ে উঠতে হয়। কিভাবে ধৈর্য্য ধরে, ঠান্ডা মাথায় সবকিছু সামলাতে হয়! মা হিসেবে সন্তানকে সঠিক পথে রাখার জন্য কখনো কখনো কতটা ভালো অভিনয় জানতে হয়! আবার আমার মেয়ে যখন দেখে মা এর জন্য, দেশের জন্য আমার মন খারাপ, তখন সেই উল্টো আমার মা হয়ে উঠে! এরা দুজনই তাদের আনকন্ডিশনাল ভালোবাসা দিয়ে সবসময়ই আমাকে 'মা' এর মতো ঘিরে রেখেছে। হয়তো এ কারনেই এখনো পুরোপুরি 'মা' আমি হয়ে উঠতে পারিনি!

কিন্তু তারপরও 'মা' এর রোলটাকেই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়! মা অন্যরকম ভাবতে পেরেছিলো বলেইতো আমাদের জীবনটা অন্যরকম হয়েছে। একদম আকাশের মতো মুক্ত! তাই আমার উপরেওতো সে গুড়ুদায়িত্ব এসে বর্তায়! নিজের মেয়েকেও সেই আকাশের সন্ধান দিতে হবে যে। যে আকাশে সে নিজেতো উড়বেই, সময়মতো নিজের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও সে আকাশের ঠিকানা বলে দেবে।

পৃথিবীতো আসলে এভাবেই এগিয়ে যায়। আমাদের মায়েরা পৃথিবীতে এসেছিলো, তাদের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করেছিলো বলেই না আমরা এক্সিস্ট করছি! আর সেই মায়েদের উত্তরসূরি হিসেবে শুধু নিজেদের বেঁচে থাকা, নিজেদের চাওয়া পাওয়া, নিজেদের স্বার্থ দেখলেইতো হবেনা। আমার মা সবসময় বলে জীবনে যা কিছু সহজ, সুন্দর, স্বাভাবিক তাই মেয়েকে শিখাও! বাবামায়ের কথাই নাকি সন্তানদের উপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে! মায়ের এই কথার প্রমান বহুবার নিজের মেয়েকে দিয়ে পেয়েছি! মেয়ে যতই মুখেমুখে তর্ক করুক না কেনো, মনের ভেতরে সে সবসবসময়ই ভাবে তার মা বাবা তাকে নিয়ে প্রাউড হবেতো!

তাই ভাবি, আমার মা এর দেয়া শিক্ষাতো শুধু আমি না, যুগযুগ ধরে আমার উত্তরসূরিরা নিজের মনে, মগজে বয়ে চলবে! অন্যদের মাঝে বিলিয়ে যাবে! মা না থাকলে এ পৃথিবীকে সহজ, সুন্দর, স্বাভাবিক করার ভাবনাকি কখনো এভাবে উপলব্ধি করতে পারতাম!

পৃথিবীর সকল মা'দেরকে 'মা দিবস' এর শুভেচ্ছা! 💖

©মুনলীন

***২০১০ এ আমার চিরতরুণ মা তার দুই মেয়ের সাথে!

Yesterday at the city, i had a weird & funny experience while waiting for Erisha at the food court. I was scrolling thro...
21/04/2026

Yesterday at the city, i had a weird & funny experience while waiting for Erisha at the food court. I was scrolling through my phone while casually looking around & noticed a Thai or Philipino (Asian) looking guy, probably in his late 20s walked past me. I had actually noticed the guy for his unique colourful (black, green, ash) & spikey hairstyle thinking he could be a Tiktoker!

After few minutes i saw him again walking past me on his way out. He then suddenly turned back, came up to me & said, 'i saw you on Tiktok'! I was shocked for a second or two but then bursed out laughing thinking it was hilarious!😂 I told the guy 'i dont even have a Tiktok account'! He was like 'you dont'!🤣

While talking to him, i saw Erisha walking towards me, so i started laughing again & told her in front of that man that he thought i was on Tiktok. I was thinking Erisha might have some kind of clue who he was talking about! Probably he got bit embarassed, so said 'probably somone else who looked like you' & then about to go away. But because of my extreme curiosity, i called him back & asked who was he talking about & if he could show me her profile!

He then said, he saw the reels while scrolling through Tiktok. I then again said 'sorry, it wasnt me. I dont use Tiktok neither do i have any account '. He then said 'so you are more of a FB & IG person'. With a sad face, i had to say 'Yes, im actually old & from old generation, hence, i dont use Tiktok'🥹

When we got out of the food court, Erisha was totally puzzled thinking why someone would think her mum is a Tiktok celebrity/influencer! On the other hand i was laughing & bragging to annoy her 'see, how internationally famous your mum is'! 🤣😂😁

চ্যাটজিপিটির ভয়ংকর রোবটিক অনুবাদ-
"গতকাল শহরে, ফুড কোর্টে এরিশার জন্য অপেক্ষা করার সময় আমার একটা অদ্ভুত আর মজার অভিজ্ঞতা হয়েছিল। আমি ফোন স্ক্রল করছিলাম আর মাঝে মাঝে চারপাশে তাকাচ্ছিলাম। তখন হঠাৎ একটা থাই বা ফিলিপিনো (এশিয়ান) দেখতে একজন লোককে দেখলাম, বয়স প্রায় ৩০-এর মতো, আমার পাশ দিয়ে হেঁটে গেল। লোকটার অদ্ভুত রঙিন (কালো, সবুজ, ছাই রঙের) আর খাড়া খাড়া চুল দেখে আমার মনে হলো, সে হয়তো কোনো টিকটকার!

কয়েক মিনিট পরে আবার তাকে দেখলাম, এবার সে বের হওয়ার পথে আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ সে ফিরে এসে আমার কাছে এসে বলল, “আমি আপনাকে টিকটকে দেখেছি!” আমি এক-দুই সেকেন্ডের জন্য অবাক হয়ে গেলাম, তারপর হেসে ফেললাম—কারণ ব্যাপারটা খুবই হাস্যকর ছিল! 😂 আমি তাকে বললাম, “আমার তো টিকটক অ্যাকাউন্টই নেই!” সে বলল, “আপনার নেই?” 🤣

তার সাথে কথা বলার সময় দেখি এরিশা আমার দিকে আসছে। আমি আবার হেসে ফেললাম আর তার সামনে বললাম যে এই লোকটা ভাবছে আমি টিকটকে আছি। আমি ভাবছিলাম, হয়তো এরিশা বুঝতে পারবে লোকটা কাকে বলছে! সম্ভবত লোকটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল, “হয়তো আপনার মতো দেখতে অন্য কেউ।” তারপর সে চলে যেতে যাচ্ছিল।

কিন্তু আমার খুব কৌতূহল হচ্ছিল, তাই আমি তাকে আবার ডেকে জিজ্ঞেস করলাম, সে কাকে দেখেছে আর প্রোফাইলটা দেখাতে পারবে কিনা।

সে বলল, সে স্ক্রল করতে করতে টিকটকে ওই ভিডিওটা দেখেছে। আমি আবার বললাম, “দুঃখিত, সেটা আমি নই। আমি টিকটক ব্যবহার করি না, আমার কোনো অ্যাকাউন্টও নেই।” তখন সে বলল, “তাহলে আপনি ফেসবুক আর ইনস্টাগ্রাম বেশি ব্যবহার করেন।” একটু দুঃখের হাসি দিয়ে আমাকে বলতে হলো, “হ্যাঁ, আমি আসলে পুরোনো প্রজন্মের, তাই টিকটক ব্যবহার করি না।” 🥹

ফুড কোর্ট থেকে বের হওয়ার পর, এরিশা পুরো বিভ্রান্ত হয়ে গিয়েছিল—কেন কেউ ভাববে তার মা টিকটক সেলিব্রিটি বা ইনফ্লুয়েন্সার! আর আমি তখন হেসেই চলেছি আর ওকে খোঁচা দিয়ে বলছি, “দেখলে তো, তোমার মা কতটা আন্তর্জাতিকভাবে বিখ্যাত!” 🤣😂

পহেলা বৈশাখ আমার খুব প্রিয় একটা দিন। নিজের জন্মদিনকেও আমি এতোটা অনুভব করিনা, যতটা বৈশাখের প্রথম দিনটাকে করি! দেশে তখনো ফ...
14/04/2026

পহেলা বৈশাখ আমার খুব প্রিয় একটা দিন। নিজের জন্মদিনকেও আমি এতোটা অনুভব করিনা, যতটা বৈশাখের প্রথম দিনটাকে করি! দেশে তখনো ফাগুন উদযাপনের ট্রেন্ড শুরু হয়নি। তাই এই পহেলা বৈশাখই ছিলো আমার আরাধ্য দিন। যে বছর রমনা বটমূলে বোমা হামলা হলো, সে বছরও মা, মেয়ে মিলে বের হয়েছিলাম। প্ল্যান ছিলো আম্মুর কলিগ, বিন্দু আন্টির বাসায় পান্তা ইলিশের দাওয়াত শেষ করে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে যাবো। দাওয়াতের আড্ডার মাঝখানেই টিভিতে বোমা হামলার খবর পেলাম। মনে আছে খবরটা শুনে সবাই কেমন স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলো! কেউই বিশ্বাস করতে পারছিলো না যে এমন কাজও কেউ করতে পারে! আমি নিজেও যে কি ভয়ংকর কষ্ট পেয়েছিলাম। মাথায় ঘুরছিলো, বর্ষবরণ উৎসব কি তাহলে বন্ধ হয়ে যাবে! লোকজনকি সব ভয়ে আর ঘর থেকে বের হবেনা! বৈশাখ পালন করতে না পারলেতো আমি দমবন্ধ হয়ে মারাই যাবো! ঠিক একই রকম কষ্ট বহুবছর পর আবার পেয়েছিলাম ২০২৫ এর ছায়ানটে আক্রমণের ঘটনায়! চোখের পানি ধরে রাখতে পারছিলাম না। অফিসের কাজে মনোযোগ দিতে পারছিলাম না। কেমন নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো কষ্ট হচ্ছিলো!

কিন্তু না, ২৫ বছর আগের বোমা হামলার ঘটনায় যেমন আমাদের জীবনে বৈশাখের আগমন বন্ধ হয়নি। তেমনি আমাদের প্রাণের ছায়ানটের কন্ঠও রোধ করতে পারেনি ওরা! কিন্তু তারপরও কেন যে আমার মন খারাপের অনুভুতি কিছুতেই কাটে না! সময়কে এখন ভীষন দামি মনে হয়! জীবনের একটা দিন চলে যাওয়া মানে, একটাদিন পুরোপুরি হারিয়ে ফেলা। যা করতে চেয়েছি, তা করতে না পারা। যা বলতে চেয়েছি, তা বলতে না পারা। কোন আফসোস নিয়ে মরতে চাই না ভেবেও, হয়তো আফসোসকেই ভবিতব্য বানিয়ে ফেলা! কিভাবে যে এই কঠিন জাল ছিঁড়ে বের হওয়া যায়, তাও বুঝিনা।

যাইহোক, গতকাল অফিসে এ্যালেক্সকে বলছিলাম ১৪ই এপ্রিল বাংলা নববর্ষের কথা। জিজ্ঞেস করলো, কি করবো? কোন প্ল্যান আছে কিনা! বললাম, কাজ শেষ করে আর কি করবো! কোন প্ল্যানও নেই। কিন্তু আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে মনে হলো, বৈশাখ আমার জন্য থেমে না থাকলেও, আমিতো বৈশাখ উদযাপন না করে থাকতে পারবো না! সকালে ঘুম থেকে উঠে গাড়ি নিয়ে চলে গেলাম বাঙালী পাড়ায় দই, মিষ্টি কিনতে। সাথে কিনলাম আড়াইশো গ্রাম মুড়কি! দোকানে বানানো দুধ চা, একটা কলিজা সিঙ্গাড়া আর দুইটা চিকেন রোল। ভেবেছিলাম বাসায় এসে মেয়ের সাথে ব্রেকফাস্ট করবো। কিন্তু সে ঘুমে থাকায় একা একাই নাশতা করলাম।

তারপরও মন হালকা হচ্ছিলো না। ভারী মন নিয়েই হোম অফিস করলাম! আম্মুর সাথে কথা বললাম। ফাঁকে ফাঁকে ফেইসবুক লাইভে নববর্ষ উদযাপন দেখলাম। দেশে ছেলে, বুড়ো, তরুণ, তরুণীরা মন খুলে, নেচে গেয়ে বর্ষবরণ করছে, দেখতে কি যে ভালো লাগছিলো! আচ্ছা, দেশে থাকা সবাই দেশ ছেড়ে বের হওয়ার জন্য অস্থির, তাহলে কি শুধু আমিই মোহগ্রস্ত কিশোরীর মতো দেশে ফেরার জন্য ছটফট করি! যে জীবন যাপন করার কথা ছিলো, কিন্তু হয়নি, সে জীবনই কি তাহলে আমায় ডাকে!

-"দুচোখে হঠাৎ করে কালবৈশাখী
চৈত্রের শেষবেলা পাতা ওড়ে নাকি,
গত বছরের মায়া ভেঙে যাবে বলে,
রাজপথ ভেসে গেছে অচেনা কাজলে"

©মুনলীন

 #অপ্রিয়কথাজয়া আহসান, বিপাশা হায়াতের বয়স, গেটআপ নিয়ে তর্ক, লেখালেখি অনেক হয়েছে। আমি নিজেও আগে একবার লিখেছিলাম। সেটা নিয়ে...
10/04/2026

#অপ্রিয়কথা

জয়া আহসান, বিপাশা হায়াতের বয়স, গেটআপ নিয়ে তর্ক, লেখালেখি অনেক হয়েছে। আমি নিজেও আগে একবার লিখেছিলাম। সেটা নিয়ে নতুন করে বলার আর কিছু নাই। কিন্তু যে ব্যাপারটা সবসময়ই কৌতুহলের উদ্রেক করে, সেটা হলো, বেশিরভাগ মানুষ বিপাশা হায়াতের পরিবর্তন মেনে নিতে পারলেও, জয়া আহসানের ব্যাপারে কেন যে এতো আক্রমনাত্মক হয়ে উঠে!

আমাদের সমাজে চল্লিশের পরই বুড়িয়ে যাওয়া নারীকে যতটা সাদরে, স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা হয়, সেখানে জয়া আহসান পঞ্চাশ পার করেও যে কোন পঁচিশ বছরের তরুণীকে হার মানাবে, সেটাই কি গাত্রদাহের বিষয়? নাকি ব্যাপারটার সাথে আরও জটিল কোন পুরুষতান্ত্রিক মনস্তত্ত্ব জড়ানো। কারন নিয়মিতইতো দেখি, জয়া আহসানের যে কোন ছবি বা কন্টেন্টের নিউজে, তার বয়স ধরে রাখা বা সৌন্দর্য্য নিয়ে খোঁচাখুচি, স্লাটশেইমিং করার বেলায় নারী, পুরুষ কেউই পিছপা হয় না। তাই ভাবি, ব্যাপারটা কি এই যে জয়া তার সৌন্দর্য্য দিয়ে এখনো তার অর্ধেক বয়সী পুরুষদের মুগ্ধ করতে পারে, অর্ধেক বয়সী নারীর চাইতেও আকর্ষণীয়ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারে, তাই জন্যই কি পঞ্চাশোর্ধ জয়া অন্যদের চক্ষুশুল!

দেশে 'কুড়িতেই বুড়ি' বলে একটা কথা আছে! আমার সবসময়ই মনে হয়, কথাটার মধ্যে নারী শরীর, নারীর যৌনতা বা তার আকাঙ্খাকে ছোট করে দেখানোর একটা চেষ্টা আছে। অনেকটা মজার ছলে বোঝানো যে বয়স বাড়ার সাথে সাথে নারীর পুরুষকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা, পুরুষের যৌন চাহিদা মেটানোর ইচ্ছা বা সক্ষমতা কোনটাই তার থাকেনা। এর সাথে সাথে নারীর 'কচি বয়স' এর যে উচ্চবাজারদর বয়সের সাথে সাথে তা কমতে থাকার ব্যাপারটাতো আছেই!

আর এখানেই জয়া আহসান ভীষনভাবে ব্যাতিক্রম! আমাদের সমাজের টিপিক্যাল পুরুষতান্ত্রিকতায় ভরা মনে, চোখে তো অবশ্যই! উনাকে দেখলে কোনভাবেই বয়স বোঝার উপায় নেই। তা হোক না সে যতই আধুনিক টেকনোলজির কল্যানে। আর তার লেভেলের ফিটনেসতো বিশ/পঁচিশের নারীদের মাঝেও দেখা যায় বা। এর সাথে যোগ হয়েছে আত্মবিশ্বাসে ভরা ব্যাক্তিত্ব, বুদ্ধিমত্তা, মানসিক গভীরতা আর স্বপ্রতিভতা! পঞ্চাশতো দুরের ব্যাপার, চল্লিশ পেরোনো কজন নারীকে আমাদের সমাজ এভাবে দেখে অভ্যস্ত!

তাই বয়সকে জয় করা জয়া আহসানকে দেখে তাদের থ্রেট অনুভব করাটাই স্বাভাবিক! পঞ্চাশোর্ধ নারীকেও যদি বডিশেইমিং, এইজশেইমিং আর স্লাটশেইমিং করে দাবিয়ে রাখা না যায়, তাহলে আর কিভাবেই বা আটকে রাখা যাবে! খড়গটা ঝোলাবেই বা কার উপর। নারী যদি বয়স হওয়ার পরও নিজেকে নিয়ে সংকুচিত, বিব্রত, কুন্ঠিত না হয়, দৃশ্যপট থেকে সরে যাওয়ার, বা নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার তাগিদ অনুভব না করে, তাহলে আমাদের দেশিয় পুরুষ, নারীরা তাদের বয়সের শ্রেষ্ঠত্ব আর ক্ষনযৌবন নিয়ে উন্নাসিকতায় ডুবে থাকবেই বা কিভাবে!

©মুনলীন

জীবনের অর্ধেক পার করে এসেও কোন কোন সময় মনে হয়, আবার মা'কে দরকার। এমনকি হয়তো বাবাকেও। শুধু কথা বলে মন হালকা হওয়ার জন্য! আ...
09/04/2026

জীবনের অর্ধেক পার করে এসেও কোন কোন সময় মনে হয়, আবার মা'কে দরকার। এমনকি হয়তো বাবাকেও। শুধু কথা বলে মন হালকা হওয়ার জন্য! আমার মোবাইলে দুনিয়ার যাবতীয় সব কাজ করি, শুধুমাত্র কথা বলা ছাড়া! একমাত্র আম্মু ছাড়া ফোন করে কথা কারও সাথেই আমার বলা হয়না। আবার আম্মু ছাড়া অকাজে আমাকেও কেউ ফোন দেয়না।

সেদিনও আম্মু হঠাৎ বলছিলো তার নাকি বয়স হচ্ছে। যে কোন সময় মারা যেতে পারে। আমি স্বার্থপর বলেই হয়তো নিজের কথাই আগে মনে হচ্ছিলো। বললাম, তুমি মারা গেলে আমি কথা বলবো কার সাথে! আরতো কেউ নাই কথা বলার! তারপর থেকে ফোন হাতে নিলেই এই ভাবনাটা আসে। মনে হয়, একটা সময় আসলেই তাহলে আসবে যখন সম্পুর্ন একা হয়ে যাবো আমি! ঈদ, রোযা, জন্মদিন, বিশেষ দিনে কেউই থাকবে না নিজে থেকে মনে করে আমাকে কল দেবে বা আমি কল দিবো!
তাহলে সে জীবনের আসলে মানেটা কি! কোন নোটিফিকেশন ছাড়াই আমাকে মনে রাখার মানুষ, যার কারনে এ পৃথিবী দেখছি, জীবন উপভোগ করতে পারছি, সে থাকবেনা! অথচ আমি রয়ে যাবো! এ কেমন নিষ্ঠুরতা জীবনের!

আজকে সারাদিন ধরে এই শুন্যতার কথা চিন্তা করেই হয়তো তাই মন ভার হয়ে ছিলো। জ্যোতিষ শাস্ত্রে যাদের জন্মসংখ্যা দুই তারা নাকি প্রচন্ড আবেগপ্রবণ, সংবেদনশীল হয়। কোন কিছু ঘটার আগেই, তা আঁচ করে ফেলতে পারে। ব্যাপারটা আসলেই সত্যি কিনা জানিনা! কিন্তু খেয়াল করে দেখেছি আমি আঁচ করতে পারি। ব্যাপারটা সবসময় যে খুব আনন্দের তাও না। এই যে মন সারাক্ষন মানুষ, প্রকৃতি, পৃথিবীর কাছ থেকে এনার্জি এ্যাবজর্ব করছে, তা আসলে মনের ব্যাগেজ শুধু ভারীই করে। ব্যাগ থেকে কিছু জিনিস সরিয়ে রাখার বা কিছু ফেলে দেয়ার উপায় বলে দেয়না। আমার তখন ক্লান্ত লাগে। মনে হয় সব ছেড়েছুড়ে দূরে কোথাও চলে যেতে পারলে ভালো হতো।

জীবন আসলে মোটামুটি আনন্দেই কাটানো যায় যদি চাইলেই হাঁসের মতো গা ঝাড়া দিয়ে চলা যায়। তা না পারলে আমার মতো লিখে লিখে মুক্তি খোঁজা লাগে। তাই মাঝে মাঝেই মনে হয়, জীবনকেও যদি scrap করে আবার শুরু করার অপশন থাকতো, আমি আরও বেশি সময় আমার তরুণী মা এর সাথে কাটাতাম।

©মুনলীন

ইলেকট্রিসিটি/পেট্রোল সেইভ করা না করার চাইতেও আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দেশের ইয়াং জেনারেশনের মানসিক স্বাস্থ্য! সেই যে ...
03/04/2026

ইলেকট্রিসিটি/পেট্রোল সেইভ করা না করার চাইতেও আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দেশের ইয়াং জেনারেশনের মানসিক স্বাস্থ্য! সেই যে ২০২৪ থেকে শুরু হইসে পড়াশোনা বাদ দিয়ে রাজনীতি, রাজনীতি খেলা, এখন সেই খেলা নানা ভাবে, নানা উপায়ে চলতেসেই। কিছু হইলেই আগে স্কুল/কলেজ বন্ধের কথা মাথায় আসে সরকারের। যেন পোলাপানগুলা বাতাসে শিক্ষিত হবে! বাতাসেই সার্টিফিকেট পাবে!

যেইসব স্টুডেন্ট ২৪ এর গ্যাঞ্জামের মধ্যেই দেশ ছেড়ে বের হয়ে যাইতে পারসে, বিদেশে কষ্ট করে পড়াশোনা করার জন্য আসতে পারসে, অথবা দেশেই যারা প্রাইভেটে পড়তেসে বা অন্তত এইটুকু জানে যে ফ্যামিলর সেই সামর্থ্য আছে যে চাইলে পরে বিদেশেও চলে যাইতে পারবে বা দেশেই টাকাপয়সা খরচ করে পড়াশোনা টাইমলি শেষ করতে পারবে, তাদেরতো কোন চিন্তা নাই বা সমস্যাও নাই। তারা পুরা দুনিয়ার সাথেই তাল মিলায় চলতে পারতেসে।

কিন্তু যেই ছেলেমেয়েগুলো এই সুবিধার বাইরে, যাদের ফ্যামিলির সামর্থ্য নাই যে যখন তখন চাইলেই ছেলেমেয়েকে বিদেশ পাঠায় দিতে পারবে, তারা কি করবে! বছরের পর বছর চলে যাইতেসে, এদের বয়স বারতেসে, অথচ সামান্য ব্যাচেলর/অনার্স শেষ করতে পারতেসে না। চাকরি করতে হইলেওতো অন্তত এইটুকু সার্টিফিকেট থাকাই লাগে!

এরা দেখতেসে আশেপাশে এদের বন্ধুবান্ধবরা অনেকেই ক্যারিয়ার গুছানোর জন্য বিদেশ চলে যাইতেসে, প্রাইভেটে পড়ারা সময়মতো অনার্স শেষ করে চাকরি বাকরিতে ঢুকে যাচ্ছে। অথচ এরা ঘরে বসে, ফেইসবুকিং করে সময় কাটাচ্ছে! তো এইসব ছেলেমেয়েদের মনের ভেতর কি চলে বা চলতেসে সেই কথা কেউ ভাবে! না গুরুত্ব দেয়! এদের মন খারাপ, ডিপ্রেশন, জীবনে পিছিয়ে পরার অনুভুতির কথা কেউ চিন্তা করে! করলে সবার আগে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের কথা মাথায় আসতো না।

একটা বিশ/বাইশ বছরের ছেলেমেয়ে ক্লাসে যায়, লেকচার শুনে, বন্ধুবান্ধবদের সাথে আড্ডা দেয়, ক্যারিয়ার, ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা, চিন্তাভাবনা করে, প্রেম করে, প্রেম ভাঙে, ক্যাম্পাসে নতুন, নতুন মানুষের সাথে পরিচয় হয়, জীবনের অভিজ্ঞতা বাড়ে! অথচ এই পুরো সময়টা এরা কিনা ঘরে বসে পার করে দিতে বাধ্য হচ্ছে।

অনলাইন আর সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি নিয়ে এতো কথা চারপাশে, অথচ এই ছেলেমেয়েগুলা ক্যাম্পাসে গিয়ে পড়াশোনা করতে না পারলে, আর করবেটাই বা কি! ফেইসবুকে নিজের বয়সী অন্যান্যদের লাইফ গুছায় নেওয়া দেখবে, ডিপ্রেসড হবে, মদ, গাঁজা খাবে, পর্ন এ্যাডিক্ট হবে, এবং দিন শেষ ব্লেইমগুলাও তাদের উপরেই আসবে। কারন এরা পড়াশোনা করেনাই। ঠিকঠাক মতো একটা সার্টিফিকেট পর্যন্ত নিতে পারেনাই। অথচ বয়স হয়ে যাইতেসে চাকরি আর সংসার করার!
আই ফিল সরি ফর ইউ গাইজ!

©মুনলীন

Address

Barangaroo, NSW

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shabz Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shabz Diary:

Share