29/08/2015
U have to Bujte hobe ,
ইউ কে বা যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসা দেবার প্রক্রিয়া স্থানান্তরীত হয়েছে, ভারতের দিল্রীতে।
বাংলাদেশের নাগরিকদের ইউকে তে অবস্থান তৃতীয় সর্বোচ্চ। শুধু তাই নয় তাদের অভ্যন্তরীন উৎপাদনে ও বিনিয়োগে বাংলাদেশের কারী ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ইকবাল ব্রাদার্স, ইউরো ফুডের সেলিম কিংবা ইনস্যুরেন্সের মাহি জলিল দের মতো নামকরা ধনীরা অবদান রাখছেন।
কনি হক সেখানকার নামকরা টেলিভিশন উপস্থাপক। বাংলাদেশের বক্সার ইউকে এর হয়ে খেলেন। নামকরা নাচিয়ে আছেন বাংলাদেশী। বহু চিকিৎসক ও উকিল আছেন যারা বাংলাদেশের। লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেট বারোতে চিরকাল বাংলাদেশী কাউন্সিলর বা মেয়র।
বাংলাদেশের তিনজন নারী তাদের সংসদ সদস্য। ব্যারনেস আছেন বাংলাদেশী।
খরচ কমানোর অজুহাতে ঢাকা থেকে ভিসা দেয়া বন্ধ করেছে ইউকে, অথচ ভিসা ফি বাড়িয়ে দিয়েছে। এর মানে একদিকে খরচ কমালো অন্যদিকে লাভও বাড়ালো। আর যে দেশে ১৬ কোটি মানুষ , সেই দেশে ভিসা অফিস না রাখার কোন যুক্তিই গ্রহনযোগ্য হতে পারে না। খরচই যদি কমলো তবে ভিসা ফি বাড়লো কেন?
অসংখ্য বাংলাদেশীর ভোগান্তির কারন হয়ে দাড়িয়েছে এই ভিসা। ব্যস্ত মানুষের পক্ষে পাসপোর্ট পাঠিয়ে দিয়ে ২১ দিন বা তারও বেশী অপেক্ষা করে তাকা বাস্তবসম্মত নয়। সেই ২১ দিন তার ব্যবসা সংক্রান্ত ভ্রমন স্থগিত হয়ে থাকে।
বৃটেনে অবস্থানরত কারী হাউসগুলি ও সকল বাঙ্গালী মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কিছুদিন বন্ধ রেখে প্রতিবাদ করা উচিত।
দলীয় রাজনীতির উপরে যেয়ে কখনো কখনো দেশের প্রয়োজনে প্রবাসে অবস্থানরত নাগরিকদের একত্রিত হয়ে আন্দোলন করা উচিত। ওয়েস্ট মিনিস্টারে প্রতিবাদ লিপি দেয়া উচিত, উচিত প্রকাশ্যে সমাবেশ করা।
বাংলাদেশের উচিৎ লন্ডন থেকে ভিসা প্রদান বন্ধ করে বৃটিশ নাগরিকদের জন্য মস্কো থেকে ভিসা প্রদান করা। অথবা তীব্র কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে এই ইউকে ভিসা প্রদান ব্যবস্থা আবার ঢাকায় নিয়ে আসা।