The World Voice

The World Voice An online news portal that helps you keep up-to-date with the world.

“রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে ব্যক্তিত্বের সংঘাত রয়েছে!জেলেনস্কি ও পুতিন সত্যিই একে অপরকে ঘৃণা করেন!ঘৃণা কী, আপনারা জানেন?তাদে...
05/09/2026

“রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে ব্যক্তিত্বের সংঘাত রয়েছে!

জেলেনস্কি ও পুতিন সত্যিই একে অপরকে ঘৃণা করেন!

ঘৃণা কী, আপনারা জানেন?

তাদের মধ্যে তীব্র ঘৃণা রয়েছে!

এই ঘৃণাই তাদের সমাধানের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে!”

- ডোনাল্ড ট্রাম্প, প্রেসিডেন্ট, যুক্তরাষ্ট্র

ক্ষমতা, বাস্তবতা আর সমতার এক নির্মম সত্য!আমরা বলি—আইন সবার জন্য সমান, সত্যের জয় হবেই, নিয়ম মেনে চললেই ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হ...
05/09/2026

ক্ষমতা, বাস্তবতা আর সমতার এক নির্মম সত্য!

আমরা বলি—আইন সবার জন্য সমান, সত্যের জয় হবেই, নিয়ম মেনে চললেই ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে।

কিন্তু বাস্তবতা কি সবসময় এতটা সরল?

👉 দুপক্ষের শক্তি সমান থাকলেই নিয়মের মূল্য থাকে।
👉 দুজনের হাতে সমান অস্ত্র থাকলেই ন্যায্য লড়াই সম্ভব।
👉 শক্তির ভারসাম্য না থাকলে যুক্তির কণ্ঠও অনেক সময় দুর্বল হয়ে যায়।
👉 একজনের হাতে বন্দুক আর অন্যজনের হাতে ছুরি থাকলে—দুজনকে একই মাপকাঠিতে বিচার করা কঠিন।
👉 একজন সশস্ত্র, অন্যজন নিরস্ত্র হলে সেখানে লড়াই নয়, বরং টিকে থাকার প্রশ্ন তৈরি হয়।
👉 টাকার জোর এলে অনেক সময় সত্য নীরব হয়ে যায়।
👉 আবার ক্ষমতার দাপট শুরু হলে টাকাও অনেক সময় পিছু হটে।
👉 আর সবচেয়ে বড় বাস্তবতা—যারা নিয়ম তৈরি করেন, তারাই কখনো কখনো সেই নিয়ম ভাঙার সবচেয়ে বড় ক্ষমতাও রাখেন।

তাই Equality বা সমতা শুধু একটি শব্দ নয়; ন্যায়বিচার, সত্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম ভিত্তি।

এই পৃথিবীতে ভালো কিছু পেতে অনেক সময় লড়াই করতে হয়।
কারণ সুযোগ ও সম্পদের দখল নিতে শক্তিশালীরা এগিয়ে আসে, আর দুর্বলরা অনেক সময় শুধু সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।

প্রশ্নটা তাই শুধু—“সত্য কার পক্ষে?” নয়।
প্রশ্নটা হলো—“সত্য বলার মতো সমান শক্তি ও সুযোগ কি সবার আছে?”

05/09/2026

ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না,
যারাই স্বৈরাচার হয়ে উঠবে তাদেরই পতন ঘটবে। ইনকিলাব জিন্দাবাদ ✊

জাতীয় সংসদের দুজন স্পিকার নিতান্তই ভদ্রলোক। সংসদকে দলীয়করণের যে প্রবণতা রয়েছে, সেটা থেকে তারা অন্তত কিছুটা বিরত রাখার...
05/09/2026

জাতীয় সংসদের দুজন স্পিকার নিতান্তই ভদ্রলোক। সংসদকে দলীয়করণের যে প্রবণতা রয়েছে, সেটা থেকে তারা অন্তত কিছুটা বিরত রাখার চেষ্টা করেন। সরকার দলের কোনো ভুল ত্রুটি থাকলে তাও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।

বিরোধী দলের মতামতকেও যথাযথ সম্মান করেন, তাদের বলার জন্য সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করেন। আগের মতো বিরোধীশূন্য সংসদ তৈরি করেন না — সবার কথা ও মতকে সমান গুরুত্ব দেন। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, তারা সংসদ পরিচালনায় পুরোপুরি নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করেন।

পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে তিন বাহিনীর আইনি নেতৃত্ব দিয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট!এখন থেকে স...
05/09/2026

পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে তিন বাহিনীর আইনি নেতৃত্ব দিয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট!

এখন থেকে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী—তিনটিই তার অধীনে থাকবে!

মন্ত্রিসভার অনুমোদন ছাড়াই যেকোনো বাহিনীর সদস্যকে অবসর, বরখাস্ত অথবা চাকরিতে বহাল রাখতে পারবেন তিনি!

তার পাঁচ বছরের মেয়াদ অন্তত ২০৩০ সাল পর্যন্ত চলবে!

ফিল্ড মার্শাল হিসেবে আজীবন পদমর্যাদা ও আইনি দায়মুক্তিও পাবেন আসিম মুনির!

তাকে অপসারণ করতে পার্লামেন্টে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হবে!

এই শাহাদাতের আঙ্গুল উঁচিয়ে রাখা হাতটি একজন নারীর যিনি ইস্রা'ইলি বিশেষ ফোর্সের বিরুদ্ধে হাতে অস্ত্র তুলে নেন। এই সাহসী না...
05/09/2026

এই শাহাদাতের আঙ্গুল উঁচিয়ে রাখা হাতটি একজন নারীর যিনি ইস্রা'ইলি বিশেষ ফোর্সের বিরুদ্ধে হাতে অস্ত্র তুলে নেন। এই সাহসী নারীর নাম সামাহ আল-খালিদি। প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ছেলে উবাইদার বিয়ের, মেহেদি রেডি করছিলেন এমন সময় ইস্রায়েলি বাহিনীর একটি দল গা*জ্জায় অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তা তার স্বামী মুয়াইন আল-আরাবিদকে অপহরণ করতে আসে।

জানা যায় তাঁর স্ত্রী মেহেদি ফেলে হাতে তুলে নিলেন অস্ত্র।বেরিয়ে গেলেন তাঁর স্বামী, প্রিয়তম মানুষ,জীবনসঙ্গীর পাশে দাঁড়াতে...
তিনি প্রতিরোধ করলেন, লড়লেন,
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে দুই সৈন্যকে সোজা জাহান্নামে পাঠান এই নারী।
এবং শেষ পর্যন্ত শাহাদাত বরণ করলেন।

চিন্তা করুন, পরিবারটি তাদের ছেলের বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিয়ের আয়োজন, অতিথিদের তালিকা, অনুষ্ঠান নিয়ে পরিকল্পনা, সবকিছু ঘিরে ছিল আনন্দ আর ব্যস্ততা...
কিন্তু মাত্র কয়েকটি মুহূর্তের মধ্যেই সেই পরিবারের জীবন ওলটপালট হয়ে গেল!
বাবা আহত হলেন, তারপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হলো।
মা শাহাদাত বরণ করলেন।
বিয়ের বর গুরুতর আহত হয়তো তার একটি বা দুটো চোখই হারাতে হবে।
আরেক ছেলে সংকটাপন্ন অবস্থায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে জীবনযুদ্ধ লড়ছে।

সংক্ষেপে, এটাই একজন গাজাবাসীর গল্প।
এখানে কেউ যখন আশা আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়, ভালো একটি জীবনের স্বপ্ন দেখে, পরিকল্পনা করে, ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে শেখে...
তারপর হঠাৎ এক মুহূর্তে নিজেকে এমন এক বাস্তবতার সামনে আবিষ্কার করে, যা তার স্বপ্নগুলো ছিনিয়ে নেয়, আশা-আকাঙ্ক্ষাগুলোকে ভেঙে চুরমার করে দেয়।

এটাই গাজাবাসীর গল্প,
যারা আত্মসমর্পণ করে না, আমৃত্যু যাদের নারীরাও সাহসীকতার সাথে দখলদারদের বিরুদ্ধে লড়তে লড়তে শাহাদাত বরণ করেন.
এভাবেই শেষ হয় গাজার মানুষের জীবনগল্প...

Habiba Milenia

“চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মহত্যা”একটি জাতিকে ধ্বংস করতে সব সময় যুদ্ধ লাগে না।কখনো শুধু তার শি...
05/09/2026

“চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মহত্যা”

একটি জাতিকে ধ্বংস করতে সব সময় যুদ্ধ লাগে না।

কখনো শুধু তার শিশুদের আলাদা আলাদা সত্য শেখালেই যথেষ্ট।

বাংলাদেশে আমরা ঠিক সেই কাজটিই করছি।

একই পতাকার নিচে জন্ম নেওয়া শিশুদের আমরা চারটি আলাদা ঘরে ঢুকিয়ে দিচ্ছি। একটি ঘরে বাংলা মাধ্যম, একটি ঘরে ইংরেজি মাধ্যম, একটি ঘরে মাদ্রাসা, আরেকটি ঘরে ক্যাডেট কলেজ। তারপর বারো বছর ধরে তাদের আলাদা ভাষা, আলাদা শ্রেষ্ঠত্ববোধ, আলাদা ভয় এবং আলাদা বাংলাদেশ শেখাচ্ছি।

প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তাদের একই রাষ্ট্রে ছেড়ে দিয়ে অবাক হয়ে প্রশ্ন করছি, তারা পরস্পরকে বিশ্বাস করে না কেন!

বাংলা মাধ্যম তৈরি করছে পরীক্ষিত অথচ পরাজিত মানুষ

বাংলা মাধ্যমের শিশুকে বলা হয়, মন দিয়ে পড়লে মানুষ হবে। কিন্তু বিদ্যালয়ে গিয়ে সে শিক্ষক পায় না, বিজ্ঞানাগার পায় না, কার্যকর ইংরেজি শেখে না, প্রশ্ন করার স্বাধীনতাও পায় না।

সে শেখে মুখস্থ করতে।

সে শেখে পরীক্ষকের প্রত্যাশিত উত্তর লিখতে।

সে শেখে সত্য নয়, নম্বরই জ্ঞানের প্রমাণ।

বারো বছর পর হাতে একটি সনদ ধরিয়ে তাকে এমন চাকরির বাজারে পাঠানো হয়, যেখানে তার ভাষা, পোশাক, উচ্চারণ ও আত্মবিশ্বাস দেখে যোগ্যতা মাপা হয়।

রাষ্ট্র প্রথমে তাকে দুর্বল শিক্ষা দেয়। তারপর সেই দুর্বলতার জন্য তাকেই অপমান করে।

এটি শিক্ষাব্যবস্থা নয়। এটি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষকে নিয়ন্ত্রিতভাবে পিছিয়ে রাখার ব্যবস্থা।

ইংরেজি মাধ্যম তৈরি করছে দেশের ভেতরে সুবিধাপ্রাপ্ত বিদেশি

ইংরেজি মাধ্যমের শিশুকে বৈশ্বিক পৃথিবীর জন্য প্রস্তুত করা হয়। সে ভালো ইংরেজি বলে, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উপস্থাপনা করে এবং বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের পথ চেনে।

কিন্তু তার একটি অংশ নিজের মাতৃভাষায় গভীরভাবে চিন্তা করতে শেখে না। সে শেক্সপিয়র চেনে, কিন্তু লালনকে নয়; ইউরোপের ইতিহাস জানে, কিন্তু নিজের গ্রামের ইতিহাস জানে না; বৈশ্বিক নাগরিক হওয়ার প্রশিক্ষণ পায়, কিন্তু বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলে।

সবচেয়ে ভয়ংকর হলো, এই বিচ্ছিন্নতাকেই আমরা সাফল্য বলে উদ্‌যাপন করি।

বাংলা না জানাকে আধুনিকতা, বিদেশি উচ্চারণকে মেধা এবং সাধারণ মানুষের জীবন থেকে দূরে থাকাকে আভিজাত্য মনে করি।

এই শিক্ষাব্যবস্থা জ্ঞান তৈরি করছে না। তৈরি করছে সাংস্কৃতিক শ্রেণিবিভাগ। এখানে ইংরেজি একটি ভাষা নয়, ক্ষমতার পাসপোর্ট। আর বাংলা যেন গরিবের পরিচয়পত্র।

মাদ্রাসা তৈরি করছে রাষ্ট্রের ভেতরে আরেক নৈতিক রাষ্ট্র

মাদ্রাসা বহু দরিদ্র শিশুকে আশ্রয়, খাবার ও শিক্ষা দেয়। কিন্তু রাষ্ট্র যখন দরিদ্র শিশুর আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার দায়িত্ব নেয় না, তখন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সেই শূন্যতা পূরণ করে। পরে সেই শিশুর দৃষ্টিভঙ্গি রাষ্ট্রের সঙ্গে না মিললে রাষ্ট্রই আবার বিস্মিত হয়।

সমস্যা ধর্মশিক্ষা নয়। সমস্যা হলো, কোনো শিশুকে যদি পৃথিবীর সব জ্ঞান একটি মাত্র বিশ্বাসের জানালা দিয়ে দেখতে শেখানো হয়, তাহলে সে ভিন্নতাকে সত্যের আরেকটি সম্ভাবনা হিসেবে নয়, বিশ্বাসের বিরুদ্ধে হুমকি হিসেবে দেখতে পারে।

তখন গান হয়ে যায় পাপের প্রশ্ন।

নারীর স্বাধীনতা হয়ে যায় নৈতিক আতঙ্ক।

ভিন্নমত হয়ে যায় ধর্মদ্রোহিতা।

সংস্কৃতি হয়ে যায় শুদ্ধতা পরীক্ষার বিষয়।

অন্যদিকে তথাকথিত আধুনিক সমাজ মাদ্রাসাশিক্ষিত সবাইকে অজ্ঞ, উগ্র বা পশ্চাৎপদ বলে অপমান করে। ফলে দুই পক্ষই পরস্পরের মানুষটিকে দেখে না, শুধু পরিচয়ের পোশাকটি দেখে।

এই অবজ্ঞার বাজার থেকেই ধর্মীয় উগ্রতা রাজনৈতিক পুঁজি সংগ্রহ করে।

ক্যাডেট কলেজ তৈরি করছে শাসিতদের ভিড়ে শাসকের মানসিকতা

ক্যাডেট কলেজে নির্বাচিত কিছু শিশুকে রাষ্ট্র উন্নত আবাসন, শৃঙ্খলা, খেলাধুলা, নেতৃত্ব, ইংরেজি ও আত্মবিশ্বাস শেখায়।

অন্যদিকে সাধারণ বিদ্যালয়ের শিশু একটি ভালো শ্রেণিকক্ষ, প্রশিক্ষিত শিক্ষক কিংবা ব্যবহারযোগ্য শৌচাগারের জন্য অপেক্ষা করে।

একই রাষ্ট্র একদল শিশুকে শেখায় কীভাবে নেতৃত্ব দিতে হয়, আর সংখ্যাগরিষ্ঠকে শেখায় কীভাবে নির্দেশ মানতে হয়।

শৃঙ্খলা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু প্রশ্নহীন শৃঙ্খলা মানুষ তৈরি করে না, অনুগত কাঠামো তৈরি করে। নেতৃত্বের সঙ্গে সহমর্মিতা না থাকলে আত্মবিশ্বাস সহজেই শ্রেষ্ঠত্ববোধে পরিণত হয়।

তখন পদমর্যাদা যোগ্যতার চেয়ে বড় হয়ে ওঠে, আদেশ যুক্তির জায়গা দখল করে এবং সাধারণ মানুষকে নাগরিক নয়, পরিচালনার বিষয় মনে হয়।

আসলে আমরা চার ধরনের শিক্ষার্থী নয়, চার ধরনের অহংকার তৈরি করছি

বাংলা মাধ্যমের একাংশের অহংকার, “আমরাই আসল দেশকে চিনি।”

ইংরেজি মাধ্যমের একাংশের অহংকার, “আমরাই আধুনিক ও যোগ্য।”

মাদ্রাসার একাংশের অহংকার, “আমরাই নৈতিক ও সঠিক।”

বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের একাংশের অহংকার, “আমরাই নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জন্মেছি।”

এই চার অহংকার যখন রাজনীতি, প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয় ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুখোমুখি হয়, তখন আলোচনা হয় না। শুরু হয় পরিচয়ের যুদ্ধ।

কেউ কাউকে বোঝাতে চায় না।

সবাই অন্যকে পরাজিত করতে চায়।

কারণ শিক্ষা তাদের সত্য অনুসন্ধান করতে শেখায়নি। নিজের শেখানো সত্যকে রক্ষা করতে শিখিয়েছে।

বর্তমান বাংলাদেশ তারই আয়না

আজ বাংলাদেশের তরুণেরা রাষ্ট্র, ধর্ম, সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধ, নারী, মতপ্রকাশ এবং জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্নে যেভাবে পরস্পরকে শত্রু বানাচ্ছে, তা আকস্মিক নয়।

এটি বহু বছরের বিভক্ত শিক্ষাব্যবস্থার ফসল।

কেউ ১৯৭১-কে নিজের রাজনৈতিক সম্পত্তি বানিয়েছে। কেউ ১৯৭১-কে একটি দলের সম্পত্তি বলে ইতিহাস থেকেই সরিয়ে দিতে চায়। আবার কেউ ২০২৪-কে ইতিহাসের নতুন অধ্যায় নয়, আগের সব ইতিহাস ধ্বংস করার হাতুড়ি হিসেবে ব্যবহার করছে।

একটি পরিণত জাতি নতুন ইতিহাসকে পুরোনো ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত করে। একটি অপরিণত জাতি প্রতিটি নতুন ঘটনার পর পুরোনো ইতিহাসের কবর খোঁড়ে।

আমাদের পাঠ্যবই ইতিহাস শেখায় না, ক্ষমতার স্মৃতি শেখায়। সরকার বদলালে অধ্যায় বদলায়, নায়ক বদলায়, অপরাধী বদলায়। শিশু বুঝে যায়, সত্য স্থায়ী নয়; যার হাতে ক্ষমতা, সত্য তার।

এর চেয়ে ভয়ংকর শিক্ষা আর কী হতে পারে?

এই বিভাজন কোনো দুর্ঘটনা নয়

ধনী ব্যক্তি চায় তার সন্তানের শিক্ষা আলাদা থাকুক, কারণ আলাদা শিক্ষা তার শ্রেণিগত সুবিধা রক্ষা করে।

ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ চায় তার শিক্ষাজগৎ আলাদা থাকুক, কারণ বিচ্ছিন্নতা তার অনুসারীর ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে।

আমলাতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান চায় বিশেষ বিদ্যালয় অক্ষত থাকুক, কারণ সেখান থেকে ক্ষমতার পুরোনো নেটওয়ার্ক পুনরুৎপাদিত হয়।

রাজনীতিবিদ চায় ইতিহাস বিভক্ত থাকুক, কারণ বিভক্ত স্মৃতি থেকে অনুগত ভোটার তৈরি করা সহজ।

তাই শিক্ষার ঐক্য নিয়ে সবাই বক্তৃতা দেয়, কিন্তু কেউ নিজের সুবিধার দেয়াল ভাঙতে চায় না।

মুক্তির পথ

সব শিশুকে একই রকম বানাতে হবে না। কিন্তু অন্তত একটি অভিন্ন নাগরিক ভিত্তি তৈরি করতে হবে।

অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একই মানের বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, যুক্তিবিদ্যা, সংবিধান, নাগরিক অধিকার এবং দলিলভিত্তিক বাংলাদেশের ইতিহাস শিখতে হবে।

ধর্মীয় শিক্ষা থাকবে, কিন্তু ভিন্ন বিশ্বাসের প্রতি ঘৃণা থাকবে না।

ইংরেজি থাকবে, কিন্তু বাংলা ভাষার প্রতি লজ্জা থাকবে না।

শৃঙ্খলা থাকবে, কিন্তু প্রশ্ন করার অপরাধ থাকবে না।

মুক্তিযুদ্ধ থাকবে, কিন্তু দলীয় মালিকানা থাকবে না।

২০২৪ থাকবে, কিন্তু ১৯৭১ মুছে দিয়ে নয়।

বিভিন্ন ধারার শিক্ষার্থীদের একই মাঠে খেলতে, একই সামাজিক প্রকল্পে কাজ করতে, একই বিজ্ঞানমেলায় অংশ নিতে এবং একই ইতিহাসের স্থানগুলো দেখতে হবে।

কারণ মানুষকে দূর থেকে সহনশীলতা শেখানো যায় না। মানুষকে মানুষের কাছে আনতে হয়।

শেষ কথা

বাংলাদেশে বিদ্যালয়ের সংখ্যা বেড়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় বেড়েছে, সনদ বেড়েছে। কিন্তু শিক্ষিত মানুষ কি বেড়েছে?

যে শিক্ষা মানুষকে প্রশ্ন করতে শেখায় না, সেটি প্রশিক্ষণ।

যে শিক্ষা অন্যকে ঘৃণা করতে শেখায়, সেটি মতাদর্শ।

যে শিক্ষা শ্রেণিগত দেয়াল রক্ষা করে, সেটি ব্যবসা।

আর যে শিক্ষা নাগরিককে নাগরিক থেকে বিচ্ছিন্ন করে, সেটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রেরই ষড়যন্ত্র।

আমরা শিশুদের হাতে বই দিচ্ছি, কিন্তু তাদের মাঝখানে দেয়াল তুলছি।

একদিন হয়তো তারা সবাই উচ্চশিক্ষিত হবে।
কিন্তু একই দেশের মানুষ হয়ে পাশাপাশি বসার মতো একটি সাধারণ ভাষা আর তাদের থাকবে না।

সেদিন বাংলাদেশের মানচিত্র থাকবে।
রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানও থাকবে।
শুধু “জাতি” নামের দার্শনিক বন্ধনটি আর থাকবে না।

#চারবাংলাদেশ #শিক্ষাবৈষম্য #বাংলাদেশেরশিক্ষা #বাংলামাধ্যম #ইংরেজিমাধ্যম #মাদ্রাসাশিক্ষা #ক্যাডেটকলেজ #জাতীয়পরিচয় #সামাজিকবিভাজন #শিক্ষাসংস্কার

Who is the terrorist ? ?Zionists & Israel are the real terrorist in this world 🌎
05/09/2026

Who is the terrorist ? ?

Zionists & Israel are the real terrorist in this world 🌎

🐪 একটি উটনী ধ্বংস করেছিল একটি পুরো জাতিকে! কেন জানেন?"আল্লাহর নিদর্শনকে যারা তুচ্ছ করে, তাদের পরিণতি যত শক্তিশালীই হোক—ধ...
05/09/2026

🐪 একটি উটনী ধ্বংস করেছিল একটি পুরো জাতিকে! কেন জানেন?

"আল্লাহর নিদর্শনকে যারা তুচ্ছ করে, তাদের পরিণতি যত শক্তিশালীই হোক—ধ্বংস অবশ্যম্ভাবী।"

আল্লাহ তাআলা সামূদ জাতির কাছে তাঁর নবী হযরত সালেহ (আ.)-কে প্রেরণ করেছিলেন। সামূদ জাতি ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী ও ধনী। তারা পাহাড় কেটে বিশাল বিশাল প্রাসাদ নির্মাণ করত। কিন্তু তারা আল্লাহর ইবাদত ছেড়ে মূর্তিপূজায় লিপ্ত হয়েছিল।

সালেহ (আ.) তাদের এক আল্লাহর ইবাদতের দাওয়াত দিলেন। কিন্তু তারা অহংকার করে বলল, "আপনি যদি সত্যিই আল্লাহর রাসূল হন, তাহলে এই পাহাড় থেকে আমাদের জন্য একটি গর্ভবতী উটনী বের করে দেখান।"

আল্লাহ তাআলা তাদের চাওয়া অনুযায়ী পাহাড় থেকে অলৌকিকভাবে একটি উটনী বের করে দিলেন। এটি ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি সুস্পষ্ট নিদর্শন।

📖 কুরআনের তাফসীর

আল্লাহ তাআলা বলেন—

"এটি আল্লাহর উটনী, তোমাদের জন্য একটি নিদর্শন। একে আল্লাহর জমিনে চরে খেতে দাও এবং একে কোনো কষ্ট দিও না; অন্যথায় অচিরেই তোমাদের ওপর কঠিন শাস্তি এসে পড়বে।"
— সূরা আল-আ'রাফ, ৭:৭৩

তাফসীর:
আল্লাহ তাআলা উটনীটিকে তাঁর বিশেষ নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি সামূদ জাতিকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যেন তারা উটনীর কোনো ক্ষতি না করে। উটনী একদিন কূপের সমস্ত পানি পান করত, আর পরদিন মানুষ সেই পানি ব্যবহার করত। এটি ছিল আল্লাহর নির্ধারিত ব্যবস্থা এবং তাদের ঈমানের পরীক্ষা।

কিন্তু জাতির কয়েকজন দাম্ভিক নেতা মানুষকে উসকে দিল। শেষ পর্যন্ত তারা উটনীটিকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

আল্লাহ তাআলা বলেন—

"অতঃপর তারা উটনীটিকে হত্যা করল এবং তাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল।"
— সূরা আল-আ'রাফ, ৭:৭৭

সালেহ (আ.) তখন বললেন—

"তোমরা নিজেদের ঘরে আরও তিন দিন ভোগ করে নাও। এরপর শাস্তি এসে যাবে।"
— সূরা হূদ, ১১:৬৫

তিন দিন পর ভয়ংকর ভূমিকম্প ও প্রচণ্ড বজ্রধ্বনি তাদের গ্রাস করল।

আল্লাহ তাআলা বলেন—

"অতঃপর প্রবল ভূমিকম্প তাদের পাকড়াও করল। ফলে তারা নিজেদের ঘরে উপুড় হয়ে মৃত অবস্থায় পড়ে রইল।"
— সূরা আল-আ'রাফ, ৭:৭৮

🌿 আমাদের জন্য শিক্ষা

✅ আল্লাহর নিদর্শনকে কখনো অবহেলা করা যাবে না।
✅ অহংকার মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়।
✅ সত্যের বিরোধিতা করে কেউ কখনো সফল হতে পারে না।
✅ আল্লাহর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করলে শাস্তি অবশ্যম্ভাবী।
✅ নবীদের অনুসরণেই রয়েছে দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা।

🤲 আল্লাহ আমাদের অহংকার থেকে হেফাজত করুন এবং নবীদের শিক্ষা অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

#কুরআনের_গল্প ালেহ_আ #সামূদ_জাতি #কুরআনের_তাফসীর #ইসলামিক_পোস্ট #দ্বীনি_জ্ঞান #আল্লাহর_নিদর্শন

🔴 BREAKING: US forces struck three Iranian crude oil tankers on Saturday after Iran’s Revolutionary Guard Corps (IRGC) l...
05/09/2026

🔴 BREAKING: US forces struck three Iranian crude oil tankers on Saturday after Iran’s Revolutionary Guard Corps (IRGC) launched ballistic missiles toward two US Navy warships in regional waters, US Central Command (CENTCOM) says.

Address

Spring Hill, QLD

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The World Voice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The World Voice:

Shortcuts

Share