Friday Express

Directions Website Contact the business

Friday Express “Empowering parents, promoting healthy habits for children, and guiding communities with knowledge, health tips, lifestyle advice, and awareness. B. C.

Building a better society for the future, one step at a time.” Welcome to Friday Express. Friday Express is a community-driven organization dedicated to raising social awareness, promoting health and wellness, supporting child education, and empowering parents. Our mission is to create a responsible, educated, and caring society by sharing knowledge, fostering awareness, and guiding families toward a brighter future. What We Offer:
A. Expert Tips & Strategies: Practical guidance from experienced professionals across various fields. Step-by-Step Guidelines: Breaking down complex topics into simple, actionable steps. Live Training & Q&A Sessions: Direct interaction to answer questions and provide real solutions. Our Community:
We believe that active participation and shared knowledge are the backbone of our community. Members are encouraged to engage in constructive discussions, ask questions, and share their experiences. Join us in building a stronger, more aware, and supportive society — because a better tomorrow begins with informed and empowered families today. Thank you
Friday Express.

------------------------------------------------------------
Privacy & Legal Information – Friday Express

Privacy:
We respect your privacy. Any information you provide, such as name, email, or comments, is used to improve your experience and respond to inquiries. We do not sell or share personal data with third parties. Cookies or analytics tools may be used to understand user interactions. Content Use:
All articles, images, videos, and other content are the property of Friday Express or licensed sources. You may view and share content for personal use, but unauthorized reproduction or commercial use is prohibited. Disclaimer:
The information provided is for general purposes only. While we strive for accuracy, we are not responsible for decisions made based on our content. Contact:
For privacy or legal inquiries:
Email: [email protected]
website: www.fridayexpress.com

Check comments
26/08/2026

Check comments

26/08/2026

নার্সিসিস্ট মানুষকে বাইরে থেকে চেনা খুব কঠিন।
আমাদের সমাজে একটা অদ্ভুত প্রবণতা আছে—আমরা মানুষের বাহ্যিক আচরণ দেখে তার ভেতরের মানুষটাকে বিচার করি। কাউকে হাসতে দেখলে ভাবি সে সুখী, সুন্দর সংসার দেখলে ধরে নিই সেখানে শান্তি আছে। অথচ কিছু মানুষ খুব নিখুঁতভাবে নিজেদের আসল চেহারাটা আড়াল করে রাখতে পারে।

নার্সিসিস্ট মানুষদের ক্ষেত্রে বিষয়টা আরও জটিল।
তারা সবসময় রাগী, খারাপ বা নিষ্ঠুর চেহারার হয় না। বরং অনেক সময় সমাজের চোখে তারা খুব ভালো মানুষ—ভদ্র, দায়িত্বশীল, আত্মীয়-স্বজনের কাছে জনপ্রিয়, এমনকি নিজের কষ্টের গল্প বলে নিজেকে নির্যাতিত মানুষ হিসেবেও উপস্থাপন করতে পারে। কিন্তু কাছের মানুষটি জানে, সেই সুন্দর মুখোশের আড়ালে প্রতিদিন তাকে কী পরিমাণ মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

একজন নার্সিসিস্ট মানুষের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো—নিজের ভুল বা আচরণের দায় স্বীকার না করে সবসময় অন্য কাউকে দায়ী করা।
সংসারে অশান্তি হচ্ছে? দোষ সঙ্গীর।
সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়েছে? দোষ সঙ্গীর।
নিজের সন্দেহ, নিয়ন্ত্রণ আর অযৌক্তিক আচরণে অন্য মানুষটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে? তবুও দোষ সেই মানুষটিরই।

এরা অনেক সময় এতটাই সন্দেহপ্রবণ হয় যে, স্বামী বা স্ত্রী কারও সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে হাসিমুখে কথা বললেও তার মধ্যে অন্য সম্পর্কের ইঙ্গিত খুঁজে নেয়। একজন সহকর্মী, বন্ধু কিংবা আত্মীয়—কেউই তাদের সন্দেহের বাইরে থাকে না।

একজন স্ত্রী তার স্বামীর কোনো নারী সহকর্মীর সঙ্গে স্বাভাবিক কথাবার্তাকেও প্রেমের শুরু হিসেবে দেখতে পারেন। আবার একজন স্বামীও তার স্ত্রী কারও সঙ্গে একটু হাসিমুখে কথা বললেই ধরে নিতে পারেন, এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো সম্পর্ক রয়েছে।

কিন্তু এখানে আসল সমস্যা সেই নারী বা পুরুষটি নয়—সমস্যা হলো অসুস্থ সন্দেহ, নিয়ন্ত্রণ করার মানসিকতা এবং নিজের অনিরাপত্তার দায় অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া।
আরও ভয়ংকর বিষয় হলো, নার্সিসিস্ট মানুষ অনেক সময় সম্পর্কের ভেতরে যে অশান্তি তৈরি করে, সেটাকেও খুব কৌশলে নিজের পক্ষে ব্যবহার করে। বাইরে গিয়ে নিজের গল্পটা এমনভাবে উপস্থাপন করে, যেন সে-ই সবচেয়ে নির্যাতিত মানুষ আর অপর পক্ষই সব সমস্যার মূল।
সে গল্প বলতে পারে, ঘটনা সাজিয়ে বলতে পারে, নিজের ভুলগুলো বাদ দিয়ে শুধু অন্যের প্রতিক্রিয়াগুলো তুলে ধরতে পারে। ফলে সমাজের অনেক মানুষ সত্যিটা না জেনেই তাকে বিশ্বাস করে ফেলে।

কিন্তু যে মানুষটি তার সঙ্গে থাকে, সে জানে আসল গল্পটা।
সে জানে—কতবার তাকে অকারণে সন্দেহ করা হয়েছে, কতবার ব্যাখ্যা দিতে হয়েছে, কতবার নিজের স্বাভাবিক আচরণের জন্যও অপরাধীর মতো দাঁড়াতে হয়েছে। আর একটা সময় এসে সে হয়তো ক্লান্ত হয়ে চুপ করে যায় আবার কখনো এর পরিণতি হয় বিচ্ছেদ।
সেই নীরবতাকে আবার নার্সিসিস্ট মানুষটি নিজের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করে।
“দেখো, ওর বলার কিছু নেই।”
অথচ সে জানে না, কখনো কখনো একজন মানুষ চুপ করে যায় সত্যিটা বলার মতো শক্তি আর অবশিষ্ট না থাকায়।
আর সবচেয়ে মজার বিষয় হলো—যাদের কাছে গিয়ে একজন নার্সিসিস্ট অন্যের নামে গল্প বলে নিজেকে ভালো প্রমাণ করতে চায়, সেই মানুষগুলোর অনেকেই হয়তো তার আচরণটা বুঝতে পারে। সামনে কিছু না বললেও পেছনে তার কথাগুলো নিয়েই প্রশ্ন ওঠে।
কারণ মানুষ সবসময় শুধু কথায় বিচার করে না।
সময় গেলে আচরণও কথা বলতে শুরু করে।
তাই কোনো সংসারকে বাইরে থেকে দেখে সুখী কিংবা অসুখী বলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটু থামা দরকার। কারণ একটি সুন্দর ছবির পেছনে কী গল্প আছে, সেটা ছবি দেখে বোঝা যায় না।

আর একজন নার্সিসিস্ট মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়তো এটাই,
সে সারাজীবন সবাইকে বোঝাতে ব্যস্ত থাকে যে সমস্যাটা অন্য মানুষের মধ্যে। অথচ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে একবারও নিজেকে প্রশ্ন করে না—“এই অশান্তির জন্য আমার নিজের আচরণের কতটুকু দায়ী??



📌 Post #69

শুধু ডিগ্রি আর উচ্চশিক্ষাই কি মানুষকে সত্যিই 'উচ্চমানের' করে তোলে?আমরা অনেকেই মনে করি—একটা ভালো ডিগ্রি আর মোটা অঙ্কের বে...
24/08/2026

শুধু ডিগ্রি আর উচ্চশিক্ষাই কি মানুষকে সত্যিই 'উচ্চমানের' করে তোলে?
আমরা অনেকেই মনে করি—একটা ভালো ডিগ্রি আর মোটা অঙ্কের বেতন মানেই লোকটা খুব ‘উচ্চমানের’। কিন্তু বাস্তব জীবন কি তা-ই বলে?

একদম না! শিক্ষা মানুষকে শুধু জ্ঞান আর সার্টিফিকেট দেয়, কিন্তু আসল মানুষ বানায় তার পরিবার ও পারিবারিক পরিবেশ।
কেন পারিবারিক শিক্ষা ও উন্নত পরিবেশ এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

ভালো পরিবারই ভালো মানুষের মূল কারখানা:
একটি সুস্থ, সৎ এবং উন্নত চিন্তার পরিবারে যে সন্তান বড় হয়, তার মানসিকতার ভিত্তিটাই তৈরি হয় শক্ত হয়ে। পরিবার থেকে পাওয়া সম্মানবোধ, নীতি-নৈতিকতা এবং ইতিবাচক চিন্তা তার রক্তে মিশে যায়।

ডিগ্রি বনাম পারিবারিক পরিবেশ:
পড়াশোনা করে যে কেউ বড় ডিগ্রি অর্জন করতে পারে। কিন্তু মনমানসিকতা যদি ছোট হয়, ব্যবহারে যদি অহংকার থাকে, তবে সেই ডিগ্রির কোনো দাম নেই। ভালো পরিবারের সন্তানরা সাধারণ কাজের মানুষকেও সম্মান দিতে শেখে—যা কোনো বিশ্ববিদ্যালয় শেখাতে পারে না।

খারাপ পরিবেশের প্রভাব:
কেউ যদি পারিবারিক সংস্কারহীন বা নেতিবাচক পরিবেশে বড় হয়, তবে অনেক সময় উচ্চশিক্ষা অর্জন করার পরেও তার ভেতরের সংকীর্ণতা বা খারাপ মানসিকতা রয়েই যায়। বড় ডিগ্রি পেলেই ভেতরের খারাপ স্বভাব হুট করে ভালো হয়ে যায় না।

তাহলে মূল কথা কী?
ডিগ্রি হলো বাইরে পরার সুন্দর পোশাক, আর পারিবারিক শিক্ষা হলো মানুষের আসল চরিত্র!
উচ্চশিক্ষা নিশ্চয়ই দরকার, তবে তার সাথে যখন সৎ পারিবারিক শিক্ষা, উন্নত মনমানসিকতা আর ইতিবাচক চিন্তাধারা যোগ হয়—তখনই একজন মানুষ প্রকৃত অর্থে শ্রদ্ধেয় হয়ে ওঠে।
আপনার চারপাশে কি এমন মানুষ দেখেছেন—যাদের ডিগ্রি অনেক, কিন্তু পারিবারিক শিক্ষার অভাবে আচরণে শূন্য?

কমেন্টে আপনার মতামত জানান! 👇
Post: 68

অতিরিক্ত চাহিদার ফাঁদে আমরা কী হারাচ্ছি?​মানুষের স্বভাবটাই অদ্ভুত! নিজের যা আছে তা নিয়ে আমরা প্রায়শই সন্তুষ্ট হতে পারি ন...
21/08/2026

অতিরিক্ত চাহিদার ফাঁদে আমরা কী হারাচ্ছি?
​মানুষের স্বভাবটাই অদ্ভুত! নিজের যা আছে তা নিয়ে আমরা প্রায়শই সন্তুষ্ট হতে পারি না। অন্য কারো সাফল্য, গাড়ি, বাড়ি কিংবা জীবনযাত্রা দেখে আমাদের মনে হতে থাকে—"আমার আরও চাই, আরও বেশি চাই!"
​কিন্তু এই অতি-আকাঙ্ক্ষা, লোভ বা অতিরিক্ত রোমাঞ্চের অন্ধ আবেগ আমাদের কত বড় ক্ষতির মুখে দাঁড় করাতে পারে, তা ইতিহাস ও সাম্প্রতিক কিছু সত্য ঘটনাই প্রমাণ করে:

🟢 দক্ষিণ সাগরের বুদ্বুদ এবং স্যার আইজাক নিউটন (অতিরিক্ত লোভ ও অর্থকষ্ট)

পদার্থবিজ্ঞানী স্যার আইজাক নিউটন ছিলেন তৎকালীন সময়ে পৃথিবীর অন্যতম জ্ঞানী মানুষ। ১৭২০ সালে ইংল্যান্ডে "সাউথ সি কোম্পানি" নামের একটি প্রতিষ্ঠানে তিনি কিছু শেয়ার কেনেন এবং ভালো মুনাফা করেন। কিন্তু মানুষের দেখা dekhi আরও বেশি লাভের আশায় তিনি তার সমস্ত সঞ্চয় পুনরায় ওই কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেন। কিছুদিন পর সেই কোম্পানির শেয়ারের দর চরমভাবে ধসে পড়ে। অতিরিক্ত লাভের লোভে পড়ে নিউটন তৎকালীন সময়ে প্রায় ২০,০০০ পাউন্ড (যা বর্তমান হিসেবে লাখ লাখ ডলার) হারিয়ে ফেলেন। পরবর্তীতে আক্ষেপ করে তিনি বলেছিলেন, "আমি মহাকাশের নক্ষত্রের গতি পরিমাপ করতে পারি, কিন্তু মানুষের উন্মাদনা নয়।"

🟢 জর্জ ম্যালরি এবং এভারেস্টের মোহ
(অতিরিক্ত অ্যাডভেঞ্চার ও প্রাণহানি)
১৯২০-এর দশকে ব্রিটিশ পর্বতারোহী জর্জ ম্যালরি এভারেস্ট জয় করার নেশায় উন্মাদ হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর সুন্দর পরিবার, স্ত্রী এবং ভালো জীবন ছিল, কিন্তু তিনি তা নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না। এভারেস্টের শীর্ষে প্রথম পৌঁছানোর তীব্র ইচ্ছা তাকে গ্রাস করে ফেলেছিল। ১৯২৪ সালে প্রতিকূল আবহাওয়া এবং চরম ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তিনি চূড়ার দিকে এগিয়ে যান। এই অতি-আবেগের মাশুল হিসেবে তিনি হিমালয়েই নিখোঁজ হন এবং প্রাণ হারান। দীর্ঘ ৭৫ বছর পর ১৯৯৯ সালে বরফের নিচে তাঁর মৃতদেহ পাওয়া যায়।

🟢 বার্নি ম্যাডফ এবং ইতিহাসের সর্ববৃহৎ পনজি স্কিম (অসীম ক্ষুধা ও পতন)
বার্নি ম্যাডফ ছিলেন ওয়াল স্ট্রিটের একজন সফল এবং অত্যন্ত ধনী ব্যবসায়ী। ধন-সম্পদ, সম্মান—তার সবই ছিল। কিন্তু যা ছিল তা নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট হতে পারেননি; তাঁর চাই আরও বেশি প্রভাব ও অর্থ। তিনি প্রতারণামূলক 'পনজি স্কিম' শুরু করেন এবং শত শত মানুষের কোটি কোটি ডলার আত্মসাত করেন। ২০০৮ সালে এই জালিয়াতি ধরা পড়লে তাঁর জীবনের সব সম্মান ধূলিসাৎ হয়ে যায়। তাকে ১৫০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়, তাঁর দুই ছেলের একজন আত্মহত্যা করেন এবং অন্যজন ক্যানসারে মারা যান। কারাগারেই নিঃসঙ্গ অবস্থায় বার্নি ম্যাডফ মারা যান।

🟢 টাইটান সাবমার্সিবল দুর্ঘটনা
(অতিরিক্ত দুঃসাহস ও মৃত্যু)

২০২৩ সালের জুন মাসে ঘটে যাওয়া 'টাইটানিক' জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখতে যাওয়ার ঘটনাটি অতি-আকাক্সক্ষা ও রোমাঞ্চের এক নির্মম উদাহরণ। ওশেনগেট কোম্পানির তৈরি একটি ছোট্ট সাবমেরিনে করে পাঁচজন অতীব ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি সমুদ্রে নেমেছিলেন। তাদের প্রচুর ধন-সম্পদ ও আরামদায়ক জীবন থাকা সত্ত্বেও তারা অতিরিক্ত রোমাঞ্চ ও অন্যের অধরা জিনিস দেখার নেশায় নিরাপত্তা নীতি উপেক্ষা করেছিলেন। ফলস্বরূপ, পানির চরম চাপে সাবমেরিনটি বিস্ফোরিত হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে সবার করুণ মৃত্যু হয়।

🟢 তিমুর শাহ ও তাঁর রত্নভাণ্ডার
(সম্পদের মোহ ও নির্মম পরিণতি)

ইতিহাসে অনেক রাজা-বাদশাহ দেখা গেছে যারা নিজেদের সাম্রাজ্য ও সম্পদ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে পারেননি। পারস্যের শাসক তিমুর শাহের কাছে বিপুল ধন-সম্পদ ছিল, কিন্তু অন্যের রাজ্য ও সম্পদ কেড়ে নেওয়ার লোভ তাঁর কমেনি। অতিরিক্ত যুদ্ধের মোহ এবং নিজের কোষাগার আরও রত্নে ভরিয়ে তোলার উন্মাদনায় তিনি নিজ প্রজাদের ওপর চরম অত্যাচার চালান। শেষ পর্যন্ত নিজের দরবারের অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র এবং অতি-লোভের বলি হয়ে করুণভাবে ক্ষমতা ও জীবন দুটোই হারান।

অন্যের সাথে তুলনা করে "আমারকিছু নেই, আমি কেন পাইনি" মনোভাব এবং নিজের যা আছে তাকে মূল্য না দিয়ে অতিরিক্ত কিছুর পেছনে অন্ধভাবে ছোটা শেষপর্যন্ত শান্তি তো আনেই না, বরং হাতের যা আছে তাও কেড়ে নেয়।post-67
Friday Express

#অতিরিক্তলোভ #জীবনবোধ #কৃতজ্ঞতা #বাস্তবতা #অনুপ্রেরণা #আত্মউপলব্ধি #সন্তুষ্টি #মানসিকশান্তি #পোস্ট

21/08/2026

জুমুআর দিনে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল হলো দরুদ শরীফ পাঠ করা।

​আজকের সহজ ও সুন্দর আমল:
দরুদ পাঠ ​পদ্ধতি:
আসরের সালাতের পর একই স্থানে বসে সূর্যাস্তের পূর্বে ৮০ বার নিচের সংক্ষিপ্ত দরুদটি পাঠ করা مستحب (মুস্তাহাব):
​اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ الأُمِّيِّ وَعَلَى آلِهِ وَسَلِّمْ تَسْلِيمًا
(আল্লাহুম্মা সাল্লি 'আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া 'আলা 'আলিহি ওয়া সাল্লিম তাসলিমা)

​বিশেষ ফজিলত: বলা হয়ে থাকে, আসরের পর দরুদটি ৮০ বার পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা ৮০ বছরের গুনাহ ক্ষমা করেন এবং ৮০ বছরের নফল ইবাদতের সাওয়াব আমলনামায় লিখে দেন।
​এছাড়া দরুদ পাঠের সর্বশ্রেষ্ঠ সময় হলো জুমুআর পুরো দিন ও রাত। চলার পথে, কাজের ফাঁকে বা অবসর সময়ে যেকোনো দরুদ (যেমন: সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেশি বেশি পাঠ করতে পারেন।
Post-66

20/08/2026

সারাদিন যে মানুষটার সঙ্গে একটু পর পর কথা হয়, যার একটা মেসেজ, একটা কল কিংবা ছোট্ট একটা ‘আছি’ বলাতেই মনটা নিশ্চিন্ত হয়ে যায়—সেই মানুষটাই যখন হঠাৎ কিছু সময়ের জন্য একেবারে নেটওয়ার্কের বাইরে চলে যায়, তখন কেমন লাগে, সেটা শুধু অপেক্ষা করা মানুষটিই জানে।
বারবার ফোনের স্ক্রিনটা জ্বালিয়ে দেখা, কোনো মেসেজ এসেছে কি না খেয়াল করা, অকারণে শেষ কথাগুলো মনে করা,অথচ ওপাশে নীরবতা...

সময়টা হয়তো খুব বেশি নয়, কিন্তু অপেক্ষার কাছে কয়েকটা মুহূর্তও যেন অনেক দীর্ঘ হয়ে যায়। তখন বোঝা যায়, মানুষটার সঙ্গে কথা বলাটা শুধু অভ্যাস ছিল না—কখন যে তার উপস্থিতিটা মনের শান্তির একটা অংশ হয়ে গেছে, সেটা নিজেই টের পাওয়া যায়নি। ❤️
Post-66

11/08/2026
সন্তানদের রক্তের প্রতিদানে পাওয়া মুক্তি,তবে কি সত্যিই আমরা মুক্ত হতে পেরেছি, মুক্ত করতে পেরেছি আমাদের পরিবার, সমাজ আর দ...
05/08/2026

সন্তানদের রক্তের প্রতিদানে পাওয়া মুক্তি,
তবে কি সত্যিই আমরা মুক্ত হতে পেরেছি,
মুক্ত করতে পেরেছি আমাদের পরিবার,
সমাজ আর দেশকে !?
আর কত রক্ত ঝরার পরে আমাদের বিবেকের কাছে আমরা ধরা দিব।।
Friday Express

Post: 64জুমুআ মোবারক ! সপ্তাহের সেরা দিন শুক্রবার—মুমিনের জন্য এক বিশেষ নিয়ামত ও আনন্দের দিন। সপ্তাহের অন্য দিনগুলোর চেয়...
31/07/2026

Post: 64
জুমুআ মোবারক !

সপ্তাহের সেরা দিন শুক্রবার—মুমিনের জন্য এক বিশেষ নিয়ামত ও আনন্দের দিন। সপ্তাহের অন্য দিনগুলোর চেয়ে এই দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি।

আল্লাহ তাআলার রহমত ও বরকত লাভের জন্য আজকের দিনে বিশেষ কিছু আমল পালনের চেষ্টা করি আসুন:

🌿 শুক্রবারের বিশেষ ৮টি সুন্নাত ও আমল:

গোসল করা ও পরিচ্ছন্ন হওয়া:
জুমুআর সালাতের আগে সুন্দরভাবে গোসল করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করা।

সুগন্ধি ব্যবহার:
ছেলেদের জন্য আজকের দিনে সুগন্ধি (আতর) ব্যবহার করা সুন্নাত।

নখ ও চুল কেটে পরিপাটি থাকা:
নিজের শরীর ও পোশাক পরিচ্ছন্ন রাখা সপ্তাহের সুন্দর একটি চর্চা।

মজিদে দ্রুত যাওয়া:
হেঁটে ও সকাল সকাল জুমুআর নামাজের উদ্দেশ্যে মসজিদে রওনা হওয়া।

সূরা কাহফ তিলাওয়াত:
জুমুআর দিনে সূরা কাহফ পাঠ করলে দুই জুমুআর মধ্যবর্তী সময় নূর দ্বারা আলোকিত থাকে।

বেশি বেশি দরূদ পাঠ:
প্রিয় নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর অধিক পরিমাণে দরূদ শরিফ পাঠ করা।

আসরের পর বিশেষ দোয়া:
জুমুআর দিন আসরের সালাতের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়টি দোয়া কবুলের বিশেষ সময়।

মুচকি হাসি ও ভালো আচরণ:
সবার সাথে সুন্দর আচরণ করা ও আত্মীয়-স্বজন বা প্রতিবেশীর খোঁজখবর নেওয়া।

মনে রাখুন:
জুমুআর দিনটি কেবল একটি ছুটির দিন নয়, এটি আমাদের ইমান ও আমলকে ঝালিয়ে নেওয়ার শ্রেষ্ঠ সুযোগ।

হাদিসের দলিল:
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উত্তম দিন হলো জুমুআর দিন। তাই এই দিনে তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দরূদ পাঠ করো, কারণ তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়।”
(আবু দাউদ: ১০৪৭)

🤲 দরূদ পাঠের ফজিলত:

১০ টি রহমত ও গুনাহ মাফ:
হাদিস অনুযায়ী, যে ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর একবার দরূদ পড়ে, আল্লাহ তার ওপর ১০টি রহমত নাজিল করেন, তার ১০টি গুনাহ মাফ করেন এবং ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।

সহজতম দোয়া:
আপনি যেকোনো দরূদ পড়তে পারেন। ছোট দরূদ হিসেবে এটি প্রতিনিয়ত মনে মনে পড়তে পারেন:
صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)

আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত দোয়া করা (দোয়া কবুলের বিশেষ সময়)

শুক্রবারের পুরো দিনটির মধ্যেই এমন একটি গোপন মুহূর্ত রয়েছে, যখন বান্দা যা দোয়া করে, আল্লাহ তা কবুল করেন। অধিকাংশ আলেম ও হাদিস বিশেষজ্ঞের মতে, এই বিশেষ সময়টি হলো **শুক্রবার আসরের নামাজের পর থেকে মাগরিবের আগ পর্যন্ত।

হাদিসের দলিল:
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,
“জুমুআর দিনে এমন একটি সময় আছে, কোনো মুসলিম বান্দা যদি সেই সময় দাঁড়িয়ে বা বসে আল্লাহর কাছে কোনো কল্যাণের প্রার্থনা করে, আল্লাহ তাকে তা অবশ্যই দান করেন।”
(সহিহ বুখারি: ৯৩৫)

🤲 যে দোয়াটি বেশি বেশি পড়তে পারেন:

আসরের পর তওবা-ইস্তিগফারের পাশাপাশি বিশেষ করে এই দোয়াটি পড়তে পারেন (যা সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার নামে পরিচিত অথবা যেকোনো ইস্তিগফার):

أَسْتَغْفِرُ اللهَ العَظِيمَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الحَيَّ القَيُّومَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ**
(আস্তাগফিরুল্লাহাল 'আজীমাল্লাযী লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যুমু ওয়া আতূবু ইলাইহি)
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, যিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, এবং আমি তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তন করছি।

📌 সংক্ষেপে আজকের দিনের সেরা রুটিন:

আসর থেকে মাগরিব:
জিকির, ইস্তিগফার ও নিজের মনের আকুতি নিয়ে আল্লাহর কাছে মন খুলে দোয়া করুন।

সারা দিন জুড়ে:
অন্য কাজের ফাঁকে ফাঁকে মুখ দিয়ে অবিরাম **দরূদ শরিফ** পাঠ করতে থাকুন।

সুরা কাহফ:
সুযোগ হলে দিনের যেকোনো সময় সুরা কাহফ তিলাওয়াত করুন (যা দুই জুমুআর মধ্যবর্তী সময়কে নূর দ্বারা আলোকিত রাখে)।

পোস্টটি শেয়ার করে আপনার প্রিয়জনদেরও আজকের বরকতময় আমলগুলো স্মরণ করিয়ে দিন! ❤️

#জুমুআ_মোবারক #শুক্রবার #জুম্মা_মোবারক #শুক্রবারের_আমল
#জুমুআর_ফজিলত

Address

Akhaura

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Friday Express posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Friday Express:

Shortcuts

Share