01/09/2025
#চন্দ্রপিপাসা
অসীম শূন্যতায়
ডুবে যাওয়ার আগে
অনুভব করি চন্দ্রপিপাসা!
ফাঁকা মাঠের মধ্যে ঠাঁই দাঁড়িয়ে
আশেপাশে কেউ নেই;
নিঃসীম চরাচর,
দূরের গ্রামগুলোও মগ্নতার সিঁড়ি ভাঙে…
সমুখে এক টুকরো আলো-
আলো ছায়ার খেলা নিরন্তর
আর টানা হুঁইসেল বাঁজিয়ে চলে যায় রাতের
শেষ ট্রেন!
তবুও আমি অপেক্ষারত
অপেক্ষার চোখ থেমে থেমে নিভে যায়
কখনো বা দ্যূতি ছড়ায়;
উন্মুখ হয়ে আশেপাশে তাকাই
ঝরে পড়ে বিষাদের বাষ্প-
: বালিকা, আর কত
অনেক তো হলো
এবার না হয় চলো!
মেঘের শাড়ি পরে বালিকা হাসে আর হাসে!
কৌতুহলের চিহ্ন এঁকে শুধায়-
: শাড়ি পরে!
ভেবে দ্যাখো, এরুপে নেবে কি যুবক?
: যুবক!
না না, ভুল হচ্ছে
বলো কিশোর
এ জনমে আমি তোমার কিশোর প্রেমিক!
বালিকার মুখে চটুল হাসি
বাতাসে উড়িয়ে দেয় শাড়ির আঁচল-
: উহু
বলবো না!
: বলবে না!
: না। না। না।
: কিন্তু ক্যানো বালিকা
কী এমন অপরাধ!
তোমার বোধহয় মনে নেই
বয়সী আখ ক্ষেতে দুধ-সাদা ফুল ফুটলে
তুমি উতলা হয়ে বলতে- ভালোবাসি! ভালোবাসি!
এ জনমে কেবল তোমাকেই ভালোবাসি!
বালিকা আমাকে দহনের নামতা শোনায়-
ভুল যুবক
এ তোমার মায়াবী ঘোর!
খোঁপার ফুল যেদিন
অনাদরে খসে পড়েছে
দলিত-মথিত হয়েছে গালিচা
ফুলশূন্য বাগান-
সে’ই থেকে যুবক তুমি!
কুমার নদের চরে
বিশুদ্ধ সন্ধ্যার ঘনায়মাণ অন্ধকারে
বালিকার চোখে জলের ধারা
কাতরতা
আমার বুকে ধ্বনীত হয় বিরহের তানপুরা!
মেঘরঙা শাড়ির আঁচলে বিমূর্ত
হয়ে ওঠে-
দু’বেনী চুল, সাধের নাকফুল
আলতা পায়ে স্বপ্নের কূহক;
এক্কা-দোক্কা খেলার ছলে গুড়িয়ে দেয়
ঘুঘু-ডাকা দুপুরের বিভ্রম!