Love Guru

Love Guru আশুগঞ্জের একমাত্র অনলাইন রেডিও স্টেশন

27/06/2015

দৈনন্দিন ২৪টি অভ্যাস
আপনাকে স্মার্ট করবে

একদিনেই আপনি হঠাৎ করে
স্মার্ট বনে যেতে পারবেন
না। কিন্তু কিছু অভ্যাস
নিয়মিত পালন করলে ধীরে
ধীরে আপনাকে স্মার্ট হয়ে
উঠতে সহায়তা করবে। এ
লেখায় থাকছে তেমন ২৪টি
অভ্যাস।
১. প্রতিদিন নতুন ১০টি
আইডিয়া তৈরি করুন। এর কিছু
না কিছু অবশ্যই কাজে
লাগবে।
২. আপনার মনে জাগ্রত হওয়া
প্রশ্নের উত্তর খুঁজুন।
৩. সর্বক্ষেত্রে কুশলী হোন।
৪. একটি বইয়ের কমপক্ষে একটি
অধ্যায় পড়ুন।
৫. টিভি দেখার বদলে
শিক্ষামূলক ভিডিও দেখুন।
৬. কিছুক্ষণ সংবাদপত্র পড়ুন।
৭. আপনার সবচেয়ে প্রিয় উৎস
থেকে জ্ঞান অর্জন করুন।
৮. অন্য মানুষদের সঙ্গে যা
শিখলেন তা বিনিময় করুন।
৯. যেসব বিষয় শিখলেন তা
প্রতিনিয়ত বাস্তবে প্রয়োগ
করুন।
১০. আপনি যেসব কাজ
সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন
তার একটি তালিকা করুন।
১১. আপনার যেসব কাজ করা
বাদ দেওয়া উচিত তার
একটি তালিকা করুন।
১২. যেসব কাজ শিখেছেন
তার একটি তালিকা করুন।
১৩. নিজের মস্তিষ্ককে
উদ্দীপ্ত রাখুন।
১৪. অনলাইন থেকে শিক্ষা
গ্রহণ করুন।
১৫. আগ্রহ উদ্দীপক কারো
সঙ্গে আলোচনা করুন।
১৬. অনলাইনে আগ্রহ উদ্দীপক
তথ্য পাওয়া যায় এমন স্থানে
যাতায়াত করুন।
১৭. স্মার্ট গেমস খেলুন।
১৮. প্রতিদিন একটি করে
শব্দের অর্থ ভালোভাবে
শিখুন। এ ধরনের অ্যাপও
পাওয়া যায়।
১৯. কোনো ভয়ের কাজ করুন।
২০. নতুন স্থানে ভ্রমণ করুন।
২১. আপনার তুলনায় স্মার্ট
মানুষের সঙ্গে মিশুন।
২২. কোনো কাজ না করার
জন্য কিছু সময় নির্ধারণ করুন।
২৩. সৃজনশীল কোনো শখ পালন
করুন। দৈনিক এ কাজ করুন।
২৪. শারীরিক অনুশীলন করুন
এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খান।

25/06/2015

দ্রুত বিয়ে করার
সিদ্ধান্ত
বুদ্ধিমানের
কাজ যে ৬টি
কারণে

বিয়ের সঠিক বয়স কোনটি তা
নিয়ে অনেক মতবিরোধ
রয়েছে। অনেকেই বলবেন
বিয়ে এবং সম্পর্ক আসলে কি তা
বুঝে তবেই বিয়ের সিদ্ধান্ত
গ্রহন করা উচিত। আর এই সাথে
অর্থনৈতিক অনেক কিছুই জড়িত
থাকে বলে অর্থনৈতিকভাবে
স্বাবলম্বী না হওয়া পর্যন্ত
অনেকেই বিয়ের কথা ভাবেন
না। কিন্তু সত্যি বলতে কি, দ্রুত
বিয়ে করে ফেলার সিদ্ধান্ত
কিন্তু বেশ ভালো
বুদ্ধিমানের মতো কাজ। বয়স
একটু কম থাকলেই বিয়ের
সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলা উচিত,
এতে জীবনটা অনেক বেশিই
সহজ মনে হবে আপনার কাছে।
অনেক ধরণের সমস্যা থেকে
অনায়েসেই মুক্ত থাকতে
পারবেন। কীভাবে জানতে
চান? চলুন জেনে নেয়া যাক।
১) আপনি যদি বয়স ৩০ পার করে
বিয়ে করেন তাহলে
স্বাভাবিকভাবেই আপনার
বয়সের কারণে আপনার মধ্যে
যে গাম্ভীর্য চলে আসবে তার
জন্য সম্পর্ক খুব বেশি মধুর ও
ঘনিষ্ঠ হবে না। ব্যাপারটি
বরং এমন হবে বিয়ে করার কথা
তাই বিয়ে করেছি। এ কারণে
আগেই বিয়ে করে ফেলা
ভালো, যখন আবেগ কাজ করে
অনেক।
২) বেশি বয়সে বিয়ে করলে
কতোটাই বা সময় পান
নিজেদের জন্য স্বামী-স্ত্রী?
বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সন্তান
নেয়ার ঝামেলা ঘাড়ের উপর
এসে পড়ে। আর একবার সন্তান
হয়ে গেলে দুজনের একান্ত সময়
কাটানো আর হয়ে উঠে না।
কিন্তু অল্প বয়সেই বিয়ে করে
ফেললে সঙ্গীর সাথে অনেকটা
সময় পাওয়া যায়। এতে সম্পর্ক
অনেক ভালো ও মধুর থাকে।
৩) একজনের চাইতে দুজন ভালো
বিষয়টি নিশ্চয়ই না বোঝার
কথা নয়। একাই সুখ দুঃখ ভোগ
করার চাইতে দুজনে
ভাগাভাগি করে নিলে
অনেকটা সমস্যার সমাধান হয়ে
যায়। অল্প বয়সেই বিয়ে করলে
দুজনের জীবনের সবকিছুই ভাগ
করে নেয়া যায় বলে মানসিক
চাপটাও কম পড়ে।
৪) সন্তানের জন্য খুব ভালো
মাতা-পিতার উদাহরণ হতে
পারবেন যদি বিয়ে আগে করে
ফেলেন। সত্যি বিষয়টি কেউ
মানুন আর নাই মানুন না কেন
মানুষের গড় আয়ু কিন্তু কমে
এসেছে। আপনি দেরিতে
বিয়ে করলে সন্তান মানুষ
করার বিষয়টিও পিছিয়ে
যাবে এবং আপনার
মনমানিসকতাও কিন্তু দিনকে
দিন নষ্ট হতে থাকবে।
৫) দুর্ঘটনাবশত বিয়ের
সিদ্ধান্ত অনেকের জন্য ভুল
হতেই পারে। আজকাল আবার
ডিভোর্সের সংখ্যাও বেশি
হতে দেখা যাচ্ছে। আগে
বিয়ে করার কিন্তু এই দিক
থেকেও সুবিধা রয়েছে। যদি
অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে অল্পতেই
ভেঙে যায় তাহলে
জীবনটাকে নতুন করে গুছিয়ে
নেয়ার দ্বিতীয় সুযোগ
পাওয়া যায় যা দেরিতে
বিয়ে করলে পাওয়া সম্ভব হয়
না।
৬) এগুলো তো গেল সিরিয়াস
বিষয়, এখন শুনুন আগে ভাগে
বিয়ে করে ফেলার একটু অন্যরকম
সুবিধাগুলো। আগে বিয়ে করে
ফেললে আপনার কাছে এসে
কেউ ‘কেন বিয়ে করছ না’, ‘কবে
বিয়ে করবে’, ‘বয়স বেড়ে
যাচ্ছে’, ‘কাউকে পছন্দ আগে কি’
ইত্যাদি ধরণের বিরক্তিকর
কথা শোনার হাত থেকে
মুক্তি পেয়ে যাবেন।

14/06/2015

কর্মক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক
উদ্দীপ্ত হতে ৯ পরামর্শ
প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর
জীবনের এক-তৃতীয়াংশ যায়
কর্মজীবনে। তাই আতঙ্ক
ছড়ানো খবরটি হলো, মনঃপূত
চাকরি করছেন বলে মনে
করেন মাত্র ৩০ শতাংশ
পেশাদার। যুক্তরাষ্ট্রের
মতো দেশে কর্মক্ষেত্রের
চিত্রটাই এমন। বিশেষজ্ঞের
মতে, অসংখ্য কারণে কাজের
টেবিলে মন-মেজাজ ভালো
না থাকায় এ অবস্থা।
ব্যস্ততার মাঝে যখনই
অস্থিরতা চলে আসবে তখনই
স্থিত হতে ৯টি কার্যকর
উপায় দেখিয়েছেন
বিশেষজ্ঞরা। আপনিও জেনে
নিন এবং নিজের ক্ষেত্রে
প্রয়োগ করুন।
১. অন্য কারো সমস্যা দূর
করার মধ্য দিয়ে মনে
প্রশান্তি আনতে পারেন।
অফিসে পাঁচ থেকে দশ
মিনিট ব্যয় করে অন্যের
উপকার করুন।
২. কর্মজীবন নিয়ে প্রচলিত
পুরনো একটি কথা হলো,
'শান্তিময় কাজের টেবিল
তো সুখী জীবন'। বাস্তবিক
অর্থে সার্বিকভাবে তা সত্য
না হলেও প্রভাবটা বেশ
স্পষ্ট। নিজের টেবিলটাকে
আবারও একটু সাজিয়ে-গুছিয়ে
নিন। তৎক্ষণাৎ কাজে আগ্রহ
ফিরে পাবেন।
৩. করপোরেট সম্পর্ক থেকে
বেরিয়ে এসে সহকর্মীদের
সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন।
গবেষণায় দেখা গেছে, একই
অফিসে বন্ধুত্বপূর্ণ সহকর্মী
থাকলে কাজ করতে অনেক
ভালো লাগে। দুপুরের
খাবার খাওয়ার বা কাজের
ফাঁকে তাঁদের সঙ্গে একচোট
আড্ডায় মেতে উঠুন।
৪. আলস্য বোধ হচ্ছে? চেয়ার
ছেড়ে সটান হয়ে দাঁড়িয়ে
পড়ুন। এক গ্লাস পানি খেয়ে
নিন। দেহে পানির অভাবে
অবসাদ চলে আসে।
৫. এক গবেষণায় বলা হয়,
প্রতিটি কাজের লক্ষ্য ও
উদ্দেশ্য নির্ধারণ করলে
পরিশ্রমটা অর্থবহ হয়ে ওঠে।
এতে কর্মী হিসেবে আপনি
নিজের গুরুত্ব উপলব্ধি করবেন।
কাজেই কিছু অর্জনের লক্ষ্য
উদ্দীপনা বয়ে আনবে।
৬. কোথাও আটকে গেছেন?
নতুন কোনো কাজে দক্ষ হয়ে
উঠতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে
কোর্স করুন। এ নিয়ে
কিভাবে এগিয়ে যাবেন
তার পরিকল্পনা করুন।
৭. নিয়ন্ত্রণে নেই, এমন বিষয়
নিয়ে প্রায়ই হতাশাগ্রস্ত
হয়ে পড়েন কর্মীরা। কিন্তু
এসব পরিস্থিতির শিকার
হয়ে অস্থিরতা বাড়তে
দেবেন না।
৮. পেশাদারদের
উৎপাদনশীলতায়
ধারাবাহিকতা ধরে
রাখার পেছনে বৈজ্ঞানিক
পন্থা রয়েছে। একে বলা হয়
'প্রোডাকটিভ ব্রেক'।
ব্যস্ততার মাঝে একটু ব্রেক
আপনার কর্মোদ্দীপনা আরো
বৃদ্ধি করতে পারে।
৯. হোক তা ডেথ মেটাল বা
জ্যাজ বা ক্লাসিক, সংগীত
নিঃসন্দেহে মনের ভার
কমিয়ে দেয়। মনটাকে
একপলকে ভালো করতে গান
শুনুন। কর্মস্পৃহা ফিরে আসবে।

09/09/2013

সিংহের সামনে দাঁড়িয়ে
তুমি কি চিন্তা করবে??
আমি সিংহ খাই না।
তাই সিংহও আমাকে খাবে না !!
তবে কেন তুমি এই
চিন্তা করো যে,
আমি তো সবার সাথে ভাল ব্যবহার
করি,
তবু কেনো কেউ কেউ আমার
সাথে এত
খারাপ ব্যবহার করে??
তুমি দুনিয়ার সবচেয়ে ভাল
মানুষটি হলেও তোমার
ঘৃনাকারী থাকবে।
তাদের কথা শোনো এবং ভুলে যাও।
সেগুলো নিয়ে ভাবতে বসলে শুধু
নিজের হতাশাই বাড়বে।

23/08/2013

ঐশীদের হাতে যারা মরণ নেশা তুলে দেয় তারাই কি সবচেয়ে বড় হত্যাকারী নয়? অথচ তারা থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এই পঁচে যাওয়া নষ্ট সমাজে এটাই নিয়ম। আর আপনি-আমি ঐশীদের খুনি বলবো। তাদেরকে টং দোকানের আড্ডার রগরগে সাবজেক্ট বানাবো। অশ্লীল ভাষায় গালি দিয়ে বুদ্ধিজীবী ফেসবুকার কিংবা ব্লগার হয়ে নাক ডেকে ঘুমাবো… আরও অনেক ঐশীরা ইয়াবাকে বাবা ডাকুক… ফেন্সিডিলকে বন্ধু ডাকুক। মানুষ খুন করুক তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না কারন- আমরা যে এই নষ্ট সমাজের নষ্ট ভাইরাসে আক্রান্ত “ভদ্র” মানুষ!
এখন একটু জ্ঞানের কথা বলি। এই মুহুর্তে আপনি যদি কোন নেশা করতে চান দুই মুহূর্ত ভাবতে হবে না হাতটা বাড়ান পেয়ে যাবেন। মাদক দ্রব্য যেন রাস্তার পাশের সস্তা চায়ের মতই সহজলভ্য! তাহলে প্রশাসন কোথায়? প্রশাসন আছে, তবে তার চোখে কাগজের টাকা এসে ষ্টীলের চশমা লাগিয়ে দিয়ে যায় তাই সে চোখে কিছু দেখে না। এর ফাঁকে কিছু মানুষ আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয় আর অগনিত ঐশী কিংবা অগনিত ঐশীদের স্বপ্ন পুরুষরা অন্ধকার গলির মানুষ হয়ে যায়। কারো কারো হাত নোংরা হয় মনুষ্য রক্তে। সমাজে মাদকের অবাদ বিস্তারের দরুন ঐশীরা যখন খুনি কিংবা “অন্য মানুষ’ হয়ে যায় তার দায়ভার রাষ্ট্র কখনোই এড়াতে পারে না। তাই ঐশীদের পাপের ভার রাষ্ট্রকেও নিতে হবে। এর দায় পুরোটাই রাষ্ট্রের।

13/08/2013

No demands, no complaints. This is called love.

12/07/2013

Valobashar shad grohon korar khomota shobar nai.

Greetings 4 Valentine's!
11/02/2013

Greetings 4 Valentine's!

Address

Ashuganj
34002

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Love Guru posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category