Digital Learning XYZ

Digital Learning XYZ Digital learning XYZ deliver learning experiences that enable students to actively engage with educa

'Happy Teachers Day' to our education sector's frontline heroes, defenders and agents of lifelong learning.
05/10/2021

'Happy Teachers Day' to our education sector's frontline heroes, defenders and agents of lifelong learning.

শোক পরিণত হোক শক্তিতেশোক থেকে হোক জাগরণ.....
14/08/2021

শোক পরিণত হোক শক্তিতে
শোক থেকে হোক জাগরণ.....

৩০ লাখ শহীদের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়ের এই দিনে তাদেরকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।সবাই...
15/12/2020

৩০ লাখ শহীদের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়ের এই দিনে তাদেরকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

টনি শে কিছুদিন আগে মারা গেলেন। তিনি মোটামুটি বিখ্যাত ছিলেন অবসেসিভ কাস্টমার কেয়ারের জন্যে। তিনি Zappos'এর সিইও ছিলেন। অব...
05/12/2020

টনি শে কিছুদিন আগে মারা গেলেন। তিনি মোটামুটি বিখ্যাত ছিলেন অবসেসিভ কাস্টমার কেয়ারের জন্যে। তিনি Zappos'এর সিইও ছিলেন। অবসেসিভ কাস্টমার কেয়ারের কিছু নমুনা দেই। একবার টনি শে সহ কয়েকজন মাঝরাতে খেতে বের হলেন। কিন্তু কোন কোন রেস্টুরেন্ট খোলা আছে জানেন না। তিনি তাঁর বন্ধুকে দিয়ে তাঁরই প্রতিষ্ঠানের কাস্টমার কেয়ারে কল দিলেন। কল দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, কোন কোন রেস্টুরেন্টগুলো এত রাতে খোলা আছে। কাস্টমার কেয়ার অপারেটর প্রথমে ভড়কে গেল। কিন্তু সামলে নিয়ে সে ইন্টারনেটে দেখে জানিয়ে দিল। তাঁরা রেস্টুরেন্টের দিকে রওয়ানা হলেন।
টনি শে বলেছিলেন তাঁদের কাস্টমার কেয়ারের সর্বোচ্চ কলের দৈর্ঘ্য ছিল ছয় ঘণ্টা। একজন ভদ্রমহিলা প্রায় শ খানেক শু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে জাস্ট একটা শু কিনেছিলেন। এটা মূলত হয়েছিল কাস্টমার কেয়ার কালচারের জন্যে। সাধারণ ব্যবসা গুলো কাস্টমার কেয়ারের পেছনে যতটুকু না করলেই চলে ততটুকুই করে। বেশি করলে মনে করে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হবে না।
কম দামে প্রোডাক্ট হাতে পৌঁছে দিলেই বেশি বিক্রি হবে, এই ধারণা ভুল। এরকম হলে ফেরিওয়ালারা দুনিয়াতে সবচেয়ে বেশি বিক্রি করত। থার্ড ওয়ার্ল্ড ম্যানুফ্যাকচারাররাই মার্কেট লিডার হত। আমরা সবাই কস্ট লিডারশিপের স্বপ্ন দেখি। কাস্টমার কেয়ার লিডারশিপের স্বপ্ন ক'জন দেখি। Zappos যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের শু বিক্রি করে সেটা কস্ট লিডারশিপ দিয়ে আসে নি। এসেছে এই অবসেসিভ কাস্টমার কেয়ারের জন্যে।
টনি শে সে স্বপ্ন দেখতেন। তিনি কাস্টমার কেয়ারের জন্যে অবিশ্বাস্য অবিশ্বাস্য কাজ করেছেন। সিলিকন ভ্যালিতে কাস্টমার কেয়ারের মানুষ না পাওয়ার কারণে তিনি লাস ভেগাস শহরে তাঁর অফিস নিয়ে গেলেন। অফিস রিলোকেশনে তাঁদের মিলিয়ন ডলার খরচ হয়ে গেল। এত জায়গা থাকে লাস ভেগাস কেন? কারণ, সেটা টুর‍্যিস্ট এলাকা। টুরিস্ট এলাকার লোক অতিথিপরায়ণ হয়। সো কাস্টমার কেয়ার ম্যানেজার হিসেবে তাঁরা ভাল করবে। অথচ অন্য কম্পিটিটিভ শু কোম্পানিগুলো ইন্ডিয়ান কল সেন্টার দিয়ে কম পয়সায় কাজ করিয়ে নিচ্ছে।
কাস্টমার কেয়ার অপারেটরদের জন্যে কোন স্ক্রিপ্ট ছিল না। সময় বেঁধে দেয়া ছিল না। এতে করে একজন কাস্টমারের সাথে অনেকক্ষণ কথা বলতে পারে। তাঁদের কে আপসেল করতে হত না। অথচ অন্য সব কাস্টমার কেয়ারে ঠিক এগুলোর উল্টো চলে। কালচারটাই তাই বদলে গিয়েছে। আজকে এত বছর পরেও তাঁরা দিনরাত চব্বিশ ঘণ্টা তাঁদের নাম্বারে এভেলেইভল।
সবাই যখন চ্যাটবট টাইপ হাইটেক সল্যুশন বানাচ্ছে কাস্টমার কেয়ারের জন্যে, টনি শে তখন কল সেন্টারের ক্যাপাসিটি বাড়াচ্ছেন। তিনি সবসময়ে কাস্টমার লাইফ টাইম ভ্যালুর হিসাব করতেন। একজন মানুষ কয়টা শু কিনছে এটা ব্যাপার না, ব্যাপার হচ্ছে এই মানুষটা সারাজীবনে কয়টা শু কিনবে। একবার এক ভদ্রমহিলা সময়মত প্রোডাক্ট রিটার্ন করতে পারেন নি। কাস্টমার কেয়ার থেকে ফোন দেয়া হলে তিনি জানান তাঁর মা মারা গিয়েছেন। কাস্টমার কেয়ার ম্যানেজার ফুল পাঠালো সান্ত্বনা চিঠি সহ। টনি শে বলেছিলেন, পুরো কাজটা করতে প্রতিষ্ঠানের যে পরিমাণ খরচ হয়েছে সেটা উঠে যাবে। কারণ, ভদ্রমহিলা এবার সারাজীবন শু কিনবেন। আমাদের দেশে কালেভদ্রে কোম্পানিরা যখন এরকম করে, সবাই বলে উঠে মার্কেটিং স্ট্যান্টবাজি। মানুষের সমালোচনার ভয়ে কোম্পানিগুলোও পিছিয়ে যায়। অনেকে আবার লাভ-ক্ষতির হিসাব টেনে আনেন। কিন্তু সত্যি কথা, যারা কম দামে শু দিত, কাস্টমার কেয়ারে অপ্রয়োজনীয় অর্থ খরচ করত না, তাঁরা কেউই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের শু বিক্রি করতে পারে নি।
টনি শে ছিলেন একজন ভিশনারি। তাঁর আনঅর্থোডক্স অনেকগুলো বিজনেস ডিসিশন Zappos কে গড়ে দিয়েছে। অনলাইনে শত শত কোটি টাকার জুতা বিক্রি করা সম্ভব... এটা আমারই সহজে বিশ্বাস হয় না। টনি শে এরকম একটা সহজলভ্য কমোডিটি প্রোডাক্ট নিয়ে এত বড় ব্যবসা ফেঁদে বসবেন... এটা কেউই বিশ্বাস করতে পারার কথা না। তিনি বলতেন আমাদের সাইজের কোম্পানিগুলো কন্ট্যাক্ট নাম্বার ওয়েবসাইটে প্রায় লুকিয়ে রাখে। তিন চার পেজে যাওয়ার পর একটা ইমেইল পাওয়া যায়। অথচ আমরা আমাদের ওয়েবসাইটেই উপরে প্রত্যেকটা পেইজে লিখে রেখেছি ... Available 24/7 at (800) 927 7671।
বড় বড় কোম্পানিগুলো বলে আমাদের লাখ লাখ কাস্টমার। এরকম চব্বিশ ঘণ্টা কাস্টমার কেয়ার কোনদিন সম্ভব না। ছোট কোম্পানি বলে এত কম কাস্টমার বেইজে এরকম কাস্টমার কেয়ার দিয়ে পোষাবে না। Zappos শুরু থেকে করেছে। আজকে বিশ বছর ধরে করেছে। তাঁদের লাভ এই বছরে প্রায় হাফ বিলিয়ন ডলার। টনি শে প্রমাণ করেছেন, এগুলো শুধুই অজুহাত। বেস্ট কাস্টমার কেয়ার ছোট বড় সব ধরণের কোম্পানি থেকেই দেয়া যায়। আর ছোট থেকে প্রাতিষ্ঠানিক কালচার না গড়ে তুললে বড়কালেও কোনদিন সম্ভব না।
অনলাইন ব্যবসা গুলো এখন মধ্যসত্ত্বভোগীদের এড়িয়ে কম দামে পণ্য সোর্স করে। তাঁরা কমদামে পণ্য পোঁছে দিতে পারে। এটাই সুযোগ কাস্টমার কেয়ারের পেছনে ইনভেস্ট করার। কমদাম, ক্যাশব্যাক, ভাউচার এগুলোতো সবাই করে। কম দামে না দিয়ে স্বাভাবিক দামে বিক্রি করুক। অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে কাস্টমার কেয়ারে বিনিয়োগ করুক।
টনি শে, জেফ বেজোসরা বারবার প্রমাণ করে গিয়েছেন কাস্টমার কেয়ারই ভবিষ্যৎ পৃথিবীর ব্যবসায়ের মূল চালিকাশক্তি। কাস্টমার কেয়ারে ইনভেস্ট করাটাই সবচেয়ে লাভজনক ইনভেস্টমেন্ট।

Boss is back 🔥🔥
28/10/2020

Boss is back 🔥🔥

আপনার স্বপ্নগুলোর উদ্দীপ্ত পথচলার শুরু হোক এখনই! নতুন উদ্যোক্তা হতে   নিয়ে এলো   । আপনার স্বপ্নগুলো বাস্তবায়িত করুন আমা...
09/10/2020

আপনার স্বপ্নগুলোর উদ্দীপ্ত পথচলার শুরু হোক এখনই! নতুন উদ্যোক্তা হতে নিয়ে এলো ।
আপনার স্বপ্নগুলো বাস্তবায়িত করুন আমাদের সাথে। কোর্সটি করতে রেজিস্ট্রেশন করুন এই লিঙ্কেঃ https://forms.gle/TGCeZ6gMxTEH7mYC9

কোর্সের মেয়াদঃ ৩ মাস
ক্লাস শুরুঃ ২৩ অক্টোবর, ২০২০
ক্লাসের সময়ঃ রাত ৮ টা থেকে ১০ টা (প্রতি শুক্র ও শনিবার)
কোর্স ফিঃ ৫০০০ টাকা মাত্র।

✅ Certification
✅ Online 24/7 Trainer Support
✅ Recorded Lectures
✅ Internship Offer
✅ Freelance Workshop
*Certificate & Internship after Course

ফ্রিল্যানসিং করতে বা নিজের স্কিলকে উন্নত করতে আমাদের থেকে যে কোর্স গুলো শিখতে পারেন 🥰:➡️ বেসিক কোর্স :1. Facebook Market...
07/10/2020

ফ্রিল্যানসিং করতে বা নিজের স্কিলকে উন্নত করতে আমাদের থেকে যে কোর্স গুলো শিখতে পারেন 🥰:

➡️ বেসিক কোর্স :
1. Facebook Marketing 🔥🔥🔥
2. Web Site Create & Web Content Create
3. Fiverr, Upwork, Freelancer 🔥🔥🔥
4. YouTube Marketing
5. Full SEO Course 🔥🔥🔥
6. Affiliate Marketing
7. Article Writing
8. Website Create
9. Link Building
10. Advanced Internet
11. Products Description Writing
12. Keyword Research
13. Content Making 🔥🔥🔥
14. Meta Title And Meta Description Writing
15. Google Top Ranking
16. Google AdSense
17. Classified Ads Posting
18. Google Map Marketing
19. Video Editing 🔥🔥🔥
20. Outsourcing Basic
21. Computer Basic 🔥🔥🔥

➡️ আর্নিং কোর্স :
22. Advanced CPA marketing 🔥🔥🔥
23. Ethical hacking
24. Online Marketplace Complete
25. Black hat Money Earning Course
26. Social Media Marketing 🔥🔥🔥🔥
27. SEO Advanced 🔥🔥🔥

➡️ লার্নিং+ আর্নিং কোর্স :
28. Apps development 🔥🔥🔥
29. Web Design 🔥🔥🔥
30. Android Game development 🔥🔥🔥
31. Graphics Design Advanced 🔥🔥🔥
32. Java
33. Graphics Design 🔥🔥🔥
34. Microsoft excel 🔥🔥
35. Asp net
36. Spoken English 🔥🔥🔥
37. Web development and WordPress 🔥🔥🔥

🤔 মনে রাখবেন কোন কাজ ভালোভাবে না শিখে ইনকাম এর কথা চিন্তা করবেন না,,,,
আগে ভালোভাবে কাজ শিখবেন তারপর ইনকাম।

এসইও (SEO) কি?➡ অনলাইনে যারা কাজ করেন তাদের সকলের কাছেই এসইও (SEO) শব্দটি বেশ পরিচিত।এসইও (SEO) এর পূর্ণরূপ হচ্ছে সার্চ ...
07/10/2020

এসইও (SEO) কি?

➡ অনলাইনে যারা কাজ করেন তাদের সকলের কাছেই এসইও (SEO) শব্দটি বেশ পরিচিত।
এসইও (SEO) এর পূর্ণরূপ হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (Search Engine Optimization).

একটি ওয়েব সাইটকে কোনো একটি সার্চ ইঞ্জিনে (গুগল,বিং,ইয়াহু ইত্যাদি) র‍্যাংক করানো বা টপ লিস্টে নিয়ে আসাই এর মূল কাজ।
সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন গুলো (গুগল, ইয়াহু, বিং ইত্যাদি) থেকে নিজের ওয়েবসাইটের জন্য টার্গেটেড ভিজিটর বা ট্রাফিক নিয়ে আসা যায়।
মূলত সার্চ ইঞ্জিন গুলো থেকে কি পরিমান ট্রাফিক একটি সাইট ভিজিট করছে তার উপরই সেই সাইটের সাফল্য নির্ভর করে।😊
⏭ সাইট টি হতে পারে আপনার নিজস্ব কোন পন্য বা সেবা নির্ভর সাইট,হতে পারে এডসেন্স কিংবা এফিলিয়েট মার্কেটিং রিলেটেড কোনো সাইট কিংবা হতে পারে কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী প্রচারণামূলক কোনো সাইট ইত্যাদি।
💥 অনলাইনে সফল প্রায় সকল ওয়েবসাইটই এসইও এর মাধ্যমে অধিকাংশ ট্রাফিক পেয়ে থাকে। ওয়েবসাইটে যত বেশি ট্রাফিক আসবে সেখানে প্রোডাক্ট বিক্রয় কিংবা সেবা প্রদানের হার তথা আয় বাড়ার সম্ভবনা তত বেশি।
💢 চলুন একটি উদাহরণ এর মাধ্যমে বিষয় টি ব্যাখ্যা করা যাকঃ
ধরুন আপনি বিশ্বের সব থেকে বড় ই-কমার্স সাইট Amazon এর অ্যাফিলিয়েট অ্যাসোসিয়েট।
মানে amazon এর প্রোডাক্টস এর অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন আপনি।
তো আপনি একটু রিসার্চ করে দেখলেন শুধুমাত্র ২০১৯ সালেই সারাবিশ্বে ১.৫ বিলিয়নের ও বেশি সংখ্যক মোবাইল ফোন বিক্রি হয়েছে!
এবং মজার ব্যাপার হচ্ছে এদের প্রায় প্রত্যেকেই তাদের কাঙ্ক্ষিত মোবাইলটি কেনার আগে গুগল বা ইয়াহুর মতো কোনো সার্চ ইঞ্জিনে best phone, best mobile phone, latest phones এই টাইপ মোবাইল ফোন রিলেটেড কোনো না কোনো কিওয়ার্ড সার্চ করেছে। তারপর মোবাইল ফোনটি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এখন আপনি best mobile phones of 2020 লিখে গুগল সার্চ করে দেখুন। দেখবেন রিলেটেড টপিকে প্রায় কয়েক লক্ষাধিক এমন কোটির উপর রেজাল্ট দেখাচ্ছে!
একবার নিজেকে দিয়েই ভাবুন তো, আপনি নিজে কি একটি ফোন কেনার আগে এই লক্ষাধিক সাইট এর সবগুলো ওয়েবসাইট ই ভিজিট করবেন?
নাকি শুধুমাত্র ফ্রন্ট পেইজে যে ১০টি টপ সাইট থাকে শুধু সেগুলোই ভিজিট করবেন?
অনেক ক্ষেত্রে তো দেখা যাবে প্রথম ১০টি সাইটেরও সবগুলো আমরা ভিজিট করিনা। শুধু প্রথম দুই একটা সাইট ভিজিট করে বের হয়ে যাই।
⭕ এক্ষেত্রে প্রশ্ন আসতে পারে,
তাহলে কি 'best mobile phones'
লিখে সার্চ দিলে শুরুতেই যেসব সাইট ফ্রন্ট পেইজে দেখায়, তাদের ফোন গুলোই আসলে বেস্ট?
আসলেই কি ঐ কোম্পানির সার্ভিস টাই বেস্ট?
উত্তর হচ্ছে, না। ❌
আসলে সার্ভিস এবং প্রোডাক্ট নয়, বরং টপ লিস্টে থাকা একটি সাইটের মূল মন্ত্র হচ্ছে তাদের এসইও করার পদ্ধতি।
🔥🔥🔥
আর যার এসইও যতো টপ লেভেলে করা, তার সফলতার গ্রাফ টাও ততো উচু!
হিসেব এখানে খুব সিম্পল। যে সাইটের র‍্যাংক যতো ভালো।মানে যে সাইট যতো উপরে থাকবে তার ভিজিটর ততো বেশি হবে।
যাই হোক এবার আপনি সিদ্ধান্ত নিলেন Amazon থেকে নতুন নতুন যে মোবাইল ফোন গুলো লঞ্চ করা হবে আপনি সেগুলোর মার্কেটিং করবেন।
তার জন্য আপনি নিজে মোবাইল ফোন বিক্রি বা রিভিউ রিলেটেড একটি ওয়েবসাইট খুললেন।
এবং একজন এসইও এক্সপার্ট এর সহযোগীতায় কয়েক লক্ষ ওয়েবসাইটকে পেছনে ফেলে হয়তো বছরখানেকের মাঝেই আপনার ওয়েবসাইট টি গুগলের বা ইয়াহুর প্রথম পেইজে নিয়ে আসলেন।
সে ক্ষেত্রে যতো বেশি সংখ্যক মানুষ আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে, যতো ক্লিক হবে,যতো প্রোডাক্ট পার্চেস হবে, সবকিছুর জন্যই আপনি টাকা পাবেন।
এবং টাকার অংক টা হয়তো এমন ও হতে পারে যা হয়তো শুধু আপনি কেন, আপনার পরবর্তী প্রজন্মের ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট হতে পারে!
সুতরাং এক কথায় বলতে পারি, সার্চ ইঞ্জিন যেভাবে একটি কনটেন্টকে দ্রুত খুজে পেতে পারে, সহজে দৃশ্যমান করতে পারে এবং অনুসন্ধানকারীর আগ্রহ অনুসারে সবার উপরে অর্থাৎ প্রথম পাতায় দেখতে পারে সে ধরণের ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়াকেই সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (SEO) বলা হয়।

আপনারা হয়তো জানেন, আজকের যুগ হলো digital এর। আর আপনি যদি এখনও ডিজিটাল মার্কেটিং সম্বন্ধে না জেনে থাকেন তাহলে হয়তো আপনি ...
06/10/2020

আপনারা হয়তো জানেন, আজকের যুগ হলো digital এর। আর আপনি যদি এখনও ডিজিটাল মার্কেটিং সম্বন্ধে না জেনে থাকেন তাহলে হয়তো আপনি অনেক পিছনে পড়ে আছেন। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ব্যাপারে জেনে নেয়াটা আপনার জন্য অনেক জরুরি।

আপনি যদি একজন ব্যবসায়ী হয়ে থাকেন তাহলে এই ব্যাপারটা জেনে নেয়া অবশ্যই দরকার। এবং, আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং এর ব্যাপারে জেনে নিজের ব্যবসা (business) কে অনেক আগে নিয়ে যেতে পারবেন।
আজ, আপনি যদি নিজের বিজনেস (business) এ জলদি সফলতা পেতে চান, তাহলে ডিজিটাল মার্কেটিং আপনার সফলতার গুরুত্বপূর্ণ কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার সুবিধা সম্পর্কে অনেকেই এখন সম্যক অবগত। প্রযুক্তির এই যুগে এমন কিছু কাজ করা যায় যা পূর্বে করা তো ...
06/10/2020

ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার সুবিধা সম্পর্কে অনেকেই এখন সম্যক অবগত। প্রযুক্তির এই যুগে এমন কিছু কাজ করা যায় যা পূর্বে করা তো দূরের কথা, কল্পনাই করা যেত না। ই-কমার্স ও ডিজিটাল মার্কেটিং প্রযুক্তির এক বিস্ময়কর অবদান বলা চলে। তবে, আমরা অনেকেই ই-কমার্স এবং ডিজিটাল মার্কেটিংকে একই মনে করি। কিন্তু ই-কমার্স এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে।

ই-কমার্স হল ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ধরণের পণ্য ও সেবার বিনিময় মাধ্যম। অর্থাৎ, আপনি ঘরে বসেই যে কোন পণ্য বা সেবা ক্রয় বা বিক্রয় করতে পারবেন ই-কমার্স সাইটগুলোর মাধ্যমে। অন্যদিকে, ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে ই-কমার্সের একটি অংশ যার কাজ হচ্ছে ই-কমার্সের সেবাকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া। এই ছড়িয়ে দেয়ার কাজটি সুচারুরূপে করার জন্যে আপনাকে এর সঠিক পদ্ধতি জানতে হবে।

তবে, মনে রাখবেন ডিজিটাল মার্কেটিং কিন্তু ই-কমার্সের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর মাঝে আরো অনেক কিছুই অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। যেমন-

#ওয়েব_ডেভলেপমেন্ট
#মার্কেটিং_অটোমেশন
ার্স
#ইমেইল_মার্কেটিং
#সামাজিক_মাধ্যম__মার্কেটিং
#সার্চ_ইঞ্জিন_অপটিমাইজেশন_SEO
#সার্চ_ইঞ্জিন_মার্কেটিং_SEM
#ভিডিও_ও_অডিও_প্রোডাকশন

উপরের এগুলো ছাড়াও আরও অনেক ধরণের কাজ রয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং জগতে। তাই, আপনি চাইলেই ডিজিটাল মার্কেটিং এর যে কোন কাজ শিখে আয় করতে পারেন, মুক্ত হতে পারেন বেকারত্বের অভিশাপ থেকে।

ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে আপনি হতে পারেন একজন ফ্রিল্যান্সার। ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের জরিপে দেখে গেছে, সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং তথা ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজে সবচেয়ে বেশি মানুষ কাজ করছে ভারতে। এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাই, ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে আপনি চাইলেই নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।

বর্তমানে পণ্য বিপণনের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ডিজিটাল মার্কেটিং। কারণ, এখন বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার কর...
06/10/2020

বর্তমানে পণ্য বিপণনের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ডিজিটাল মার্কেটিং। কারণ, এখন বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পেশাগুলোর চাহিদাও বাড়ছে। অনেক তরুণ-তরুণী আগ্রহী হচ্ছেন ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে।

একটি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস (পণ্য বা সেবা) প্রচার ও প্রসারের জন্য যেকোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো ভোক্তার কাছে তা পৌঁছে দেয়া। আর এই কাজটি করার জন্য যে মাধ্যমটি ব্যবহার হয় সেটি হলো বিজ্ঞাপন। লিফটলেট, ব্রশিয়র, পোস্টার, সংবাদপত্র, রেডিও কিংবা টিভি কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রচলিত বিজ্ঞাপন মাধ্যম। বিংশ শতাব্দীতে এসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে বিজ্ঞাপনের ধারণাটাও পাল্টে গেছে। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমগুলো চলে এসেছে আমাদের বেডরুম কিংবা পকেটে। সেই সাথে বিজ্ঞাপনদাতাদের চাহিদারও বিশাল পরিবর্তন এসেছে। এখন বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য তাদের কাছে অন্যতম মাধ্যম- গুগল, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ইউটিউব, বিভিন্ন ধরনের অ্যাপস, এসএমএস এবং ই-মেইল- যা ডিজিটাল মার্কেটিং হিসেবে পরিচিত।

Digital learning is replacing traditional educational methods more and more each day 🥰🥰. With how rapidly classrooms are...
06/10/2020

Digital learning is replacing traditional educational methods more and more each day 🥰🥰. With how rapidly classrooms are changing, it is best to forget methods you may remember from when you were in school and start thinking about newer teaching and learning techniques based on digital learning tools and technologies. The inclusion of digital learning in the classrooms can vary from simply using tablets instead of paper to using elaborate software programs and equipment as opposed to the simple pen.

This could entail using sites, services, programs, teaching tools, and technologies like study aids built for at-home use. Even social networks and communications platforms can be used to create and manage digital assignments and agendas. Irrespective of how much technology is integrated into the classroom, digital learning has come to play a crucial role in education. It empowers students by getting them to be more interested in learning and expanding their horizons.

Here is how digital learning is a step up from traditional education methods:

1. Digital Learning Makes Students Smarter.
2. Digital Learning Is Making Students Self-Motivated and More Accountable.
3. Digital Learning Tools Involve Educators and Parents to a Deeper Extent.
4. Digital Learning Tools and Technology Is Rapidly Increasing Information Sharing.
5. Increasing Students’ Employability with Digital Learning Tools and Technology.
6. Traditional Education Methods Have To Be Replaced.

Address

Badda

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801923232337

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Digital Learning XYZ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share