11/05/2026
বিস্তারিত:
১.আবু ত্ব-হা আদনান হুজুর যখন প্রথমে তার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন, তখন ওনার স্ত্রীর সমস্যার কারণেই দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বর্তমান বাইতুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক সাহেবসহ বরেণ্য ওলামায়ে কেরামগণ সব কিছু জাস্টিফাই করে তাদের পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করান। এখানে হুজুর কি নিজের আবেগে স্ত্রীকে ফিরিয়ে এনেছিলেন? অবশ্যই না। বরং যখন ওনার স্ত্রী নিজের ভুল স্বীকার করে অনুতপ্ত হলেন, তখন ওলামায়ে কেরাম তাকে দাম্পত্য জীবন পুনরায় শুরুর সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। হুজুর মূলত মুরুব্বিদের সেই সিদ্ধান্ত এবং ফয়সালাকেই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়েছেন। ওলামাদের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়াটা ছিল ওনার বড়ত্বের পরিচয়।
২.পরবর্তীতে যখন সেই স্ত্রী আবারও তার আগের স্বভাব (ফেতনা) শুরু করলেন, তখন তাকে বর্জন করাই কি বুদ্ধিমানের কাজ নয়? ঘরে অশান্তি আর ফেতনা পুষে রাখার চেয়ে তা থেকে মুক্ত হওয়া ইসলামের দৃষ্টিতেও উত্তম সিদ্ধান্ত।
৩.সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এত কিছু হয়ে যাওয়ার পরেও আবু ত্ব-হা আদনান অনলাইনে কোনো ফিতনা ছড়ান নাই। যতটুকু জানি, উনি কেবল সাধারণ জনগণের কাছে ভুল মেসেজ যাওয়া রোধ করতে এবং ফিতনা বন্ধ করতে একটি পোস্ট করেছিলেন। এছাড়া উনার নামে এত মিডিয়া ট্রায়াল আগেও হয়েছে, এখনও হচ্ছে—কিন্তু তিনি বরাবরই চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। উলামায়ে কেরামের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে তিনি চুপচাপ থেকেছেন।
৪.অথচ যত ফিতনা ছড়িয়েছে তা ওনার স্ত্রীই নিজের ফেসবুক আইডি থেকে এবং মিডিয়ার কাছে প্রচার করে ছড়িয়েছেন। এরপরেও আপনারা কিভাবে উনার স্ত্রীর পক্ষ নিয়ে হুজুরের দিকে দায় চাপিয়ে বলতে পারেন যে উনার কারণে ইসলামের ক্ষতি হচ্ছে? যেখানে উনি ওলামাদের সিদ্ধান্ত মেনে নীরব থাকলেন, সেখানে উনাকে দোষী সাব্যস্ত করে হুজুরদের গালাগালি করাটা কতটা যৌক্তিক?
৫.সত্য না জেনে একজন দাঈ’র বিরুদ্ধে এভাবে বিষোদগার করাটা আপনাদের নিজেদের ব্যক্তিত্ব এবং নৈতিকতার জন্যই চরম অবক্ষয়। অযথা অন্ধ সমালোচনা না করে পুরো ঘটনা আগে নিরপেক্ষভাবে জানার চেষ্টা করুন। সত্যকে গোপন করে অপপ্রচার চালিয়ে কারোরই কল্যাণ হয় না।
আর যদি মনে করেন ব্যক্তি আবু ত্ব-হা আদনানের সমালোচনা করে আপনারা ইসলামের ক্ষতি করবেন, তবে জেনে রাখুন—উনার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যতই অপপ্রচার চালানো হোক না কেন, এতে ইসলামের বিন্দুমাত্রও ক্ষতি হবে না।