22/05/2025
আমার সেই খেলার মাঠ..."
আমার সেই খেলার মাঠ… আজও চোখ বুজলেই ভেসে উঠে।
কে খেলবে, কে খেলবে না—এসব ভাবনায় চোখে থাকত কল্পনার দল।
সন্ধ্যা নামলেই ব্যাট-বলটা যত্ন করে লুকিয়ে রাখতাম, যেন কাল ঠিক সময়ে খেলা শুরু করতে পারি।
রাতে পড়ার বই খুললেও মন পড়ে থাকত মাঠে—কে কোথায় ফিল্ডিং দেবে, কে ওপেন করবে।
অঙ্কের খাতাটা হয়ে উঠত একেকটা স্ট্র্যাটেজির মানচিত্র।
হঠাৎ করে কাউকে মেসেজ দিয়ে বলতাম—“দোস্ত, কাল এভাবে সেট করিস, তাহলে জিতব!”
আর সেই সকালে স্কুলে যাওয়ার ভয়...
যেন একটা যুদ্ধের প্রস্তুতি!
ভয় থাকত গণিত স্যারের বেতের, কিন্তু এখন সেই বেতটাই যেন স্মৃতির অমূল্য এক অংশ।
ক্লাসরুমে বসে ভাবতাম, “কবে মুক্তি পাব এই চার দেয়ালের বন্ধন থেকে?”
আজ রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে দেখি—সেই স্কুল, সেই ক্লাসরুম, আর মনে পড়ে যায় একেকটা মুখ, একেকটা দিন...
যদি ফিরিয়ে দেওয়া যেত সেই ছোটবেলাটা,
তবে প্রতিদিন বেতের ভয়েও স্কুলে যেতাম হাসিমুখে।
কারণ এখন বুঝি, সেই ছোটবেলাই ছিল জীবনের সোনালি সময়।
নির্ভেজাল আনন্দ, নির্মল হাসি, বন্ধুদের সঙ্গে রাগ-অনুরাগে গড়া দিনগুলো—এগুলোই তো আসল সুখ।
আজ সত্যি বলছি—
যদি আবার একবার সুযোগ পেতাম ফিরতে সেই দিনগুলোতে,
তবে গণিত স্যারের বেতের মারটাকেও আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করতাম!
শৈশবটা আর কখনো ফিরে আসে না,
কিন্তু স্মৃতির পাতায় সে আজও রঙিন ছবি হয়ে বেঁচে থাকে...