Murshid Sheikh

Murshid Sheikh ভালো চিন্তা, সুন্দর জীবন
জীবনের অভিজ্ঞতা, প্রতিদিনের অনুপ্রেরণা
Positive Vibes | Self Growth | Real Talk
Follow for:

25/07/2026

ইরানের সহায়তায় ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবকে আজ হোতায়ে দিয়েছে। পাঁচটি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মেরেছে জিজানে অবস্থিত তেলের ডিপোতে, এর মধ্যে দুইটা হিট করেছে। পুরো অয়েল ফ্যাসালিটিস আগুনে পুড়ে যায়।
সৌদি আরব খুঁজে পাচ্ছে না হুতিরা কোথায় থেকে মিশাইল মারতেছে।
বাব আল মান্দাবে দুইটা ট্যাংকারেও মিশাইল মেরেছে। ট্যাংকার দুইটাও আগুনে পুড়ে যায়।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আব্বাস আরাগচী বলেছেন ইরান কারো আগ্রাসী ভাষা আর এক্সেপ্ট করবে না। কথা বলতে হলে ভদ্র ভাষায় বলতে হবে। কথা হতে হবে ক্লিয়ার কাট। প্রতারকের ভাষা আর গ্রহণ করা হবে না।

স্পিকার গালিবাফ বলেছেন ইরান তেল বিক্রি করতে না পারলে মধ্য প্রাচ্যের কেউ তেল বিক্রি করতে পারবে না।

IRGCর মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাকারি বলেছেন সকল মধ্য প্রাচ্যের সাধারণ জনগণ মার্কিন সেনা অন্তত ৫০০ মিটার দূরে থাকবেন। আমাদের টার্গেট এখন মার্কিন সেনা।
একই সাথে তিনি আরও বলেন ইরানের একজন সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হলে আমরা একজন মার্কিন সেনাকে হত্যা করবো। হত্যার বদলে হত্যা এটাই আমাদের নীতি এখন।

ইরানের মিশাইল ভাণ্ডারে বোমা মেরেছিল আমেরিকা। এটা গত তিন চার দিন আগের ঘটনা। ইরান একদিনেই তা মেরামত করে ফেলেছে।

ট্রাম্প সাহেব জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ইরানের সাথে যুদ্ধ বন্ধের ব্যাপারে। ইরাকের সরকার দ্বারা ব্যর্থ হলে এখন ধরেছে পাকিস্তান এবং চীনকে।

বারাকাল্লাহ ফি ইরান।

আমেরিকা আজ হামলা করেছে ব্রিজ,  রেলস্টেশন এবং নেটওয়ার্ক টাওয়ারে।  ইরান ব্রিজের সেখানে দেখলাম বিকল্প রাস্তা তৈরি করাও শেষ ...
17/07/2026

আমেরিকা আজ হামলা করেছে ব্রিজ, রেলস্টেশন এবং নেটওয়ার্ক টাওয়ারে। ইরান ব্রিজের সেখানে দেখলাম বিকল্প রাস্তা তৈরি করাও শেষ করেছে।

ইরান আজ পুরোদমে পুরো মধ্য জুড়ে হামলা শুরু করেছে।
ওমান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সিরিয়া এবং জর্ডানে।

ওমানে থাকা মার্কিন রাডার মিশাইল মেরে ধ্বংস করেছে।
কাতারের আল উদেদ মার্কিন বিমান ঘাটিতে মিশাইল এবং ড্রোন হামলা করেছে। সেখানে একাধিক বিমান ধ্বংস হয়েছে।
কুয়েতের আমেরিকান বেইজে মিশাইল এবং ড্রোন হামলা করেছে। লজিস্টিক সাপোর্ট সেন্টার ধ্বংস হয়েছে।

আগেই বলে রাখি ইরান এখন সেজিল মিশাইল দিয়ে হামলা করছে, আর ড্রোন ব্যবহার করছে আরাস-২।

বাহরাইনে হামলা করেছে মিশাইল এবং ড্রোন দিয়ে -- আমেরিকান ঘাটি, অয়েল রিফাইনারিজ ধ্বংস হয়েছে ।

আজ এই প্রথম সিরিয়াতেও হামলা করেছে। মার্কিন কমান্ড সেন্টার সেখানেই অবস্থিত। এবং হামলা করেছে সেখানেই। একযোগে মিশাইল এবং ড্রোন হামলা করে।
কয়েকটি যুদ্ধ বিমান ধ্বংস হয়েছে।

জর্ডানে আমেরিকান বেইজে পুনরায় আজ হামলা করেছে মিশাইল এবং ড্রোন দিয়ে।

এখন ইরান সব সময় মিশাইল এবং ড্রোন দিয়ে একযোগে হামলা চালাচ্ছে। ইন্টারসেপ্টর এক মিশাইল সামলাতেই হিমশিম খাচ্ছে ড্রোন আটকাবে কখন? তাই প্রতিটা স্থানে হিট করেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে সিরিয়াতে।
যুদ্ধবিমান F35, F15 কয়েকটি ধ্বংস হয়েছে।
হরমুজ এলাকায় আমেরিকার বিখ্যাত ড্রোন Q 9 ভূপাতিত করেছে ইরান।

ইরানের স্পিকার গালিবাফ বলেছেন ইরান তার সর্বোচ্চ শক্তি প্রকাশ করা ছাড়া আর উপায় নেই। মানে হইলো ইরান মনে হয় নিউক্লিয়ার উন্মোচন করতে যাচ্ছে।

বারাকাল্লাহ ফি ইরান।

কপি পোস্ট

আমি ন্যাটো সম্মেলন পর্যবেক্ষণ করছি। ট্রাম্প এই মুহূর্তে কথা বলছে। আজকে বড় করে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে ছোট করে ই...
10/07/2026

আমি ন্যাটো সম্মেলন পর্যবেক্ষণ করছি। ট্রাম্প এই মুহূর্তে কথা বলছে। আজকে বড় করে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে ছোট করে ইরান এবং আজ এক দিনে ট্রাম্প যা যা বলেছে; সেটা একটু বলে নেই।

সকালে বলেছে

- The ceasefire deal with Iran is over ( ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির চুক্তি শেষ হয়ে গেছে)

এরপর বলেছে

- Dealing with Tehran is a waste of time. (তেহরানের সঙ্গে আলোচনা করা সময়ের অপচয়)

এর ঠিক কিছুক্ষণ পরই বলেছে

- তবে আমাদের আলোচক দল আলোচনা করছে।

এর ঠিক পাঁচ মিনিট পর বলেছে

- US will probably hit them again Wednesday night ( অ্যামেরিকা সম্ভবত বুধবার (আজ) রাতে তাদের ওপর আবার হামলা চালাবে)

এর এক ঘণ্টা পর বলেছে

- আমরা ইরানে হামলা করেছি, কারন ওরা আমাদের জাহাজে আগে হামলা করেছে। আমরা শুধু বদলা নিয়েছি।

সন্ধ্যার সময় বলেছে

- Spain is a terrible partner ( স্পেন খুবই বাজে পার্টনার)

এরপর ঘোষণা করেছে

- স্পেনের সাথে সকল ধরণের বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করা হলো।

এই লেখা লিখছি ট্রাম্পের কথা শুনতে শুনতে। এই মাত্র বলেছে

- অ্যামেরিকান ডেমোক্রেটরা শুধু বাজে রাজনীতিবিদই না। ওরা দেখতেও খারাপ!

মানে ওদের চেহারাও নাকি খারাপ! এরপর সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেছে

- ভেনেজুয়েলাতে তো তুমি ভালোই করেছো। ইরানে আঁটকে গেলে কেন?

ট্রাম্প উত্তরে বলেছে

- জেনে রাখো ইরান কখনো পারমাণবিক বোম বানাতে পারবে না।

ট্রাম্প এখনো কথা বলছে। আমার বিশ্লেষণের জন্য ন্যাটো সম্মেলন পর্যবেক্ষণ করা জরুরী। তাই আর সময় নেই। আজকের এই লেখাটা শেষ করছি ট্রাম্পের এইসব বক্তব্যের জবাবে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেসকিয়ান বলেছেন

- Trump’s words are disgusting ( ট্রাম্পের কথাগুলো জঘন্য)

এর চাইতে বেশি কিছু আর বলার নাই। ইরানের প্রেসিডেন্টই উত্তর দিয়ে দিয়েছে। ট্রাম্প হয়ত আজকে আবার ইরানে হামলা করবে। তবে নিশ্চিত জেনে রাখুন- ইরান ঠিক আজকের মতই এর চাইতে দ্বিগুণ শক্তি দিয়ে পাল্টা হামলা করবে। ঠিক যেমনটা অ্যামেরিকান ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক মেইর শেইমার বলেছেন

- ইরানে হামলা করে যদি ট্রাম্প জিততেই পারতো। তাহলে এত আলোচনা-চুক্তি এইসব করতো না।

এরপর তিনি বলেছেন

- ইরানে ট্রাম্প সারেন্ডার করেছে। এখন সরে আসার জন্য এইসব করছে।

ও আচ্ছা এই মাত্র লিখতে লিখতে ট্রাম্প বলেছে

- টিকটকে আমি এখনও নাম্বার ওয়ান হই নাই। তবে অনেক কিছুতেই আমি নাম্বার ওয়ান!

ম্যানিয়াক ট্রাম্প ইরানে হেরে এখন কী বলে বেড়াচ্ছে সে নিজেই বুঝতে পারছে না! সংবাদ সম্মেলনে অনেকবার সাংবাদিকরা হাসাহাসি করেছে। এখনও করছে। এই মাত্র এক সাংবাদিককে জিজ্ঞেস করেছে

- তুমি কোন মিডিয়ায় কাজ করো?
- MS now (এমএস নাও)
- এই মিডিয়াতে কাজ করো কেন? এটা তো একটা ফেইল মিডিয়া।

বুঝেন অ্যামেরিকান প্রেসিডেন্টের অবস্থা! যার হবার কথা ছিল টিকটকার। হয়ে গেছে অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট!

কপি পোস্ট

ট্রাম্প আজকে আবারও কী বলেছে জানেন? খামেনির শেষকৃত্যানুষ্ঠানে কোটি মানুষের সমাবেশ দেখে সে বলেছে -  Its a huge crowd ( এখা...
06/07/2026

ট্রাম্প আজকে আবারও কী বলেছে জানেন? খামেনির শেষকৃত্যানুষ্ঠানে কোটি মানুষের সমাবেশ দেখে সে বলেছে

- Its a huge crowd ( এখানে প্রচুর লোকের সমাগম হয়েছে।)

লাখ লাখ মানুষের কান্না দেখে এরপর সে আবারও বলেছে

- Maybe it's fake tears ( হয়তো এগুলো কৃত্রিম অশ্রু)

এরপর বলেছে মূল কথা। মানে Trump being Trump! ( সে যেভাবে কথা বলে আরকি) সে বলেছে

- The funeral presents a military opportunity ( শেষকৃত্যানুষ্ঠানটি একটি সামরিক সুযোগ তৈরি করেছে)

এরপর বলেছে

- They are all there. One shot, and we can take them all out (ওরা সবাই সেখানে আছে। একবার হামলা চালালেই সবাইকে শেষ করে দেওয়া যাবে)

সব শেষে বলেছে

- আমরা এটা করছি না। কারন তাহলে তো আলোচনা করার জন্য আর কেউ বাকি থাকবে না!

ট্রাম্পের কথায় পরে আসছি। এই ছবিটা নিয়ে বরং আলোচনা করি আগে। সিএনএন-এর সাংবাদিক ফ্রেডরিক এই মুহূর্তে তেহরানে আছে। ফ্রেডরিককে চিনি ২০১৬ সাল থেকে। তখন আমি পিএইচডি করছিলাম। যেহেতু আমার পিএইচডি থিসিসের বিষয়বস্তু ছিল De-coloniality (সাম্রাজ্যবাদমুক্ত কিংবা উপনিবেশবাদমুক্ত চিন্তা ভাবনা)। মূলত ইউরোপের শরণার্থী এবং ডি-কলোনিয়ালিটি নিয়েই আমার কাজ কারবার।

তো, ওই সময়টায় ইউরোপের ইতিহাসে সব চাইতে বড় শরণার্থী ক্রাইসিস চলছিল। মানে হাজার হাজার সিরিয়ান শরণার্থী পায়ে হেঁটে, সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইউরোপের গ্রিস, ইতালি, স্পেন এইসব দেশে আসার চেষ্টা করছিল। অনেকেই সমুদ্র পথে মারা গেছে। তখন একটা বাচ্চার ছবি ভাইরাল হয়েছিলো। এই বাচ্চাটার মৃতদেহ ভেসে এসছিল সমুদ্র পাড়ে।

প্রথম দিকে কোন পশ্চিমা গণমাধ্যম এই ছবিটা দেখাতে চাইছিলো না। ওই সময়টায় আমার গবেষণার কাজে এবং যারা তুরস্ক বর্ডার পার হয়ে গ্রীসে আসছিল; তাঁদেরকে সাহায্য করার জন্য ভলেন্টিয়ার হিসেবে গ্রীসের একটা শরণার্থী শিবিরে ছিলাম। কত শত শরণার্থীর জন্য আমি নিজ হাতে রান্না করেছি হিসেব নাই। কিছু ছবি আছি। পরে এক সময় আপলোড করবো। তখনই ফ্রেডরিকের সাথে পরিচয়। ওকে বললাম

- এই ছবিটা যদি তুমি কোন ভাবে সিএনএনে দেখাতে পারো; তাহলে ইউরোপের দেশগুলো হয়ত এই আশ্রয়হীন মানুষগুলোকে আশ্রয় দেবার চিন্তা ভাবনা করবে। এদের তো কোথাও যাবার জায়গা নেই।

সে আমাকে বলেছিল

- আমি চেষ্টা করছি।

ওই সময় সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো মাঝে বিরোধের জেরে সিরিয়ায় রীতিমত গৃহযুদ্ধ চলছিল। মানুষগুলোকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। একদিন দেখি সিএনএন বাচ্চাটার ছবি সহ প্রকাশ করেছে। পুরো পৃথিবীতে ওই ছবিটা ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। মূলত এরপরই জার্মান সরকার লাখ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয় দিতে রাজি হয়েছে। আমি জানি না, আপনাদের মনে আছে কিনা এই ঘটনাটার কথা।

এত কথা লিখছি এই কারনে যে, ফ্রেডরিক এই মুহূর্তে তেহরানের আছে। খামেনির শেষকৃত্যানুষ্ঠান কাভার করছে। সে আজকে সিএনএন-এ রিপোর্ট করে বলেছে

- এখানে লাখো মানুষ নাকি কোটি মানুষ ঠিক বুঝতে পারছি না! মানুষ আর মানুষ। সবাই কাঁদছে।

মজার বিষয় হচ্ছে, এদের প্রায় সবাই অ্যামেরিকার বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। ফ্রেডরিক নিজেই এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে

- কেউ কি অ্যামেরিকান হিসেবে ফ্রেডরিককে একটা বাজে মন্তব্যও করেছে?

করে নাই। এটাই ইরান। সভ্যতা কত প্রকার ও কী কী ট্রাম্পের উচিত সেটা ইরানের কাছ থেকে শেখা। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি বলেছেন

- এই যে ট্রাম্প ওপেনলি এক Shot-এ সবাইকে শেষ করে দেয়ার কথা বলেছে। এটা যদি ইরান কিংবা গ্লোবাল সাউথের (উন্নয়নশীল দেশগুলোর) কেউ বলতো। তখন তাঁকে বলা হতো সন্ত্রাসী!

সব চাইতে মজার ব্যাপারটা বলেছেন অ্যামেরিকান অধ্যাপক জেফ্রি সাক্স। তিনি বলেছেন - ধরে নিলাম কোটি কোটি ইরানিরা ফেইক কান্না কাঁদছে। তিনি প্রশ্ন করেছেন

- How many Americans would gather and mourn their own president like that? (কয়জন অ্যামেরিকান তাঁদের প্রেসিডেন্টের জন্য এভাবে কাঁদবে?)

তিনি এটাও বলেছেন

- If America still had that capability, Trump would have done it. It doesn't anymore. (এই অনুষ্ঠানে হামলা করার সামর্থ্য যদি ট্রাম্পের থাকতো। ঠিকই হামলা করতো। কিন্তু এই সামর্থ্য অ্যামেরিকার এখন আর নাই)

এটাই বাস্তবতা। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। সভ্যতার বুলি আওড়ানো সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা এমনকি একটা শেষকৃত্যানুষ্ঠানেও ঠিকই হামলা চালাতো। সভ্যতা ওদের কাছে দেশে দেশে সাম্রাজ্য বিস্তার করার হাতিয়ার। ওরা সেটা করতে পারছে না। কারন ইরান নিজেদেরকে সেই জায়গায় নিতে পেরেছে।

তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি আজকে একটা চমৎকার কথা বলেছেন। এই বিষয় নিয়ে পরবর্তীতে আরও বিস্তারিত লিখবো। আজকে বরং ছোট করে বলে এই লেখাটা শেষ করছি। তিনি বলেছেন

- অ্যামেরিকা এত সভ্য দেশ। অথচ সেখানে অনেক শহরের রাস্তায় গৃহহীন মানুষ দেখা যায়। সেই অ্যামেরিকা ইরানকে বছরের পর বছর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে। তবুও ইরানের রাস্তায় তেমন কোন গৃহহীন মানুষ দেখা যায় না।

কেন দেখা যায় না? তিনি বলেছেন

- কারন ইরানের সরকার এই মানুষদের দায়িত্ব ঠিকই নিয়েছে।

আর অ্যামেরিকার সরকার? এইসব সাম্রাজ্যবাদী সরকার কিছু বুর্জোয়া এপস্টিন ক্লাসের জন্য সব কিছু করে। এরা দেশে দেশে যুদ্ধও বাঁধায় ঠিক এই জন্যই। এতে করে অস্ত্র ব্যবসা করা এলিটদের অনেক লাভ! নিজ দেশের সাধারণ নাগরিকদের নিয়ে এদের কোন ভাবনা নেই। ওদের সাধারণ মানুষ ব্যাংক লোন শোধ করতে করতেই একটা জীবন পার করে। তবুও শোধ করতে পারে না।

সাম্রাজ্যবাদীদের জন্য "সভ্যতা" নামক শব্দটা কেবলই নিজেদের এলিট-বুর্জোয়া শ্রেণীর সম্পদ বাড়ানোর হাতিয়ার। তাই সাম্রাজ্যবাদকে "না" বলুন। অথচ দেখেন- ইরান এত নিষেধাজ্ঞার পরও নিজ দেশের সকল নাগরিকদের যতটুকু পারে, দেখভাল করছে। এই জন্যই কোটি কোটি মানুষ রাস্তায় নেমে চোখের পানি ফেলছে। একেই বলে হাজার বছরের পুরনো সভ্যতার দেশ।

কপি পোস্ট

খামেনির জানাজায় ২০ মিলিয়নের বেশি লোক হয়েছে।  পৃথিবীর ইতিহাসে এমন মানুষ অন্য কোন জানাজায় হয়েছে বলে মনে হয় না ।  জানাজা অন...
03/07/2026

খামেনির জানাজায় ২০ মিলিয়নের বেশি লোক হয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন মানুষ অন্য কোন জানাজায় হয়েছে বলে মনে হয় না ।

জানাজা অনুষ্ঠিত হয় তেহরানের মোসাল্লা গ্র‍্যান্ড কমপ্লেক্সে
এবং কুম নগরীতে এবং মাসহাদ নগরীতে।
৯০টিরও বেশি দেশ এই জানাজায় অংশ নিলেও সৌদি আরব থেকে কোন প্রতিনিধি আসে নাই। এমন কি সৌদি আরব যুদ্ধ বিমান দ্বারা ইয়েমেনের প্রতিনিধিকে আসতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল কিন্তু সে বাধা উপেক্ষা করে ইয়েমেনের প্রতিনিধি ইরানে আসতে সক্ষম হয়।

ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আমেরিকা ইসরায়েল হামলা করলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। পৃথিবীতে ইসরায়েল নামে কোন দেশ থাকবে না।।

বারাকাল্লাহ ফি ইরান।

আমেরিকা শেষ পর্যন্ত ইরানের সব শর্ত মেনে নিয়েছে।  খামেনির জানাজা শেষ হলে এরপর উনারা একসাথে বসবেন বলেছেন।  শুধুমাত্র আমেরি...
02/07/2026

আমেরিকা শেষ পর্যন্ত ইরানের সব শর্ত মেনে নিয়েছে। খামেনির জানাজা শেষ হলে এরপর উনারা একসাথে বসবেন বলেছেন।
শুধুমাত্র আমেরিকা এবং ইরান দুই দেশের যোগাযোগ রাখতে আলাদা একটা চ্যানেল খোলার উদ্যোগ নিয়েছে দুই দেশ।
কাতার থেকে ফ্রিজ হওয়া ৩ বিলিয়ন ডলার উন্মুক্ত করে দিয়েছে ইরানের জন্য।

আজ হরমুজ প্রণালীতে আমেরিকার একটি উড়োজাহাজ আছড়ে পড়ে। ক্রু সব নিখোঁজ।

ইরান বলেছে হরমুজ প্রণালী আমেরিকার খেলার মাঠ নয়। আমাদের হরমুজ প্রণালী আর কখনোই আগের জায়গায় যেতে দেওয়া হবে না। এখন থেকে আজীবন এটি ইরানের অধীনেই থাকবে এবং ইরানের সব নিয়ম মেনেই সবাইকে চলাচল করতে দেওয়া হবে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আব্বাস আরাগচী বলেছেন আমেরিকার পোষ্য কুকুর ইসরায়েল যদি ঠিক পথে না আসে ইরানই তার জন্য যথেষ্ট। ইরান তাকে ঠিক পথে আনতে বাধ্য করবে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন খামেনির জানাজায় অনেক অনেক বিদেশিদের আগমন ঘটবে। এতে যদি শত্রুরা কোন প্রকার কিছু করার চেষ্টা করেন, ইরান তার প্রতিশোধ নিবে।

বারাকাল্লাহ ফি ইরান।

কপি পোস্ট

21/06/2026
ইরান আজ হরমুজ প্রণালী আবার বন্ধ ঘোষণা করে বলেছে - The United States and Israel have already violated the very first cond...
21/06/2026

ইরান আজ হরমুজ প্রণালী আবার বন্ধ ঘোষণা করে বলেছে

- The United States and Israel have already violated the very first condition of the agreement. (চুক্তির প্রথম শর্তই অ্যামেরিকা এবং ইজরাইল ভঙ্গ করেছে।)

আপনাদের জানিয়ে রাখি , যে চুক্তিটা অ্যামেরিকার সাথে ইরানের হয়েছে। সেই চুক্তির প্রথম দফাই হচ্ছে

- যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং তাদের নিজ নিজ মিত্ররা (লেবাননসহ) সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করবে।

কিন্তু ইজরাইল গতকাল এবং আজকেও লেবাননে হামলা করেছে। তাই চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করার দায়ে ইরান আজ হরমুজ প্রণালী আবার বন্ধ ঘোষণা করেছে। ইরান কেন এটা করছে?

আল-জাজিরার এই মুহূর্তের একটা রিপোর্টই যথেষ্ট সেটা বুঝার জন্য। ওই রিপোর্টের শিরোনামে হচ্ছে

- Iran applying maximum pressure on Trump ( ইরান ট্রাম্পের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করছে।)

এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন, অ্যামেরিকা তো ইরানে হামলা করেনি। তবুও কেন ইরান ট্রাম্পের উপর চাপ প্রয়োগ করছে। কারন ইরান খুব ভালো করেই বুঝে গেছে- এটাই সুযোগ। Once in a lifetime opportunity (জীবনে আসলে এই ধরণের সুযোগ একবারই আসে)

কারন স্বয়ং ট্রাম্প এই চুক্তি হবার পর অ্যামেরিকান সংবাদ মাধ্যম ফক্স নিউজকে বলেছে

- Our oil and gas inventory was running extremely low. We had only four weeks left. ( আমাদের তেল-গ্যাসের মজুত একদম কমে যাচ্ছিল। হাতে আর চার সপ্তাহ সময় ছিল।)

অর্থাৎ অ্যামেরিকার অর্থনীতি খারাপ হবার একদম শেষ সীমায় পৌঁছে গিয়েছিল ট্রাম্প। এই জন্য দ্রুত চুক্তি করেছে। কিন্তু ইজরাইল তো এটা মেনে নেবার পাত্র না!

ইজরাইল সরকারের অনেক মন্ত্রী এবং নেতারা রীতিমত ট্রাম্পের সমালোচনা করা শুরু করেছে প্রকাশ্য দিবালোকে। এইসব দেখে অবশ্য গতকাল অ্যামেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স ইসরাইলের সমালোচনা করে বলেছে

- They should understand that without America, they no longer have any friends in the world (ওদের বুঝা উচিত অ্যামেরিকা ছাড়া পৃথিবীতে ওদের এখন আর কোন বন্ধু নাই।)

এরপর ভান্স বলেছে

- ইজরাইল নিজেদেরকে রক্ষা করার জন্য যে ইন্টারসেপ্টরগুলো ব্যাবহার করছে; এর তিন ভাগের দুই ভাগ তৈরি হয় অ্যামেরিকায় এবং এর টাকাও অ্যামেরিকা দেয়।

এরপর ভান্স সোজা বলে দিয়েছে

- ইজরাইলের উচিত এখানেই থামা।

বিশ্বাস করেন- আমার জীবদ্দশায় কোন অ্যামেরিকান প্রেসিডেন্ট কিংবা ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে এভাবে প্রকাশ্যে কথা বলবে। এটা অন্তত আমি ভাবতে পারি নাই। কারন অ্যামেরিকার রাজনীতি সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। ওদের রাজনীতিবিদদের বেশিরভাগেরই ডোনেশন আসে ইসরাইলের লবিস্টদের কাছ থেকে। অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ কর্নেল ম্যাক গ্রেগর আজ বলেছেন

- Trump is going through the most dangerous time of his life. ( ট্রাম্প তাঁর নিজের জীবনে সব চাইতে ভয়ংকর সময় পার করছে।)

এর পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন- ইজরাইল সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে ট্রাম্পকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে এবং তিনি এ কথাও বলেছেন

- অ্যামেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা থেকে শুরু করে নানান জায়গায় ইসরাইলের লোক বসে আছে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি- কর্নেল ম্যাক-গ্রেগরকে বলা হয় ট্রাম্পের প্রথম আমলে ওর আন-আফিসিয়াল সামরিক উপদেষ্টাদের একজন। তিনি এখন বলছেন- ট্রাম্পের জীবন হুমকির মুখে। তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানো উচিত।

ট্রাম্প কি এখন ইসরাইলকে থামাতে পারবে? অ্যামেরিকান অধ্যাপক মেইর শেইমার বলেছেন

- ট্রাম্প চাইলে এটা সম্ভব এবং বিশ্ব অর্থনীতিকে বাঁচাতে হলে ট্রাম্পকে এটা করতেই হবে।

তিনি বলেছেন- সোজা ইসরাইলকে দেয়া সকল অর্থনৈতিক সুবিধা তুলে নিতে হবে। প্রয়োজন হলে জাতিসংঘে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ভিটো দিতে হবে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর মাঝে একমাত্র অ্যামেরিকার জন্য আজ পর্যন্ত প্যা*লেস্টাইন নামে একটা স্বাধীন দেশ পৃথিবীর বুকে আত্মপ্রকাশ করতে পারে নাই। আর ইজরাইল একটা আস্ত জনপদকে (গা*জাকে) মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়ার লাইসেন্স পেয়েছে সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার কাছ থেকেই।

এখন ট্রাম্প এটা করবে কিনা, সেটা হয়ত পরে দেখা যাবে। তবে ইরান যেভাবে প্রেসার দিচ্ছে। ট্রাম্পকে খুব দ্রুতই ইজরাইলকে থামাতে হবে। এখন ইজরাইল কি নিজেদের দক্ষিণ লেবানন থেকে গুটিয়ে নেবে?

অ্যামেরিকান ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক ল্যারি জনসন গতকাল তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডির সাথে আলোচনা করতে গিয়ে জানিয়েছেন

- অ্যামেরিকার যুদ্ধ জাহাজগুলো হরমুজের আশপাশ থেকে এর মাঝেই অ্যামেরিকার পথে রওয়ানা হয়েছে। অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামও অ্যামেরিকা তুলে নিচ্ছে।

এরপর তিনি বলেছেন- আর কিছু দিন পর ওই অঞ্চলে অ্যামেরিকার তেমন কোন সামরিক সরঞ্জাম থাকবে না। তখন ইসরাইল এমনিতেই একা হয়ে যাবে। ইরান চাইলে সকাল-বিকাল ইজরাইলে হামলা করতে পারবে। অ্যামেরিকা কিছুই বলবে না।

একটু আগে দেখলাম সিএনএন ব্রেকিং নিউজ দিয়ে বলেছেন

- Iran can attack Israel at any time. (ইরান যে কোন সময়ে ইসরাইলে হামলা করতে পারে।)

মানে লেবাননে ইসরাইলের হামলার বদলা নিতে ইরান যে কোন মুহূর্তে হামলা করতে পারে এবং অ্যামেরিকা ইজরাইলকে কোন রকম সাহায্য করবে না। আমি ধারণা করছি- ইরান এই কাজটা করবে না। এই যে এখন ইজরাইলকে হুমকি দেয়া যাচ্ছে। এটাই ইরানের জন্য অনেক বড় বিজয়।

যা হোক, এই লেখা লিখতে লিখতে আল জাজিরা ব্রেকিং নিউজ করেছে

- Iran closes Hormuz; Pakistan says technical Iran-US talks to start Sunday (ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করেছে; পাকিস্তান বলেছে ইরান-অ্যামেরিকার মধ্যে কারিগরি আলোচনা রবিবার শুরু হবে।)

অর্থাৎ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়ে অ্যামেরিকার উপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করা অবস্থায় আলোচনা শুরু হবে আগামীকাল থেকে। ইরান জানে - এই প্রণালী যদি আর দুই-তিন সপ্তাহ বন্ধ থাকে। অ্যামেরিকার অর্থনীতি এমন অবস্থায় পৌঁছাবে যে, ট্রাম্পের পক্ষে ওটা সামাল দেয়া সম্ভব হবে না। খোদ ট্রাম্প নিজেই এই কথা ফাঁস করে দিয়েছে!

তাই নিশ্চিত ভাবেই জেনে রাখুন- ট্রাম্প ইসরাইলকেই সামাল দেবে এবং থামাবে। এই যুদ্ধে সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকায় পরাজয় তো হয়েছে। এটা তো এখন পুরো পৃথিবীই বলছে। তবে সব চাইতে বড় পরাজয় হয়েছে- ইসরাইলের। মধ্যপ্রাচ্যে ওদের এখন আর কোন প্রভাব থাকবে না। ইরানই ওই অঞ্চলে একক শক্তিশালী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে।

কপি পোস্ট

ট্রাম্প এসেছে ইউরোপে। মূলত G-7 (গ্রুপ অব সেভেন); মানে উন্নত অর্থনীতির সাতটা দেশের বৈঠকে যোগ দিতে। এই বছর ইউরোপে অনুষ্ঠিত...
17/06/2026

ট্রাম্প এসেছে ইউরোপে। মূলত G-7 (গ্রুপ অব সেভেন); মানে উন্নত অর্থনীতির সাতটা দেশের বৈঠকে যোগ দিতে। এই বছর ইউরোপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজকে ট্রাম্প যখন সংবাদ সম্মেলন করেছে; তখন সে ছিল ফ্রান্সে। সাথে ছিল কাতারের প্রতিনিধি। তো, ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করা হয়ছে

- এই যে তুমি ইরানের সাথে একটা চুক্তি করতে যাচ্ছো। ইসরাইল ও নেতানিয়াহু কি এটা মেনে নেবে?

আমি সংবাদ সম্মেলনটা সরাসরি দেখছিলাম। প্রশ্ন করার সঙ্গে সঙ্গে ওর চোখ-মুখের যা ভঙ্গী দেখলাম! বডি-ল্যাংগুয়েজ ( শরীরী ভাষা) নিয়ে যারা পড়াশুনা করেন। তাঁরা আরও ভালো বলতেন পারবেন। আমার তো দেখে মনে হলো- সে হাজার মাইল দূর থেকে নেতানিয়াহুকে পারলে গাল দিতে চাইছে! যা হোক, উত্তরে সে বলেছে

- Without US there won't be no I*srael ( অ্যামেরিকা ছাড়া ইসরাইল টিকে থাকতে পারতো না।)

এরপর সে আরেক স্টেপ এগিয়ে বলেছে

- Without me there won't be no I*srael ( আমাকে ছাড়া ইসরাইল টিকে থাকতে পারতো না)

এর ব্যাখ্যা দিতে দিতে গিয়ে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছে- আমি না থাকলে ইরান এতদিনে ইসরাইলকে ধ্বংস করে দিত- যদি না আমি ইরানের সাথে চুক্তি করতাম।

সাংবাদিকরা সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন করেছে

- তাহলে তুমি কি ইরানকে ৩০০ বিলিয়ন ডলার দিতে রাজি হয়েছো?

ট্রাম্প অবশ্য বলেছে

- না, আমি ইরানকে কোন টাকা দিচ্ছি না।

এরপর পুরো সাক্ষাৎকারে এই কথা সে কয়েকবার বলেছে - আমি ইরানকে কোন টাকা দিচ্ছি না। অথচ তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডী আজকেই CGTN চ্যানেলকে জানিয়েছেন

- যেদিন ইসরাইল দক্ষিণ বৈরুতে আবার হামলা চালিয়েছিল । ইরান এর বদলা নেয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল এবং হামলা করতে যাচ্ছিল। কাতারের অনুরোধে ইরান, ট্রাম্পের সাথে কথা বলতে রাজি হয়েছে। তখন ইরান ট্রাম্পকে বলেছে

- আমাদের সব দাবি মেনে নিতে হবে। নইলে আমরা হামলা করবো।

আর ট্রাম্প তখনই দাবি মেনে নিয়েছে। এখন এ নিয়ে অ্যামেরিকান সংবাদ মাধ্যমগুলো রীতিমত ট্রাম্পের সমালোচনা করছে। মানে- কেন ইরানকে এত টাকা দেয়া হচ্ছে। ইদানিং ট্রাম্পের চেহারা দেখেছেন? আমি যেহেতু নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করি; বলতেই হচ্ছে- ওর চেহারার দিকে তাকানো যাচ্ছে না। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সকে ফক্স নিউজ জিজ্ঞেস করেছে

- তোমরা কি তাহলে ইরানকে ৩০০ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছো?

ভান্স কী উত্তর দিয়েছে জানেন? সে বলেছে

- আরে নাহ! আমরা তো ওই দিনের আগেই, মানে রোববার দিনই চুক্তি ডিজিটালি সাইন করে ফেলেছি। এখন শুক্রবার দিন শুধু আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

মানে সে বুঝাতে চাইছে- চুক্তি তো আগেই হয়ে গেছে । তাহলে ইসরাইলের ওই ঘটনার জন্য কোন দুঃখে আমরা ইরানকে টাকা দিতে যাব। অধ্যাপক মারান্ডি বলেছেন

- ট্রাম্প আর ভান্সের কথা এই পৃথিবীর কেউ কি বিশ্বাস করে?

এরপর তিনি বলেছেন

- ইরান হরমুজ থেকেও টাকা নিবে। তবে সেটা টোল নামে না। নামটা শুধু পরিবর্তন করে ইনস্যুরেন্স বাবদ কিংবা পরিবেশগত কারনে অথবা জাহাজের নিরাপত্তা বাবদ নেয়া হবে।

অর্থাৎ হরমুজ থেকেও ঠিকিই টাকা আদায় করবে ইরান। এরপর অধ্যাপক মারান্ডিকে জিজ্ঞস করা হয়েছে

- ইসরাইল কি এটা মেনে নেবে?

তিনি রীতিমত হাসতে হাসতে বলেছেন

- Israel has to accept that Iran is the superpower in this region, not Israel. ( ইসরায়েলকে মেনে নিতে হবে যে এই অঞ্চলের সুপারপাওয়ার ইরান, ইসরায়েল নয়।)

আর এটা বুঝার জন্য কি বেশি দূর যাবার প্রয়োজন আছে? আজকে ট্রাম্প নিজ মুখেই তো বলেছে - আমি না থাকলে ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকতো না!

এই যুদ্ধে কাদের পরাজয় হয়েছে, সেটা বুঝার জন্য ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমগুলোর দিকে আপনাকে এখন নজর রাখতে হবে। আমি ওদের সংবাদ মাধ্যমগুলো পড়ছি আর নিজেই মনে মনে হাসছি। টেলিগ্রাফ পত্রিকা আজকে শিরোনাম করেছে

- Thirteen thousand air strikes for what? ( তের হাজার বিমান হামলা কেন করা হলো তাহলে?)

এই রিপোর্টে ক্রমাগত প্রশ্ন করা হয়েছে- অ্যামেরিকা এই যুদ্ধে কী পেল আর কী হারালো। কী হারিয়েছে জানেন?

এটা বুঝার জন্য আজকের আরেক ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির একটা রিপোর্ট দেখলেই হবে। ওদের শিরোনাম হচ্ছে

- Iran deal ends Trump's war that revealed limit of US dominance. ( চুক্তির মাধ্যমে ট্রাম্পের যুদ্ধ শেষ হচ্ছে এবং দেখিয়ে দিচ্ছে অ্যামেরিকার আধিপত্যের সীমা কতটা সীমিত।)

হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। অ্যামেরিকার মিত্র এবং আরেক আদি এবং আকৃত্রিম সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র ইংল্যান্ডের জগত বিখ্যাত সংবাদ মাধ্যম বিবিসি বলছে- অ্যামেরিকার সাম্রাজ্যের পতন হতে চলছে।

ইরান দখল করতে এসে ইসরাইল এখন অ্যামেরিকার সাধারণ মানুষের কাছে এক আপদের নাম। ইসরাইলের সব চাইতে কাছের বন্ধু এলিট-বুর্জোয়া ট্রাম্প আজকে পরিষ্কার করে বলেছে

- লেবাননে নেতানিয়াহু যা করছে; আমি এটা পছন্দ করছি না। He should stop it.

কেন বলছে? এমনি এমনি?

মোটেই না। ইরানের ভয়েই বলছে। কারন অ্যামেরিকা এখন খুব ভালো করেই জানে- ইরান কতটা শক্তিশালী এবং ওদের সক্ষমতা কতটুকু।

আমার কি ধারণা জানেন? নেতানিয়াহু যদি না থামে; ইরানই নেতানিয়াহুকে থামিয়ে দেবে। আর ট্রাম্প এটা খুব ভালো করেই জানে। ইরানে হামলা করার কথা আর জীবনেও কোন দিন ইসরাইল কিংবা অ্যামেরিকা ভাবতে পারবে না। কেন পারবে না?

ব্রিটিশ ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক আলেক্সেন্ডার আজ বলেছেন

- নেতানিয়াহু এই অক্টোবরের নির্বাচনে নিজের ক্ষমতা হারাবে আর ট্রাম্প অ্যামেরিকার সকল জরিপে এখন নিজে দেশেই অত্যন্ত অজনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

পৃথিবীর দেশগুলো মনে রাখবে- ইরানে এসে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতা হারাতে হয়েছিল এবং অ্যামেরিকার সাম্রাজ্যের পতনও এখান থেকেই শুরু হয়েছিল। ইরানকে আর কেউ কোন দিন ঘাঁটতে আসবে না।

যুদ্ধ শুরুর সময় সবাই ভেবেছিল- ইরানকে অ্যামেরিকা শেষ করে দেবে। আর এখন?

ইরান বিলিয়ন-বিলিয়ন ডলার পেতে যাচ্ছে। ইউরোপ, অ্যামেরিকা সহ পৃথিবীর সকল দেশ ইরানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালিকে নতুন করে আবিষ্কার করেছে। যা দিয়ে ওরা এখন অর্থ উপার্জন করবে। আর ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পও নিজেদের কাছেই থাকবে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি- ইরান প্রাকৃতিক সম্পদের দিক থেকে পৃথিবীর ৫ম ধনী দেশ। এই জন্যই ইরানের দিকে সাম্রাজ্যবাদীদের নজর সব সময় ছিল। এখন থেকে ইরান সবার সাথে বাণিজ্য করতে পারবে নির্দ্বিধায়। নিষেধাজ্ঞা যেহেতু তুলে নেয়া হয়েছে। ওরা শুধু সামরিক নয়, অর্থনৈতিক ভাবেও একটা ধনী দেশে পরিণত হবে খুব দ্রুতই।

অ্যামেরিকান শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পেপ-এর ভাষায় বলতেই হচ্ছে

- Iran will become a superpower in the world 18 months from now ( আগামী ১৮ মাসের মাঝেই ইরান পৃথিবীতে সুপার পাওয়ার হিসেবে আবির্ভূত হবে)

একটা যুদ্ধ। অথচ কত শত ইতিহাস রচিত হচ্ছে একদম Real Time ( সরাসরি সময়ে); যা আমি আমার লেখায় গত সাড়ে তিন মাসে তুলে ধরেছি এবং আপনারা যারা আমার লেখা নিয়মিত পড়েছেন। আপনারাও সেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে গেছেন।

ট্রাম্প গতকাল রাতে বলেছিলো - The deal is going to be finalized tomorrow. ( আগামীকাল রবিবার চুক্তি হতে যাচ্ছে) ট্রাম্প আর...
14/06/2026

ট্রাম্প গতকাল রাতে বলেছিলো

- The deal is going to be finalized tomorrow. ( আগামীকাল রবিবার চুক্তি হতে যাচ্ছে)

ট্রাম্প আর পেজেসকিয়ান হ্যান্ডসেক করছে; এই দৃশ্য কি আর নেতানিয়াহুর সহ্য হবে নাকি? তো, সে কী করেছে আজ? সোজা লেবাননের রাজধানী দক্ষিণ বৈরুতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আরাগচি গত সপ্তাহেই বলে রেখেছিল

- South Beirut is a non-negotiable red line for us. ( দক্ষিণ বৈরুত আমাদের জন্য রেড লাইন)

মানে দক্ষিণ বৈরুতের দাহিয়া অঞ্চলে যদি হামলা করা হয়, তাহলে ইরান সঙ্গে সঙ্গে ইজরাইলে হামলা করবে। নেতানিয়াহু ঠিক সেই কাজটাই করেছে । যাতে করে কোন চুক্তি না হয়। এই মাত্র ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেছে

- I will ask Iran not to attack Israel in response to the deadly attacks on Lebanon. ( লেবাননে সংঘটিত প্রাণঘাতী হামলার জবাবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো হামলা না চালাতে আমি ইরানকে আহ্বান জানাব।)

মানে ট্রাম্প বুঝতে পেরেছে- ইরান হয়ত ইজরাইলে হামলা চালাবে এবং ওই হামলা ইজরাইলের পক্ষে ঠেকানোও সম্ভব না। এখন অ্যামেরিকার সকল সংবাদ মাধ্যমে ট্রাম্পের এই কথা ব্রেকিং নিউজ হিসেবে চলে এসছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে

- ইরান কি এটা মেনে নেবে?

স্কাই নিউজের সামরিক বিশেষজ্ঞ এই মাত্র বলেছেন

-Why would Iran listen to Trump when even Israel and Netanyahu, who are considered Trump’s allies, are not listening to him? ( ইরান কেন ট্রাম্পের কথা শুনবে? যেখানে ইসরাইল এবং নেতানিয়াহু ট্রাম্পের বন্ধু হয়েও ওর কথা শুনছে না?)

আমি নিজেও ঠিক বুঝতে পারছি না ইরান কোন দুঃখে ট্রাম্পের কথা শুনতে যাবে। যা হোক, ট্রাম্প নিজের সামাজিক মাধ্যমে এসে লিখেছে

- The attack should not have happened at a time when a peace deal with Iran is reportedly within reach. ( ইরানের সঙ্গে একটি শান্তিচুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হওয়ার পথে আছে।এমন সময় এই হামলা হওয়া উচিত ছিল না।)

তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি তাঁর এই পোস্ট পড়ে প্রশ্ন করেছেন

- তাহলে কি চুক্তি হয়ে যাবার পর হামলা করবে?

আর অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ম্যাকগ্রেগর বলেছেন

- এই চুক্তি হলেও কোন লাভ হবে না। ইসরাইলকে যদি থামানো না যায়।

এই অবস্থায় চুক্তি হওয়া কি আদৌ সম্ভব? ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি এই মাত্র জানিয়েছে

- Iran has not yet made a final decision on the proposed US framework ( প্রস্তাবিত চুক্তি সম্পর্কে ইরান এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি।)

মানে ইরান বেঁকে বসেছে। এই অবস্থায় ইরান কি আজ রাতে বদলা নেবে? তাঁরা কি ইজরাইলে হামলা করবে? নাকি ট্রাম্পের অনুরোধ শুনে এইবারের মত ইসরাইলে হামলা করা থেকে বিরত থাকবে? আমার তো মনে হচ্ছে ইরান হামলা করবে। সাধারণত ওরা যা বলে, সেটাই করে।

যা হোক, মধ্যপ্রাচ্য কি বড় কোনো সমঝোতার দিকে যাচ্ছে, নাকি নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের দিকে এগোচ্ছে? এই জন্য বোধকরি আমাদের আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। তবে একটা কথা বলতেই হচ্ছে। সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট এখন প্রকাশ্যে বলছেন

- আমি ইরানকে রিকোয়েস্ট করবো যাতে ইজরাইলে হামলা না করে।

এই একটা বাক্যই বুঝে নেবার জন্য যথেষ্ট - ইরান এই যুদ্ধে শুধু জয়ীই হয় নাই। নিজেদেরকে এমন অবস্থানে নিয়ে গেছে যে, ওদের শত্রু অ্যামেরিকান প্রেসিডেন্ট এখন ইরানকে রিকোয়েস্ট করতে বাধ্য হচ্ছে। বল এখন পুরোপুরি ইরানের কোর্টে। সিদ্ধান্ত ইরানই নিচ্ছে। ইরান বুঝিয়ে দিচ্ছে

- অ্যামেরিকা যদি ইজরাইলকে না থামায়। তাহলে ইরানই ইজরাইলকে থামিয়ে দেবে।

গতকাল স্কাই নিউজের সামরিক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মাইকেল ক্লার্ক যা বলেছেন; সেটা আবারও মনে করিয়ে দেই আপনাদের। তিনি বলেছেন

- America lost the war on the 8th of April ( অ্যামেরিকা এপ্রিলের ৮ তারিখেই এই যুদ্ধে হেরে গেছে)

মানে ৩৯ দিনের যুদ্ধে ইসরাইল ১৮ হাজার বোম মেরেছে ইরানে। অ্যামেরিকা মেরেছে ১৩ হাজারের মত। মানে প্রায় ৪০ হাজার বার বোম মেরেও ওরা ইরানকে থামাতে পারে নাই। বাধ্য হয়ে ৮ এপ্রিল যখন যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাব দিয়েছিল; সেই দিনই অ্যামেরিকা এবং ইজরাইল এই যুদ্ধে হেরে গিয়েছিল।

২০১৫ সালে ওবামা ইরানকে বোম মেরে উড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছিল। ইরান তখন ভেবেছিল- অ্যামেরিকার মত শক্তিশালী দেশের সাথে ওরা পেরে উঠবে না। তাই অষ্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে অ্যামেরিকার সাথে চুক্তি করেছিল। আমি সেদিন ভিয়েনাতে ছিলাম। কিন্তু এই ১১ বছরে সময় বদলে গেছে। ইরান প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে গেছে। ৪০ হাজার বোম হজম করেও ইরান দেখতে পাচ্ছে

- We are still surviving and living with our heads held high. (আমরা এখনও টিকে আছি এবং মাথা উঁচু করেই বেঁচে আছি।)

ইরানে হামলা করে অ্যামেরিকা তাঁদের সব চাইতে বড় ভুলটা এর মাঝেই করে ফেলেছে। ইরান এখন জানে- বোম মেরে ওদেরকে দমানো যাবে না। আপনি যখন একবার এটা বুঝে যাবেন। তখন পৃথিবীর কোন শক্তি আর আপনাকে আটকাতে পারবে না।

আজকে আমি ডেনমার্কে একটা কনফারেন্সে এসছিলাম। প্রায় সকল বিশেষজ্ঞ একই কথা বলছে। এরা কোন সাধারণ মানুষ নন। প্রায় সকলেই ইউরোপের নামকরা ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক। তাঁদের মূল বক্তব্য হচ্ছে

- Iran has won this war. ( ইরান এই যুদ্ধে জিতে গেছে)

এবং প্রায় সবাই একই সূরে বলছে

- অ্যামেরিকান সাম্রাজ্যের পতন এখন কেবলই সময়ের ব্যাপার।

কপি পোস্ট

Address

Mollahat
Bagerhat
9380

Telephone

+97477540805

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Murshid Sheikh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Murshid Sheikh:

Shortcuts

Share