Digital Diary by Farjana

Digital Diary by Farjana Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Digital Diary by Farjana, Digital creator, Bagerhat.

জমি কি মূলে রেকর্ড হয়েছে জানতে চান? খসড়া বা ড্রাফট খতিয়ান সংগ্রহ করলেই পাবেন আসল সত্য!আমাদের দেশে অনেকেই শুধু খতিয়ান হাত...
29/05/2026

জমি কি মূলে রেকর্ড হয়েছে জানতে চান? খসড়া বা ড্রাফট খতিয়ান সংগ্রহ করলেই পাবেন আসল সত্য!
আমাদের দেশে অনেকেই শুধু খতিয়ান হাতে পেলেই মনে করেন—
“এই তো জমির মালিকানা প্রমাণ হয়ে গেলো!”
কিন্তু আসল সত্য হলো, খতিয়ান মানেই মালিকানা নয়।

#খতিয়ান হলো শুধু রেকর্ড, আর এই রেকর্ড কি মূলে হয়েছে তা বোঝার জন্য প্রয়োজন খসড়া খতিয়ান।
খসড়া বা ড্রাফট খতিয়ান কি!
খসড়া খতিয়ান হলো রেকর্ড প্রস্তুতের সময়কার একটি প্রাথমিক নথি। এটাকে জমির “প্রথম খসড়া ইতিহাস” বলা যায়।
এখানে লেখা থাকে—
১/ জমির রেকর্ড দলিল মূলে হলো, নাকি উত্তরাধিকার সূত্রে হলো।
২/ যদি দলিল মূলে হয়ে থাকে, তাহলে কোন দলিল নম্বর ও সাল অনুযায়ী রেকর্ড হলো।
৩/ জমির পূর্বতন মালিক কে ছিলেন।
৪/ কার নামে কত শতক রেকর্ড হয়েছে।
মানে এক কথায়, খসড়া খতিয়ান ছাড়া কখনোই আপনি জমির আসল ইতিহাস জানতে পারবেন না।

উদাহরণ:
ধরুন, আপনার দাদার নামে সি.এস রেকর্ড আছে। কিন্তু আপনার দাদা জীবনে কখনো জমি কেনেননি।
তাহলে কি মূলে রেকর্ড হলো?
উত্তর আছে কেবল ড্রাফট খতিয়ানে।
এখান থেকে বুঝবেন, রেকর্ডটা কোনো পুরনো দলিলের ভিত্তিতে হলো, নাকি দাদার পৈতৃক সম্পত্তির ভিত্তিতে হলো।
সমস্যা হলো, অনেকেই খসড়া খতিয়ান সংগ্রহ করেন না। শুধু আপডেটেড খতিয়ান হাতে পেয়ে জমির মালিকানা নিশ্চিত হয়ে যান। কিন্তু পরে হঠাৎ দেখা যায়, আরেকজন এসে দাবি করছে—
“এই জমি আমার দাদার দলিল মূলে রেকর্ড, আপনার নামে ভুলে গেছে!”
তখন শুরু হয় লম্বা মামলা আর ঝামেলা।
তাই সচেতন হোন—
আপনার জমির রেকর্ড দলিল মূলে হয়েছে নাকি উত্তরাধিকার মূলে, তা জানুন।
আজই সংগ্রহ করুন ড্রাফট খতিয়ান।
কোথায় পাবেন?
জেলা বা উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে।
মনে রাখবেন—

#খসড়া বা ড্রাফট খতিয়ান হলো জমির জন্মসনদ। এটি ছাড়া জমির প্রকৃত ইতিহাস জানা অসম্ভব।
বিঃ দ্রঃ - নিজে জানুন এবং অন্য কে জানতে সাহায্য করুন।

🏛️ কোর্টে গিয়ে দখল উচ্ছেদ মামলা কীভাবে করবেন? (Step-by-step গাইড)যদি আপনার নিজের জমি/বাড়ি/দোকান/জায়গা অন্য কেউ জোর কর...
29/05/2026

🏛️ কোর্টে গিয়ে দখল উচ্ছেদ মামলা কীভাবে করবেন? (Step-by-step গাইড)

যদি আপনার নিজের জমি/বাড়ি/দোকান/জায়গা অন্য কেউ জোর করে দখল করে রাখে এবং আপনি নিজেই তার মালিক হন, তাহলে কোর্টে গিয়ে আপনি “দখল উচ্ছেদ মামলা” করতে পারবেন।

এটা করতে হলে যা করতে হবে, চলুন ধাপে ধাপে জেনে নিই:

---

🧾 ধাপ ১: কাগজপত্র তৈরি ও সংগ্রহ:
প্রথমেই আপনাকে কিছু জমির মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে—

✅ খতিয়ান (সর্বশেষ বিআরএস খতিয়ান সবচেয়ে ভালো)
✅ জমির নামজারি কপি (যদি থাকে)
✅ দলিল বা উইল বা রেজিস্ট্রির কপি
✅ মৌজা ম্যাপ ও দাগ নম্বর
✅ আপনার দখলের প্রমাণ (যেমন ট্যাক্স রশিদ, বিল, ছবি, প্রতিবেশীর সাক্ষ্য)
✅ দখলদার অবৈধভাবে কীভাবে জমি দখল করেছে তার বর্ণনা (তারিখসহ)

---

👨‍⚖️ ধাপ ২: একজন আইনজীবী (অ্যাডভোকেট) নির্বাচন:
জেলা বা থানা আদালতের একজন সিভিল (দায়ী) বিষয়ে অভিজ্ঞ আইনজীবী খুঁজে নিন।

আপনার কাগজপত্র ও সমস্যার বিবরণ তাকে দিন।
তিনি কাগজপত্র দেখে সিদ্ধান্ত দেবেন যে মামলা করা সম্ভব কিনা এবং কিভাবে করা উচিত।

> 🔸 কাউকে বিশ্বাস করার আগে তার বার কাউন্সিল আইডি দেখে নিতে পারেন।

---

📜 ধাপ ৩: মামলা ফাইল করার প্রস্তুতি:
আপনার আইনজীবী একটি মামলা রচনার খসড়া (Plaint) লিখবেন।

এতে থাকবে—
জমির বিবরণ
মালিকানা প্রমাণ
কে দখল করেছে, কিভাবে করেছে
আপনি কি চাচ্ছেন (যেমন: উচ্ছেদ, শান্তিপূর্ণ দখল ইত্যাদি)

---

🏛️ ধাপ ৪: কোর্টে মামলা দাখিল:

আইনজীবী কোর্টে গিয়ে মামলা দাখিল করবেন।
মামলা দাখিলের সময় কোর্ট ফি দিতে হয় (টাকা জমা দিয়ে রশিদ নিতে হয়)।
এরপর কোর্ট মামলার একটি নম্বর (Case Number) দেয়।

---

📅 ধাপ ৫: শুনানির তারিখ (Hearing Date):
কোর্ট একটি দিন ঠিক করে দেয় — যেটিকে বলে “তারিখ” বা Hearing Date।

সে দিন আদালতে আপনার অ্যাডভোকেট গিয়ে কেসের পক্ষে শুনানি করবেন।

---

📩 ধাপ ৬: বিবাদীপক্ষকে নোটিশ:
কোর্টের নির্দেশে, আপনার অ্যাডভোকেট বিবাদীপক্ষকে (যে জমি দখল করেছে) কোর্ট নোটিশ পাঠাবেন।

এতে তাকে কোর্টে হাজির হতে বলা হয়।

---

⚖️ ধাপ ৭: বিচার প্রক্রিয়া শুরু:
দুই পক্ষের কাগজপত্র ও সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন হবে।
কোর্ট তদন্ত করে বিচার করবে কে আসল মালিক এবং দখল বৈধ কি না।

কোর্ট যদি দেখে আপনি মালিক ও অবৈধ দখল হয়েছে, তাহলে দখলদারকে উচ্ছেদের আদেশ দেবে।

---

🔚 ধাপ ৮: রায় ও উচ্ছেদ কার্যক্রম:

কোর্ট রায় দিলে, আপনি সেই রায় নিয়ে জেলা প্রশাসন বা পুলিশ প্রশাসনের সাহায্যে জমি উদ্ধার করতে পারবেন।
আপনার আইনজীবী কোর্ট থেকে ডিক্রির কপি নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

---

🔖 অতিরিক্ত টিপস:

✔️ মামলা করতে আপনাকে নিজে ফরম পূরণ করতে হয় না — সব কাজ অ্যাডভোকেট করে দেন।
✔️ আপনি চাইলে লিগ্যাল এইড অফিস থেকে বিনামূল্যে আইনজীবী পেতে পারেন (যদি গরিব হন)।
✔️ মামলা ফাইল করতে চাইলে কোর্টের "ফাইলিং সেকশন"-এ যেতে হয় — আপনার অ্যাডভোকেটই যাবেন।
✔️ সব সময় কাগজপত্রের ফটোকপি ও ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি সঙ্গে রাখুন।

---

🧑‍🏫 সংক্ষেপে মনে রাখুন:

🔹 জমির কাগজ →
🔹 আইনজীবী নির্বাচন →
🔹 মামলার খসড়া →
🔹 কোর্টে দাখিল →
🔹 শুনানি ও রায় →
🔹 উচ্ছেদ আদেশ →
🔹 জমি ফেরত

--- Jahangir Hossain LLB
#দলিলসংশোধন #জমিরআইন #ভূমিসংক্রান্ত

এসি ল্যান্ড (সহকারী কমিশনার, ভূমি) অফিসে কেউ যদি দুর্নীতির সম্মুখীন হন, তাহলে করণীয় কী—বিস্তারিতভাবেভূমি অফিসে অনেক সময় ...
29/05/2026

এসি ল্যান্ড (সহকারী কমিশনার, ভূমি) অফিসে কেউ যদি দুর্নীতির সম্মুখীন হন, তাহলে করণীয় কী—বিস্তারিতভাবে
ভূমি অফিসে অনেক সময় কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী বা দালাল ঘুষ দাবি, অযথা হয়রানি, ফাইল আটকে রাখা, ভুল তথ্য দেওয়া বা কাজ বিলম্বিত করার মতো দুর্নীতির আশ্রয় নিতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে আইনগতভাবে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

১) প্রথমে দুর্নীতির ধরন বুঝুন
দুর্নীতি বিভিন্নভাবে হতে পারে, যেমন—
কাজের জন্য অতিরিক্ত টাকা বা ঘুষ দাবি করা
ফাইল ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখা
অযথা বারবার কাগজপত্র চাওয়া
দালালের মাধ্যমে কাজ করাতে বাধ্য করা
সরকারি ফি’র বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া
অন্যায়ভাবে নামজারি/খারিজ বাতিল বা ঝুলিয়ে রাখা
নথি গোপন করা বা ভুল তথ্য দেওয়া

২) কোনো অবস্থাতেই ঘুষ দেবেন না
অনেকেই দ্রুত কাজের আশায় ঘুষ দেন। এতে দুর্নীতি আরও বাড়ে।
মনে রাখবেন:
সরকারি সেবার নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত টাকা চাওয়া বেআইনি।
সব টাকা সরকারি চালান/অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে দিন এবং রসিদ সংগ্রহ করুন।

৩) প্রমাণ সংগ্রহ করুন
অভিযোগ করার আগে যতটা সম্ভব তথ্য-প্রমাণ রাখুন।
যেমন—
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারীর নাম ও পদবি
ঘটনার তারিখ ও সময়
কী ধরনের অনিয়ম হয়েছে
ঘুষ দাবি করলে তার পরিমাণ
আবেদন নম্বর/কেস নম্বর
এসএমএস/রসিদ/চালানের কপি
সাক্ষী থাকলে তার তথ্য
প্রমাণ যত শক্তিশালী হবে, ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।

৪) সরাসরি এসি ল্যান্ডকে লিখিত অভিযোগ দিন
যদি কর্মচারী বা দালাল হয়রানি করে, তাহলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করুন।
অভিযোগপত্রে লিখুন—
আপনার নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর
সমস্যার বিবরণ
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম
কী ধরনের দুর্নীতি হয়েছে
আপনার প্রত্যাশিত প্রতিকার
অভিযোগ জমা দিয়ে রিসিভ কপি রাখুন।

৫) ইউএনও বা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করুন
এসি ল্যান্ড ব্যবস্থা না নিলে অভিযোগ করুন—
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (UNO)
জেলা প্রশাসক (DC)
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)
লিখিত অভিযোগে আগের অভিযোগের কপি সংযুক্ত করুন।

৬) দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ করুন
গুরুতর দুর্নীতির ক্ষেত্রে দুদক-এ অভিযোগ করতে পারেন।
অভিযোগে দিন—
ঘটনার বিস্তারিত
সংশ্লিষ্ট অফিসের নাম
প্রমাণাদি
আপনার যোগাযোগের তথ্য
দুদক তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে।

৭) জাতীয় অভিযোগ সেবা (৩৩৩ / অনলাইন অভিযোগ) ব্যবহার করুন
সরকারি সেবা নিয়ে হয়রানি হলে অভিযোগ করতে পারেন—
৩৩৩ নম্বরে কল
সরকারি অভিযোগ পোর্টাল (অনলাইনে)
এতে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে যায়।

৮) তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চান
ফাইল ইচ্ছাকৃত আটকে রাখলে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী জানতে চান—
আপনার আবেদন কোন অবস্থায় আছে
বিলম্বের কারণ কী
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে
এতে কর্মকর্তারা চাপ অনুভব করেন এবং দ্রুত কাজ করেন।

৯) আদালতের আশ্রয় নিন (প্রয়োজনে)
যদি দুর্নীতির কারণে আপনার জমির ক্ষতি হয়—
রিট মামলা
দেওয়ানি মামলা
প্রতারণা/জালিয়াতি হলে ফৌজদারি মামলা
ভূমি আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

১০) দালাল এড়িয়ে সরাসরি সরকারি পদ্ধতিতে কাজ করুন
দালালরা অনেক সময় “ভিতরে লোক আছে” বলে টাকা নেয়।
বাস্তবতা:
অনেক কাজ এখন অনলাইন বা নির্ধারিত সরকারি নিয়মে করা যায়।
নিজে আবেদন করুন বা বিশ্বস্ত আইনজীবীর সহায়তা নিন।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
✔ সবসময় রসিদ রাখুন
✔ আবেদন নম্বর সংরক্ষণ করুন
✔ ফোনালাপ/বার্তার তথ্য লিখে রাখুন
✔ লিখিত অভিযোগ করুন
✔ ভয় পাবেন না—দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা নাগরিক অধিকার

মনে রাখবেন:
এসি ল্যান্ড অফিস জনগণের সেবার জন্য। কেউ ঘুষ চাইলে বা হয়রানি করলে চুপ না থেকে প্রমাণসহ অভিযোগ করুন। আইন আপনার পাশে আছে।

জমি কেনার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনি বিষয় ভালোভাবে জেনে নেওয়া খুবই জরুরি। না হলে পরে মামলা, প্রতারণা, দখল সমস্যা বা মা...
29/05/2026

জমি কেনার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনি বিষয় ভালোভাবে জেনে নেওয়া খুবই জরুরি। না হলে পরে মামলা, প্রতারণা, দখল সমস্যা বা মালিকানা নিয়ে বড় ঝামেলায় পড়তে হতে পারে। তাই জমি কেনার আগে প্রথমেই দেখতে হবে জমির প্রকৃত মালিক কে। বিক্রেতার নাম খতিয়ান, পর্চা, দলিল ও সরকারি রেকর্ডে একই আছে কি না তা মিলিয়ে নিতে হবে। শুধু মুখের কথায় বা ফটোকপি দেখে কখনো জমি কেনা উচিত নয়।

জমির দলিল বৈধ কি না সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। আগের দলিল, রেজিস্ট্রি দলিল, দানপত্র, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া কাগজ—সব যাচাই করতে হবে। অন্তত গত ৩০ বছরের মালিকানার ইতিহাস দেখা নিরাপদ। এতে বোঝা যায় জমির উপর অন্য কারও দাবি আছে কি না।

এরপর জমির খতিয়ান, দাগ নম্বর, মৌজা, এলআর ও আরএস রেকর্ড মিলিয়ে দেখতে হবে। সরকারি রেকর্ডে জমি কার নামে আছে এবং জমির শ্রেণি কি—বাস্তু, কৃষি না অন্য কিছু—তা জানা জরুরি। কৃষি জমিতে অনেক সময় সরাসরি বাড়ি করা যায় না।

জমির উপর কোনো মামলা, নিষেধাজ্ঞা, ব্যাংক লোন বা আদালতের ইনজাংশন আছে কি না সেটাও খোঁজ নিতে হবে। আদালতে মামলা চললে সেই জমি কেনা বিপজ্জনক হতে পারে। প্রয়োজনে স্থানীয় কোর্ট বা আইনজীবীর মাধ্যমে সার্চ করানো উচিত।

জমির মাপ ও দখল বাস্তবে মিলছে কি না তা আমিন বা সার্ভেয়ার দিয়ে মাপিয়ে নেওয়া ভালো। কাগজে এক রকম আর বাস্তবে কম বা অন্য জায়গা হওয়ার ঘটনা অনেক হয়। জমিতে অন্য কেউ দখলে আছে কি না তাও দেখতে হবে।

মিউটেশন ও জমির খাজনা আপডেট আছে কি না তা যাচাই করতে হবে। খাজনা বকেয়া থাকলে পরে সমস্যা হতে পারে। পৌরসভা বা পঞ্চায়েতের ট্যাক্স বাকি আছে কি না সেটাও দেখা দরকার।

যদি জমি যৌথ মালিকানার হয়, তাহলে সব মালিকের সম্মতি ও স্বাক্ষর ছাড়া কেনা ঠিক নয়। একজন বিক্রি করলেও পরে অন্য শরিক আপত্তি করতে পারে।

সবশেষে, কোনো জমি কেনার আগে অভিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে দলিল ও কাগজ যাচাই করানো সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। সামান্য খরচ বাঁচাতে গিয়ে পরে বড় আইনি সমস্যায় পড়া থেকে এটা রক্ষা করে।

📢 অনেক পুরাতন দলিল? এখনো নামজারি করেন নি?এখনই জেনে নিন আপনার করণীয়, না হলে ভবিষ্যতে বড় সমস্যায় পড়তে পারেন!অনেকেই বছরের প...
29/05/2026

📢 অনেক পুরাতন দলিল? এখনো নামজারি করেন নি?
এখনই জেনে নিন আপনার করণীয়, না হলে ভবিষ্যতে বড় সমস্যায় পড়তে পারেন!

অনেকেই বছরের পর বছর আগে জমি কিনেছেন, কিন্তু এখনো নামজারি (খারিজ) করেননি।
ফলে হঠাৎ করেই দেখা যায়—

❌ রেকর্ডে আগের মালিকের নাম
❌ জমি বিক্রিতে জটিলতা
❌ ওয়ারিশ বা দখল বিরোধ
❌ সরকারি জরিপে সমস্যার ঝুঁকি
❌ অন্য কেউ দাবি করে বসতে পারে মালিকানা!

⚖️ মনে রাখবেন, শুধু দলিল থাকলেই সবসময় নিরাপদ মালিকানা প্রমাণ হয় না।
বর্তমান রেকর্ড (খতিয়ান) ও নামজারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

✅ সমাধান কী?

১️⃣ দলিল, খাজনার রসিদ, পর্চা/খতিয়ান সংগ্রহ করুন
২️⃣ অনলাইনে বা ভূমি অফিসে নামজারির আবেদন করুন
৩️⃣ দখল ও কাগজপত্র যাচাই শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে নামজারি সম্পন্ন হবে
৪️⃣ নামজারি হলে নিজের নামে খতিয়ান পাবেন

📌 যদি পুরাতন মালিক মারা যান, বা একাধিক ওয়ারিশ থাকে, তাহলেও সমাধানের পথ আছে।
সঠিক কাগজপত্র ও ধারাবাহিক মালিকানা দেখাতে পারলে পুরাতন দলিলেও নামজারি সম্ভব।

🚨 দেরি করবেন না!
আজ নামজারি না করলে ভবিষ্যতে জমি নিয়ে মামলা, জালিয়াতি বা দখল সমস্যায় পড়তে পারেন।
শেয়ার করে অন্য কে দেখার সুযোগ করে দিন।

নামজারি : নামজারি বা মিউটেশন অর্থ হলো বর্তমানে থাকা খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে নতুন একটি খতিয়ান তৈরি করা।না...
28/05/2026

নামজারি :
নামজারি বা মিউটেশন অর্থ হলো বর্তমানে থাকা খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে নতুন একটি খতিয়ান তৈরি করা।

নামজারির প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন।

নামজারি করার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস।
1. জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি/মূল কপি
2. এস এ খতিয়ান, আর এস খতিয়ান বা যে খতিয়ান থেকে দলিল হয়েছে সেইটার কপি
3. ওয়ারিশান সনদ (হাল) এর কপি যদি ওয়ারিশ সম্পত্তি হয়
4. ছবি (যদি জন্ম নিবন্ধন দিয়া নামজারী হয়)
5. বায়া দলিল এর কপি যদি প্রয়োজন হয়
6. মোবাইল নাম্বার
7. এনআইডি/জাতীয় পরিচয়পত্র
8. কর/খাজনার রশিদ

✅ ১ম ধাপঃ
সকল ডকুমেন্ট নিয়ে mutation.land.gov.bd প্রবেশ করে নাগরিক/কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করবেন। একটা আইডি নাম্বার পড়বে বা কেস নাম্বার এটা আপনার মোবাইলে সাথে সাথে এসএমএস পাবেন।

✅ ২য় ধাপ:
আবেদন ফাইল কপি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ যাবে তদন্তে আপনার সব কিছু ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রস্তাব পাঠাবে উপজেলা ভূমি অফিসে।

✅৩য় ধাপ: এসিল্যান্ড অফিস আপনাকে একটি শুনানির তারিখ দিবে এসএমএসের মাধ্যমে। কাজ সম্পন্ন হলে তারপর ডিসিআর ফি দিয়ে দুই একদিন পর অনলাইনে কিউআর কোডযুক্ত নামজারি তুলতে পারবেন।

নামজারি প্রক্রিয়া শেষ হতে ১৫ থেকে ৩০ দিন সময় লাগতে পারে। মোট খরচ হবে ১১৭০ টাকা।

নামজারি খতিয়ান আবেদন বিষয়ক তথ্যের জন্য কলসেন্টারের 16122 নম্বরে অথবা ভূমিসেবা সংক্রান্ত সমস্যা জানানোর জন্য hotline . land . gov . bd .. লিংক ব্যবহার করুন।
#জমি #দলিল

Address

Bagerhat

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Digital Diary by Farjana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share