Sajib Tech Zone

Sajib Tech Zone শিক্ষা ও তথ্য-প্রযুক্তি মুলক পেইজ।
সকলকে সাথে থাকার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ 💜

13/09/2026
🔥 রাত জেগে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার দিন শেষ! সবচেয়ে কম খরচে টেস্ট......ঢাকায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় কম খরচে আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক...
13/09/2026

🔥 রাত জেগে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার দিন শেষ! সবচেয়ে কম খরচে টেস্ট......

ঢাকায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় কম খরচে আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা পেতে পারেন

🏥 ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরী মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার (NILMRC)-এ।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আগে থেকে সিরিয়াল নিয়ে নির্ধারিত দিনে পরীক্ষা করানোর সুযোগ রয়েছে।

❤️ আর্থিকভাবে অসচ্ছল রোগীদের জন্য বিশেষ সুবিধা

পরীক্ষার খরচ বহন করা কঠিন হলে পরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন করা যায়। সমাজসেবা বিভাগের মূল্যায়নের ভিত্তিতে কিছু ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অথবা আংশিক ছাড়ে পরীক্ষা করার সুযোগ থাকতে পারে।

📋 কীভাবে পরীক্ষা করাবেন?

১️⃣ আগে ডাক্তার দেখান
যেকোনো সরকারি হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসক দেখিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষার পরামর্শ/প্রেসক্রিপশন নিন।

২️⃣ NILMRC-তে এসে সিরিয়াল নিন
রোগীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও মোবাইল নম্বর জমা দিয়ে পরীক্ষার জন্য সিরিয়াল বুক করতে পারবেন।
👉 সারারাত বা ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার প্রয়োজন নেই।

৩️⃣ নির্ধারিত দিনে পরীক্ষা করান
সিরিয়াল নেওয়ার পর সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে পরীক্ষার নির্ধারিত তারিখ জানিয়ে দেওয়া হয়। সেই তারিখে এসে পরীক্ষা সম্পন্ন করুন।

৪️⃣ অনলাইনে রিপোর্ট দেখুন
রিপোর্ট প্রস্তুত হলে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে গিয়ে ডিজিটালি রিপোর্ট দেখা/ডাউনলোড করার সুবিধা রয়েছে।

🧠 CT Scan ও ইমেজিং

• CT Scan – Brain: ৳২,০০০
• CT Scan – Chest/HRCT: ৳২,৫০০
• CT Scan – Whole Abdomen/Pelvis: ৳৪,০০০
• CT Scan – PNS/Sinus: ৳২,০০০
• CT Urogram: ৳৪,০০০
• Digital X-Ray: ৳২০০
• USG: ৳২২০

🎗️ ক্যান্সার ও টিউমার মার্কার

• CEA: ৳৩৫০
• AFP: ৳৩০০
• CA-125: ৳৫০০
• CA 15-3: ৳৪০০
• Total PSA: ৳৩৫০
• CA 19-9: ৳৪০০
• Beta-hCG: ৳৪৫০

🩸 রক্ত, কিডনি, লিভার ও হরমোন পরীক্ষা

• CBC: ৳১৫০
• Serum Creatinine: ৳৫০
• eGFR: ৳৫০
• SGPT/SGOT: ৳৭০ করে
• Bilirubin: ৳৬০
• FBS/RBS: ৳৬০
• HbA1c: ৳৩০০
• Lipid Profile: ৳৩০০
• Thyroid Profile: ৳৭০০
• TSH: ৳২০০
• Vitamin D: ৳১,০০০
• Vitamin B12: ৳৫০০
• Ferritin: ৳৪০০
• Urine R/E: ৳১০০
• Urine/Blood Culture (C/S): ৳২০০

📍 ঠিকানা: প্লট # এফ/১৭-এ, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭।
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান হাসপাতাল ও জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের পেছনে।

🚇 মেট্রোরেল: আগারগাঁও স্টেশনে নেমে রিকশায় প্রায় ৫–১০ মিনিট।
🚌 বাসে: শ্যামলী বা আগারগাঁও এলাকায় নেমে রিকশা/হেঁটে পৌঁছানো যায়।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষার ফি, সিরিয়াল দেওয়ার নিয়ম, রিপোর্ট পাওয়ার সময় ও ছাড়ের সুবিধা পরিবর্তিত হতে পারে। যাওয়ার আগে কাউন্টার/প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সর্বশেষ তথ্য নিশ্চিত করে নিন। কিছু পরীক্ষার আগে খালি পেটে থাকা, পানি পান করা বা অন্য প্রস্তুতি প্রয়োজন হতে পারে।

❤️ রোগীর ভোগান্তি কমাতে তথ্যটি শেয়ার করুন—হয়তো আপনার একটি শেয়ারেই কারও সময়, টাকা ও কষ্ট বাঁচবে।
ফলো পিজি হাসপাতাল ইনফো হাব
স্বাস্থ্যকথা - HealthTalk

#ল্যাবরেটরী_মেডিসিন #সরকারি_হাসপাতাল #স্বাস্থ্যসেবা

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 💚💚
03/09/2026

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 💚💚

আমিন 🤲
30/08/2026

আমিন 🤲

✨ বাংলাদেশেই বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা: সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে রোগী দেখানোর নিয়ম ও সকল তথ্য ✨​আপনি কি জানেন? কোনো ধরন...
30/08/2026

✨ বাংলাদেশেই বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা: সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে রোগী দেখানোর নিয়ম ও সকল তথ্য ✨
​আপনি কি জানেন? কোনো ধরনের বিদেশ ভ্রমণ ছাড়াই এখন বাংলাদেশেই মিলছে আন্তর্জাতিক মানের সব বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা! ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল (Super Specialized Hospital) সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ চিকিৎসকদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য সেবা নিশ্চিত করছে।
​রোগী দেখানোর নিয়ম, খরচ ও বিশেষ সুবিধাগুলো একনজরে নিচে দেখে নিন:
​👨‍⚕️ ডাক্তারের ভিজিট / কনসালটেশন ফি
​এখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা নিয়মিত রোগী দেখে থাকেন।
​সকালের শিফট (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:০০):
​অধ্যাপক: ৬০০ টাকা
​সহযোগী অধ্যাপক: ৪০০ টাকা
​সহকারী অধ্যাপক: ৩০০ টাকা
​বিকালের শিফট (বিকাল ৩:০০ - রাত ৮:০০):
​অধ্যাপক: ১,০০০ টাকা
​সহযোগী অধ্যাপক: ৭০০ টাকা
​সহকারী অধ্যাপক: ৫০০ টাকা
​🏥 বিভাগ ও সেন্টারসমূহ
​১. কার্ডিও অ্যান্ড সেহ্‌রেব্রো ভাস্কুলার সেন্টার (হৃদরোগ ও রক্তনালী)
২. হেপাটোবিলিয়ারি ও লিভার ট্রান্সপ্লান্ট সেন্টার
৩. কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট অ্যান্ড নেফ্রোলজি সেন্টার
৪. মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ কেয়ার সেন্টার
৫. ইমার্জেন্সি ও ট্রমা সেন্টার
৬. বহির্বিভাগ (নিউরোলজি, অর্থোপেডিক্স, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, চর্ম ও যৌন, ইএনটি, চোখ ইত্যাদি)
​🧪 পরীক্ষা-নিরীক্ষার খরচ (Diagnostic Charges)
​সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এখানে অনেক কম খরচে নিখুঁত পরীক্ষা করা যায়:
​রক্ত/প্রস্রাব পরীক্ষা: ২০০ – ১,০০০ টাকা
​এক্স-রে: ৪০০ – ৮০০ টাকা
​ইউএসজি: ১,০০০ – ২,৫০০ টাকা
​সিটি স্ক্যান: ৩,৫০০ – ৮,০০০ টাকা
​এমআরআই: ৬,০০০ – ১২,০০০ টাকা
​ইসিজি / ইকো: ৫০০ – ২,৫০০ টাকা
​🛏️ কেবিন ও আইসিইউ ভাড়া (অনুমানিক)
​সাধারণ কেবিন: ২,০০০ – ৩,০০০ টাকা/দিন
​ভিআইপি ও ডিলাক্স কেবিন: ৫,০০০ – ১০,০০০ টাকা/দিন
​ICU / CCU / HDU: সাপোর্ট অনুযায়ী নির্ধারিত
​📅 রোগী দেখাবেন কীভাবে? (সিরিয়াল ও আসার প্রক্রিয়া)
​১. অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট (সবচেয়ে সহজ):
হাসপাতালের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (ssh.bmu.ac.bd) থেকে ঘরে বসেই নির্দিষ্ট বিভাগের ডাক্তারের সময়সূচী দেখে সিরিয়াল বুক করতে পারবেন।
​২. সরাসরি টিকিট কেটে:
প্রতিদিন সকালে হাসপাতালের নির্দিষ্ট টিকিট কাউন্টার থেকেও সরাসরি টিকিট কেটে ডাক্তার দেখানো যায়।
​৩. জরুরি বিভাগ (Emergency):
২৪ ঘণ্টা কোনো পূর্ব সিরিয়াল ছাড়াই সরাসরি জরুরি চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।
​⭐ বিশেষ সুযোগ-সুবিধা
​ডিজিটাল ও পেপারলেস সিস্টেম: রোগীর সমস্ত রেকর্ড ডিজিটালি সংরক্ষিত থাকে, কাগজের ফাইলের কোনো ঝামেলা নেই।
​মডুলার ওটি (OT): রোবোটিক ও হাই-টেক প্রযুক্তিসম্পন্ন আন্তর্জাতিক মানের ওটি।
​ওয়ান-স্টপ সেবা: একই ছাদের নিচে টেস্ট, ডাক্তার, ওষুধ ও ভর্তি সুবিধা।
​ট্রান্সপ্লান্ট সুবিধা: লিভার, কিডনি ও বোন মারো ট্রান্সপ্লান্টের বিশেষ ব্যবস্থা।
​পরিচ্ছন্ন পরিবেশ: ইনফেকশন-ফ্রি ও সম্পূর্ণ বিশ্বমানের হাসপাতাল পরিবেশ।
​📍 ঠিকানা: শাহবাগ, ঢাকা (বারডেম হাসপাতালের পাশে)।
​📢 জরুরি অনুরোধ: তথ্যগুলো অনেক রোগীর উপকারে আসতে পারে!
আপনার একটি শেয়ার হয়তো কোনো রোগীকে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসাসেবা পেতে সাহায্য করবে।
তাই পোস্টটি অবশ্যই শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন। 💙

30/08/2026

পিজি হাসপাতালে বিকেল শিফটে ২০০ টাকার টিকেটে নিউরোলজি (Neurology) বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেপ্টেম্বর মাসের পরামর্শ সূচি কমেন্ট বক্সে

29/08/2026

সর্বনিম্ন রিজিক হচ্ছে
টাকা-পয়সা গাড়ী, বাড়ী আর সর্বোচ্চ রিজিক হচ্ছে সুস্থ শরীর।
আলহামদুলিল্লাহ

27/08/2026

আমরা এখন একটা নাপা ট্যাবলেট মাত্র ১ টাকায় কিনে খাচ্ছি না?

আর কিছুদিন পর এই নাপা ট্যাবলেট প্রতি পিস ৩০ টাকারও বেশি দরে কিনে খেতে হতে পারে আমাদের।

অন্যান্য দামী ওষুধের কথা নাই বা বললাম। যেমন আমার মায়ের একটা প্রেশারের ওষুধ প্রতি পিস ১২ টাকায় কিনে খেতে হয়। সামনে ওটা ৫০ টাকায়ও পাব কি না সন্দেহ আছে।

দাম বাড়বে কেন? সরকার বাড়াবে?

নাহ, সরকার বাড়াবে না। এমনিতেই বেড়ে যাবে।

এ আবার কেমন কথা, এমনিতেই বাড়ে নাকি?

হ্যাঁ বাড়ে। একটু বুঝিয়ে বলি, শুনুন-

নাপার জেনেরিক নাম হলো 'প্যারাসিটামল'। প্যারাসিটামল দুনিয়ার বুকে সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন জার্মান কেমিস্ট হারম্যান নরথ্রপ, ১৮৭৭ সালে।

তাঁর আবিষ্কৃত এই ক্যামিকেল সর্বপ্রথম কমার্শিয়ালি বাজারজাত করতে শুরু করে McNeil ল্যাবরেটরিজ কোম্পানি ১৯৫৫ সালে। মানে এই কোম্পানি ১৯৫৫ সালে প্যারাসিটামল তথা নাপার প্যাটেন্ট কিনে নেয়।

এর অর্থ হলো- বাজারে প্রাপ্ত যে নাপা আমরা খাই, তা সর্বপ্রথম ট্যাবলেট আকারে বাজারে ছাড়ে এই কোম্পানি।

যেকোনো একটা ওষুধ আবিষ্কারের পেছনে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়, সময় ব্যয় হয় বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ।

এই নাপার ক্ষেত্রেই দেখেন, কেমিকেল ফর্মুলা আবিষ্কার হবার পর থেকে বাজারে আসতে এর সময় লেগেছে ৭৮ বছর। সে কেমিকেল স্ট্রাকচারটাও তৈরি হতে যে কত যুগ সময় লেগেছে, তা আমাদের অজানা।

এখন এই কোম্পানি, মানে McNeil কোম্পানি এরপর থেকে আজীবনের তরে প্যারাসিটামল থেকে লাভ ভোগ করতে থাকবে। এজন্যই ওরা একেকটা ওষুধের পেছনে এত অর্থ ব্যয় করে, এত সময় ব্যয় করে।

উন্নত দেশগুলোয় গেলে দেখবেন, কোনো প্যারাসিটামল ট্যাবলেট আপনি এত কম দামে পান না। ওসব দেশে প্যারাসিটামল তথা নাপাও বেশি দামে কিনে খেতে হয়।

যেমন আমাদের দেশের নাপা= আমেরিকার Tylenol।
আমাদের দেশের নাপা এক পিসের দাম মাত্র এক টাকা৷ আমেরিকার Tylenol এক পিসের দাম প্রায় ৩০ টাকা।
তাও এই দামটাই ওখানে সর্বনিম্ন। কোম্পানিভেদে আরও বেশি দামেরও আছে।

আচ্ছা যাইহোক, এইযে আমরা যে নাপা খাই, সেটা বেক্সিমকো কোম্পানির।

বেক্সিমকো কোম্পোনি কি প্যারাসিটামল আবিষ্কার করেছে?
করেনি।
প্যারিসিটামল আবিষ্কারের পেছনে কোনো অবদান রেখেছে?
রাখেনি?
প্যারাসিটামল আবিষ্কারে কোনো অর্থ ব্যয় করেছে?
করেনি?

তাহলে তারা কীভাবে এত কম দামে প্যারাসিটামল দিচ্ছে?

দিচ্ছে, কারণ আন্তর্জাতিকভাবে ওষুধপত্র বিষয়ে দেখাশোনা করার জন্য দুটো সংস্থা আছে। এদের নাম USFDA এবং WTO।

এদের একটা নিয়ম আছে- তা হলো 'গরীব দেশগুলোর জন্য ড্রাগ প্যাটেন্টে বিশেষ ছাড়' (যদিও তা ২০ বছর পর্যন্ত, তবে জীবনরক্ষাকারী নিউয়ার ড্রাগসের ক্ষেত্রে, (যেমন নিউয়ার এন্টিবায়োটিক পেরোপেনেমের মতো ড্রাগসের ক্ষেত্রে এই ছাড় হয়তো আমরা পাব না)।
উল্লেখ্য যে, এখন অধিকাংশ ড্রাগসই নিউয়ার ফর্মুলায় তৈরি হয়।

মানে আমাদের মতো হতদরিদ্র দেশগুলোর জন্য বিশেষ ছাড়টা হলো- আমাদের ওষুধ কোম্পানিগুলো চাইলেই যেকোনো ওষুধ হুবহু কপি করতে পারে। ওদের অত আবিষ্কার, ট্রায়াল, ওসবের ভেতর দিয়ে যেতে হয় না অতটা কঠোরভাবে।
তারা চাইলেই যেকোনো ওষুধের ফর্মুলা জেনে সেটা কপি করে নিজেদের মতো দাম সেট করে বাজারজাত করতে পারে।

ধরেন আপনি কিছু একটা আবিষ্কার করলেন। সেটা সারা পৃথিবীর জন্য প্রয়োজনীয়। সারা পৃথিবীতে সেটা দেদারসে বিক্রি হবে। আপনি চাইবেন না, এমন একটা নিয়ম থাকুক, যে পৃথিবীর যেখানেই বিক্রি হোক, তার লভ্যাংশের কিছু অংশ আপনার পকেটে ঢুকুক?
ওষুধের ক্ষেত্রে এই বিষয়টা দেখে ইউএসএফডিএ এবং ডব্লিওটিও।

যাইহোক, কাজের কথায় আসি-

এতদিন দরিদ্র দেশ হিসেবে আমরা ছাড় পেতাম। যেকোনো ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে মাদার কোম্পানিকে কোনো লভ্যাংশ শেয়ার করতে হত না।

বিগত সরকার কি একটা LDC না কি যেন করেছিল, সেটার আওতায় আমাদের ২০২৬ সালের মধ্যে দরিদ্র দেশের কাতার থেকে বের হয়ে যাবার কথা।
মানে সক্ষমতা থাকুক, না থাকুক, আমরা আর দরিদ্র দেশের কাতারে থাকব না ২০২৬ সালের পর।

এরফলে যেটা হবে- তা হলো, ওষুধের ক্ষেত্রেও আমরা আর কোনো ছাড় পাব না। আমাদের এরপর থেকে মাদার কোম্পানিকে আমাদের লভ্যাংশ শেয়ার করতে হবে (নিউয়ার ড্রাগসের ক্ষেত্রে)।

ফলে আমাদের ওষুধের দাম বৃদ্ধি পাবে। আমাদের দেশের কোনো কোম্পানি তো আর নিজের বাবার জমি বিক্রি করে মাদার কোম্পানিকে লভ্যাংশ দেবে না, তাই না?
তারা যা করবে, এই টাকা আপনার, আমার পকেট থেকেই বের করবে।

শুনলাম, কারা যেন চেষ্টা তদবির করে এই সময়টা, মানে ২০২৬ সালকে টেনেটুনে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত নিয়ে গেছে।
মানে খুব সম্ভবত আমরা বিশেষ করে ওষুধের ক্ষেত্রে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত ছাড় পেতে পারি (এখনো শিওর না)। এরপর হয়তো সামান্য একটা নাপা ট্যাবলেটের মতো ওষুধও আমাদের প্রতি পিস ৩০ টাকা বা তারও বেশি দরে কিনে খেতে হবে।

আর হ্যাঁ, আমরা আসলে আজও ফকির মিসকিনই আছি। কিন্তু সরকারিভাবে আমরা উন্নয়নশীল না কি যেন একটা দেশে উন্নিত হতে যাচ্ছি শীঘ্রই। এর ফলে আমাদের স্টুডেন্টদের বাইরের দেশে স্কলারশিপও কমে গেছে কিন্তু।

উন্নত দেশগুলো দয়াবশত গরীব দেশের স্টুডেন্টদের বিভিন্ন স্কলারশিপ দিত। ওসব সামনে বন্ধ হয়ে যাবে। অলরেডি কমে গেছে অনেকটা।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ (লেখার এই অংশটা খুব ভালোমতো পড়েন প্লিজ, প্লিজ, প্লিজ)-

"আমি এখানে সবার বোঝার জন্য নাপা বা প্যারাসিটামলের উদাহরণটি টেনেছি মাত্র। বাস্তব ক্ষেত্রে নাপা এর আওতাভুক্ত নয়।
আমার বন্ধু লিস্টে যেহেতু অনেকেই অনেক মতবাদের, অননেক লেভেলের আছেন, তাই সবার জন্য এই লেখাটা।

আন্তর্জাতিক প্যাটেন্ট আইনানুযায়ী নাপার দাম না বাড়লেও অধিকাংশ নিউয়ার ড্রাগসের দাম বেড়ে যাবে। আর আমাদের দেশের কোম্পানিগুলো এই সুযোগে সব ড্রাগসের দামই বাড়িয়ে ফেলবে মোটামুটি নিশ্চিত থাকেন।

উল্লেখ্য যে- আগামীতে নিউয়ার ড্রাগসগুলোরই বেশি দরকার পড়বে আমদের।"

Humayun Kabir ©️

Address

Sharankhola Upazila
Bagerhat
9330

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sajib Tech Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share