Morrelganj, Bagerhat

Morrelganj, Bagerhat Morrelganj (Bengali: মোড়েলগঞ্জ) is an Upazila of Bagerhat District in the Division of Khulna, Bangladesh.

13/10/2025

১৯৬৮ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ই!স*রা;ইল।

10/10/2025

কারে বেশি ভালোবাসো?🥺

ভাইরে ভাই, এমন ঘটনা ঘটানোও সম্ভব? সিনেমার ঘটনাও ফেল।যাস্ট অবিশ্বাস‍্য। ঘটনা আমাদের মানিকগঞ্জ শহরের স্বর্ণকারপট্টিতে। সেখ...
07/10/2025

ভাইরে ভাই, এমন ঘটনা ঘটানোও সম্ভব? সিনেমার ঘটনাও ফেল।
যাস্ট অবিশ্বাস‍্য।
ঘটনা আমাদের মানিকগঞ্জ শহরের স্বর্ণকারপট্টিতে।

সেখানের ‘অভিজুয়েলার্সে’র মালিক শুভর দোকানে গতকাল রাত ১১টার দিকে ডাকাতি হয়। মোটর সাইকেল যোগে ৬জন ডাকাত এসে স্বর্ণের দোকান লুটপাট করে, এসময় মালিক শুভর পিঠে ধা/রা/লো অস্ত্র দিয়ে বেশ কয়েতটি আঘাত করে।

ডাকাতদল চলে যাবার পর আশেপাশের মানুষ ছুটে এসে মালিক শুভকে হাসপাতালে পাঠায় ও পুলিশে ফোন দেয়।

ঘটনা এখানে শেষ হলে হতে পারতো। কিন্তু মুল ঘটনা অন‍্য জায়গায়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সিসি ক‍্যামেরার ফুটেজ দেখে অপারোশনে নামে। এবং কয়েকঘন্টার মধ‍্যে আসামীদের ধরে ফেলে। আসামীদের মধ‍্যে রয়েছে আমান, মিলন, শরিফ, নয়ন ও সোহাগ।

ওদিকে আহত শুভর অবস্থা খারাপ হতে থাকলে তাকে ঢাকা পাঠানো হয়।
শহরে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
পুলিশ আসামীদের ধরে থানায় নিয়ে এসে উত্তম মাধ‍্যম দিলে ঘটনার মোড় অন‍্যদিকে চলে যায়।

আসামীরা যা বলে তা আপনি হয়তো আগে কোনদিন শুনেন নি
আসামীরা জানায়, তারা কোন ডাকাত নয়। তাদের দিয়ে নাটক করিয়েছে স্বয়ং শুভ, অর্থাৎ ঐ দোকানের মালিক।

এবং এই ঘটনা ঘটানোর জন‍্য তাদের নগদ পাঁচ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
এবং, ঘটনার সত‍্যতা প্রমাণ করার জন‍্যই পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী শুভর পিঠে ছু/রি মারা হয়েছে।

অর্থাৎ, পুরো ঘটনা পরিকল্পনা অনুযায়ী পারফেক্টলি শেষ করেছে
এবার প্রশ্ন হল, শুভ এমন কাজ করতে গেল কেন?
এটা শুনলে মানুষের উপর থেকে আপনার বিশ্বাস উঠে যাবে।

বিষয়টি হচ্ছে, শুভর দোকান বেশ বড় দোকান। তার দোকানে অনেক স্বর্ণ জমা থাকে। অনেকে গহনা বানানোর জন‍্যও অনেক স্বর্ণ জমা রাখে। সব মিলিয়ে এই মুহুর্তে তার দোকানে ৩৯ ভরি ৭ আনা সোনা জমা ছিল।

শুভর টার্গেট ছিল, দোকানে ভয়াবহ ডাকাতি হয়ে সব লুটপাট করে নিয়ে গেছে খবর ছড়িয়ে সকলের আমানত রাখা স্বর্ণ আত্মসাত করা।

এবার চিন্তা করেন, একজন প্রতিষ্ঠিত স্বর্ণ ব‍্যবসায়ী যদি এমনটা করে তাহলে বিশ্বাস করবেন কাকে?
পুলিশ সম্পূর্ন স্বর্ণ উদ্ধার করেছে।

মানুষের সচেতনতার জন‍্য পোস্টটি শেয়ার করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন।

ছবিঃ কিছুক্ষণ আগে মানিকগঞ্জ সদর থানায় সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ সমস্ত ঘটনার বিবরণ জানান।

©

03/10/2025

প্রশান্তি!!

03/10/2025

প্রশান্তি!!

মা-বাবাদের অনুরোধ করছি, 😭হাড় আমার মাংস আপনার এই ধরনের কথা বলবেন না, সন্তান আপনার কলিজার টুকরা তাই সন্তানকে ভালোবাসুন, এট...
01/10/2025

মা-বাবাদের অনুরোধ করছি, 😭
হাড় আমার মাংস আপনার এই ধরনের কথা বলবেন না,
সন্তান আপনার কলিজার টুকরা তাই সন্তানকে ভালোবাসুন,
এটা কেমন শাসন 😮‍💨😮‍💨
মা বাবা সন্তানদের জ্ঞান অর্জনের জন্য আপনাদের কাছে দেয়!
আপনারা যদি তাদের সাথে এমন আচরণ করেন এটা কি মানা যায়😞
শাসন করার ও একটা নিয়ম আছে তাই বলে এমন অমানুষের মতো? �

Collected.

কাঁকড়া ধরে ফিরছিলেন সুব্রতরা। পথে বড় খাল বলতে করমজল। এখানে কুমির আছে। মাঝে মাঝেই আ-ক্র-ম-ণ করে। গত বছর মা-রা গেলো মোশারর...
01/10/2025

কাঁকড়া ধরে ফিরছিলেন সুব্রতরা। পথে বড় খাল বলতে করমজল। এখানে কুমির আছে। মাঝে মাঝেই আ-ক্র-ম-ণ করে। গত বছর মা-রা গেলো মোশাররফ। তাই সবাই বেশ সতর্ক।

পাঁচ জনের কাঁকড়া শিকারীর দল। সবাই পার হয়ে গেলেন। সুব্রত ছোটখাটো মানুষ। উঠার সময় পানিতে একটু খাবি খেয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন। এক মুহুর্ত। দুই পা একসাথে কা-ম-ড়ে ধরলো বিশাল এক কুমির।

সাথে সাথে সুব্রতর হাত ধরে ফেললো সহযাত্রীরা। শুরু হলো টানাটানি। চারজন মিলে প্রায় তিন মিনিট চেষ্টা করলো। কিন্তু পানির নিচে থাকা কুমিরের শক্তির কাছে পরাস্ত হলো। সুব্রতকে নিয়ে গেলো সুন্দরবনের কুমির।

ওরা চেষ্টা করছে। মিনিট ১৫ পানির নিচে কুমির। তারপর সুব্রতকে মুখে নিয়ে ভেসে উঠলো সে। বিশাল কুমিরটির মুখে যেন ছোট্ট একটা শি-কা-র। অনেক্ষণ ভেসে বেড়ালো। সহযাত্রীরা অনুসরণ করছে। সুযোগ পেলেই করবে পাল্টা আ-ক্র-ম-ণ। এর মধ্যে ট্রলার নিয়ে আসলেন বনরক্ষীরা। শিকার মুখে নিয়ে ডুব দিলো কুমির। আর ভাসলো না।

সন্ধ্যা হলো। গ্রামের মানুষেরা আসলো করমজল খালে। কিন্তু অন্ধকারে কী ভাবে উদ্ধার করবে সুব্রতকে? যদি বড় নদীতে চলে যায়! যদি শি-কা-র নিয়ে অন্য কোনো খালে ঢুকে পড়ে? একজন বললো, বড় কুমিরটি পশুর নদী দিয়ে ঢাংমারীর দিকে গেছে। টর্চের আলোতে তারা দেখেছে, কুমিরের মুখে সুব্রত নাই। তার মানে খালেই আছে সুব্রত।

সাহসী কয়েকজন পানিতে নামলো। ভাটা থাকতে থাকতে খুঁজে বের করতে হবে সহযাত্রীর ম-র-দে-হ। এছাড়া বাড়ী ফেরার উপায় নাই। অনেক ক্ষণ চেষ্টা পর ঢাংমারীর আলম খুঁজে পেলো সুব্রত মন্ডলকে। র-ক্তা-ক্ত ছোট্ট ম-র-দে-হ-টি নিয়ে সবাই ছুটলো বাড়ির দিকে। ওদিকে স্ত্রী আর স্বজনরা অপেক্ষা করছে। আসছে ঘরের মানুষটির মৃ-ত-দে-হ। অনেক কাজ সামনে। সৎ-কার করতে হবে। তারপর অসম্ভব এক জীবন। পরিবারটি চলতো সুব্রতর একার রোজগারে। সুব্রত ছিলেন সুন্দরবনের একজন বনজীবী।

কার্টেসী-সাংবাদিক মহসিন উল হাকিম

এক সহকর্মী চিকিৎসকের কাছ থেকে শোনা একটি ঘটনায় আমি বিস্মিত হয়েছি।একজন মহিলা রোগী দীর্ঘ দশ বছর ধরে সন্তানহীনতার কারণে মা...
30/09/2025

এক সহকর্মী চিকিৎসকের কাছ থেকে শোনা একটি ঘটনায় আমি বিস্মিত হয়েছি।
একজন মহিলা রোগী দীর্ঘ দশ বছর ধরে সন্তানহীনতার কারণে মানসিক কষ্টে ভুগছিলেন। প্রথম গর্ভপাতের পর আর সন্তান না হওয়ায় তাঁর প্রথম সংসার ভেঙে যায়। দ্বিতীয় সংসারেও স্বামী আবার নতুন বিয়ে করেন। অবশেষে তিনি বিভিন্নের পরামর্শে ডা. হোসনে আরা খানম এর শরণাপন্ন হন।

চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা শেষে করে একটা জিনিস খুঁজে পান— রোগীর জরায়ুর ভেতরে একটি কপার টি টেল রয়েছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয়। যখন রোগীকে ডাক্তার— কপার টি কবে বসানো হয়েছিল? রোগীর উত্তর ছিল, তিনি কখনোই এটি পরাননি।

পরে রোগী জানান, প্রথমবার বাড়িতে এবরশন করানোর কিছুদিন পর তাঁর স্বামী তাঁকে বাড়ি থেকে নিয়ে যান "অভ্যন্তরে যেন কোনো সমস্যা না থাকে" এই অজুহাতে ওয়াশ করাতে। তখনই বোঝা যায়, স্বামী তার স্ত্রীর অজ্ঞাতসারে শরীরে কপার টি বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জানতেই পারেননি কী ঘটেছিল।

কাউকে অপবাদ দিয়ে বা প্রতারণা করে জীবন ধ্বংস করা কতটা অমানবিক। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সমস্যা থাকলে তা সম্মানের সাথে সমাধান করা উচিত, প্রয়োজনে বিচ্ছেদের পথও আছে। কিন্তু এভাবে প্রতারণা করে স্ত্রীকে সারাজীবন দোষারোপ করা এক ঘৃণিত অপরাধ। কত বড় ক্রিমিনাল চিন্তাভাবনা ওই স্বামীর।

সংগৃহীত

বি দ্রঃ কপার T হল ছোট্ট একটা বস্তু যেটা বাচ্চা না হওয়ার জন্য জরায়ুর মধ্যে স্থাপন করা হয়।

আমি স্বীকার করি, পার্বত্য চট্টগ্রামে ন্যায় বিচার নাই। ওখানে ন্যায় বিচার মরে গেছে ১৯৮৪ সালের ৩১শে মে। সেদিন ছিল শাবান মাস...
30/09/2025

আমি স্বীকার করি, পার্বত্য চট্টগ্রামে ন্যায় বিচার নাই। ওখানে ন্যায় বিচার মরে গেছে ১৯৮৪ সালের ৩১শে মে। সেদিন ছিল শাবান মাসের শেষ দিন। রাত পোহাইলেই পহেলা রমজান।

সেহেরীতে খাওয়া-দাওয়া সেরে সেদিন ফজরের অপেক্ষায় বরকল উপজেলার ভূষণছড়া গ্রামের লোকজন। তবে মুয়াজ্জিনের সুললিত কন্ঠ নয়; শেষরাতের নিরবতা ভেঙে পাওয়া গেল প্রথম গুলিটার আওয়াজ। ঘড়িতে সময় তখন ঠিক ভোর চারটা।

কর্কশ সেই আওয়াজে দৌড়ে বেরিয়ে এলেন জারুলছড়ি বিডিআর ক্যাম্পের কয়েকজন সৈনিক। উড়ে গেছে চোখের ঘুম ঘুম ভাব; হাতে প্রস্তুত চায়নিজ রাইফেল। প্রশিক্ষিত কানে গুলির দিক চিনতে ভুল হয় নাই। ছুটবেন ওই দিকেই।

কিন্তু বাধা দিলেন ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার; উপর মহলের আদেশ আসার আগে কোন অ্যাকশন চলবে না। তাই নির্বাক চোখে দেখে গেল ‘সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী’— জ্বলছে ভূষণছড়া। দাউ দাউ করে ছড়িয়ে যাচ্ছে দহনের পয়গাম। থেমে থেমে চলছে গুলি; তবে চীৎকার আর কলিজা ফাটা আর্তনাদের মাঝে কোন বিরাম নাই। বিনা বাঁধায় বাঙালী সিভিলিয়ানদের ওপর চলছে পাহাড়ি-আক্রমণ। চলছে নির্বিচার গণহত্যা। নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ, শিশু; এমনকি রেহাই পেল না গোয়ালের গরু-ছাগল পর্যন্ত।

জায়গাটায় প্রথম যে সাংবাদিক পৌঁছান, তিনি বাংলাদেশ অবজারভারের সৈয়দ মুরতজা আলি। খাতা, কলম, আর মিনি রেকর্ডার পলিথিনে মুড়ে, নৌকার পাটাতনে লুকিয়ে রেখে, একটা ছেঁড়া লুঙ্গি গায়ে দিয়ে জেলের ছদ্মবেশে তিনি যখন ভূষণছড়া পৌঁছুলেন, তখন ঘটনার তিন দিন পার হয়ে গেছে। কঠোর নিরাপত্তায় ঘেরাও দিয়ে রাখা হয়েছে গ্রাম। হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ডিসি, ডিআইজি, জিওসি আর জনকতক ব্রিগেডিয়ার। পূর্ণ মনোযোগের সহিত নিশ্চিত করা হচ্ছে— ভূষণছড়া গ্রাম থেকে কেউ যেন বের হতে না পারে। চলছে কঠোর নজরদারি। পাছে ঘটনা আবার ফাঁস হয়ে যায়!

দেখলেন সৈয়দ মুরতজা— তিনদিন পরও এদিক-সেদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অসংখ্য মৃতদেহ। কিছু গণকবরে পুঁতে দেওয়া হয়েছে; আরও নতুন গণকবর খোড়ার জন্য তোড়জোড় চলমান। বাকি লাশ কুকুর-শেয়ালে জঙ্গলে টেনে নিয়ে গেছে। আসার পথে নদীতে ভাসতেও দেখেছেন বেশ অনেকগুলো। ওগুলার কোন হিসাব নাই।

তবে কেবল ওইটুকুই নয়। চাকমাদের নৃশংসতা দেখে হতভম্ব হয়ে গেলেন একাত্তরের পোড়-খাওয়া সাংবাদিক। লিখতে গিয়ে কোন ভাষা খুঁজে পাইলেন না। তাই Massacre at Dawn শিরোনামের রিপোর্টটা শুরু করলেন সিম্পল বর্ণনায়—

“The beheaded body of a young woman, Rizia Khatun, was found lying at Poabari para of Bhushanchara settlement, with her dead child in the position of suckling her bosom. Both hands of yet another baby were found severed. Yet another infant was seen cut by half. A seven day old boy was bayoneted to death in front of his parents…”
(ভূষণছড়া গ্রামের তরুণী রিজিয়া খাতুনের মস্তকহীন দেহটা পাওয়া গেল পোয়াবাড়ি পাড়ায়। কোলে থাকা তার শিশু সন্তানটিও মৃত; তখনও কামড়ে ধরে আছে মায়ের স্তন। আরেকটি বাচ্চার দুই হাত কেটে নেওয়া হয়েছে। দুই টুকরা করে ফেলা হয়েছে আরও এক শিশু। সাত দিনের এক বাচ্চাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে মারা হয়েছে পিতা-মাতার সামনে…”

ঠিক কতজন বাঙালী যে সেদিন চাকমা সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হয়, তার কোন হিসাব আজ পর্যন্ত নাই। নাম-পরিচয় সহ ৩৭০ জনের একটা তালিকা আছে। তবে সেই রিপোর্টে গবেষক আতিকুর রহমান পরিষ্কার করে বলে গেছেন— তালিকা অসমাপ্ত।

বাংলাদেশ ইকোনোমিস্ট-এ ১৯৮৪ সালের জুলাই মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সাংবাদিক মইনুদ্দিন নাসের বলেন, মৃতের সংখ্যা কম করে হলেও চার শতাধিক। অনেক বডি চাকমারা এমনভাবে বিকৃত করেছে যা আর ‘আইডেন্টিফিকেশন’ এর উপযুক্ত নাই। অনেক দেহ আগুনে জ্বলে ভষ্ম হয়ে গেছে। আবার বন্য প্রাণী টেনে নিয়ে গেছে বেশ কিছু। তিন শতাধিক পরিবার কাউকে না কাউকে হারিয়েছে। আর এদের মাঝে একশরও বেশি পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন।

চাকমারা বাঙালীদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছিল ভোর চারটা থেকে সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত। স্বাধীন বাংলাদেশে এর সমতূল্য, বা এর অর্ধেক, কিংবা এমনকি সিকিভাগ হত্যাযজ্ঞও আর কখনও হয় নাই। এই ঘটনার জন্য আজতক কারও কোন বিচার হয় নাই। পুলিশ মামলাই নেয় নাই!

ওইদিন থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে ন্যায় বিচার মরে গেছে। আর ন্যায় বিচারের কবর হয়ে গেছে ২০০১ সালে, যেইদিন বিএনপির টিকেট নিয়ে এমপি হয়েছে মণি স্বপন দেওয়ান চাকমা। হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী।

এই সেই মণি স্বপন, ওরফে শান্তিবাহিনীর “মেজর” রাজেশ, যার প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে এই গণহত্যা চালানো হয়েছিল। হাতে রাইফেল নিয়ে নিজে হাজির ছিল সেথায়। প্রতিটা নিউজ, রিপোর্ট আর আর্টিকেল এই একটা বিষয়ে একমত— আক্রমণের ফিল্ড-কমান্ডার ছিল মণি স্বপন। কারও কারও বর্ণনা মোতাবেক, গণহত্যা শুরু করার সিগনাল ওই প্রথম গুলিটি ছিল তারই চালানো।

সেই মণি স্বপন এখনও জীবিত। রাজনীতির মাঠে পূর্ণ সক্রিয়। এই কয়েক মাস আগেও রাঙামাটি বিএনপির সমাবেশে গলার রগ ফুলিয়ে বক্তব্য দিয়েছে। ভূষণছড়ার ঘটনা জানতে চাইলে সে মিটিমিটি হাসে। লাজুক মুখে জবাব দেয়, “নো কমেন্ট। অনেকদিন আগের কথা তো।”

কিছুদিন পরপর আমি মণি স্বপনের খোঁজ রাখি। দেখি, পহেলা রমজানে মুসলিমদের ওপর গণহত্যা চালানো ভয়ংকর খুনিটা বাংলার মাটিতে দিব্যি সুখে আছে। ইসলামকে কটাক্ষ করে বৌদ্ধ ধর্মসভায় বক্তব্য দিতেছে— মদের চেয়েও নাকি ধর্মের নেশা ভয়ংকর।

আরও দেখি, ওই রাতে পরিবারের ৭ জনকে হারানো এক বাঙালি জানতে চাইতেছেন, তাকে পাঁচ হাজার টাকা আর এক বস্তা চাউল দেওয়া হইছে। এইটাই জীবনের মূল্য কী না?

জিজ্ঞেস করেন ওই রাতে পরিবারের সবাইকে হারিয়ে একা আব্দুল হাই— খুনীরা শান্তিচুক্তির পর জমি, রেশন, বেতন আর ব্যাংকঋণ পাইল। কিন্তু তার ভাই-বোনদের গণকবরটা সংরক্ষণের জন্য একটা বেড়া পর্যন্ত দিতে দেওয়া হইল না কেন?

বলেন মুহাম্মদ নিজামুদ্দিন, সে রাতে তার গর্ভবতি স্ত্রীর পেট চিরে সন্তান বের করে আনছিল শান্তিবাহিনীর লোকজন। তারপর তার ঘরে আগুন দিয়ে সেখানে তার স্ত্রী ও তিন সন্তানকে ফেলে দেওয়া হয়। পুড়ে তাদের দেহ দলা পাকায়ে গেছিল। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তাই পৃথক কবর দেওয়া সম্ভব হয় নাই। যখনই ব্যাপারটা স্মরণ হয়, তার মন অশান্ত হয়ে যায়।

শুনে আমার অস্থির অস্থির লাগে। আমিও শান্তি পাই না। তাই আমি পাহাড়িদের সাথে করা শেখ হাসিনার ‘শান্তিচুক্তি’ ঘৃণা করি।

কিসের শান্তি??

মণি স্বপন চাকমাদেরকে ঝুলতে দেখার আগ পর্যন্ত আমার কোন শান্তি নাই!!

© আদিল মোর্শেদ

27/09/2025

সোনার ডিম পারা মানুষ। 🙎‍♂️🥚🥚

Address

Bagerhat
9320

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Morrelganj, Bagerhat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share