27/11/2020
আবার আসিতে চাই আমার শৈশবে,জন্ম চাই কোন কৃষক বাবার ঘরে,বাবার থাকবে অনেক গুলো গরু,জন্ম চাই কোন কাচা রাস্তার গ্রামে,থাকবে গ্রাম ভরা সবুজ গাছের ছায়া, থাকবে গ্রামে ভূতুড়ে বাগান,গ্রাম পেরিয়ে খোলা ডাঙ্গা, গ্রামের। পাশ দিয়ে বয়ে যাবে ঢেউ খেলানো নদী।গ্রামে থাকবে একটা স্কুল।
আবার আসিতে চাই,ফিরে আমার শৈশবে,তবেই হবে আমার এই জন্ম সার্থক। শৈশব কালের কথা ভাবিলে মনে পড়ে যায়,সেই দিন গুলো।
কেমনে ভুলিব বাবার সাথে গরু চড়ানো,কেমনে ভুলিব মা' র বারন করা সর্তেও কাঁদা লাগিয়ে ভূত।। দিন গুল ছিলো জীবনে সুখের রাজ প্রাসাদ।। আজ কোথায় আমার খেলার সঙ্গী সাথী গুলো। সকাল বেলায় ভাই বোনদের সাথে চিংড়ীর ঘিলু দিয়ে/ খেজুরে গুড় দিয়ে মুড়ি খেয়ে,ছুটে চাল সেই পাঠশালায়,কই সেই তালের পাতায় লেখা,নেই দত,নেই সেই বাঁশের কলম।।কোথায় হারিয়ে গিয়েছে?
কোথায় হারিয়ে গিয়েছে? সঙ্গী সাথী দের সাথে গুলটি দিয়ে পাখি মারা,কোথায় সেই লাটিম খেলা,কোথায় গোলারছুট,দাড়িয়া,গোবরধন খেলা ডাংগুলি লেখা,কেমনে ভুলিব সেই শৈশব।।
আর কি হবে, পড়া না পারার ভয়ে স্কুল পালানো, বাড়ি আসার পথে মাঠে ফুটবল খেলা কাঁদা লাগিয়ে বাড়ি ফেরা,রাস্তা র কাঁদা ছিটানো।।
দিন গুলোকে মনে করলে,আবার ফিরতে চাই শৈশবে।।
যদি, আর এক বার পারতাম,সঙ্গী দের সাথে স্নান করতে কোন সান্ত পুকুরে,তবে খেলতাম,আবার জলের ভিতর ছোঁয়াছুঁয়ি।।
কোথায় সেই মায়ের বকা আর কাঁচা কুঞ্জির বাড়ি,পরে সেই, চোখেরজল আর নাকেরজলে এক,কান্না থামানোর জন্য বাবার সেই ভালবাসা, পরে মায়ের হাতে মাখানো ভাত,যদি আর এক বার পেতাম,।।। দিন গুলো ছিল ঈশ্বরে দেওয়া শ্রেষ্ঠ উপহার।।
আবার যদি খেলতে পারতাম কোন অনুষ্ঠানে পলাপলি,সিন্দূর টোয়াটই আবার যদি সখী হিসাবে পেতাম জোনাকি পোক গুলো কে,আর যদি থাকত চারিপাশে ঝিঝি পোকার ডাক,তবে আমার এই ছেলেমানুষি মন টা ধন্য হত।।হে ঈশ্বর আমি আর একবার চাই শৈশবকাল।।।
স্কুল ছুটির দিনে সারা ঠাকুরমা আর ঠাকুরদাদা সাথে গল্প করা।আর মায়ের হাতের সেই মাছ ভাতে,ঠাকুরদাদা র হাতের মাখানো দুদ ভাত।।
আমি না জানি ঈশ্বর কত পূর্ণের ফলে এই মানুষ জন্ম পেয়েছি।।তবে আমি আবার আমার চাই শৈশব।।তবে হয় আমার জন্ম সার্থক হবে।।