Reconnect The Disconnect

Reconnect The Disconnect আমরা তাই যা আমরা দেখি যা আমরা শুনি। So,
Follow those content creators who can effectively guide you in developing your personality.
(1)

30/12/2025

#খালেদাজিয়া

✍️ "প্রশ্নের, প্যারাডক্স-০২ : এই 'একটু জানা' আর 'আরও জানতে চাওয়ার' মাঝের ফাঁকেই প্রশ্নের জন্মস্থান।"প্রশ্ন করে মূলত দুই...
21/12/2025

✍️ "প্রশ্নের, প্যারাডক্স-০২ : এই 'একটু জানা' আর 'আরও জানতে চাওয়ার' মাঝের ফাঁকেই প্রশ্নের জন্মস্থান।"

প্রশ্ন করে মূলত দুই ধরনের মানুষ।
প্রথমত, যে জানে।
দ্বিতীয়ত, যে জানে না।

যে জানে, সে প্রশ্ন করেঃ যেমন: কোনো পরীক্ষার প্রশ্ন। যে বিষয়টি ভালোভাবে বোঝে, সেই বিষয় নিয়েই সে গভীর ও নির্দিষ্ট প্রশ্ন করতে পারে, এবং প্রশ্নটা করে অন্যদের কাছ থেকে উত্তর পাবার জন্য(যে উত্তর ইতোমধ্যে সে অবগত)।

যে জানে না, সে ওই ধরনের প্রশ্ন করতে পারে না। যে জানে না, সেও প্রশ্ন করে কিন্তু তার প্রশ্নের উদ্দেশ্য উত্তর যাচাই করা নয়, বরং শোনা, বোঝা, শেখা।

এই দুই ধরনের মানুষই আসলে জিনিয়াস, কারণ:
আপনি তখনই প্রশ্ন করতে পারবেন, যখন আপনি অনেক কিছু জানবেন।
আবার আপনি তখনই প্রশ্ন করবেন, যখন আপনি কোন বিষয় অজ্ঞ থাকবেন।
আপনি প্রশ্ন করবেন বলেই শিখতে পারবেন।
আর আপনি শিখতে পারবেন বলেই আবার প্রশ্ন করবেন।

জানা ও না-জানার এই নিরন্তর ঘূর্ণনই প্রশ্নের আসল সৌন্দর্য।
এটাই প্রশ্নের প্যারাডক্স।

কোনো বিষয়ে একদমই জ্ঞান না থাকলে কিন্তু প্রশ্নও মাথায় আসে না। কোনো বিষয় সম্পর্কে অন্তত একটু জানলে তবেই প্রশ্ন জাগে যে, বাকিটা কী?
তাহলে কোন বিষয় জানতে চাইলে প্রশ্ন আগে করি কিভবে যদি ওই বিষয়টা পুরাপুরি অজানা থাকে?
ওই বিষয়টা সম্পর্কে একটু জানি বলেই তো প্রশ্ন করতে পারি। তাহলে ওই বিষয়টা আগে জানি কীভাবে?
উত্তর পাই, তাই জানি, তাহলে সেই উত্তর টা আগে পাই কীভাবে?

মাথা ঘুরছে।

ধন্যবাদ। ❤️

© Rakib Matubbar
আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগ,
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
----------------------

#প্রশ্ন #উত্তর

স্রোতের বিপরীতে দাঁড়ানোর সাহসী মানুষ শত বছরে একজনই আসে।🥹
19/12/2025

স্রোতের বিপরীতে দাঁড়ানোর সাহসী মানুষ শত বছরে একজনই আসে।🥹

✍️ "ন্যাচারাল প্যারাডক্স : গোধূলির অর্থই জানতাম; কিন্তু তার প্রকৃত অর্থ জানতাম না।"দুপুর থেকে ফেসবুক স্ক্রল করছি, সন্ধ্য...
19/12/2025

✍️ "ন্যাচারাল প্যারাডক্স : গোধূলির অর্থই জানতাম; কিন্তু তার প্রকৃত অর্থ জানতাম না।"

দুপুর থেকে ফেসবুক স্ক্রল করছি, সন্ধ্যা হয়ে গেছে। হঠাৎ জানালা দিয়ে বাহিরে চোখ পড়লো, জানালায় মিশে থাকা ধুলোর আস্তরণ ভেদ করে বাইরের যে দৃশ্যটা চোখে পড়ল, তা এক কথায় অপার্থিব। ইচ্ছে করছিল জানালাটা খুলে স্পষ্টভাবে প্রাণভরে দেখি কিন্তু পারলাম না। শরীরটা যেন ফোনের স্ক্রিন থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে পারছিল না।

গাছের সবুজ পাতা আর আকাশের নীল সাদা রং একটা সৌন্দর্যর বিপ্লব এনেছে আজ সন্ধায়। পাখিরা ডানা ঝাপটে নীড়ে ফিরছে, আর মগডালের ঘুঘুটার ডাক মনের গহীনে এক অজানা ভালোলাগার সুর তুলছে। মন চাইছিল সব ছেড়ে ওই প্রকৃতিতে হারিয়ে যাই।

আফসোস আমার সামনে থাকা স্ক্রিন রেখে আমি উঠতে পারলাম না, এতোটা বন্ধি হয়ে গেছি আমি। সামনের এই চার ইঞ্চি স্ক্রিনের কাছে আমি কতটা জিম্মি! আধুনিকতা আমাদের দুহাত ভরে অনেক কিছু দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু বিনিময়ে কেড়ে নিয়েছে আদিম আর অকৃত্রিম প্রশান্তি।

শেষমেশ প্রকৃতির মায়াবী টান আমি আর উপেক্ষা করতে পারলাম না। সজোরে জানালাটা খুলে ধরতেই গোধূলির কুসুমরঙা আলো আমায় ছুঁয়ে দিল। মনে হলো, সেই কোমল আলো যেন আমায় ছুঁয়ে ধন্য হলো। অভিমানের সুরে সে বলল, "আজকাল তোমায় দেখাই যায় না!" রোদের ছোঁয়ায় তেল না দেয়া আমার লাল লাল রুক্ষ অবিন্যস্ত চুলগুলো আরও লালচে দেখাচ্ছিল। মা এই অবস্থায় আমাকে দেখলে নিশ্চিত একচোট বকা দিতেন।

প্রকৃতি আজ যেন এক ভিন্ন রূপে সেজেছে। কোই কখনো তো তার এতো সৌন্দর্য আমি দেখিনি। হঠাৎ মনে পড়লো, আমি শেষ কবে যে আকাশ দেখেছি তাও আমার মনে নেই, তাহলে তাহার সৌন্দর্য আমি অবলোকন করবো কীভাবে ?

নতুন বাসায় এসেছি কয়েক দিন হলো। সূর্যি মামা আমাকে সকাল সকাল খুব বিরক্ত করে, কারণ জানালায় পর্দা নেই। শেষ কবে যে ভোর ভোর ঘুম থেকে উঠে সূর্যের আলো গায়ে মেখেছি, শিশির ভেজা ঘাস মাড়িয়েছি, তাও আমি খেয়াল করতে পারছিনা।

ভাবছিলাম জানালায় একটা পর্দা টানিয়ে দেব, কিন্তু আমার 'মন' সায় দিল না। মন বলল, "সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দেখতে আমার বড় ভালো লাগে।"
আমি পাল্টা প্রশ্ন করলাম, "তাহলে তুমি সারাদিন স্ক্রল করো কেন?" মন উত্তরে বলল, "আমার তো হাত-পা নেই! আমাকে যে যেভাবে চালায়, আমি সেভাবেই চলি। কেউ কি কখনো আমার কথা শোনে?"

ভেবে দেখলাম, সত্যিই তো! আমরা আমাদের মনের কথা শুনি না। সে কী চায়, কিসে তার তৃপ্তি, সে খবর কি আমরা রাখি?

শীতের ভোরে শিশিরভেজা সবুজ পাতার মায়াবী রূপ দেখার ফুরসতটুকুও যে আমরা হারিয়ে ফেলেছি।
সকালে উঠে ঠিকই স্ক্রিনে তাকানো হয় কিন্তু ...........।

© Rakib Matubbar
আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগ,
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
-----------------------

18/12/2025

Victory without sovereignty...😅

ভাবা যায় এমনটা, কি হবে সামনে?🥹🤔
31/10/2025

ভাবা যায় এমনটা, কি হবে সামনে?🥹🤔

17/10/2025

✍️❝নেটওয়ার্কিং: অনেকের সাথে পরিচিত থাকাটাই নেটওয়ার্কিং না, সঠিকভাবে কথা বলতে পারাটাই নেটওয়ার্কিং।❞

Harvard Business Review: "Networking isn’t about collecting contacts - it’s about building meaningful relationships."

ধরুন, আপনি বাসে কোথাও যাচ্ছেন; তখন আপনার পাশের সিটে বসে থাকা লোকের সাথে আপনার কনভার্সেশন যেমন হওয়া উচিত:
আমাদের মনে হয় পাশে যে বসে আছে তাকে কিছু জিজ্ঞেস করলে হয়তো সে বিরক্ত বোধ করতে পারে। কিন্তু আপনি কি জানেন না মানুষ নিজেকে জাহির করতে পছন্দ করে? মানুষ এমন কাউকে পছন্দ করে, যে তাকে শোনে। তাই কম বলুন বেশি শুনুন।

আপনি যখন জিজ্ঞাসা করবেন: ভাই/বোন আপনি কি করেন? (এটা হলো Rapport-building Question. যা Icebreaking-এর জন্য কার্যকর।) সে তখন তার বিষয় বলবে, নিজেকে প্রকাশ করবে। (এর আগে তো অবশ্যই ফরমাল কথাবার্তা বলতেই হবে। হুট করেই; কি করেন এটা জিজ্ঞাসা করা যাবেনা)।

Maine Theme:
ধরুন, আপনার একটা চাকরি দরকার কিন্তু কোথাও চাকরি হচ্ছেনা। আপনি কোনো একদিন কোনো এক বাসে আসতে আসতে পাশে বসে থাকা লোকটার সাথে কথা বললেন। কথায় কথায় আপনি জানতে পারলেন সে কোনো একটা অফিসের ম্যানেজার। তার সাথে আপনি একটা সুসম্পর্ক তৈরি করলেন।

তাৎক্ষণিকভাবে আপনি বলবেন না যে; ভাই আমার একটি চাকরি দরকার। সেটা করলে আপনার তার সাথে কানেকশন তখনি শেষ।
কেন তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি (চাকরি নয় শুধু, যে কোনোকিছু চাওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) চাইলে কানেকশন নষ্ট হয়?
কারণ: Networking works on trust, not transaction.

আর আপনি যখন প্রথমেই বলেন "ভাই, একটা চাকরি দরকার" তখন কথাটা Transactional হয়ে যায় - মানে সে বুঝে যায় আপনি কিছু পেতে এসেছেন, দিতে না।

আপনি তখন তার সাথে স্বাভাবিকভাবে কথা বলুন। একসময় ওই ব্যক্তি আপনার বিষয় জানতে চাইবে (আপনি কি করেন সেটাও জিজ্ঞাসা করবে)। উত্তরে: প্রথমেই আপনি এটা বলবেন না; যে "চাকরি পাচ্ছিনা"। তাহলে নেগেটিভ ইম্প্রেশন তৈরি হবে।

প্রথমেই "আমি চাকরি পাচ্ছি না" বললে, Negativity Bias কাজ করে - সে অবচেতনে ভাবতে পারে আপনি দুর্বল বা অযোগ্য।

তার পরিবর্তে নিজের Skill, Strength, Achievement আগে তুলে ধরলে Positive Impression তৈরি হয়। তাই প্রথমে আপনি আপনার যোগ্যতা প্রকাশ করুন। তাহলেই সে ভাববে: হুম... আসলেই ছেলেটা/মেয়েটা জিনিয়াস।

এর পরে সে অবশ্যই জানতে চাইবে: তো ভাই/বোন আপনি এখন কি করছেন? আপনার উত্তর হবে: এইতো ভাই চাকরির যে বাজার আপনি তো জানেনই। চাকরি খুঁজতেছি, পাচ্ছিনা। এই আরকি।

প্রথমেই বলবেন না: "চাকরি পাচ্ছি না।" এটা Negative Frame - শুনলেই লোকটা ভাববে: আপনি ব্যর্থ / হয়তো আপনার স্কিল কম, তাই চাকরি পাচ্ছেন না।

কিন্তু যদি বলেন: "চাকরির বাজারটা তো আপনি জানেনই, এখন অনেক কঠিন।" তাহলে সেটা Contextual Frame - এতে বোঝায় দোষটা আপনার না, বরং পরিস্থিতির। তাহলে লোকটা ভাববে: ছেলেটা/মেয়েটা পরিশ্রমী, পরিস্থিতির কারণে চাকরি পাচ্ছে না।

তারপর সে অবশ্যই রিয়েলাইজ করবে: ছেলেটা/মেয়েটা এতো অভিজ্ঞ, অথচ চাকরি পাচ্ছেনা। তখন তাৎক্ষণিকভাবে সে সিমপ্যাথি দেখানোর জন্য হলেও আপনাকে বলবে: ভাই দেখি আমার অফিসে আপনার জন্য কোনো ব্যবস্থা করতে পারি কিনা। আপনি সঙ্গে সঙ্গেই তাকে দায়িত্বের মধ্যে ফেলে দেবেন। বলবেন: আপনি যেহেতু একটা ভালো পোস্টে আছেন, আমি জানি আপনি একটা ব্যবস্থা করতে পারবেন।

"মানুষ অনেক সময় নিজের সম্মান রাখতে কথায় কথায় বলে ফেলে কথাও রাখতে বাধ্য হয়।" এটাকে বলে Commitment-consistency Bias.

Conclusion:
ব্যাপারটা এমন না; যে বাসের পাশের সিটের লোকটাই একটা অফিসের ম্যানেজার হবে (এটা একটা উদাহরণ মাত্র, এমন ভাবেই আসলে নেটওয়ার্কিং হয়ে থাকে)।

কথা বলুন, হতেও তো পারে সে আপনাকে কোনোভাবে সাহায্য করতেও পারে। এমনো তো হতে পারে; যে আপনার দ্বারা কেও সহযোগিতা পেতে পারে (আমরা যদি উপরের ঘটনাটা উল্টো পার্সপেক্টিভে দেখি তাহলেই বোঝা যাবে)।

Networking যেকোনো জায়গা থেকেই শুরু হতে পারে - বাস, কফি শপ, ইভেন্ট, বা অনলাইনেও।
কিন্তু মূল কথা হলো: "Talk with intention, not desperation."

ধন্যবাদ। ❤️

© Rakib Matubbarr
#নেটওয়ার্কিং

29/09/2025

✍️❝আপনিও তুচ্ছ নন। নিজের মূল্য বুঝতে শিখুন।❞

সৃষ্টিকর্তা প্রতিটি মানুষকে তৈরি করেছেন অসীম সম্ভাবনা, মমতা ও ভালোবাসা দিয়ে। আমরা সবাই অনন্য।

কেউ হয়তো গোলাপ হয়ে ফোটে, আর সবাই তার প্রতি আকৃষ্ট হয়, সবকিছু যেন তাকেই কেন্দ্র করে। কিন্তু আপনি যে কদম ফুল, সেই ফুলের উপর যখন শ্রাবণের বারিধারা এসে বিন্দু বিন্দু জমে, আর বিকেলের হেলে পড়া সূর্য যখন বৃষ্টি শেষে মেঘের বুক চিরে উঁকি দিয়ে কদমকে ছুঁয়ে দেয়, সেই বিন্দু বিন্দু জলের ফোঁটা কদমের সঙ্গে দেখতে যে কী অপূর্ব লাগে!

তাই গোলাপ না হতে পারার দুঃখ নিয়ে কেন ঘুরছেন?

✍️❝গ্রাম বাংলায় একটা প্রবাদ বাক্য আছেঃ নিজে ভালো তো জগৎ ভালো।❞আচ্ছা এই কথার সত্যতা কী? আপনি ভালো হলে কি আসলেই দুনিয়া ভাল...
19/09/2025

✍️❝গ্রাম বাংলায় একটা প্রবাদ বাক্য আছেঃ নিজে ভালো তো জগৎ ভালো।❞

আচ্ছা এই কথার সত্যতা কী? আপনি ভালো হলে কি আসলেই দুনিয়া ভালো হবে? নাকি আপনার সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে?
বলছি, আপনি তো নিজে ভালো তাই দুনিয়া ভালো ভেবে নিচ্ছেন। কিন্তু আপনি ভালো থাকবেন কীভাবে যদি না আপনি আপনাকে বৃদ্ধি করেন? অর্থাৎ আপনার মধ্যে থাকা ভালো চরিত্রটাকে অন্যদের মধ্যে ইনস্টল করতে না পারেন?

আমি কখনো খেলা দেখিনা, এমনকি কখনো ফুটবল বিশ্বকাপ ও দেখিনি (২০২২ ফাইনাল ব্যতীত)।
কিন্তু মেসিকে আমার ভালো লাগে, কেন ভালো লাগে, কি কারণ, আমি জানিনা। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে আমার ব্রেনের লজিক কাজ করছে না, আমি অটোমেটেড। আমাদের ব্রেনে "সোশ্যাল কন্ডিশনিং" নামে এক ধরনের প্রক্রিয়া কাজ করে। আশেপাশের মানুষ যেটা প্রশংসা করে, বারবার আলোচনা করে, সেটা আমাদের অবচেতনে ঢুকে যায়।

কেন আমি অটোমেটেড? কারণ আমি আমার বন্ধুদের মুখে শুধু মেসির নাম শুনতাম। আমার বন্ধুরা খেলা দেখত, মেসির ছবি/ নম্বর লাগানো গেঞ্জি গায়ে দিত। আমি আমার বন্ধুদের দ্বারা প্রভাবিত হতাম, আর এ কারণেই আমার মেসিকে ভালো লাগতো।....

( আচ্ছা এটাকি ভালো লাগার কোন কারণ হতে পারে, নাকি সুধুই মেনে নেয়া? আমার আশেপাশের মানুষ করছে বলে আমি করছি, ব্যাপারটা কি এমন নয়? )
...এখনো সেই "সোশ্যাল কন্ডিশনিং" আমার মধ্যে রয়ে গেছে, কিন্তু আমি নিজেকে এখনো প্রশ্নই করিনি মেসিকে কেন ভালো লাগে? এমনকি আমার জীবনে একবারো মন চায়নাই মেসি কীভাবে খেলে সেটা একটু দেখি। কতোটা অন্ধ বিশ্বাসী আমি। এই..... না, আমরা। তবে পার্সপেক্টিভ ভিন্ন।
যাই হোক সে কথায় ফেরা যাক। নিজে ভালো হলে জগত ভালো হবে কীভাবে, যদি আপনার পরিবেশ খারাপ হয়? তাই নিজের মধ্যে থাকা ভালো চরিত্রকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে, নচেৎ আপনিও ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হবেন।

আপনার বন্ধুরা সিগারেট খায়, আপনি ভালো। ভাবছেন, আমি নিজের মতো থাকবো কখনোই এই কাজ করবনা। হয়তো আপনি পারবেন তবে সম্ভাবনা ১% । কিন্তু আপনি যদি আপনার বন্ধুদের মধ্যে একজনকে টার্গেট করেন যে একটু কম খায়, তাকে আপনি আপনার পথে আনতে পারেন কিনা, বা যে খায়না সে যদি ওই পথে যেতে চায় তাকে বাধা দিয়ে আটকানো। এটা করতে পারলে আপনার পক্ষ ভারি হবে। আপনি আপনাকে বৃদ্ধি করতে পারবেন।

"মানুষ তার পরিবেশের গড় মানের মতো হয়ে যায়।" আমরা দেখি, কোন দল যদি ভারি হয়, তারাই প্রভাবশালী হয়ে থাকে। হ্যাঁ, এটা সব ক্ষেত্রেই হয়। তাই ভালো কাজের রেশিও বৃদ্ধি করলে, অর্থাৎ আপনি আপনাকে বৃদ্ধি করতে পারলেই আপনি সমাজে ভালো থাকতে পারবেন।
তাই আপনি আপনাকে বৃদ্ধি করুন। তাহলে এই প্রবাদ বাক্যর পূর্ণতা পাবে।

একটা প্রশ্ন?
আপনার কি মনে হয়, খারাপ জিনিস যেমন দ্রুত ছড়ায়, ভালো জিনিসও কি একই গতিতে ছড়াতে পারে?
ইমমম... নাহ। তাই নিজেকে বৃদ্ধি করতে সময় লাগবে, অধৈর্য হয়ে খারাপে গা ভাসিয়ে দিলে নিজেও হারিয়ে যাবেন।

আমি এখানে "আপনি" চরিত্রকে ভালো হিসেবে রিপ্রেজেন্ট করেছি। তাই "আপনি আপনাকে বৃদ্ধি" বলতেঃ আপনি চরিত্রের ভালো গুণগুলোকে বুঝিয়েছি। আমরা যেন উপরের এই আপনি হয়ে উঠতে পারি - এই প্রত্যাশা।

ধন্যবাদ। ❤️

© Rakib Matubbar

Address

Bagerhat

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Reconnect The Disconnect posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category