GHMC Short Stories

GHMC Short Stories সহোমেক ক্যাম্পাস জীবনে আপনার অব্যক্ত কথা ও ব্যাথা, গল্প ও অভিমতসমূহকে অবয়ব দিন আমাদের এই ক্যানভাস এ!

06/02/2026

BHMS, BAMS, BUMS ভর্তি আবেদনের সময় আর মাত্র ১৩ দিন বাকি!

Medical Life in one image! 🙂
06/02/2026

Medical Life in one image! 🙂

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে!2026 শিক্ষাবর্ষের BHMS / BUMS / BAMS কোর্সে ভর্তির জন্য ভর্তি পরীক্ষার সার্কুলার প্রকাশিত...
29/01/2026

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে!
2026 শিক্ষাবর্ষের BHMS / BUMS / BAMS কোর্সে ভর্তির জন্য ভর্তি পরীক্ষার সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে।

যারা হোমিওপ্যাথি, ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষাকে পেশা হিসেবে নিতে আগ্রহী, তাদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

🔹 BHMS – Bachelor of Homeopathic Medicine & Surgery
🔹 BUMS – Bachelor of Unani Medicine & Surgery
🔹 BAMS – Bachelor of Ayurvedic Medicine & Surgery

২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে BHMS, BUMS, BAMS ভর্তি পরীক্ষা-
অনলাইনে আবেদন শুরু: ০১-০২-২০২৬ (সকাল ১০:০০ টা)
অনলাইনে আবেদন শেষ: ১৮-০২-২০২৬ (রাত ১১:৫৯)
আবেদন ফি জমাদানের শেষ তারিখ: ১৯-০২-২০২৬ (রাত ১১:৫৯)
প্রবেশপত্র ডাউনলোড: ০২-০৩-২০২৬ থেকে ০৩-০৩-২০২৬ পর্যন্ত
ভর্তি পরীক্ষা: ০৬-০৩-২০২৬ (শুক্রবার, বেলা ০৩:০০ টা)

এই তিনটি ধারাই দেশের স্বীকৃত ও মূলধারার চিকিৎসা শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত। সঠিক প্রস্তুতি, সঠিক তথ্য ও সঠিক সিদ্ধান্তই পারে একজন শিক্ষার্থীকে দক্ষ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলতে।

📌 ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য, আবেদনের সময়সীমা ও নির্দেশনা জানতে অফিসিয়াল সার্কুলার ভালোভাবে পড়ুন।

👉 ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের জন্য শুভকামনা।
👉 সঠিক তথ্য পেতে হোমিও কথন-এর সাথেই থাকুন।
©️ হোমিও কথন

আহারে... #26004
28/01/2026

আহারে...

#26004

 #26003
25/01/2026

#26003

 #26002
14/01/2026

#26002

 #26001
07/01/2026

#26001

গ্রীন ভয়েস, সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ  শাখার উদ্যোগে নবীন বরন ও নবান্ন উৎসব ১৪৩২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী আয়োজনট...
04/12/2025

গ্রীন ভয়েস, সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ শাখার উদ্যোগে নবীন বরন ও নবান্ন উৎসব ১৪৩২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী আয়োজনটি কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থী, অতিথি ও পরিবেশবাদী সংগঠনের সদস্যদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আহ্বায়ক জুয়েল রানা এবং সঞ্চালনা করেন সিন্থীয়া শারমিন তিথি। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন গ্রীন ভয়েস সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ শাখার সদস্য সচিব মো. সুমন রানা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ কাম অধীক্ষক ডা অসীম কৃষ্ণ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রীন ভয়েসের প্রধান সমন্বয়ক আলমগীর কবির, সিনিয়র সাংবাদিক ও সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা শুভ কিবরিয়া, সহ-সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির সুমন এবং শাকিল কবির।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ঢাকার ২০টি ইউনিটের প্রতিনিধি এবং কলেজের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ।

উৎসবে বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা পিঠা, নবান্নের খাবার, হস্তশিল্প ও সৃজনশীল স্টলের মাধ্যমে বাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরেন। পরিবেশ রক্ষার সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্লাস্টিক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয় এবং অতিথিদের হাতে পরিবেশবান্ধব চারা গাছ তুলে দেওয়া হয়।

বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। সন্ধ্যায় নবীন বরন শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় নাচ, গান, আবৃত্তি ও নাটিকায় পুরো ক্যাম্পাস উৎসবমুখর পরিবেশে জমে ওঠে।

রাত ১০টায় নৈশভোজের মধ্য দিয়ে নবীন বরন ও নবান্ন উৎসব ১৪৩২-এর আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

০ ৮ জুলাই, মঙ্গলবার,   সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এ  “ফল উৎসব ২০২৫ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান” অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্র...
08/07/2025

০ ৮ জুলাই, মঙ্গলবার, সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এ “ফল উৎসব ২০২৫ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান” অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রীন ভয়েস, সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল মৌসুমি ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, সুস্থ জীবনের জন্য খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরা এবং পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করা।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অত্র কলেজের অধ্যক্ষ-কাম-অধীক্ষক ডা. অসীম কৃষ্ণ চৌধুরী স্যার । শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন গ্রিন ভয়েস সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ শাখার আহ্বায়ক মো. সুমন রানা। গ্রিন ভয়েসের কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের অন্যতম সংগঠক মো: জুয়েল রানা।

সাংস্কৃতিক পর্বে স্বাগত নৃত্য পরিবেশন করে সবার নজর কাড়েন শিক্ষার্থী জয়তুন নাহার।
মৌসুমি ফলের পুষ্টিগুণ নিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন (মেটেরিয়া মেডিকা) বিভাগের প্রভাষক ডা. মো. ইব্রাহিম স্যার । তিনি গ্রিন ভয়েসের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

পরিবেশ সচেতনতা বিষয়ক দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডা. মশিউজ্জামান পান্নু স্যার । তিনি পরিবেশ রক্ষায় গ্রিন ভয়েসের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী খন্দকার নাফিউজ জাহান নসিবের কবিতা আবৃত্তি উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।

অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে গ্রীন ভয়েস এর শরীরচর্চা বিষয়ক কার্যক্রম “উদ্যম” কর্তৃক আয়োজিত প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের বিজয়ী ও রানারআপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে মেডেল ও ট্রফি বিতরণ করা হয়। বিজয়ীদের ট্রফি প্রদান করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর সাধারণ সম্পাদক এবং গ্রিন ভয়েসের প্রধান সমন্বয়ক জনাব আলমগীর কবির। তিনি তার বক্তব্যে পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমে তরুণদের সম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন, যা উপস্থিত সবাই মনোযোগ সহকারে উপভোগ করেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে গ্রিন ভয়েসের কেন্দ্রীয় সহ-সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির সুমন ও শাকিল কবির, কলেজের সম্মানিত শিক্ষক ডা. শাহী এমরান স্যার এবং ডা. খোরশেদ আলম স্যার উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় ১০ প্রজাতির দেশি মৌসুমি ফল পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়। প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির অংশ হিসেবে সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিকের পরিবর্তে কলাপাতায় ফল পরিবেশন করা হয়।
উপস্থিত শিক্ষার্থীরা এ উদ্যোগে অংশ নিতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

🖋️ Md. Sumon Rana

চান্স প্রাপ্তদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন 💐
28/06/2025

চান্স প্রাপ্তদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন 💐

পর্ব: ০৪ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে হোমিওপ্যাথি এবং ক্যারিয়ার ✅ বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথির অবস্থান : ভারতীয় উপমহাদেশে হোমিওপ্যাথ...
03/06/2025

পর্ব: ০৪ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে হোমিওপ্যাথি এবং ক্যারিয়ার

✅ বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথির অবস্থান : ভারতীয় উপমহাদেশে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যপক জনপ্রিয়তা লাভ করে ১৮০০ শতকের প্রথম দিকে। বিশেষ করে হোমিওপ্যাথিক ওষুধের উল্লেখযোগ্য তেমন কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং শিশু রোগের চিকিৎসায় এ পদ্ধতি খুবই নিরাপদ।
এরই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তান আমলে ১৯৬৫ সালে হোমিওপ্যাথিক বোর্ড গঠনের মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিক শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা হয়।
১৯৮০ এর দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৫ বছর মেয়াদী গ্র্যাজুয়েশন (সম্মান) কোর্স প্রবর্তন করা হয়।
১৯৮৩ সালে হোমিওপ্যাথিক অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিক বোর্ড গঠন করে।
এরপর ২০২৩ সালে মহান জাতীয় সংসদে "হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন-২০২৩ " পাশ হওয়ার পর হোমিওপ্যাথিক বোর্ড বিলুপ্ত হয়ে "হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিল "এ রুপান্তরিত হয়। কাউন্সিল এর মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো সুগঠিত করা হয়। এ ছাড়া স্বাস্থ্য সার্ভিসের মহা পরিচালকের অধিদপ্তরে একটি হোমিওপ্যাথিক দেশজ চিকিৎসার পরিচালকের দপ্তর সৃষ্টি করা হয়।

বর্তমানে দেশে ১টি সরকারি এবং একটি বেসরকারি গ্যাজুয়েশন (সম্মান) ডিগ্রি প্রদানকারী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও ৬২টি ডিপ্লোমা ডিগ্রি প্রদানকারী হোমিওপ্যাথিক মেজকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত আছে। দেশে প্রায় দেড় হাজার ব্যাচেলর ডিগ্রিধারী (BHMS) এবং বহু সহস্র ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী ডাক্তার চিকিৎসাসেবা প্রদান করে যাচ্ছেন।

দেশের মোট জনসমষ্টির একটি বিরাট অংশ ( ৪৫%) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করে থাকে। আর অন্যান্য চিকিৎসায় বিফল হয়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণকারী রোগীর সংখ্যা কম নয়।

✅ সুবিধাসমুহ ও চাকরির ক্ষেত্র:
# # বিভিন্ন হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এ শিক্ষকতার সুযোগ।
# # বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতালে এবং বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ এ সরকারি নিয়োগপ্রাপ্ত BHMS ডিগ্রিধারী ১ম শ্রেণীর চিকিৎসকরা সেবা প্রদান করছেন।

# # দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতাল, জেলা ও উপজেরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এবং মেডিকেল কলেজ এ মেডিকেল অফিসার হিসেবে BHMS চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

# # ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মেডিকেল সেন্টারে BHMS চিকিৎসকরা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা প্রদান করছেন।

# # ঢাকা সিটি কর্পোরেশনসহ দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনে BHMS চিকিৎসকরা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা প্রদান করেছেন।
# # ইসলামিক মিশনে BHMS চিকিৎসকরা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা প্রদান করছেন।

# BCS (সাধারণ) পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করা যায়।

# সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান:
বেসিক হোমিওপ্যাথিক ক্লিনিক (প্রা:) লি: ,
ইসলামী ব্যাংক হোমিওপ্যাথিক ক্লিনিক,
আহসানিয়া মিশন,
ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এছাড়াও ৩৫ টি এর উপর হোমিও ফার্মেসিতে
ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে BHMS চিকিৎসক কর্মরত আছেন।

# আরো রয়েছে পার্সনাল চেম্বারে প্রাকটিস করে মানবসেবা এবং অর্থ উপার্জনের বিশাল সুযোগ।

# ইন্টার্নি চলাকালিন সময়ে মাসিক ১০,৫০০/-টাকা করে ভাতা প্রদান করা হয়।

# BHMS পাস করার পর দেশে বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর ডিগ্রি (MD,consaltent,specialist of medicine) ইত্যাদি ডিগ্রী অর্জন করা যায়।

সম্পাদনায়: Md. Sumon Rana

পর্ব ০৩: BHMS কোর্সের পরীক্ষা পদ্ধতি আপনাদের মধ্যে অনেকেই  BHMS কোর্স কারিকুলাম এবং এর পরীক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত...
03/06/2025

পর্ব ০৩: BHMS কোর্সের পরীক্ষা পদ্ধতি

আপনাদের মধ্যে অনেকেই BHMS কোর্স কারিকুলাম এবং এর পরীক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন।
আজকের পর্বে আমরা জানবো BHMS এর পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে।
বাংলাদেশের অন্যান্য মেডিকেল কলেজের পরীক্ষা পদ্ধতির মতোই সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এর পরীক্ষা পদ্ধতি চারটি ধাপে বিভক্ত : আইটেম, কার্ড, টার্ম ও প্রফ।

✅ আইটেম : এটি ১০ নম্বরের একটি মৌখিক বা লিখিত পরীক্ষা । শিক্ষক তাঁর লেকচারের ওপর শ্রেণিকক্ষে এ পরীক্ষা নিয়ে থাকেন। আইটেমকে মেডিক্যাল পাসের ‘মৌলিক একক’/ building blocks বললেও ভুল হবে না। প্রতিটি বিষয়কে ছোট ছোট আইটেমে ভাগ করে পড়ানো হয়। পাস নম্বর ছয়।

একটা টপিক খুব সুন্দরভাবে আয়ত্ত করতে হলে আইটেমগুলো সিরিয়াসলি দেয়ার কোনো বিকল্প নেই, কারণ পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে আস্তে আস্তে সিলেবাস আরো বাড়তে থাকে, details এ পরার enough time পাওয়া মুশকিল হয়ে যায়।

✅ কার্ড : সময় ও গুরুত্বের ওপর নির্ভর করে এই পরীক্ষা নেওয়া হয়। একটি কার্ডের অধীনে অনেক আইটেম থাকে, যা পাস না করলে কার্ড ফাইনালে বসা যায় না। কার্ড ফাইনাল পরীক্ষা হবে কি না এটা নির্ভর করে কার্ডের গুরুত্বের ওপর। যেমন এনাটমি বিষয়টিকে ছয়টি কার্ডে ভাগ করা হয়েছে। সব কয়টি কার্ডেই কার্ড ফাইনাল হয়। তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে গেলে কার্ড পরীক্ষাটা জরুরি নয়। তবে টার্ম ফাইনাল পরীক্ষার মুখোমুখি হতেই হবে। এ পরীক্ষায় পাস করতে না পারলেই বিপদ। পেশাগত পরীক্ষায় বসা যাবে না। পিছিয়ে পড়তে হবে অনেকটা সময়।

✅ টার্ম ফাইনাল : অনেকগুলো কার্ড মিলে একটি টার্ম ফাইনাল। একটি টার্ম শেষ হলে টার্ম ফাইনাল পরীক্ষা। এতে পাস না করলে পেশাগত পরীক্ষা বা প্রফ-এ বসা যাবে না। টার্ম ফাইনালে বসতে হলেও সব কয়টি আইটেম শেষ করতে হবে। টার্ম ফাইনালকে অনেকটা ছোটখাটো প্রফ এক্সাম এর মত বলা যায়।

✅ পেশাগত পরীক্ষা : ডাক্তার হওয়ার মূল পরীক্ষা। চারটি পেশাগত পরীক্ষা হয়। টার্ম শেষ না হলে পেশাগত পরীক্ষায় বসা যায় না।
BHMS কোর্সে কলেজভিত্তিক পরীক্ষাগুলোয় ৬০ শতাংশ নম্বর পেয়ে পেশাগত পরীক্ষার জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। পাঁচ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৫৫০০ নম্বরের ৪টি Professional (পেশাগত) পরীক্ষায় উত্তীর্ন হতে হয়। সাফল্যের সঙ্গে পড়াশোনা শেষ করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন এর মাধ্যমে সার্টিফিকেটর (BHMS) ডিগ্রি প্রদান করে। এরপরে আপনার নামের আগে যুক্ত হবে বহু আকাঙ্ক্ষিত Dr. নামক পদবিটি।

✅ সাপ্লি: কোন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে সে ক্ষেত্রে আরেকটি অতিরিক্ত পরীক্ষা যুক্ত হয় যার নাম সাপ্লিমেন্টারি(Supplementary) এক্সাম, সংক্ষেপে সাপ্লি(Supple)।
মেডিকেলে সাপ্লি খাওয়াটা খুবই নরমাল ব্যাপার। নতুন পরিবেশ, হতাশা, অসুস্থতা (শারিরীক, মানসিক), সঠিক পরিচর্যার অভাব সহ আরো বহুবিধ কারণে একজন মেধাবী মেডিকেল শিক্ষার্থীও সাপ্লি খেতে পারে। তাই এটাতে হতাশ না হয়ে পূর্ণোদ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা লালন করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

Address

Banani Model Town

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GHMC Short Stories posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share