Govt. Titumir College

24/07/2026

তিতুমীর কলেজে আবার ইন্টারমিডিয়েট ঢুকানোর পায়তারা, মানি না, মানব না।

13/07/2026

Rain in Titumir College

Courtesy: Rehan Mehedi

অভিনন্দন লিতু হোসেন
10/07/2026

অভিনন্দন লিতু হোসেন

02/07/2026

আপনি যদি ইতিহাসের দিকে তাকান, তাইলে দেখবেন পৃথিবীর প্রায় কোন গণঅভ্যুত্থান বা বিপ্লবই জনগণের আকাঙ্ক্ষা পুরো করতে পারে নাই।

১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান স্বাধীনতা পেলো। মানুষ এক বুক স্বপ্ন নিয়ে আজাদি খুঁজলো। কিন্ত কম্যুনিস্টরা আওয়াজ তুললো

- লাখো ইনসান ভুখা হ্যায়...ইয়ে আজাদি ঝুটা হ্যায়।

১৯৭১ এ দেশ স্বাধীন হলো। স্বাধীন বাংলাদেশে সবকিছু বদলে যাবে মানুষের স্বপ্ন তো এরকমই ছিলাম। কিন্ত তারপরেও আওয়াজ উঠলো

- একাত্তরে স্বাধীন হলেও মুক্তিযুদ্ধ হয়নি শেষ..গর্জে উঠো বীর জনতা..গর্জে উঠো বাংলাদেশ।

ফরাসি বিপ্লবের পর প্রায় তিন দশক ধরে চললো অরাজকতা। এমনকি বিপ্লবের পরেও হলো ভয়াবহ রক্তপাত।যেটাকে বলা হয় "Reign of Terror"

চীনের বিপ্লবের পর মাও সে তুং শুরু করলেন কালচারাল বিপ্লব। তার উদ্ভট সব এক্সপেরিমেন্টে প্রাণ হারালো মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ।

মানুষ সংগ্রাম করে। যুদ্ধ করে। বিপ্লব করে।

স্বপ্ন নিয়ে। কিন্ত এই সংগ্রাম-বিপ্লব-অভ্যুত্থান এর পেছনে কি শুধু স্বপ্নই থাকে? আর কিছুই না?

এই অভ্যুত্থান/বিপ্লব এই সব কি তাইলে মিথ্যা?

______

একটা ছোট্ট প্রশ্ন করি।

৫ তারিখ সকাল বেলা আপনারা যারা রাস্তায় নামছিলেন...আমরা যারা রাস্তায় নামছিলাম...তারা ঠিক কেন নামছিলেন? আমরা কেন নামছিলাম?

আমার প্রশ্নের উত্তরে অনেকে অনেক রকম উত্তর দিবেন।

কিন্ত বাস্তব উত্তর হচ্ছে...

৫ তারিখ সকাল বেলা আমরা সবাই মরার জন্য রাস্তায় নামছিলাম।

আপনি জানতেন...এইটা ওয়ান ওয়ে রোড।

কিন্ত কেন?

এইটা কি স্বপ্নের জন্য? পরিবর্তনের জন্য?

৫ তারিখ এতো কিছু ভাবার পরিস্থিতি আমাদের ছিলো?

_______

জুলাই মাসের ১৭ তারিখের পরে বাংলাদেশের কোন সুস্থ-স্বাভাবিক পরিবার কি রাত্রে শান্তিতে ঘুমাইতে পারছে?

মনে পরে?

ফেসবুকে ব্লক রেইডের আপডেট। টেলিগ্রামে সাবধান বাণী। মরিয়া হয়ে নাম না জানা কাউকে বাঁচাবার চেষ্টা।

এর মাঝে চলতেছে ক্র‍্যাক ডাউন। সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে "ছাত্র" খুঁজতেছে।

এই সব কি জাস্ট স্বপ্নের জন্য? সেই স্বপ্নটা বাস্তব না হলেই কি সব বৃথা হয়ে যায়?
........

সারা বাংলাদেশ কি সে সময় জেগে ছিলো না।

দেশে - কিংবা প্রবাসে?

কেন?

এক বুক অসহায়ত্ব, ক্রোধ , রাগ নিয়ে পুরো বাংলাদেশ কেন জেগে ছিলো?

অদ্ভুত বিষন্ন সে সব রাত। রাতের আকাশটাও জানতো...আজকে মানুষ গুলার মন ভালো নাই।

" কথা বলো রাত,আর কথা বলো তারা,
বলো, যারা জেগে আছে,
ভালো নেই তারা।"

_____

জুলাই বললে আপনার চোখের সামনে কি ভাসে আমি জানি না।

আমার চোখের সামনে লাশ ভাসে।

আমার চোখের সামনে সেই ছাত্রের লাশ ভাসে যে রিকশায় নিজের শরীর এলিয়ে দিছিলো। তার লাশ টানতে গিয়ে তার বাপের বয়সী রিকশাওয়ালা মাইর খাইছিলো।।কিন্ত লাশ নিয়ে যাইতে দেয় নাই। পরম যত্নে আগলে রাখছিলো।

আমার চোখের সামনে ভাসে সমকালের একটা নিউজ। খুব সম্ভবত শনির আখড়ার ঘটনা।

হেলিকপ্টার এর গুলি ঠেকাইতে সাধারণ মানুষজন লাটাই-ঘুড়ি নিয়ে আকাশ ছেয়ে ফেলছিলো। শাকরাইন আসার আগেই আকাশ ছেয়ে গেছিলো শাকরাইনের ঘুড়িতে।

আমার কানে বাজে মাগরিবের ওয়াক্তে সেই ইমামের সাহসী উচ্চারণ। আজানের সময় ও গুলির আওয়াজ চলাতে যে বলেছিলো

- এই মাগরিবের ওয়াক্তেও যারা গোলাগুলি করছেন...আমি আপনাদের জাহান্নামের সুসংবাদ দিচ্ছি।

আমার কানে বাজে আবিদদের সেই কাতর অনুরোধ-

-"প্লিজ...কেউ কাউকে ছেড়ে যাইয়েন না।"

আমার কানে বাজে সলিমুল্লাহ স্যারের জীবনের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ততম ভাষণের দৃপ্ত উচ্চারণ: আর এক মুহূর্ত ক্ষমতায় থাকার অধিকার এই সরকারের নেই।
........

জুলাই মানে কারবালা। জুলাই মানে আশুরা।

জুলাই মানে মায়ের আহাজারি। বোনের আর্তনাদ। ভাইয়ের অক্ষম ক্রোধ। মধ্যবিত্ত বাবার সন্তানের লাশের খোঁজে হাসপাতালে হাসপাতালে ছুটে ফেরা।

জুলাই মানে সেই সময়...যখন মহররম এর আগেই আমাদের মাঝে আশুরা নেমে এসেছিলো।
______

৫ তারিখ সকাল বেলা ঢাকায় দুইটা বড় মিছিল ঢুকে। একটা গাজীপুর থেকে। আরেকটা নারায়ণগঞ্জ থেকে।

নারায়ণগঞ্জের সেই মিছিলে কোন কারণ ছাড়াই একটা যুবক বয়সী ছেলে অংশ নিছিলো। যে না ছিলো ছাত্র। না ছিলো রাজনৈতিক কর্মী।

যথারীতি মিছিলে গুলি চলেছিলো। ছেলেটাও গুলি খেয়েছিলো।

মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ছেলেটার এক্টাই প্রশ্ন ছিলো

- আমরা কি জিতছি? হাসিনা কি গেছে?

মৃত্যু শয্যায় ছেলেটার ভাই যখন জানায় হাসিনা পালিয়ে গেছে.. ছেলেটা মিষ্টি হেসে চোখ বন্ধ করে।

( খুব সম্ভবত বিজনেস স্টান্ডার্ড এটা নিয়ে রিপোর্ট ও করছিলো।)

মানুষ কেন পাগলের মতো রাস্তায় নেমে এসেছিলো...তার উত্তর সেই ছেলেটার শেষ হাসির মাঝেই আছে।

_______

গণঅভ্যুত্থান বা বিপ্লব কখনোই সব মানুষের সব চাহিদা-আশা পূরণ করতে পারে না।

গণঅভ্যুত্থানের নানান মতের নানান মানুষ যোগ দেয়।এর এক্টাই কারণ থাকে...তখন চোর-ডাকাত-ভদ্রলোক-ইঞ্জিনিয়ার-ডান-বাম কোন আলাদা পরিচয় থাকে না।

তখন এক্টাই পরিচয় থাকে। মজলুম। আর জালিম।

জালিমের জুলুমের জবাব দিতে মানুষ রাস্তায় নামে।

জালিমের প্রতিটা চিহ্ন উপড়ে ফেলে।

জালিমের পতন ঘটায়। এরপর ঘরে ফিরে যায়।

শুধু মাত্র কোন মহান স্বপ্ন-পরিবর্তন এদের নামায় না।

মানুষ সবসময় স্বপ্নের জন্য রাস্তায় নামে না। কখনো কখনো মানুষ রাস্তায় নামে: কারণ তখন আর ঘরে বসে থাকা যায় না। সময় সেই সুযোগ তাকে দেয় না।

তখন মানুষ রাস্তায় নামে অপমানের জবাব দিতে।
সন্তানের রক্তের হিসাব নিতে।
বুকের মধ্যে জমে থাকা অসহায় ক্রোধ উগড়ে দিতে।

" তোমরা হয়তো যাইবা ভুলে, খুনি হাসিনার ইতিহাস
সেই মায়ে রাখবো মনে, যে ছুঁইছে পোলার লাশ"

সেদিন মানুষ রাস্তায় নেমেছিলো সন্তান হত্যার বদলা নেবার জন্য।

ইতিহাস স্বাক্ষী...মানুষ তার সন্তান হত্যার বদলা নিয়েছে।

________

জুলাই এ জীবন দেওয়া কতোজন মানুষ নাহিদকে চিনতো? কতোজন মানুষ তারেক রহমানের জন্য জীবন দিছে?

মানুষ জীবন দিছে জুলুমের বিরুদ্ধে। মানুষ জীবন দিছে তার সন্তান হত্যার জবাব দিতে।

তাই জাতীয় সংসদের ৩০০ সংসদ সদস্য যদি বিক্রিও হয়ে যায়...বিএনপি-জামাত-এনসিপি-বাম সবাই যদি বিক্রিও হয়ে যায়..জুলাই মিথ্যা হয়ে যাবে না।

কারণ ইতিহাস স্বাক্ষী..জালিমের পতন হয়েছে।
মজলুমরা জালিমদের টেনে নামিয়েছে।

কতো দুর্ভাগা তারা...যারা দুপুরের রান্না করা খাবারটা পর্যন্ত খেতে পারে নাই। এক কাপড়ে পালাতে হইছে।

পাড়ার ধাওয়া খাওয়া চোর যেভাবে পালায়...ঠিক সেভাবে...
...........

আমাদের সন্তানদের রক্তে... প্রচন্ড ধ্বংস আর প্রলয়ের মাঝে দিয়ে জন্ম নেওয়া অদ্ভুত এক অনুভূতির নাম জুলাই।

জুলাই আমাদের বদলে দিয়েছে। সেই বদলে যাওয়াটা হয়তো আপনি-আমি নিজেও সব সময় অনুভব করতে পারি না। W. B. Yeats এর ভাষায়:

“All changed, changed utterly:
A terrible beauty is born.”

______

জুলাইকে আপনারা সবাই মিলে চাইলেও মুছতে পারবেন না।

জুলাইকে বিএনপি-জামাত /ইসলামিস্ট বা বামরা ছিনতাই করতে চাইলেও পারবে না।

কিন্ত যারাই জুলাই বিক্রি করবে/বিক্রির চেষ্টা করবে....তাদের মানুষ মনে রাখবে।

“History will not ask who inherited July. It will ask who betrayed it."

কারণ লাখ লাখ কিশোর - তরুণ এমনকি মধ্য বয়স্ক মানুষের জীবনে জুলাই সবচেয়ে বড় ঘটনা। এরা এরকম বড় ঘটনা আর দেখেনি। ভবিষ্যতেও আর দেখবে না।
.........

আর জুলাই এর সবচেয়ে বড় শিক্ষাই হচ্ছে জালিম যতো শক্তিশালীই হোক তার পতন অবশ্যম্ভাবী।

নমরূদ পারে নাই। ফেরাউন পারে নাই। হাসিনা পারে নাই। সামনেও কেউ পারবে না।

কারণ:

لكل فرعون نيل ينتظره

প্রত্যেক ফেরাউনের জন্যই এক নীলনদ অপেক্ষা করে।

M. Hassan

১ম বর্ষ
01/07/2026

১ম বর্ষ

29/06/2026

ব্রাজিল ফ্যানদের উল্লাস

আজ জার্মানির বিপক্ষে বিশ্বকাপে মাঠে নামবে কুরাসাও (Curaçao)। ক্যারিবীয় ছোট্ট এক দ্বীপ। আয়তন মাত্র ৪৪৪ বর্গকিলোমিটার। ব...
14/06/2026

আজ জার্মানির বিপক্ষে বিশ্বকাপে মাঠে নামবে কুরাসাও (Curaçao)। ক্যারিবীয় ছোট্ট এক দ্বীপ। আয়তন মাত্র ৪৪৪ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশের অনেক উপজেলাই এর চেয়ে বড়।

কুরাসাওয়ের জনসংখ্যা মাত্র ১ লাখ ৫৫ হাজার। ঢাকার একেকটা আবাসিক এলাকাতেও এর চেয়ে বেশি মানুষ থাকে।

কুরাসাও পূর্ণ স্বাধীন রাষ্ট্রও না। নেদারল্যান্ডস রাজতন্ত্রের অধীনে ২০১০ সালে মাত্র Country status পেয়েছে।

ওদের কোনো স্বাধীনতা যুদ্ধ নাই। "ত্রিশ লাখ" শহীদ নাই। স্বাধীনতার চেতনাও নাই। উন্নয়নের মেগাপ্রজেক্ট নাই। টকশোর বুদ্ধিজীবী নাই। ফেসবুকের বিপ্লবীও নাই। তারপরও তারা আজ একটা বিশ্ব আসরে।

এসব শুনে এখনই আশ্চর্য হওয়ার কিছু নাই। লজ্জিত হওয়ার তো দরকারই নাই।

বরং ক্যারিবিয়ান আরেকটা দ্বীপের কথা বলি। নাম মন্টসেরাট (Montserrat)। কুরাসাওয়ের মতো এটাও স্বাধীন রাষ্ট্র না। ব্রিটিশ ওভারসিজ টেরিটোরি।

মন্টসেরাটের জনসংখ্যা ৫ হাজারেরও কম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইটা আবাসিক হলে বা ঢাকার একটা বড় মাদরাসায়ও ৫ হাজারের বেশি ছাত্র থাকে।

কিন্তু এই মন্টসেরাট দ্বীপটাও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে উপরে।

ফুটবল র‍্যাংকিং অবশ্যই কোনো জাতির বীরত্বের বা সাফল্যের উল্লেখযোগ্য কোনো মাপকাঠি না। কিন্তু রাষ্ট্রের সংগঠন, পরিকল্পনা, শৃঙ্খলা এবং জনগণের সামগ্রিক সক্ষমতার একটা ছোট ইন্ডিকেটর তো বটেই।

মাত্র ৫ হাজার মানুষের ভেতর থেকেও একটা দেশ ১১ জন ফুটবলার বের করতে পারে।

আর আমরা ২০ কোটি মানুষ মিলে প্রতিদিন অনলাইনে বিপ্লব করি, ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা কিংবা আমেরিকা-ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করি।

শুধু নিজেদের জন্য ১১ জন যোগ্য পারফর্মার খুঁজে পাই না।

রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা, শৃঙ্খলা, পরিকল্পনা ও সাফল্যের এই অভাব আমাদেরকে মোটেও লজ্জিত করে না।

আর তাই কুরাসাও বিশ্বকাপে যায়। আমরা ফেসবুকে যাই।

হিসাববিজ্ঞান বিভাগের  চতুর্থ বর্ষের ইনকোর্স পরীক্ষার রুটিন
14/06/2026

হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ইনকোর্স পরীক্ষার রুটিন

এই ছেলের নাম সঞ্জয় দেব। বাংলাদেশের ছেলে, সিলেটের শ্রীমঙ্গলের সন্তান। বিশ্বমঞ্চে, ফিফা বিশ্বকাপের অনুষ্ঠানে গান গাইতে উঠে...
13/06/2026

এই ছেলের নাম সঞ্জয় দেব। বাংলাদেশের ছেলে, সিলেটের শ্রীমঙ্গলের সন্তান। বিশ্বমঞ্চে, ফিফা বিশ্বকাপের অনুষ্ঠানে গান গাইতে উঠে তিনি নিজের পোশাকে তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের পরিচয়। সেখানে ছিল রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মোটিফ, শাপলা ফুলের নকশা, আর লাল-সবুজ পতাকার ছাপ। মঞ্চে দাঁড়িয়ে বারবার যেন বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছেন সেই পতাকার দিকে।

এই ছেলেটা হিন্দু। এই পরিচয়টা আমার কাছে এই মুহুর্তে একটা বিশেষ পরিচয়। কারন এদেশের অনেক মুসলমান মনে করে এদেশের হিন্দুরা বাংলাদেশকে নিজেদের দেশ মনে করেনা, তারা ভারত পন্থী। আদতে এইটা যে একটা মহা ভুল পার্সেপশন সেইটার অজস্র উদাহরন আছে, সঞ্জয় দেবের ঘটনাও সেই উদাহরনের তালিকায় যুক্ত হইলো। একজন হিন্দু, বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত কানাডিয়ান, সে চাইলে বাংলাদেশ অংশটাকেই এডায়া যাইতে পারতো, অথচ সে বরং আমার দেশের জাতীয় পশু ও ফুল, পতাকা তার জামায় এঁকে সবাইকে, বিশ্ববাসীকে দেখায়া ফ্লেক্স নেয়ার চেস্টা করলো, যেন সে বলতে চায়- ও পৃথিবী দেখো, আমি একজন বাংলাদেশী।

হ্যাটস অফ ম্যান 🙏

09/06/2026

Address

Banani Model Town

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Govt. Titumir College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Govt. Titumir College:

Shortcuts

Share