24/04/2026
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ইরানকে হুমকি দিয়েছে—“প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেব।”
সকালে ঘুম থেকে উঠে ভাবছিলাম, আমার বাসায় তো কয়েকদিন ধরে সকালে কারেন্ট থাকেনা।
তাহলে কি আমরা আস্তে আস্তে অতীতেই ফিরে যাচ্ছি?
কিন্তু “অতীত” আসলে শুধু অন্ধকার না—
ওটা ছিল মানুষে মানুষে আলোর সময়।
আগে কারেন্ট গেলে,
বাড়ির বারান্দা হয়ে উঠত গল্পের মঞ্চ,
প্রতিবেশীরা হঠাৎই হয়ে যেত কাছের মানুষ,
আর আকাশটা—নিঃশব্দে সবার ছাদ হয়ে থাকত।
এখন কারেন্ট গেলে—
আলো যায়, সাথে কথাও যায়।
স্ক্রিন নিভে গেলে আমরা যেন নিজেরাও একটু নিভে যাই।
আমেরিকা ইরানকে প্রস্তর যুগে পাঠাবে কিনা জানি না,
কিন্তু আমরা কি নিজেরাই ধীরে ধীরে এমন এক যুগে ঢুকে পড়ছি—
যেখানে আলো আছে, কিন্তু উষ্ণতা নেই?
তবু, এই অন্ধকারের ভেতরেও একটা বোহেমিয়ান পথ আছে—
সৌরবিদ্যুৎ।
সূর্য তো প্রতিদিনই উঠে—
কোনো বিল চায় না, কোনো লাইনের অপেক্ষা করায় না।
ছাদের ওপর কয়েকটা প্যানেল,
আর একটু ইচ্ছে—
হয়তো সেটাই হয়ে উঠতে পারে নিজের আলোর স্বাধীনতা।
হয়তো আমরা পুরো পৃথিবী বদলাতে পারব না,
কিন্তু নিজের আকাশের নিচে
নিজের মতো করে একটু আলো জ্বালাতে পারি।
বোহেমিয়ান জীবনটা এমনই—
অভাবের ভেতরেও নিজের মতো করে বাঁচার একরকম শিল্প,
অন্ধকারের ভেতরেও
নিজের আলো খুঁজে নেওয়ার এক নীরব স্বাধীনতা।
২৪০৪২০২৬