এশো আলোর পথে

এশো আলোর পথে Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from এশো আলোর পথে, Video Creator, কর্নকাঠী,৭নংচরকাউয়া ইউনিয়ন, বরিশাল সদর,বরিশাল, Barisal.

.📖 ইসলামিক শিক্ষা ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করি নিয়মিত।
💡 ইতিবাচক চিন্তা ও জীবনঘনিষ্ঠ অনুপ্রেরণা দিতে ভালোবাসি।
🤲 জ্ঞান, ইমান ও সচেতনতার পথে এগিয়ে চলাই আমার লক্ষ্য। আমি মূলত পার্সোনাল ও ইসলামিক বিষয় নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করি। জীবনের নানা অভিজ্ঞতা, শেখা এবং অনুপ্রেরণামূলক ঘটনাগুলো আমি শেয়ার করি যাতে অন্যরা উপকৃত হতে পারেন। ইসলামিক কনটেন্টের মাধ্যমে আমি কোরআন ও হাদিস থেকে পাওয়া শিক্ষা সহজভাবে উপস্থাপন

করার চেষ্টা করি। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ভাবনা, জীবনঘনিষ্ঠ টিপস এবং ইতিবাচক চিন্তাধারাও তুলে ধরি। আমার উদ্দেশ্য হলো মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং সবার মাঝে ইতিবাচকতা ছড়িয়ে দেওয়া। আশা করি আমার লেখা ও শেয়ার করা বিষয়গুলো আপনাদের জীবনেও অনুপ্রেরণা যোগাবে।
#এশো আলোর পথে

দান করুন গোপনে আল্লহকে খুশি রাখার জন্য। শুভ দুপুর।
26/10/2025

দান করুন গোপনে আল্লহকে খুশি রাখার জন্য। শুভ দুপুর।

আছছালামুআলাইকুম শুভ সকাল।
26/10/2025

আছছালামুআলাইকুম শুভ সকাল।

যে আমার পোস্টে রেসপন্স করবেন আমি তার আইডি/পেইজে সবসময়ই সাপোর্ট করি। কারন এতে সবাই  উৎসাহিত আমাকে আরও বেশি বেশি সাপোর্ট ক...
25/10/2025

যে আমার পোস্টে রেসপন্স করবেন আমি তার আইডি/পেইজে সবসময়ই সাপোর্ট করি। কারন এতে সবাই উৎসাহিত আমাকে আরও বেশি বেশি সাপোর্ট করে।ধন্যবাদ সবাইকে। শুভ দুপুর।

25/10/2025

শুভ সকাল বন্ধুরা

24/10/2025

যারা শিশুকে টাইফয়েডের ভ্যাকসিন দিচ্ছে। তাদের ঈমান নাই। Wait গালি দিয়েন না।প্রথম যেদিন এই ভ্যাকসিনের ক্যাম্পেইন দেখলাম। ...
23/10/2025

যারা শিশুকে টাইফয়েডের ভ্যাকসিন দিচ্ছে। তাদের ঈমান নাই।

Wait গালি দিয়েন না।

প্রথম যেদিন এই ভ্যাকসিনের ক্যাম্পেইন দেখলাম। আমিও বাচ্চাকে এই ভ্যাকসিন দিতে আগ্রহী হয়ে পোস্ট করি। অন্ততপক্ষে দুজন ইনবক্স করে টীকা দিতে না করলো।

আমেরিকায় নাকি এই টীকা দেয় না। তাঁর আত্মীয় আমেরিকান ডাক্তার। উনি দিতে না বলছে। ইত্যাদি।

ছোটবেলায় বেশ কিছু অন্ধের সাথে কথা বলার সুযোগ হয়েছিলো। তাদের চোখের কথা জিজ্ঞেস করলে বলতো, টাইফয়েড জ্বরের কারণে অন্ধ হয়ে গিয়েছে।

তাহলে ভ্যাকসিন দিলে যদি ঝুঁকিমুক্ত থাকা যায়। কেন দিবো না?

এখন এই ভ্যাকসিন শিশুদের দেওয়ার পক্ষে বহু চিকিৎসক ফেসবুকে প্রচারণা চালাচ্ছে। আমি তাদের এই উদ্যোগকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

কিন্তু এক লোককে দেখতেছি কয়েক মাস ধরেই এই ভ্যাকসিন থেকে শুরু করে যত ধরণের মেডিসিন আছে। সবকিছুর বিপক্ষে ফেসবুকে অত্যন্ত বাজে প্রচারণা চালাচ্ছে।

কখনও ধর্মকে পুঁজি করে। কখনও তাঁর ছাগলামি গবেষণাকে পুঁজি করে।

'ভ্যাকসিন দিবেন না' ভ্যাকসিন দিলে মানুষ বন্ধা হয়ে যায়। ক্যান্সার হয়। ঈমান নষ্ট হয়ে যায় ব্লা ব্লা। এমন পোস্টে শত শত তাঁর ফলোয়ার্সদের কমেন্ট। তাঁর মধ্যে একটি কমেন্ট ঠিক এমন - 'ধন্যবাদ ভাই। আপনার মতো আদর্শবান ডাক্তারই আমাদের প্রয়োজন। অন্যান্য সব ডাক্তার ব্যবসায়ী।'

সে উত্তর দিলো, 'নাহ ভাই। আমি ডাক্তার নই। আমি একজন সু-নাগরিক।'

তাঁর প্রোফাইল ঘেটে দেখলাম। সে একজন সময় ছিলো জোকার। কোন ডাক্তার নয়। মীরাক্কেল আক্কেল চ্যালেঞ্জারে জোক্স বলতো। সেই লোক আজকে বিরাট বড় স্বাস্থ্যসচেতন ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে গেছে।

তাঁর আরেকটি পোস্ট এখানে দিচ্ছি -

'অসুস্থ হলে যারা মধু পান না করে প্যারাসিটামল খায়-
তাদের আসলে ঈমান ঠিক নাই!'

মানে কত বড় মদন এই লোক। ওনার আইডিতে শুধু আপনি পাবেন এই ধরণের উদ্ভট সব পোস্ট। ভ্যাকসিন। মেডিসিন। কিছুই খাইতে পারবি না।

এখন আপনার মনে হতে পারে, এসব করে তাঁর কী লাভ? সে তো মানুষকে সচেতন করছে। নিঃস্বার্থভাবে।

আমিও এটাই ভেবেছিলাম - কিন্তু না। সে আসলে ব্যবসায়ী। কোর্স ব্যবসায়ী।

কক্সবাজারে ৫-৭ দিন তাঁর আন্ডারে নানান ধরণের ব্যায়াম করতে হবে। খাবার খেতে হবে। সে শরীরকে বিষমুক্ত করে দিবেন। বিনিময়ে আপনাকে গুনতে হবে ২১ হাজার টাকা। কখনওবা ১০ হাজার টাকা।

এই যে, সারাদিন ভ্যাকসিন নিবেন না। নিবেন না বলে মাইকিং করে বেড়াচ্ছে। এই ব্যাটার হাতে খোঁজ নিলে দেখা যাবে টিকার দাগ আছে।

১০০-২০০ বছর আগে মানুষের গড় আয়ু ছিলো ৪০-৫০ বছর। মানুষ হাঁচি কাশি হলেও মরে যেত। পাতলা পায়াখানা হলেও মরে যেত।

বিশুদ্ধ পানি ছিলো না।
সংক্রামক রোগ (যেমন যক্ষ্মা, গুটি বসন্ত, টাইফয়েড, কলেরা) অপুষ্টি, চিকিৎসার অভাব, নবজাতক ও প্রসূতি মৃত্যুহার খুব বেশি ছিল।

আজকে মানুষের গড় আয়ু সত্তরের ঘরে। সম্ভব হয়েছে কীভাবে? আধুনিক চিকিৎসা ও মেডিসিন গ্রহণের কারণে।। ভ্যাকসিনের কারণে। মানুষের প্রজন্মের পর প্রজন্ম ভ্যাকসিন নেওয়ায় এন্টিবডি তৈরি হয়েছে। এখন খাদ্যে বিষ খেলেও অত দ্রুত আমরা মরছি না। ধীরে ধীরে মরছি। দুশ বছর আগে খাদ্যে এমন ভেজাল থাকলে গড় আয়ু কত হতো!

এক সময় পোলিও রোগী দেখতাম। এখন আর দেখা যায় না। ২০১৪ সালে বাংলাদেশকে পোলিও মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সম্ভব হয়েছে এসব ভ্যাকসিনের জন্য।

আর এই মোদনকে বলে, মেডিসিন খেলে ঈমান থাকবে না। ভ্যাকসিন নেওয়া হারাম। ব্লা ব্লা।

আগামী বছর থেকে শুনলাম, টীকা কার্ডে টায়ফয়েডের ভ্যাকসিন বাধ্যতামূলক থাকবে। নতুন ঘর যোগ করা হয়েছে।

ফ্রি দিচ্ছে তাই সন্দেহ করছে। অথচ এটা আগে টাকা দিতে দিতে হতো।

স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, "টাইফয়েড টিকা টিসিভি বাংলাদেশে কোনো পরীক্ষা নিরীক্ষার অংশ নয়। ২০২০ সাল থেকেই এই টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক যাচাই করা এবং এটি নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত"।

তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ছাড়াও পাকিস্তান ২০১৯ সাল এবং নেপাল ২০২২ সাল থেকে শিশুদের এই টাইফয়েড টিকা দিচ্ছে। সব মিলিয়ে আটটি দেশে শিশুদের এই টিকা দেয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও নেপালে শিশুদের টাইফয়েডে আক্রান্ত হবার প্রবণতা বেশি।

এখন আপনি টীকা দিলে দেন। না দিলে নাই। সময় নেন। ভালো একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেন।

কিন্তু এই জোকার কোর্স ব্যবসায়ীর আর ওর মত অন্যান্য মূর্খদের কথায় পড়ে কোন সিদ্ধান্ত নিয়েন না।

ধন্যবাদ।
- অন্তর মাশঊদ
কপি-পেস্ট

👉আমিও কিন্তু বাচ্চাদের ভ্যাকসিন দিয়ে নিয়ে এসেছি৷ প্রথমে কনফিউজড ছিলাম, পরে দেখলাম ডাক্তাররা টিকার পক্ষে, বিপক্ষে সাধারণ নাগরিক, কারন হিসেবে তারা করোনার ভ্যাকসিনের রিয়েকশনকে তুলনা করছে।

আরে কিসের সাথে কিশের তুলনা, করোনা তো হুট করে আসা এক মহামারী ছিল, লক্ষ-কোটি মানুষ মারা গেছে এই মহা মারীতে, তখন বিজ্ঞানের লক্ষ ছিল, মানুষের প্রাণ বাঁচানো, ভিতরে এন্টিবায়োটিক তৈরি করা যা করোনার সাথে ফাইট করতে পারবে, এতো গবেষণা করা, সাইড ইফেক্ট দেখার সময় কি হাতে ছিল?

ছিল না।

কিন্তু টাইফয়েড তো কোন হঠাৎ করে আসা রোগ না, এই রোগ এবং রোগের ভ্যাকসিন আগেও ছিল বেসরকারি ভাবে, সেটাকে মডিফাইড (আরো উন্নত) করে সরকারি পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে।

হুজুগে বাঙালি আমরা কিসের সাথে কিসের তুলনা করছি।

📌 আলহামদুলিল্লাহ ভ্যাকসিন দেওয়ার পর বাচ্চাদের সামান্য জ্বর ও আসে নি, রাত্রে ব্যাথা আছে বলেছিল, কিন্তু সিরিয়াস কিছু না, কোন ঔষধ ও খাওয়াতে হয়নি।
আশা করি ভবিষ্যতে কোন সমস্যা হবে না ইনশাআল্লাহ!

এতোদিন কিছু বলিনি, কেননা আমি নিজেই কনফিউজড ছিলাম। যা আমি নিজে শিউর থাকি না, তা নিয়ে অন্যকে পরামর্শ, উপদেশ দেওয়া আমি পছন্দ করি না।

বাকিটা আপনাদের ইচ্ছে 🥰
সংগৃহীত :

সবাইকে জানাই আমার ছাদ বাগানের ড্রাগন ফুলের শুভেচ্ছা।💓 শুভ সকাল💓।
22/10/2025

সবাইকে জানাই আমার ছাদ বাগানের ড্রাগন ফুলের শুভেচ্ছা।💓 শুভ সকাল💓।

শুভ দুপুর
21/10/2025

শুভ দুপুর

Address

কর্নকাঠী,৭নংচরকাউয়া ইউনিয়ন, বরিশাল সদর,বরিশাল
Barisal

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এশো আলোর পথে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share