Zoom tv

Zoom tv hello guys,welcom to my page

02/06/2026
যে বাড়িতে এত বছর পর প্রবাসফেরত ছেলেকে ঘিরে আনন্দ-উৎসবের প্রস্তুতি চলছিল, নতুন পুত্রবধূকে বরণ করার স্বপ্ন বোনা হচ্ছিল, সে...
02/06/2026

যে বাড়িতে এত বছর পর প্রবাসফেরত ছেলেকে ঘিরে আনন্দ-উৎসবের প্রস্তুতি চলছিল, নতুন পুত্রবধূকে বরণ করার স্বপ্ন বোনা হচ্ছিল, সেই বাড়ির উঠোনে এখন সারিবদ্ধ চারটি খাটিয়া। স্বজনদের কান্না আর শোকাহত মানুষের দীর্ঘশ্বাসে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। এক সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তের মধ্যে নিভিয়ে দিয়েছে একটি পরিবারের সব আলো।

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা উজ্জ্বলপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের পরিবারটি ছিল সংগ্রাম আর স্বপ্নের মিশেলে গড়া। অভাব-অনটনের সংসারে বড় ছেলে আরিফ ইসলাম ছিলেন পরিবারের সবচেয়ে বড় আশার নাম। প্রায় ১০ বছর আগে পরিবারের দুঃখ-দুর্দশা ঘোচাতে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান তিনি। বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রম করে একে একে শোধ করেছেন পরিবারের ঋণ, এগিয়ে নিয়েছেন সংসারের নানা কাজ।

দীর্ঘ এক দশক পর তিন মাসের ছুটিতে দেশে ফিরেছিলেন আরিফ। পরিবারের সদস্যদের কাছে তার এই ফেরা ছিল ঈদের আনন্দের চেয়েও বড়। দেশে ফিরে বিয়ে করে স্থায়ীভাবে পরিবারের সঙ্গে থাকার পরিকল্পনাও ছিল তার। সেই উপলক্ষে বাড়িতে চলছিল নানা প্রস্তুতি। কিন্তু নিয়তি যেন অন্য কিছু লিখে রেখেছিল।

মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান আরিফ ইসলাম, তার মা নুর জাহান, ছোট ভাই রাকিব ও বোন আয়েশা খাতুন। একই দুর্ঘটনায় নিহত হন প্রাইভেটকার চালকও। গুরুতর আহত হয় আয়েশার দুই শিশুসন্তান।

এক মুহূর্তে পরিবারটির চিত্র পাল্টে যায়। যে আরিফকে বরণ করে নিতে পরিবারের সদস্যরা বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন, সেই আরিফই আর জীবিত অবস্থায় বাড়ি ফিরতে পারেননি। সঙ্গে প্রাণ হারান তাকে বরণ করতে যাওয়া মা, ভাই ও বোন।

এই দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বড় আঘাত নেমে এসেছে পরিবারের কর্তা শহিদুল ইসলামের ওপর। জীবনের শেষ বয়সে এসে তিনি হারিয়েছেন স্ত্রী, দুই ছেলে ও একমাত্র মেয়েকে। যে মানুষটি ভোর পর্যন্ত ছেলের ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, কয়েক ঘণ্টা পর তাকেই সন্তানদের লাশ গ্রহণের প্রস্তুতি নিতে হয়েছে।

পরিবারটির অর্থনৈতিক ভিত্তিও প্রায় ধসে পড়েছে। প্রবাসী আরিফ ছিলেন সংসারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ছোট ছেলে রাকিবও ছিল পরিবারের ভবিষ্যৎ ভরসা। একসঙ্গে দুই কর্মক্ষম সন্তানকে হারিয়ে পরিবারটি অর্থনৈতিকভাবেও চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

অন্যদিকে নিহত আয়েশা খাতুনের দুই অবুঝ সন্তান এখন মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত। দুর্ঘটনায় আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা শিশু দুটি এখনও বুঝে উঠতে পারেনি তাদের জীবনে কী ভয়াবহ শূন্যতা নেমে এসেছে। স্ত্রী হারিয়ে তাদের বাবা ইলিয়াছকেও এখন নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে।

গ্রামবাসী জানায়, এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা তারা আগে কখনও দেখেননি। যে বাড়িতে বিয়ের আয়োজনের আলোচনা চলছিল, সেখানে এখন চলছে জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি। আনন্দের অপেক্ষায় থাকা মানুষগুলো মুহূর্তেই শোকের সাগরে ডুবে গেছে।

ভাঙ্গা থানায় নিহত আয়েশার স্বামী ইলিয়াছের দায়ের করা এজাহার থেকে জানা গেছে, ঢাকা থেকে যশোরগামী প্রাইভেটকারটি এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গামুখী লেনের মালিগ্রাম নামক স্থানে পৌঁছালে অন্ধকার সড়কে কোনো ব্যারিয়ার বা সংকেত ছাড়া অবৈধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার তীব্রতায় প্রাইভেটকারটি দুমড়েমুচড়ে ট্রাকের নিচে ঢুকে যায়।

ঘটনাস্থলেই আয়েশা, নুর জাহান, আরিফ ও চালক জাহিদ মারা যান। গুরুতর আহত রাকিবকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পরপরই অজ্ঞাতনামা ট্রাকচালক গাড়ি রেখে পালিয়ে যায়।

নিহত আয়েশার স্বামী ও মামলার বাদী ইলিয়াছ বলেন, অভাব ঘোচাতে আরিফ মালয়েশিয়ায় ছিলেন। এবার দেশে ফিরে বিয়ে করবে বলে পুরো আয়োজন চলছিল। তাকে আনতে ভাড়া করা গাড়ি নিয়ে শাশুড়ি, আমার স্ত্রী, দুই শ্যালক ও আমার দুই শিশুসন্তান বিমানবন্দরে যায়। গাড়িতে জায়গা না হওয়ায় আমি সঙ্গে যেতে পারিনি। আমার শ্বশুর ছাড়া এই সংসারে আর কেউ বেঁচে রইল না। পথেই সব শেষ হয়ে গেল।

অনলাইন প্রতারণা চক্র পরিচালনার অভিযোগে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশি ও ভারতীয় নাগরিকসহ ১৯ জন বিদেশিকে গ্রেপ্তার ...
02/06/2026

অনলাইন প্রতারণা চক্র পরিচালনার অভিযোগে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশি ও ভারতীয় নাগরিকসহ ১৯ জন বিদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত শুক্রবার কাঠমান্ডুর প্রধান পর্যটন এলাকা থামেল থেকে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ১৫ জন বাংলাদেশি এবং ৪ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন।

নেপাল পুলিশের কাঠমান্ডু ভ্যালি ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা একজন চীনা নাগরিক পরিচালিত একটি স্ক্যাম সেন্টারে কাজ করছিলেন। তবে ওই চীনা নাগরিক বর্তমানে পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিসের মুখপাত্র ও পুলিশ সুপার রামেশ্বর কার্কি বলেন, পলাতক চীনা নাগরিককে খুঁজে বের করতে অভিযান চলছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা মূলত কম্বোডিয়ায় কাজ করার সময় পরিচিত এক চীনা অপারেটরের মাধ্যমে নেপালে আনা হয়েছিল।

পুলিশের দাবি অনুযায়ী, এই চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নারীদের আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করত এবং অর্থ আদায় করত। প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গেছে, চক্রটির লক্ষ্য ছিল প্রধানত বাংলাদেশি ও ভারতীয় নাগরিকরা।

গ্রেপ্তার ১৯ জনকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য নেপালের ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অভিযানের সময় একটি হোটেলে পরিচালিত এই স্ক্যাম সেন্টার থেকে কম্পিউটার, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। জানা গেছে, চীনা নাগরিক থামেল এলাকায় পুরো একটি হোটেল মাসিক সাত লাখ নেপালি রুপিতে ভাড়া নিয়ে এই কার্যক্রম চালাতেন।

ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মধুকে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (০১ জুন) মাগরিব...
02/06/2026

ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মধুকে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (০১ জুন) মাগরিবের নামাজের পর রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (০২ জুন) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান।

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মধু ঝালকাঠি শহরের পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার আব্দুল মন্নানের ছেলে। ২০২১ সালের ৩০ অক্টোবর ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পান তিনি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঝালকাঠি সদর থানার ওসি মাহমুদ হাসান বলেন, ধানমন্ডি থানার একটি মামলায় আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মধুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ঝালকাঠিতেও একাধিক মামলা রয়েছে।

তিনি জানান, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে ঝালকাঠিতে আনা হবে।

02/06/2026

চলছে বিনোদন fans

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন রামিসার মা পারভীন আক্তার। স...
02/06/2026

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন রামিসার মা পারভীন আক্তার। সাক্ষ্যতে শিশু রামিসাকে কীভাবে খুঁজে পান, ওই সময় কী কী করেছিলেন ও দেখেছিলেন তার বর্ণনা দেন তিনি।

আদালতে পারভীন আক্তার বলেন, ‘আমি বারবার স্বপ্নাকে কেঁদে বলি। বইন দরজাটা খোল, দরজাটা খোল। কিন্তু খোলে নাই। পরে দরজা ভাঙতে হয়। ভিতরে গিয়ে মেয়ের খণ্ডিত মরদেহ দেখে অজ্ঞান হয়ে যাই।’

মঙ্গলবার (৩ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ সাক্ষ্য দেন তিনি।

এদিন প্রথমে রামিসার বাবা সাক্ষ্য দেন। তার সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হলে দ্বিতীয় সাক্ষী হিসেবে রামিসার মা পারভীন আক্তার সাক্ষ্য দেন। বেলা ১১টা ৩ মিনিটের দিকে পারভীনের সাক্ষ্য শুরু হয়। এ সময় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগমকে কাঠগড়ায় হাজির করা হয়।

সাক্ষ্যগ্রহণে পারভীন আক্তার আদালতে বলেন, “আমি গৃহিণী। গত ১৯ মে সকালে এ ঘটনা ঘটে। আমি তখন রান্না করছিলাম। রান্না প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিল। আমার দুই মেয়ে। বড় মেয়ের নাম রাইসা আক্তার। রাইসাকে ঘটনার দিন আনুমানিক সকাল ১০টার দিকে বললাম, তার চাচা গোলাম মোস্তফার বাসায় যেতে। তখন ছোট মেয়ে রামিসা বললো, ‘আম্মু আমিও আপুর সাথে যাব’। আমি তাকে যেতে না করি।”

‘এরপর আমি আবার রান্নায় ব্যস্ত হয়ে যাই। পরে বড় মেয়ে চাচার বাসায় যায়। ছোট মেয়েকে নেয়নি। রাইসাকে বলে তুমি রুমে থাক। এটা আমি রান্না ঘর থেকে শুনতে পাই। পরে রাইসা তাকে নিয়ে চাচার বাসায় যায় কিনা জানতাম না,’ আদালতে বলেন রামিসার মা।

তিনি আরও বলেন, ‘একটুর পর আমি রান্নাঘর থেকে একটা বাচ্চার চিৎকারের শব্দ শুনতে পাই। পাশের ফ্ল্যাটের আসামি সোহেলদের বাসায় বাচ্চা নেই জানতাম। তবে একটু পর রুমের বাইরে বের হলাম। কাউকে পেলাম না বাইরে। এর ৩-৪ মিনিট পর রাইসা একা তার চাচার বাসা থেকে আসে। আমি রাইসাকে বললাম, তুমি একা কেন। রামিসা কোথায়? রাইসা বলে, সে তো আমার সাথে যায় নাই। নিচে গেছে মনে হয়। নিচে গিয়ে দেখি রামিসা নাই। আশপাশে সবাইকে জিজ্ঞেস করি, রামিসাকে দেখছেন। সবাই বলে, না দেখি নাই।’

পারভীন আক্তার বলেন, ‘বিল্ডিংয়ের নিচে অফিস রুম ভাড়া একটা। সেটার দরজা খুলে দেখলাম, মেয়ে আছে কিনা। কিন্তু পাইনি। দোতলায় ব্যাচেলর ভাড়া দিছে। সেখানেও খুঁজলাম। কিন্তু পেলাম না। পরে তিনতলায় সোহেলদের রুমে ধাক্কা দিলাম। খুললো না। পরে তাদের দরজার সামনে দেখলাম মেয়ের একটা জুতা পড়ে আছে। তখন মনে হলো আগে একটা বাচ্চার চিৎকার শুনছিলাম, ওই বাচ্চার চিৎকার কি আমার মেয়ের? তাহলে কি আমার রামিসাকে এখানে আটকে রেখেছে?’

এরপর দরজা খোলার জন্য বারবার ধাক্কাতে থাকেন উল্লেখ করে রামিসার মা বলেন, ‘কিন্তু কেউ খোলে না। পরে পাঁচতলার মনির ও আসমা নামে এক মহিলা এলো। এরপর একে একে অনেক লোকজন এলো। সবাই দরজা খোলার কথা বলে। কিন্তু আসামিদের কেউ খোলে না। পরে মনিরকে বললাম, নিচে যান। আরও মানুষ ডেকে আনেন। তিনি নিচে গিয়ে ১০-১২ জনকে ডেকে আনেন। তখন আমি আমার স্বামীকে বারবার ফোন দিতে থাকি। উনাকে বলি, আমাদের রামিসাকে পাচ্ছি না। স্বামী তখন অফিস থেকে আসে। ২০-২৫ মিনিটের মধ্যে চলে আসে।’

পারভীনা আক্তার সাক্ষ্যতে বলেন, ‘তখন সবাই দরজা ভাঙার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে দরজার গোল বোল্ড লক ভাঙা হয়। ভাঙা লকের ছিদ্র দিয়ে দেখি বাথরুম খোলা। ভিতরে কি রক্ত। রাজু নামে একটা ছেলে সেটার ভিডিও করে। আমি চিৎকার করে কাঁদতে থাকি। তখন আমি আসামি স্বপ্নাকে ভিতরে হাঁটতে দেখি। আমি বাইরে থেকে স্বপ্নাকে বারবার বলতে থাকি, বইন দরজাটা খোল। দরজাটা খোল। আমি তোকে কিছু বলব না। কাঁদতে থাকেন মা পারভীন।’

পারভীন আরও বলেন, ‘এরপর দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে দেখি আমার মেয়ের মাথা এক জায়গায় আর দেহ আরেক জায়গায়। মাথা বাথরুমে বালতিতে। আর দেহ আসামিদের রুমের খাটের নিচে লুকিয়ে রেখেছে। পরে পুলিশ এসে মেয়ের মরদেহ, জামা-কাপড় সব নিয়ে যায়।’

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিজুর রহমান দুলু রামিসার মায়ের কাছে জানতে চান, তখন স্বপ্নার কাছে কোনো কিছু জানতে চাইলেন কিনা? পারভীন বলেন, ‘তখন অনেক মানুষজন ঢুকে পড়ে। আমি তার কাছে কিছু জানতে পারি নাই। তারা স্বপ্নার কাছে জিজ্ঞাসা করছিল।’

পিপি আরও বলেন, ‘দেখেন তো এখানে স্বপ্না আছেন কিনা।’ তখন পারভীনা কাঠগড়ার দিকে হাত দিয়ে বলেন, ‘হ্যাঁ, ওই যে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে। আমি কত বলছি, বইন দরজাটা খোল, দরজাটা খোল। কিন্তু খোলে নাই সে।’ এ কথা বলে কাঁদতে থাকেন রামিসার মা।

বেলা ১১টা ২২ মিনিটে তার সাক্ষ্য শেষ হয়। এরপর রামিসার মাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মূসা কালিমূল্যাহ। এরপর বেলা ১১টা ২৬ মিনিটে জেরা শেষ হয়।

এর আগে গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ফ্ল্যাটটিতে বসবাসকারী সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের কাছে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে সোহেল।

তদন্ত শেষে মামলার চার্জশিটে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদকে আসক্ত থাকতেন সোহেল। ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে বাথরুমে টেনে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। রামিসা চিৎকার করে কান্নাকাটি করায় ও পরিবারকে জানানোর কথা বললে ক্ষিপ্ত হয়ে মাথা ও হাত কেটে হত্যা করে সোহেল। এছাড়া লাশ গুম করতে ও পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করে তার স্ত্রী স্বপ্না।

02/06/2026

যাদের মন খারাপ থাকে বাসায় আয়নার সামনে নিজেকে দেখো মন ভালো হয়ে যাবে। fans ViralReels

Address

Barisal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zoom tv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Zoom tv:

Share

Category