Asad Creation.

Asad Creation. - কাকে খুঁজো?=প্রজাপতি কে!🦋🦋
বোকা তুমি!😊
টাকা কামাও💵💵
প্রজাপতি নিজেই খুঁজবে তোমাকে!💯 Life is very important,
So problem don't matter,
In Shaa Allah.
(9)

‎দশম হিজরীতে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার সাহাবির সামনে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ বিকালে আরাফাতের ময়দানে যে বক্তব্য পেশ করেন এবং পরদ...
27/05/2026

‎দশম হিজরীতে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার সাহাবির সামনে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ বিকালে আরাফাতের ময়দানে যে বক্তব্য পেশ করেন এবং পরদিন ১০ জিলহজ ঈদের দিন ও কোরবানির দিন প্রদান করেছিলেন। এই দুইদিনে দেওয়া তাঁর বক্তব্য বিদায় হজ্জের ঐতিহাসিক ভাষণ হিসেবে পরিচিত।

‎তাই তিনি হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা)-কে ইয়েমেনের গভর্নর নিযুক্ত করে প্রেরণকালে বলেছিলেন, ‘হে মুয়াজ, সম্ভবত এ বছরের পর আমার সঙ্গে তোমার আর সাক্ষাৎ হবে না। হয়তো তুমি আমার মসজিদ ও আমার কবরের পাশ দিয়ে গমন করবে।’

‎আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর ঐতিহাসিক বিদায় হজ্জের ভাষণ :

‎১. হে আমার উম্মাহ, আমার কথাগুলো গভীর মনোযোগ দিয়ে শোনো, আমি জানি না, এবারের পর তোমাদের সঙ্গে এ জায়গায় আর একত্র হতে পারব কি না।

‎২. হে মানবমণ্ডলী, স্মরণ রাখো, তোমাদের আল্লাহ এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। তোমাদের আদি পিতা একজন, অনারবদের ওপর আরবদের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। তদ্রূপ সাদার ওপর কালোর কোনো প্রাধান্য নেই। আল্লাহ ভীতিই শুধু শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদার মানদণ্ড।

‎৩. তোমাদের পরস্পরের রক্ত ও ধন-সম্পদ আজকের দিন, এ মাস এবং এ শহরের মতো পবিত্র।

‎৪. শোনো, জা*//হেলিয়াতের সব কিছু আমার পদতলে পিষ্ট করা হয়েছে। জা/*হেলিয়াতের র*/ক্তের দাবিও রহিত করা হলো।

‎৫. জাহেলি যুগের সুদ রহিত করা হলো। আমাদের মধ্যকার প্রথম যে সুদ আমি রহিত করছি তা হলো, আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিবের সুদ। এখন থেকে সব ধরনের সুদ হারাম করা হলো।

‎৬. স্ত্রীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো। কেননা আল্লাহর আমানতস্বরূপ তোমরা তাদের গ্রহণ করেছ এবং আল্লাহর কলেমার মাধ্যমে হালাল করা হয়েছে। তাদের ওপর তোমাদের অধিকার রয়েছে যে তারা তোমাদের বিছানায় এমন কাউকে স্থান দেবে না, যাদের তোমরা পছন্দ করো না।
‎তারা এরূপ করলে প্রহার করতে পারো। তবে কঠোর প্রহার করবে না। তোমাদের ওপর তাদের অধিকার হলো, তোমরা যথাযথ অন্ন-বস্ত্র প্রদান করবে।

‎৭. আমি তোমাদের কাছে এমন দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, যা দৃঢ়ভাবে ধারণ করলে পথভ্রষ্ট হবে না। একটি হলো আল্লাহর কিতাব আর অন্যটি হলো আমার সুন্নাহ।

‎৮. হে জনতা, মনে রেখো, আমার পরে কোনো নবী নেই। তোমাদের পরে কোনো উম্মত নেই। ফলে তোমাদের প্রতিপালকের ইবাদত করবে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে, রমজানের রোজা রাখবে, স্বেচ্ছায় ধন-সম্পদের জাকাত দেবে, আল্লাহর ঘরে হজ করবে, শাসকের আনুগত্য করবে। যদি তোমরা এসব পালন করো, তাহলে তোমাদের রবের জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে (ইবনে মাজাহ)।

‎৯. হে মানবমণ্ডলী, পিতার অপরাধে পুত্র দায়ী হবে না এবং পুত্রের অপরাধে কোনো পিতাকে দায়ী করা হবে না।

‎১০. তোমাদের সঙ্গে আমার সম্পর্কের প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হবে। তোমরা তখন কী বলবে? সাহাবায়ে কেরাম প্রত্যুত্তরে বলেন, আমরা সাক্ষ্য দেব যে আপনি দ্বিনের দাওয়াত দিয়েছেন, আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়ে দিয়েছেন, ন্যস্ত দায়িত্ব পালন করেছেন।

‎মহানবী (সাঃ) এ কথা শুনে শাহাদাত আঙুল আকাশের দিকে উত্তোলন করে লোকদের দিকে ঝুঁকিয়ে তিনবার বলেন, হে রব, আপনি সাক্ষী থাকুন (সহিহ মুসলিম)।

‎১১. প্রত্যেক মুসলমান ভাই ভাই। তোমরা তোমাদের দাস-দাসী সম্পর্কে সতর্ক থাকবে। তোমরা যা খাবে তাদেরও তা খেতে দেবে। তোমরা যা পরিধান করবে তাদেরও তা পরতে দেবে। তাদের অপরাধ ক্ষমা করে দেবে। শাস্তি দেবে না।

‎১২. হে মানবজাতি, ধর্মের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করবে না। কেননা অতীতের অনেক জাতি এ বাড়াবাড়ির কারণে ধ্বংস হয়েছে। উপস্থিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব হবে আমার এ কথাগুলো অনুপস্থিত লোকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

‎হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
‎মহানবী (সাঃ) ভাষণ শেষ করলেন। এবং তাঁর চেহারা মোবারক উজ্জ্বল হয়ে উঠল। তিনি করুণ স্বরে করুণভাবে আকাশ পানে তাকালেন এবং তিনি বললেন, ‘হে মহান প্রভু! হে পরওয়ার দিগার! আমি কি তোমার দীনের দাওয়াত পরিপূর্ণভাবে মানুষের কাছে পৌঁছাতে পেরেছি। তখন উপস্থিত জনতা সবাই সম্মিলিতভাবে বললেন, নিশ্চয়ই আপনি আপনার দীন পরিপূর্ণভাবে পৌঁছাতে পেরেছেন।‘ তখন তিনি আবার বললেন যে, ‘হে প্রভু! আপনি শুনুন, আপনি সাক্ষী থাকুন, এরা বলেছে আমি আপনার দীনকে লোকদের নিকট পৌঁছাতে পেরেছি। আমি আমার কর্তব্য পালন করতে পেরেছি।‘

‎ভাবের আতিশয্যে নবী নীরব হলেন। জান্নাতি নূরে তাঁর চেহারা আলোকদীপ্ত হয়ে উঠল। এই মুহূর্তে কুরআনের শেষ আয়াতটি নাজিল হয়। ‘আজকের এই দিনে তোমাদের দীনকে পূর্ণ করে দিলাম। তোমাদের ওপর আমার নিয়ামত পূর্ণ করে দিলাম। ইসলামকেই তোমাদের ওপর দীন হিসেবে মনোনীত করলাম।’

‎হযরত রাসূল (সাঃ) কিছুক্ষণ চুপ রইলেন। জনতাও নীরব। কিছুক্ষণ পর হযরত (সাঃ) জনতার দিকে তাকালেন এবং করুণ গম্ভীর কণ্ঠে বললেন বিদায় বন্ধুগণ, বিদায়।

‎হজরত রাবিয়া ইবনে উমাইয়া ইবনে খালফ জনতার কাছে উচ্চকণ্ঠে বিদায় হজ্জের ভাষণ এর বাণী পৌঁছে দেন (ইবনে হিশাম)।

‎লিখেছেন : মোহাম্মদ আমীর হোসাইন (হাফি.)
‎ মুফতি ও মুহাদ্দীস, শাইখ আবু সাঈদ ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার

এই দেশে শান্তি তে ঘুমাইয়া ও শান্তি নাই ভাইইইই,ছেলের দুই দিন ধরে কোনো খবর নাই দেখে সবাই চিন্তিত হয়ে গেছিলো! ফায়ার সার্ভিস...
26/05/2026

এই দেশে শান্তি তে ঘুমাইয়া ও শান্তি নাই ভাইইইই,

ছেলের দুই দিন ধরে কোনো খবর নাই দেখে সবাই চিন্তিত হয়ে গেছিলো! ফায়ার সার্ভিস কল করে আনা হইছিলো, ভাবছিলো ছেলে বোধহয় দুনিয়াতে নাই!

সবাই দরজা খুলে দেখে ছেলে ঘুমাইতেছে! টানা দুই দিন ধরে ঘুমাইতেছিলো! কাঁচা ঘুম ভেঙ্গে সে সবাই কে দেখে অবাক হয়ে গেছিলো!
আপনার পরিচিত এমন একজন আছেনা? যে ঘুমাইলে দিন দুনিয়ার আর খবর থাকেনা?

24/05/2026
24/05/2026

Good night 🌇🌇😴😴

🤎𝐀𝐬𝐬𝐚𝐥𝐚𝐦𝐮𝐥𝐚𝐢𝐤𝐮𝐦🤎🩷মনে বিশ্বাস রেখে 🩷🤎👉𝐅𝐨𝐥𝐥𝐨𝐰 দিবেন🤎🌸সাথে সাথে 𝐅𝐨𝐥𝐥𝐨𝐰 𝐁𝐚𝐜𝐤 ⭕পাবেন❤️❤️
24/05/2026

🤎𝐀𝐬𝐬𝐚𝐥𝐚𝐦𝐮𝐥𝐚𝐢𝐤𝐮𝐦🤎
🩷মনে বিশ্বাস রেখে 🩷
🤎👉𝐅𝐨𝐥𝐥𝐨𝐰 দিবেন🤎
🌸সাথে সাথে 𝐅𝐨𝐥𝐥𝐨𝐰 𝐁𝐚𝐜𝐤 ⭕পাবেন❤️❤️

বাঁচাতে গিয়েই প্রা//ণ দিলো চারজন মানুষ…😢ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নির্মাণাধীন ভবনের একটি সেপটিক ট্যাংক যেন মুহূর্তেই হয়ে উঠ...
24/05/2026

বাঁচাতে গিয়েই প্রা//ণ দিলো চারজন মানুষ…😢
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নির্মাণাধীন ভবনের একটি সেপটিক ট্যাংক যেন মুহূর্তেই হয়ে উঠলো চারটি পরিবারের
ক//ব//রস্থান।

প্রথমে হৃদয় মিয়া নামলেন কাজ করতে। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে খালাতো ভাই ইমান হোসেন ছুটে গেলেন তাকে বাঁ/চাতে। তারপর একে একে নামলেন মেহেদী হাসান, আরমান মিয়া… কেউ নিজের জীবনের কথা ভাবেনি, সবাই ভেবেছিল “মানুষটাকে বাঁচাতে হবে।”😌

কিন্তু নি/র্ম/ম বাস্তবতা হলো-
ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাস আর অক্সিজেনের ঘাটতি চারজনকেই কে//ড়ে নিলো।

কতটা অসহায় হলে একজন মানুষ মৃ//ত্যু//র মুখে জেনেও সহকর্মীর জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে!

এটাই শ্রমিক মানুষের ভালোবাসা, এটাই মানবতা…
কিন্তু প্রশ্ন হলো-
কেন একটি সেপটিক ট্যাংকে নামার আগে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না?🤔

কেন ছিল না গ্যাস পরীক্ষা, অক্সিজেন সাপোর্ট, উদ্ধার সরঞ্জাম?

গরিব মানুষের জীবন কি এতটাই স//স্তা?

আজ চারটি পরিবার নিঃ//স্ব।
চারজন মায়ের বুক খালি।
চারটি ঘরে আর ফিরবে না সেই প্রিয় মানুষগুলো।

হৃদয় মিয়া, ইমান হোসেন, মেহেদী হাসান ও আরমান মিয়া-
আপনাদের এই আ'ত্মত্যাগ ও ম/র্মা/ন্তি/ক মৃ//ত্যু আমাদের বিবেককে না/ড়া দিক।

আল্লাহ আপনাদের শহীদের মর্যাদা দান করুন এবং পরিবারকে ধৈর্য ধরার তৌফিক দিন।🤲🏻

এই মৃ//ত্যুর দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
অবহেলার বি’চার হোক। নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত হোক।✅

আর কোনো শ্রমিক যেন এভাবে সহকর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে
মৃ//ত্যু//র ফাঁ//দে না পড়ে। 😢

জবাব দে শয়তান..!!🤨
24/05/2026

জবাব দে শয়তান..!!🤨

كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِআমি আমার জন্মের বহু বছর আগেইএকটা চিঠি পেয়েছিলাম—যেখানে লেখা ছিল—“কুল্লু নাফসিন যাইকাতুল ...
24/05/2026

كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ

আমি আমার জন্মের বহু বছর আগেই
একটা চিঠি পেয়েছিলাম—
যেখানে লেখা ছিল—
“কুল্লু নাফসিন যাইকাতুল মাউত…”

সেদিন বুঝিনি,
এটা শুধু একটা আয়াত নয়—
এটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে নিশ্চিত সত্যের ঘোষণা।

দুনিয়ার সবকিছুই একদিন ফুরিয়ে যাবে,
হাসি থেমে যাবে,
প্রিয় মানুষগুলো দূরে চলে যাবে,
স্বপ্নগুলোও একসময় নিঃশব্দ হয়ে যাবে।

শুধু থেকে যাবে কিছু আমল,
কিছু দোয়া,
আর রবের কাছে ফিরে যাওয়ার অপেক্ষা।

তাই এখন আর জীবন নিয়ে অহংকার করতে ইচ্ছে করে না,
কারণ আমি জানি—
আমার নামও একদিন
কারো স্মৃতির তালিকায় লেখা থাকবে।

“প্রতিটি প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।”

Good morning everyone 🌅🌅🌅
24/05/2026

Good morning everyone 🌅🌅🌅

Address

Barisal

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Asad Creation. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share