Zakir Daily Life Bd

Zakir Daily Life Bd Facebook, You tube, Ms Office ,Sales marketing etc , The main goal is to provide those serv
(1)

ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। আল্লাহ সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুক।
07/09/2026

ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। আল্লাহ সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুক।

বরাবরমাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারবাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।বিষয়: জনসাধারণের আর্থিক দুর্ভোগ লাঘবে ...
06/09/2026

বরাবর
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।

বিষয়: জনসাধারণের আর্থিক দুর্ভোগ লাঘবে বিদ্যুতের ইউনিট মূল্য কমানোর জন্য আকুল আবেদন।

মাননীয় মহোদয়,
সবিনয় নিবেদন এই যে, দেশের সাধারণ মানুষ আজ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের উচ্চমূল্য, চিকিৎসা ব্যয়, সন্তানদের পড়াশোনার খরচ, বাসাভাড়া এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ বিলের বাড়তি বোঝা যেন অনেক পরিবারের জন্য মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একজন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ মাস শেষে যখন বিদ্যুতের বিল হাতে পান, তখন অনেক সময় তাকে ভাবতে হয়—এই বিলটি দেবেন, নাকি সন্তানের স্কুলের বেতন দেবেন? বাজারের প্রয়োজনীয় খাবার কিনবেন, নাকি বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবেন?
একটি পরিবারের কাছে বিদ্যুৎ কোনো বিলাসিতা নয়—এটি আজ জীবনের অপরিহার্য অংশ। সন্তান পড়াশোনা করে বিদ্যুতের আলোয়, অসুস্থ মানুষ চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল, ছোট ব্যবসা বিদ্যুৎ ছাড়া চলতে পারে না। অথচ বিদ্যুতের খরচ বেড়ে যাওয়ায় সেই বিদ্যুৎই এখন অনেক পরিবারের মাসিক আয়ের ওপর অসহনীয় চাপ সৃষ্টি করছে।

মাননীয় মহোদয়,
আমরা বিশ্বাস করি, সরকার জনগণের সরকার। জনগণের সুখ-দুঃখ, কষ্ট ও কান্না সরকারের নীতিনির্ধারণে প্রতিফলিত হওয়া উচিত। আজ দেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষ সরকারের কাছে কোনো বিলাসী দাবি নিয়ে দাঁড়ায়নি। তারা শুধু চায়—বিদ্যুৎ যেন মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে।
তাই আমাদের আকুল আবেদন, সাধারণ জনগণের বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিদ্যুতের ইউনিট মূল্য ও সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত চার্জ যৌক্তিকভাবে কমিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করুন। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার, কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিশেষ স্বস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।
একটি পরিবারের মাসিক বিদ্যুৎ বিল যদি কিছুটা কমে, হয়তো সেই পরিবারটি মাসের শেষে এক কেজি মাছ কিনতে পারবে। কোনো বাবা হয়তো সন্তানের স্কুলের বেতন সময়মতো দিতে পারবেন। কোনো মা হয়তো সংসারের ওষুধের টাকা বাঁচাতে পারবেন। ছোট ব্যবসায়ী হয়তো তার দোকানটি টিকিয়ে রাখতে পারবেন।
মাননীয় মহোদয়, বিদ্যুৎ বিল কমানো শুধু একটি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়—এটি লাখো পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত।
আমরা আশা করি, সাধারণ মানুষের এই আকুতি আপনার সদয় বিবেচনায় স্থান পাবে এবং জনগণের ওপর বিদ্যুতের ব্যয়ের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

শেষে বিনীতভাবে বলতে চাই—
মানুষের ঘরে আলো জ্বলুক,
কিন্তু সেই আলো যেন মানুষের চোখের জল হয়ে না দাঁড়ায়।
জনগণের কষ্টের কথা বিবেচনা করে বিদ্যুতের ইউনিট মূল্য কমিয়ে দেশের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আপনার প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

বিনীত আবেদনকারী
আপনার দেশের সাধারণ জনগণ।

05/09/2026

হায়রে বিদ্যুৎ বিল।

একটা সময় ছিল…ঘরে বিদ্যুৎ আসলে মানুষ খুশি হতো।অন্ধকার ঘর আলোয় ভরে উঠত,সন্তান বই নিয়ে বসত,মা রান্না করতেন,বাবা একটু স্বস্ত...
05/09/2026

একটা সময় ছিল…
ঘরে বিদ্যুৎ আসলে মানুষ খুশি হতো।
অন্ধকার ঘর আলোয় ভরে উঠত,
সন্তান বই নিয়ে বসত,
মা রান্না করতেন,
বাবা একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতেন।
কিন্তু আজ…?
বিদ্যুতের আলো জ্বলছে ঠিকই,
কিন্তু সেই আলোতেই যেন অনেক পরিবারের চোখের পানি দেখা যাচ্ছে।
মাস শেষে যখন বিদ্যুৎ বিলটা হাতে আসে,
তখন একজন সাধারণ মানুষ হিসাব করতে বসে—
বাজারের টাকা কোথা থেকে কমাবো?
সন্তানের স্কুলের খরচ কীভাবে দেব?
বাড়িভাড়া কীভাবে পরিশোধ করব?
অসুস্থ মায়ের ওষুধটা কি এবারও কেনা যাবে?
একটা বিল পরিশোধ করতে গিয়ে
আরেকটা প্রয়োজনকে বিসর্জন দিতে হচ্ছে।
এভাবে কি একটি পরিবার চলতে পারে?
আমরা বিদ্যুতের বিল দিতে চাই।
আমরা নিয়ম মেনে বিল দিতে চাই।
দেশের উন্নয়নে আমরাও অংশ নিতে চাই।
কিন্তু আমাদের প্রশ্ন—
সাধারণ মানুষের আয়-রোজগারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কি বিল নির্ধারণ করা যায় না?
একজন শ্রমিকের ঘরে,
একজন কৃষকের ঘরে,
একজন নিম্নবেতনের চাকরিজীবীর ঘরে—
বিদ্যুতের বিল যেন অভিশাপ হয়ে না আসে।
আমরা বিল মওকুফ চাই না…
আমরা অন্যায় সুবিধাও চাই না।
আমরা শুধু চাই—
ন্যায্য বিল, সহনীয় বিল,
এবং সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের কথা বিবেচনা করে একটি মানবিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।
কারণ—
বিদ্যুৎ আমাদের জীবনকে আলোকিত করার জন্য,
সংসারের স্বপ্নগুলো নিভিয়ে দেওয়ার জন্য নয়।
আলো জ্বলুক প্রতিটি ঘরে…
হাসি ফুটুক প্রতিটি পরিবারের মুখে…
আর বিদ্যুতের বিল যেন
কোনো বাবার চোখের পানি না হয়।

কবরের পাশে দাঁড়িয়ে একটু ভাবুন…যে জায়গাটিতে একজন মানুষ পৃথিবীর সব ব্যস্ততা, অহংকার, ক্ষমতা আর পরিচয় ছেড়ে চিরনিদ্রায় শুয়ে ...
02/09/2026

কবরের পাশে দাঁড়িয়ে একটু ভাবুন…
যে জায়গাটিতে একজন মানুষ পৃথিবীর সব ব্যস্ততা, অহংকার, ক্ষমতা আর পরিচয় ছেড়ে চিরনিদ্রায় শুয়ে আছেন—সেই জায়গাটিই কবর।
সেখানে গিয়ে হইচই, উচ্চস্বরে কথা বলা, হাসি-তামাশা কিংবা বিশৃঙ্খলা করা শুধু অশোভনীয় নয়; একজন মৃত মানুষের প্রতি সম্মানহীনতারও প্রকাশ।
রাসুলুল্লাহ ﷺ কবরের ওপর বসতেও নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, “তোমাদের কারও আগুনের অঙ্গারের ওপর বসা—যা তার কাপড় পুড়িয়ে চামড়ায় পৌঁছে যায়—কবরের ওপর বসার চেয়ে উত্তম।”
—সহিহ মুসলিম
তাহলে যে স্থানকে ইসলাম এত সম্মানের চোখে দেখতে শিখিয়েছে, সেখানে আমরা কীভাবে আনন্দ-উল্লাস, চিৎকার কিংবা বিশৃঙ্খলা করতে পারি?
আল্লাহ তাআলা আমাদের শিখিয়েছেন—
“নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।”
—সূরা আল-বাকারা: ১৯০
কবর কোনো বিনোদনের জায়গা নয়।
কবর আমাদের জন্য একটি নীরব উপদেশ।
আজ যে মানুষটি মাটির নিচে,
কাল হয়তো সেই জায়গাতেই আমার-আপনার ঠিকানা হবে।
তাই কবরস্থানে গেলে আসুন—
🤲 মৃতদের জন্য দোয়া করি,
📖 নীরবে আল্লাহকে স্মরণ করি,
💔 নিজের মৃত্যুর কথা স্মরণ করি,
🌿 এবং কবরের পবিত্রতা ও পরিবেশের প্রতি সম্মান দেখাই।
মনে রাখবেন—
কবরের নীরবতাকে সম্মান করা শুধু ভদ্রতা নয়, এটি আমাদের নিজের পরিণতির কথা স্মরণ করারও একটি শিক্ষা।
আজ আমরা কবরের পাশে দাঁড়িয়ে অন্যের জন্য দোয়া করছি—
একদিন হয়তো অন্য কেউ আমাদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দোয়া করবে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবরের আদব রক্ষা করার এবং মৃত্যুর আগে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন। 🤲

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর অনুমোদন পেল নবম পে-স্কেল| নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদ...
31/08/2026

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর অনুমোদন পেল নবম পে-স্কেল| নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের নিট পেনশন ৫৫ থেকে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ২০৩০ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে∆

✓সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি∆

✓সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৯ হাজার টাকা বা এর কম নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন বাড়বে ১০০ শতাংশ। ৯ হাজার ১ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি পেনশনধারীদের ৫৫ শতাংশ বাড়বে∆

✓ নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রায় সোয়া ৯ লাখ পেনশনভোগী উপকৃত হবেন। পুরো বেতন স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় হবে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা∆
উপরোক্ত সকল বিষয় আপনার কাছে কি মনে হচ্ছে।

একটি রিপোর্ট শুধু কাগজ নয়—এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে একটি মানুষের জীবন!প্রেসক্রিপশনে ডাক্তারের হাতের লেখা অস্পষ্ট হলে একজন র...
31/08/2026

একটি রিপোর্ট শুধু কাগজ নয়—এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে একটি মানুষের জীবন!
প্রেসক্রিপশনে ডাক্তারের হাতের লেখা অস্পষ্ট হলে একজন রোগী কিংবা তার স্বজনকে যেন আন্দাজ করে ওষুধ কিনতে না হয়। কারণ একটি ভুল পড়া ওষুধ, একটি ভুল ডোজ কিংবা একটি ভুল নির্দেশনা—কখনো কখনো জীবন-মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ডাক্তাররা আমাদের কাছে শুধু চিকিৎসক নন—তাঁরা মানুষের শেষ ভরসার একজন। তাই তাঁদের একটি প্রেসক্রিপশনের প্রতিটি শব্দ হওয়া উচিত স্পষ্ট, সহজপাঠ্য ও নির্ভুল।
✍️ হাতের লেখা স্পষ্ট করুন, নাহলে টাইপ করে দিন।
কারণ রোগীর জীবন কোনো পরীক্ষার বিষয় নয়।
একজন অসুস্থ মানুষ যখন হাসপাতালের দরজায় আসে, তখন সে শুধু চিকিৎসা চায় না—সে চায় নিরাপত্তা, বিশ্বাস আর বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা।
আসুন, চিকিৎসাব্যবস্থায় এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলি—
যেখানে প্রেসক্রিপশন হবে স্পষ্ট,
ওষুধ হবে নির্ভুল,
আর রোগীর জীবন হবে সবার আগে। ❤️
আপনি কি এই দাবির সঙ্গে একমত?

🎙️ টেস্ট বাণিজ্য বন্ধ হোক—রোগী হোক চিকিৎসার কেন্দ্রবিন্দুএকজন মানুষ যখন হাসপাতালে আসে,তখন তার হাতে থাকে না কোনো বিলাসিতা...
30/08/2026

🎙️ টেস্ট বাণিজ্য বন্ধ হোক—রোগী হোক চিকিৎসার কেন্দ্রবিন্দু
একজন মানুষ যখন হাসপাতালে আসে,
তখন তার হাতে থাকে না কোনো বিলাসিতার টাকা—
থাকে শুধু সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার আকুতি।
কিন্তু সেই অসহায় মানুষটিকেই যদি একের পর এক টেস্টের নামে
হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার আর কমিশনের চক্রে ফেলে দেওয়া হয়—
তাহলে প্রশ্ন জাগে,
চিকিৎসা কি মানুষের সেবা, নাকি ব্যবসা?
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো—
যদি কোনো রোগীর প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষা করানো হয়,
অথবা ভুল/অযাচাইকৃত রিপোর্টের কারণে একজন সুস্থ মানুষকে অসুস্থ বলা হয়,
তাহলে তার দায়ভার কে নেবে?
একজন ডাক্তার মানে শুধু একজন চিকিৎসক নন—
তিনি একজন রোগীর কাছে আস্থার শেষ ঠিকানা।
তাই চিকিৎসকদের কাছে আমাদের অনুরোধ—
প্রয়োজন ছাড়া কোনো টেস্ট নয়।
কমিশনের জন্য কোনো টেস্ট নয়।
ভুল রিপোর্ট দিয়ে কোনো রোগীর জীবন নিয়ে খেলা নয়।
যে পরীক্ষা সত্যিই রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজন,
শুধু সেই পরীক্ষাই হোক।
রিপোর্ট নিয়ে সন্দেহ থাকলে প্রয়োজনে পুনরায় যাচাই হোক।
রোগীর সামর্থ্য, পরিস্থিতি এবং কষ্টের কথাও বিবেচনায় নেওয়া হোক।
মনে রাখতে হবে—
একজন রোগী শুধু একজন ‘কাস্টমার’ নন।
তিনি একজন মানুষ।
তারও পরিবার আছে, স্বপ্ন আছে, বেঁচে থাকার অধিকার আছে।
হয়তো এই টেস্টের টাকা দিতে গিয়ে
কোনো বাবা তার সন্তানের স্কুলের বেতন দিতে পারছেন না।
হয়তো কোনো মা তার ঘরের বাজার বন্ধ রেখেছেন।
হয়তো কোনো দিনমজুর নিজের শেষ সম্বলটুকু দিয়ে
স্ত্রীর চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে এসেছেন।
তাদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে
যদি চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যবসায় পরিণত হয়—
তাহলে আমরা শুধু টাকা হারাব না,
মানুষের চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর বিশ্বাসটাও হারাব।
আমরা ডাক্তারদের শত্রু নই।
বরং আমরা চাই—
ডাক্তার ও রোগীর সম্পর্ক হোক বিশ্বাসের,
চিকিৎসা হোক মানবতার,
আর হাসপাতাল হোক মানুষের আশ্রয়ের জায়গা।
টেস্ট বাণিজ্য বন্ধ হোক।
অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা বন্ধ হোক।
ভুল রিপোর্টের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা হোক।
আর চিকিৎসার মূলমন্ত্র হোক—
**“অর্থ নয়, আগে মানুষ।
ব্যবসা নয়, আগে চিকিৎসা।
কমিশন নয়, আগে জীবন।”**
কারণ একজন রোগীর কাছে
একটি রিপোর্ট শুধু কাগজ নয়—
সেটি হতে পারে তার জীবন, তার পরিবার এবং তার ভবিষ্যৎ।
আসুন, চিকিৎসাকে ব্যবসা নয়—মানবতার সেবা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করি।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিমআসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।আজকের এই পবিত্র দিনে আমরা স্মরণ করছি সেই মহান মানবকে, যাঁর...
25/08/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
আজকের এই পবিত্র দিনে আমরা স্মরণ করছি সেই মহান মানবকে, যাঁর আগমনে অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবী পেয়েছিল আলোর দিশা।
তিনি হলেন—
হযরত মুহাম্মদ ﷺ।
আল্লাহর সর্বশেষ নবী ও রাসুল, সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত।
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেন—
“আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপই প্রেরণ করেছি।”
—সূরা আল-আম্বিয়া: ১০৭
প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
একবার ভাবুন তো—
আজ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে আরবের মরুভূমিতে যখন মানুষ মানুষকে মানুষ হিসেবে মূল্য দিত না,
কন্যাশিশুকে জীবন্ত কবর দেওয়া হতো,
শক্তিশালী দুর্বলকে শোষণ করত,
অন্যায় ছিল সমাজের নিয়ম—
ঠিক সেই সময় আল্লাহ পাঠালেন তাঁর প্রিয় হাবিবকে।
তিনি এসে বললেন—
মানুষে মানুষে কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই বংশে, সম্পদে কিংবা ক্ষমতায়; শ্রেষ্ঠ সে-ই, যে আল্লাহকে বেশি ভয় করে।
তিনি এতিমের মাথায় হাত রেখেছেন।
অসহায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
ক্ষুধার্তকে খাবার দিয়েছেন।
দাসের সঙ্গে মানবিক আচরণ করেছেন।
শত্রুকেও ক্ষমা করেছেন।
তাঁকে যারা পাথর মেরেছে, তিনি তাদের জন্যও হেদায়েতের দোয়া করেছেন।
তায়েফের সেই ঘটনা আমরা ভুলে যেতে পারি না।
রক্তাক্ত শরীর, আহত পা—
তবুও তাঁর মুখে প্রতিশোধের ভাষা ছিল না।
এটাই মুহাম্মদ ﷺ।
তিনি শুধু নামাজ শেখাননি—
সততা শিখিয়েছেন।
শুধু রোজা শেখাননি—
সংযম শিখিয়েছেন।
শুধু ইবাদত শেখাননি—
মানুষকে ভালোবাসতে শিখিয়েছেন।
তিনি বলেছেন—
“তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যার চরিত্র সর্বোত্তম।”
প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোনেরা,
আজ আমরা রাসুল ﷺ-কে ভালোবাসার কথা বলি।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—
আমাদের জীবনে কি তাঁর আদর্শ আছে?
আমরা কি সত্য কথা বলি?
আমরা কি কারও হক নষ্ট করি না?
আমরা কি এতিম-অসহায়ের পাশে দাঁড়াই?
আমরা কি বাবা-মাকে সম্মান করি?
আমরা কি প্রতিবেশীর খোঁজ রাখি?
আমরা কি ক্ষমা করতে শিখেছি?
কারণ রাসুল ﷺ-এর প্রতি সত্যিকারের ভালোবাসা শুধু মুখের কথায় নয়—
তাঁর সুন্নাহ ও চরিত্রকে জীবনে ধারণ করার মধ্যেই সেই ভালোবাসার প্রমাণ।
আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক—
আমরা মিথ্যা বলব না।
প্রতারণা করব না।
অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করব না।
অসহায় মানুষকে অবহেলা করব না।
বাবা-মায়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করব না।
এবং আমাদের জীবনকে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর আদর্শে সাজানোর চেষ্টা করব।
মনে রাখবেন—
দুনিয়ায় অনেক নেতা এসেছেন, অনেক রাজা এসেছেন, অনেক সম্রাট এসেছেন।
কিন্তু মুহাম্মদ ﷺ এমন একজন নেতা, যাঁর রাজত্ব শেষ হয়নি—
আজও কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে তাঁর ভালোবাসার রাজত্ব চলছে।
আজ আমরা শুধু তাঁর জন্মের কথা স্মরণ করব না—
তাঁর শিক্ষা স্মরণ করব।
শুধু দরুদ পড়ব না—
তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ করার চেষ্টা করব।
শুধু ভালোবাসার দাবি করব না—
ভালোবাসার প্রমাণ আমাদের চরিত্রে দেখাব।
হে আল্লাহ!
আমাদের অন্তরে আপনার প্রিয় হাবিব মুহাম্মদ ﷺ-এর সত্যিকারের ভালোবাসা দান করুন।
আমাদের জীবনকে তাঁর সুন্নাহ অনুযায়ী পরিচালিত করার তাওফিক দিন।
আমাদের পরিবারে শান্তি দিন, সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করুন, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর তাওফিক দিন।
এবং কিয়ামতের দিন আমাদেরকে আপনার প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর শাফায়াত নসিব করুন।

24/08/2026

আমাদের কাজী নজরুল তারেক রহমান: চিফ হুইপ।

Address

Barisal
7470

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zakir Daily Life Bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Zakir Daily Life Bd:

Shortcuts

Share