20/12/2025
বাংলাদেশ— বাহ, সোনার বাংলাদেশ!
একবার নিজেকে প্রশ্ন করি—
আমরা আসলে কোন দেশে বসবাস করছি?
যে দেশে একজন খু/নি, একজন অপরাধী অনায়াসেই চাইলে আপনাকে বা আমাকে যেকোনোভাবে হ/ত্যা করতে পারে। কারণ আমরা সাধারণ নাগরিক—স্বাধীন নই।
কিন্তু একজন অপরাধী?
সে ভাবে এই দেশ তার জন্য পুরোপুরি স্বাধীন। তার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
কারণ তাদের পাশে আছে প্রশাসন, আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী—যাদের থাকার কথা সাধারণ মানুষের পাশে।
আর আছে বড় বড় রাঘব বোয়াল, প্রভাবশালী নেতা আর অদৃশ্য শক্তির হাত।
আর আপনার–আমার?
আমাদের কিছুই নেই।
প্রতিনিয়ত আমরা আতঙ্কে বসবাস করি।
শুধু ওসমান হাদী নয়—এই দেশে হাজারো “হাদী” জন্মায়।
আবার হাজারো হাদী অন্যায়ভাবে খু/ন হয়, গুম হয়, জেলে বন্দি হয়।
অপরাধ একটাই—তারা কথা বলতে জানে, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াতে চায়।
আর যদি সেই কণ্ঠে সামান্য ইসলামি চিন্তাভাবনা থাকে—তাহলে তো কথাই নেই, ডাইরেক্ট অ্যাকশন।
এখন অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন—
“ভাই, খু/নি-অপরাধীরা এত সাহস পায় কীভাবে?”
সমীকরণটা খুবই সোজা।
দেশে এত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বর্ডার গার্ড, এত নিরাপত্তা থাকার পরও একজন অপরাধী কীভাবে অনায়াসে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যায়?
আপনি আমি চাইলে পারব? কখনোই না।
তাহলে একবার ভাবুন—এখানে কাদের হাত রয়েছে?
এক দেশ থেকে আরেক দেশে মানুষ পাচার—এগুলো কি কোনো বাহিনীর সাহায্য ছাড়া সম্ভব?
যদি অপরাধীর পেছনে বড় হাত না থাকে, তবে দিনে-দুপুরে প্রকাশ্যে মানুষ খু/ন করার সাহস আসে কোথা থেকে?
অপরাধীরা মনে করে—
“দেশে খু/ন করব, তথাকথিত বন্ধু রাষ্ট্র আমাদের সাদরে গ্রহণ করবে, আর বর্ডারে তথাকথিত চুড়ি-পরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় নিরাপদে চলে যাব।”
তাহলে অপরাধ করতে ভয় কোথায়?
পালানোর পথ তো আগেই প্রস্তুত।
বাস্তবতা হলো—
আজ আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা চরমভাবে কাহিল।
আর সরকারের অবস্থা?
তা তো আরও ধ্বজভঙ্গ।
গণতন্ত্র যতদিন এভাবেই চলবে, ততদিন এই অবিচারও চলতে থাকবে।
ইসলামি শাসনব্যবস্থা ছাড়া পৃথিবীর কোথাও প্রকৃত শান্তি কায়েম করা সম্ভব নয়।