17/06/2026
মানুষের ভেতরের নীরব কষ্টগুলো কতটা ভয়া/বহ আর একা হতে পারে, তার এক জীবন্ত ও কলিজা কাঁপানো প্রমাণ মিলল এবার! মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও যে মানুষটি নিজের কষ্টের চেয়ে পরিবারের মানুষের কান্নার কথা ভেবে আকুল হন, তাঁর ভেতরের নীরব হাহাকারটা আমরা কজনই বা বুঝতে পারি?"—রবিবার সকালে বরগুনার তালতলী থানার পুলিশ ব্যারাকে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনাটি পুরো পুলিশ বাহিনীসহ দেশের মানুষের হৃদয়কে একদম ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে।
ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, আ/ত্/ম/হ/ত্/য়া করা ফারুক হোসেন গাজী ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার আংগারিয়া গ্রামের রতন আলী গাজীর ছেলে। তিনি মাত্র এক মাস আগে পাথরঘাটা থানা থেকে বদলি হয়ে তালতলী থানায় যোগদান করেছিলেন। আজ রবিবার সকাল ৯টার দিকে থানার ব্যারাকে ফারুককে তাঁর নিজের কক্ষে মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া যায়। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃ/ত ঘোষণা করেন।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ফারুকের নিজের হাতে লেখা চার পৃষ্ঠার এক দীর্ঘ ও আবেগঘন চিরকুট উদ্ধার করেছে। মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে বিষাক্ত ট্যাবলেট সেবন করার আগে চিরকুটে তিনি লিখেছেন—"আমার অনুরোধ, বাড়িতে জানাবে আমি স্ট্রো/ক করে মৃ/ত্/যু/ব/র/ণ করেছি, না হলে তারা কষ্ট পাবে।" নিজের মৃত্যুর জন্য কাউকেই দায়ী না করে যাওয়া এই কনস্টেবল অনুরোধ করে গেছেন, তাঁর ম/র/দে/হ যেন বাবার বাড়িতে কবর দেওয়া হয় এবং তাঁর স্ত্রী যেন এই আসল সত্যটি জানতে না পারেন! ভেতরের কোন গভীর ক্ষত বা মানসিক যন্ত্রণা ফারুককে এমন একা করে দিয়েছিল, যা তিনি কাউকেই বলতে পারলেন না? তাঁর এই আকস্মিক বিদায়ে পুরো থানায় আজ শোকের কালো ছায়া নেমে এসেছে।😭💔