24/01/2026
জুলাইয়ের মামলায় বাগেরহাটের এক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার হয় এক বছর আগে। তাকে যখন গ্রেফতার করা হচ্ছিল, তখন তার স্ত্রী ছিল গর্ভবতী। সে জেলে যাওয়ার পর তাদের সন্তান জন্মলাভ করে।
লোকটা ছাড়া পায়নি এখনো। ওদিকে, আর্থিক কষ্ট আর সামাজিক অপমানের কারণেই হয়তো-বা, তার স্ত্রী নিজেদের একমাত্র সন্তানকে নিজ হাতে হত্যা করে, নিজেও গলায় দ*ড়ি দেয়।
ঘটনা সেখানে শেষ হয়নি।
লোকটার পরিবার সরকারের কাছে আবেদন করেছিল যেন তাকে প্যারোলে মুক্তি দিয়ে, স্ত্রী আর সন্তানের জানাযায় উপস্থিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু, সরকার সেই সুযোগ লোকটাকে দেয়নি।
তারপর, পরিবারের উদ্যোগে তার স্ত্রী এবং সন্তানের মরদেহ এম্বুলেন্সে করে কারাগারে আনা হয় যাতে লোকটা শেষ দেখাটা দেখতে পারে।
I don't know how to react.
সে হয়তো অনেক বড় অপরাধী। কিন্তু, আধা ঘণ্টার জন্য তাকে প্যারোলে মুক্তি দিতে সমস্যাটা কোথায় ছিল আসলে?
আমরা তো একটা ন্যায্য, ইনসাফ আর মানবিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখি, যেখানে আমাদের চরম শত্রুও মানবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না।
আমার ঘোরতম শত্রুকেও আমি তার আপনজনের জানাযায় উপস্থিত হতে দিচ্ছি না—এটা কল্পনা করতেও তো আমার ডিস্টার্ব ফিল হয়। রাষ্ট্রের কি নিরাপত্তা বাহিনীর এতো অভাব যে, পাঁচজন পুলিশ সাথে দিয়ে লোকটাকে স্ত্রী আর সন্তানের জানাযায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া গেল না?
ধিক্কার জানাই এমন অমানবিকতাকে!