22/10/2025
সম্পর্ক যতই কাছের হোক না কেন, কিছুটা distance বা সীমারেখা বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা অনেক সময় সম্মান, শ্রদ্ধা ও ভারসাম্য নষ্ট করে ফেলে। সম্পর্ক সুন্দরভাবে টিকিয়ে রাখতে যেমন ভালোবাসা দরকার, তেমনি দরকার পরস্পরের প্রতি সীমা ও সংযম বজায় রাখা। প্রথমে বোঝা দরকার — দূরত্ব মানেই অবহেলা নয়। বরং একটু দূরত্বই সম্পর্ককে নিঃশ্বাস নেওয়ার জায়গা দেয়। যেমন: প্রেমের সম্পর্কে (GF–BF) — অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ, সবসময় একে অপরের জীবনে হস্তক্ষেপ করলে সম্পর্ক ক্লান্তিকর হয়ে যায়। তাই পরস্পরকে নিজের মতো সময় দেওয়া, স্বাধীনতা দেওয়া, আর একটু দূরত্ব রাখা সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। বন্ধুত্বে (Best Friend) — বন্ধুত্ব যত ঘনিষ্ঠই হোক, ব্যক্তিগত সীমারেখা থাকা দরকার। সবকিছু শেয়ার করা বা বন্ধুকে নিজের জীবনের প্রতিটি বিষয়ে জড়ানো ঠিক না। এতে ভুল বোঝাবুঝি, মান-অভিমান বাড়ে। সিনিয়র–জুনিয়র সম্পর্ক — এখানে দূরত্ব রাখা সবচেয়ে জরুরি। সিনিয়র যদি খুব বেশি ফ্রেন্ডলি হয়ে যায়, জুনিয়ররা অনেক সময় সেই শ্রদ্ধাবোধ হারিয়ে ফেলে। আবার জুনিয়রদেরও বুঝতে হবে, অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা মানেই প্রিয় হওয়া নয়। সম্মান বজায় রেখে যোগাযোগ রাখাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। অনেক সময় দেখা যায়, সিনিয়ররা জুনিয়রদের খুব আপন করে নেয়, সবকিছু শেখায়, পাশে থাকে—কিন্তু যখন জুনিয়ররা সেই সুযোগের অপব্যবহার করে বা শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলে, তখন সম্পর্কের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। তাই জুনিয়রদের অতিরিক্ত মাথায় তোলা ঠিক নয়। একটু দূরত্ব রেখে, সম্মান বজায় রেখে সম্পর্ক রাখাই ভালো। শেষ কথা — দূরত্ব মানেই দূরত্ব নয়, বরং সম্পর্ক টিকে থাকার জায়গা দেওয়া। যেখানে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, আর সংযম তিনটিই একসাথে থাকে, সেই সম্পর্কই দীর্ঘস্থায়ী ও সুন্দর হয়। ❤️
জীবন থেকে নেওয়া 💔
২১/১০/২৫
সানি🦋