01/03/2026
ইমাম যদি শহীদও হয়ে যান, তাতে কি??
ইরান সিভিলাইজেশনাল স্টেট, রেভলুশনারি স্টেট। এধরনের রাষ্ট্র ব্যক্তিকেন্দ্রিক না, আদর্শ ও সভ্যতাকেন্দ্রিক। ঠিক যেমনটা ইয়েমেন-ফালাস্তিন-কাশ্মীর ও তুর্কীয়্যের রেজিস্ট্যান্স।
নেতাদের মেরে এই ধরনের রাষ্ট্রকে ধ্বংস করা যায় না। সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে এধরনের রাষ্ট্রকে পরাজিত করা যায় না। ইরানের পরাজয় শুধু সম্ভব আদর্শিকভাবে, কিন্তু তাদেরকে আদর্শিকভাবে পরাজিত করা ম্যাসোজায়োনিস্টদের পক্ষে সম্ভব না।
খেয়াল করেন, লড়াইয়ের একপক্ষে জড়ো হয়েছে সমস্ত বা'আল পুজারী এপস্টেইনের ক্লায়েন্টরা, আরেকদিকে একা দাঁড়িয়ে আছে অবরোধের শিকার, ধ্বসে পড়া অর্থনীতি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটা ক্ষতবিক্ষত রাষ্ট্র, যারা অস্বীকার করেছে যে পুজিবাদ ইসলামের চেয়ে শ্রেষ্ঠ হতে পারে।
ইরান কোন আদর্শ ইসলামী রাষ্ট্র নয় এবং কোন আদর্শ ইসলামী রাষ্ট্র এই মুহুর্তে এক্সিস্ট করে না, রাষ্ট্র ঠিক কতটা ইসলামী হতে পারে সেটাও তর্কসাপেক্ষ বিষয়ই।
কিন্তু ইরান একটা উদাহরন, কাশ্মীর, ফালাস্তিন বা ইয়েমেনের মত। ইরান প্রতিরোধের একটা চুড়ান্ত দুর্গ।
আমি এখনো মনে করি ইমাম খামেনী জীবিত। (আপডেট-তিনি শহীদ হয়ে গেছেন) ইউএসএ-ইজরায়েল সাইকোলজিক্যাল ওয়রফেয়ার খেলছে। কিন্তু আমি এটাও মনে করি, তিনি জীবিত না থাকলেও প্রতিরোধ থেকে যাবে না।
সবশেষে একটা কথা বলবো, ইব্রাহীম রাঈসীর শাহাদাতের মধ্যে দিয়ে ডিক্যাপিটেশান স্ট্রাইকের যে যামানা শুরু হয়েছে, অদুর ভবিষ্যতে এটাই সারা দুনিয়ায় ফ্রিম্যাসন সাম্রাজ্যবাদের টেক্সটবুক হেজিমনি এস্ট্যাবলিশমেন্ট মডেল হবে।
যারা নেতা হবেন, এই কথাটা মনে রেখে নেতা হইয়েন যে আপনাকে দিয়ে শুরু করা হবে। আর নাহলে বিক্রি হয়ে যেতে সময় লাগবে না।
আল্লাহ জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমকে বিজয়ী করুন। আমিন!!
হাসবিয়াল্লাহ!!