Md Azizul islam Nesari

Md Azizul islam Nesari ‎সত্যের পথে - নবীজির রাহে - এসো গর্জে উঠি।

ইসলামকে নিয়ে খেলা শুরু হয়ে গেছে। রাজনীতির নামে ইসলামকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আপনার এই রাজনীতি আর ইসলাম এক জিনিস নয়। মনে রাখ...
10/10/2025

ইসলামকে নিয়ে খেলা শুরু হয়ে গেছে। রাজনীতির নামে ইসলামকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আপনার এই রাজনীতি আর ইসলাম এক জিনিস নয়। মনে রাখবেন দ্বীন ইসলাম সবচেয়ে বড় জিনিস। ইসলামকে কোনো ব্যক্তির সার্থে কোনো দলের সার্থে কেউ ব্যবহার করবেন না।।

পীর সাহেব হুজুর ছারছীনা দরবার শরীফ।

04/10/2025

‎রাজনীতি এখন এমন এক ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে আকীদার চেয়ে আসন বেশি গুরুত্বপূর্ণ, আল্লাহর সন্তুষ্টির চেয়ে ভোট বেশি প্রিয়, আর দ্বীন রক্ষার নামে দ্বীন বিক্রি করা যেন এক প্রকার বুদ্ধিমত্তা হয়ে গেছে।

‎আজকের রাজনীতি এক ভয়াবহ বিভ্রান্তির নাম।
‎এমন এক সময় এসেছে, যখন মানুষ রাজনীতির আসনে বসতে গিয়ে নিজের ঈমানের ভিত্তি পর্যন্ত বিসর্জন দিতে কুণ্ঠিত নয়।

‎সবচেয়ে কষ্টের বিষয়, যাদের পরিচয়, ইসলামী রাজনীতি,দ্বীনের পতাকা বাহক, তারাই আজ পূজার মণ্ডপে গিয়ে (শুভ দুর্গাপূজা) জানাচ্ছে, প্রতিমার সামনে হাসিমুখে ছবি তুলছে, এমনকি কাঁধে ফুলমালা পরিয়ে আসছে মন্দিরের পুরোহিতকে। এবং তাদেরও দিচ্ছে।

‎এ কেমন ইসলামি চেতনা?
‎এ কেমন দ্বীনের রাজনীতি?
‎ইসলাম কি আমাদের শিখিয়েছে যে, ক্ষমতার জন্য কুফরি কাজেও অংশ নিতে হবে?
‎না, ইসলাম কখনো তা শেখায়নি।

‎বরং আল্লাহ তায়ালা বলেন, তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিও না এবং জেনে শুনে সত্য গোপন করো না।

‎কিন্তু আজকের রাজনীতি ঠিক সেই কাজটাই করছে। ইসলামের নাম ব্যবহার করে, ইসলামপ্রেমীদের আবেগ নিয়ে খেলছে।

‎ময়দানে বসে ইসলামি স্লোগান দেওয়া হচ্ছে, আর রাতে মন্দিরে গিয়ে পূজার আগরবাতি হাতে হাসিমুখে সেলফি তোলা হচ্ছে। এ যেন দ্বীনের সঙ্গে এক নির্মম উপহাস।

এখন রাজনীতি মানে হলো ক্ষমতার সিঁড়ি, চেয়ার, মিডিয়া, ভোট, আর মানুষের চোখে ভালো দেখানোর প্রতিযোগিতা। আল্লাহর ভয় নেই, শুধু ভয় আছে, যদি ভোট কমে যায়।

‎তাহলে যারা পূজার আনন্দে শরিক হয়, প্রতিমার সামনে দাড়ায়, শুভ পূজা বলে, তারা কাদের সাদৃশ্য নিচ্ছে?
‎মুসলমানদের, নাকি মূর্তিপূজারীদের?

‎রাজনীতি যদি দ্বীনের অধীনে না চলে, তাহলে সেটা শয়তানের রাজনীতি। ইসলামী নামের মুখোশ পরে পূজার মঞ্চে দাঁড়িয়ে কেউ দ্বীনের সেবা করছে না বরং দ্বীনের ক্ষতি করছে।

‎আমরা যদি সত্যিই আল্লাহর সন্তুষ্টি চাই, তাহলে আমাদের বলা দরকার ইসলাম কোনো আসনের রাজনীতি নয়, ইসলাম হলো আল্লাহর রাজত্ব প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। আর যে রাজনীতি ঈমান বিকিয়ে ভোট নেয়, সে ইসলামের নয়, সে কপটতার রাজনীতি।
‎মো আজিজুল ইসলাম

সাদার মাঝে শান্তি খুঁজি, ঠিক কাশফুলের মতোই।
02/10/2025

সাদার মাঝে শান্তি খুঁজি, ঠিক কাশফুলের মতোই।

অবিবাহিতদের শ্বশুরবাড়ি 🙄
30/09/2025

অবিবাহিতদের শ্বশুরবাড়ি 🙄

বরিশালের মিনি কুয়াকাটা🥴তালতলা, বরিশাল।
29/09/2025

বরিশালের মিনি কুয়াকাটা🥴
তালতলা, বরিশাল।

সিঙ্গারা পয়েন্ট, ৩০ গোডাউন, বরিশাল।
28/09/2025

সিঙ্গারা পয়েন্ট, ৩০ গোডাউন, বরিশাল।

২০২০🙄
20/09/2025

২০২০🙄

🥰
19/09/2025

🥰

আমার দর্শক সংখ্যা 1K জন ফলোয়ার জন! আপনাদের নিরলস সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের ছাড়া আমি এটা করতে পারতাম না। 🙏🤗🎉
18/09/2025

আমার দর্শক সংখ্যা 1K জন ফলোয়ার জন! আপনাদের নিরলস সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের ছাড়া আমি এটা করতে পারতাম না। 🙏🤗🎉

14/09/2025

কাওমী ঘরানার আলেম
ইজহারুল ইসলাম কাউসারীর সুন্দর বিশ্লেষণ ।

বিদয়াতের সঠিক সংজ্ঞা না জেনে যারা এটা নিয়ে মাতামাতি করে এরা নানাভাবে সুস্পষ্ট স্ববিরোধিতা করে থাকে। কিন্তু তারা এই স্ববিরোধিতা উপলব্ধি করতে পারে না তাদের আক্বল ও ফাহামের দুর্বলতার কারণে।

যেমন, মডার্ণ এলিট সালাফিরা পূর্ববর্তী উলামাদের থেকে প্রচলিত আমলগুলোকে তাদের বস্তুবাদী পশ্চিমা রুচির কারণে অপছন্দ করে। বিভিন সময় এগুলো নিয়ে ট্রলও করে। কিন্তু এদেরকেই দেখবেন, একই কাজ একটু পশ্চিমা ধাচে করলে খুব খুশি হয়।

যেমন, আপনি যদি রবিউল আওয়াল মাসে সিরাত ওয়ার্কশপ করেন, পডকাস্ট করেন, সেমিনার করেন বা জাক-জমকপূর্ণ টিভি শো করেন, তাহলে এরা কোন আপত্তি করে না। এমনকি নিজেরা এগুলো করে। কারণ, এগুলো তাদের পশ্চিমা রুচি-বোধের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। কিন্তু আপনি যদি একই মাসে পশ্চিমা রুচির বাইরে মিলাদ - মাহফিল করেন, তাহলে বিদয়াত বিদয়াত বলে চিৎকার শুরু করে। অথচ মূলনীতির দিক থেকে দু'টোই এক।

যে রবিউল আওয়াল মাসে সীরাত মাহফিল করতেছে, সপ্তাহ ব্যাপী ওয়ার্কশপ করছে, আর যে সপ্তাহ বা মাসব্যাপী মিলাদ করছে, মূলনীতির দিক থেকে উভয় কাজের কী পার্থক্য?

মিলাদকে বিদয়াত বলার মূল কারণটা কি তাহলে এদের কাছে? কোন মাস, দিন বা সপ্তাহকে নির্দিষ্ট করা যদি বিদয়াত বলার কারণ হয়, তাহলে একই কাজ তারা সিরাত মাফহিলেও করছে। রবিউল আওয়ালকে সামনে নিয়ে তারা সপ্তাহ ব্যাপী আয়োজন করছে। শরীয়াতের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট নয়, এমন দিন, মাস, বা সপ্তাহকে নির্দিষ্ট করা যদি বিদয়াত হওয়ার মূল কারণ হয়, তাহলে এই মাসকে উপলক্ষ্য করে সিরাত ওয়ার্কশপ, সিরাত মাহফিল, অনলাইন লাইভ বা পডকাস্ট, সবই বিদয়াত হওয়ার কথা। আর যদি কোন দিন, সপ্তাহ বা মাসকে নির্দিষ্ট করাটা বিদয়াত বলার মূল কারণ না হয়, তাহলে প্রচলিত মিলাদ-মাহফিল বিদয়াত কেন হবে আর পশ্চিমা - স্টাইলের ওয়ার্কশপ, পডকাস্ট কেন বৈধ হবে? মাসব্যাপী বই-মেলা করাই বা বৈধ হবে কেন? নাকি যেসব কাজ পশ্চিমা রুচির সাথে মিলবে অথবা নিজেদের পকেট ভারী করবে সেগুলো জায়েজ আর এর বাইরে গরীবের জিলাপি খাওয়া বিদয়াত?

কেউ কেউ আরেক হাস্যকর যুক্তি এনেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু এর মিলাদ থেকে যেহেতু আমাদের জন্য শিক্ষণীয় কিছু নেই, সিরাত থেকে শিক্ষণীয় আছে এজন্য আমরা মিলাদ না করে সিরাত করব।

এটাও খুবই মারাত্মক পর্যায়ের অজ্ঞতাপূর্ণ বক্তব্য। এমনকি অনেক সময় এধরণের বক্তব্য কুফুরী পর্যায়েও চলে যেতে পারে। নবীজীর আজমত ও মহব্বত স্বতন্ত্র ইবাদত। নবীজীর শুধু জন্ম বা পৃথিবীতে আগমন কেন, নবীজীর সাথে সংশ্লিষ্ট যে কোন কিছুর আলোচনা, তার প্রতি আজমত ও মহব্বত আমাদের ঈমানের অংশ। কেউ যদি মনে করে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনের ওই বিষয়গুলোই শুধু আলোচনা করা যাবে বা উচিৎ যেগুলো থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারব বা আমরা আমল করব, অন্য বিষয়ের আলোচনা করা উচিৎ নয় বা এগুলোর আলোচনা থেকে অনুৎসাহিত করে, তাহলে এটি কুফুরী হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহিু ওয়াসাল্লামের পেশাব-পায়খানার আলোচনা নিয়েও কেউ যদি অপছন্দ বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, তাহলে সেটিও কুফুরী হবে। এজন্য এর চেয়ে ধৃষ্ঠতাপূর্ণ কথা আর কী হতে পারে যে, সিরাত শিক্ষণীয় এজন্য সিরাতের আলোচনা করা যাবে আর মিলাদ থেকে শিক্ষার কিছু নেই, এজন্য এটা করা যাবে না। ইন্নালিল্লাহ।

পবিত্র কুরআনে বেশ কয়েক জায়গায় নবীগণের জন্মের দিনকে বিশেষভাবে উল্লেখ করে তাদের উপর সালাম দেয়া হয়েছে। শান্তি ও নিরাপত্তার কথা বলা হয়েছে।

যেমন হযরত ইয়াহইয়া আ: এর ক্ষেত্রে পবিত্র কুরআনের আয়াত,
وَسَلَامٌ عَلَيْهِ يَوْمَ وُلِدَ وَيَوْمَ يَمُوتُ وَيَوْمَ يُبْعَثُ حَيًّا

একইভাবে হযরত ঈসা আ: এর ক্ষেত্রে কুরআনের আয়াত,

وَالسَّلَامُ عَلَيَّ يَوْمَ وُلِدتُّ وَيَوْمَ أَمُوتُ وَيَوْمَ أُبْعَثُ حَيًّا

বিভিন্ন তাফসীরে হাসান বসরী রহ: থেকে একটি বর্ণনা এসেছে,
وقال الحسن البصري: التقى يحيى وعيسى، فقال يحيى لعيسى: أنتَ خير مني، فقال عيسى ليحيى: بل أنت خير مني، سلَّم الله عليك، وأنا سلَّمتُ على نفسي. وقال سعيد بن جبير مثله، إِلا أنه قال: أثنى الله عليك، وأنا أثنيت على نفسي

অর্থাৎ হাসান বসরী রহ: বলেন, হযর ইয়াহইয়া ও হযরত ঈসা আ: পরস্পর সাক্ষাৎ করলেন। তখন হযরত ইয়াহইয়া হযরত ঈসা আ: কে বললেন, আপনি আমার চেয়ে উত্তম। উত্তরে হযরত ঈসা আ: বললেন, বরং আপনি আমার চেয়ে উত্তম। আপনাকে আল্লাহ তায়ালা সালাম জানিয়েছেন, আর আমি নিজে নিজের উপর সালাম জানিয়েছি।
সাইদ ইবনে জুবায়ের রহ: ও একই কথা বলেছেন। তবে শেষে বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আপনার প্রশংসা করেছেন আপনার জন্মের দিনে আর আমি নিজে নিজের প্রশংসা করেছি।

এখানে জন্মের দিনে সালাম দ্বারা আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি - নিরাপত্তা, শয়তানের ক্ষতি থেকে হেফাজত থাকা সহ বিভিন্ন অর্থ হতে পারে। তবে মূল বিষয় হলো, নবীগণের জন্মের দিনে তাদের উপর সালাম পেশ করা এটি সাধারণ কোন বিষয় নয়। একথা বলার সুযোগ নেই যে, জন্মের দিন থেকে তো আমাদের শিক্ষার কিছু নেই এজন্য আমরা সেটা নিয়ে আলোচনা, দুরুদ, সালাম কিছুই করি না। সিরাত থেকে যেহেতু শিক্ষণীয় বিষয় আছে, এজন্য সিরাত ওয়ার্কশপ করি। এধরণের কথা চরম মূর্খতা ছাড়া কিছুই নয়। আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন।

08/09/2025

এলোরে রবিউল আউয়াল।

Address

Barishal

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Azizul islam Nesari posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share