Posted By Asad

Posted By Asad আসসালামু আলাইকুম
-ভাইয়া/আপু🌸
-আমার এই ছোট পেজটিতে ঘুরে আসার আমন্ত্রণ রইল। ভালো লাগলে 𝗙𝗼𝗹𝗹𝗼𝘄 দিয়ে পেজটির সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ🖤 ❤️‍🩹।।।
(9)

Life is very important,
So problem don't matter,
In Shaa Allah.

দশ বছর আগে আগস্টে ইস্তাম্বুল হারিয়েছিল শহরের সবচেয়ে বিখ্যাত বাসিন্দাদের একজনকে। তবে সে মানুষ ছিল না।টমবিলি। তুর্কি ভাষায়...
12/08/2026

দশ বছর আগে আগস্টে ইস্তাম্বুল হারিয়েছিল শহরের সবচেয়ে বিখ্যাত বাসিন্দাদের একজনকে। তবে সে মানুষ ছিল না।

টমবিলি। তুর্কি ভাষায় নামটির অর্থ ‘গোলগাল’। ইস্তাম্বুলের এশীয় অংশের কাদিকোই এলাকার জিভেরবেতে ফুটপাতের সিঁড়িতে বছরের পর বছর আরামে বসে থাকত সে।

বিশেষ একটি ভঙ্গির জন্য স্থানীয়দের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছিল টমবিলি। শরীর সোজা রেখে বসে এক পা পাশের দিকে ছড়িয়ে দিত, আর নির্বিকার ভঙ্গিতে রাস্তার দিকে তাকিয়ে থাকত।

২০১৪ সালের দিকে ঠিক সেই ভঙ্গির একটি ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর দ্রুতই বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত ভবঘুরে বিড়ালগুলোর একটিতে পরিণত হয় টমবিলি।

হঠাৎ এত জনপ্রিয় হয়ে গেলেও তার জীবনে তেমন কিছুই বদলায়নি। সে আগের মতোই ছিল। এলাকার বাসিন্দারাই তার দেখাশোনা করতেন। আর আগের মতো একই সিঁড়িতেই বসে থাকত সে।

২০১৬ সালের ১ আগস্ট প্রায় এক মাস অসুস্থ থাকার পর মারা যায় টমবিলি। পরে জানা যায়, তার কিডনি বিকল হয়েছিল। তখন তার বয়স প্রায় ১৬ বছর ছিল বলে ধারণা করা হয়।

মৃত্যুর খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। যে রাস্তায় সে বসে থাকত, সেখানে হাতে লেখা পোস্টার টাঙাতে শুরু করেন বাসিন্দারা। এলাকার অঘোষিত প্রতীক হয়ে ওঠার জন্য টমবিলিকে ধন্যবাদও জানানো হয় সেসব পোস্টারে।

টমবিলি যেখানে বসে থাকত, ঠিক সেখানেই তার স্মরণে স্থায়ী একটি মূর্তি স্থাপনের দাবিতে আবেদন শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সেই আবেদনে ১৭ হাজারের বেশি স্বাক্ষর পড়ে! স্বাক্ষরকারীদের অনেকেই ছিলেন তুরস্কের বাইরের মানুষ।

শেষ পর্যন্ত কাদিকোই পৌরসভা আবেদনটি অনুমোদন করে। স্থানীয় ভাস্কর সেভাল শাহিনকে ব্রোঞ্জ দিয়ে টমবিলির সেই বিখ্যাত বসার ভঙ্গি তৈরি করার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

২০১৬ সালের ৪ অক্টোবর বিশ্ব প্রাণী দিবসে মূর্তিটি উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে যোগ দেন কয়েকশ মানুষ।

আজও সেই জায়গাতেই রয়েছে টমবিলির ছোট ব্রোঞ্জের মূর্তি। যে সিঁড়িতে আসল টমবিলি বছরের পর বছর আরামে বসে থাকত, ঠিক সেখানেই একই ভঙ্গিতে বসে আছে তার মূর্তি।

মূর্তিটি দেখতে যাওয়া অনেক দর্শনার্থীই লক্ষ্য করেন, আশপাশে প্রায়ই এক বা দুটি বিড়াল ঘোরাফেরা করছে। যেন ইস্তাম্বুলের বিখ্যাত বিড়ালদের সংস্কৃতির সঙ্গে টমবিলির স্মৃতিও একই জায়গায় বেঁচে আছে!
তথ্য ও চিত্রঃ সংগৃহীত!

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুর দিকে বেলজিয়ামের লেবেকে অঞ্চলে একটি স্কাউটিং মিশনে অংশ নিয়েছিলেন বেলজিয়ান সৈনিক অপ্টাটিয়াস ব...
12/08/2026

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুর দিকে বেলজিয়ামের লেবেকে অঞ্চলে একটি স্কাউটিং মিশনে অংশ নিয়েছিলেন বেলজিয়ান সৈনিক অপ্টাটিয়াস বুইসেন্স। তার বুকপকেটে রাখা ছয়টি মুদ্রার ঝনঝন শব্দ কাছাকাছি থাকা এক জার্মান সৈনিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, ফলে তার অবস্থান প্রকাশ পেয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই একটি গুলি তার বুকে আঘাত হানে। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে, গুলিটি সরাসরি হৃদয়ে পৌঁছানোর আগেই বুকপকেটের সেই ছয়টি মুদ্রায় আঘাত করে দিক পরিবর্তন করে। ফলে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসেন বুইসেন্স।

11/08/2026

Good evening 😍❤️

বাস্তবতা সব সময় আমাদের মনের মতো হয় না" তবুও সবকিছু মেনে নিতে হয় এই'তো জীবন:)😊❤️‍🩹
11/08/2026

বাস্তবতা সব সময় আমাদের মনের মতো হয় না" তবুও সবকিছু মেনে নিতে হয় এই'তো জীবন:)😊❤️‍🩹

বাবার লা''শের পাশে খাটিয়াতে শুয়ে আছে ছেলে, বাবাকে যেতে দিবেনা। #বাবাছেলে
10/08/2026

বাবার লা''শের পাশে খাটিয়াতে শুয়ে আছে ছেলে, বাবাকে যেতে দিবেনা।
#বাবাছেলে

দুর্ঘটনার সেই মুহূর্তে সিএনজি চালক ভাইটি বারবার চিৎকার করে বলছিলেন, "একজন মানুষ আমার সাথে আসেন!" কিন্তু হাজারো মানুষের ভ...
10/08/2026

দুর্ঘটনার সেই মুহূর্তে সিএনজি চালক ভাইটি বারবার চিৎকার করে বলছিলেন, "একজন মানুষ আমার সাথে আসেন!" কিন্তু হাজারো মানুষের ভিড় থেকেও কেউ এগিয়ে এলেন না।

ভিডিও ধারণ করার মানুষ ছিল অনেক, কিন্তু অসহায় মানুষটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসার মানুষ ছিল মাত্র একজন—এই সিএনজি চালক ভাই।

আপনার এই মানবিকতা, সাহস আর দায়িত্ববোধের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সালাম। 🫡

ভাইটির পরিচয় যদি কারও জানা থাকে, অনুগ্রহ করে আমাকে ইনবক্সে জানাবেন। এমন মানবিক মানুষদের আমরা সবাই যেন সম্মান জানাতে পারি।
চিত্র ও তথ্যঃ সংগৃহীত!

ইন্না লিল্লাহ!😴😭বিশ্বাস ই হচ্ছে না ছবিতে থাকা ভাইদের মধ্যে কেউ বেচে নেই 😭সৌদিতে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৭ জন ব...
10/08/2026

ইন্না লিল্লাহ!😴😭
বিশ্বাস ই হচ্ছে না ছবিতে থাকা ভাইদের মধ্যে কেউ বেচে নেই 😭
সৌদিতে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৭ জন বাংলাদেশি নি'হত হয়েছেন।

আল্লাহ বিশ্বের সকল প্রবাসী ভাইদের হেফাজত করুন!!
প্রবাসে এমন মরণের কি যে যন্ত্রণা... যে পরিবারের সন্তান মারা যায় সে পরিবার ছাড়া কেউ বুঝেনা 😓💔
তথ্য ও চিত্রঃ সংগৃহীত!

কি আছে বর্তমানে এই সৌদি আরবে, সেটা আসলে বুঝতে পারবা 🫠সৌদি আরব যাওয়ার তাড়া! ৫ লাখ টাকা খরচ করে কোন বাস্তবতার মুখোমুখি হ...
09/08/2026

কি আছে বর্তমানে এই সৌদি আরবে, সেটা আসলে বুঝতে পারবা 🫠সৌদি আরব যাওয়ার তাড়া! ৫ লাখ টাকা খরচ করে কোন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন এই নতুন প্রবাসী?
বিমানবন্দরে সৌদি আরবগামী এক নতুন প্রবাসী তাড়াহুড়োর মধ্যে বলেন—
"সময় কম, সৌদি আরব যাইতেছি। লোড-আনলোডের কাজ। বেতন ১২০০ রিয়াল। খানা কোম্পানির, থাকা নিজের। যেতে প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ হইছে।"

সৌদি আরবে লোড-আনলোডের কাজ সহজ নয়। অনেক ক্ষেত্রে ভারী মালামাল ওঠানো-নামানো, গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় কাজ করা এবং শারীরিক পরিশ্রমের জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হয়। কাজের ধরন ও কোম্পানিভেদে দায়িত্ব এবং সুযোগ-সুবিধা ভিন্ন হতে পারে।
শুধু ১২০০ রিয়াল বেতন শুনে সিদ্ধান্ত নিলে চলবে না। কারণ যদি থাকা নিজের খরচে হয়, তাহলে বাসা ভাড়া, দৈনন্দিন খরচ এবং অন্যান্য ব্যয় হিসাব করার পর হাতে কত টাকা থাকবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিদেশ যাওয়ার আগে কাজের ধরন, চুক্তির শর্ত, ওভারটাইমের সুযোগ, ইকামা এবং কোম্পানির সুবিধাগুলো ভালোভাবে জেনে নেওয়া উচিত।

তবে প্রত্যেকের অভিজ্ঞতা এক নয়। কেউ ভালো কোম্পানিতে গিয়ে সফল হন, আবার কেউ নানা সমস্যার মুখোমুখি হন। তাই বাস্তব তথ্য জেনে এবং সবকিছু যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

সহজ-সরল এই নতুন প্রবাসী ভাইয়ের জন্য আপনাদের পরামর্শ কী থাকবে?
সংগৃহীত!

বিশ্বাস করেন ভাই শখের বসে আমি বিদেশে আসছিলাম, আর এখন ৪ মাস কাজ নাই 💔🙂বিদেশে থাকা মানুষ যখন বলে—‘ভাই, আইসেন না’... তখন কে...
08/08/2026

বিশ্বাস করেন ভাই শখের বসে আমি বিদেশে আসছিলাম, আর এখন ৪ মাস কাজ নাই 💔🙂বিদেশে থাকা মানুষ যখন বলে—‘ভাই, আইসেন না’... তখন কেন কেউ সেই কথাটা বিশ্বাস করতে চায় না?
বিমানবন্দরে দেশে ফিরে এক প্রবাসী আক্ষেপ করে বলেন—
"আমারে অনেকেই বুঝাইছে, আপনি দেশে ভালো আছেন, যাইয়েন না। পরে বিদেশে আইসা বুঝছি, আসলে বিদেশটা কেমন।"

এই একটি কথার মধ্যেই লুকিয়ে আছে হাজারো প্রবাসীর বাস্তব অভিজ্ঞতা। আমাদের দেশে এখনও অনেকেই মনে করেন, বিদেশে গেলেই জীবনের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু যারা বছরের পর বছর বিদেশে আছেন, তাদের অনেকেই নতুনদের সতর্ক করে বলেন—"ভাই, আইসেন না, অবস্থা আগের মতো নেই।"

দুঃখের বিষয়, তখন অনেকেই সেই কথাকে গুরুত্ব দেন না। মনে করেন, "উনি হয়তো বাড়িয়ে বলছেন, আমার ক্ষেত্রে এমন হবে না।" এই ধারণা নিয়েই অনেকেই বিদেশে চলে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে যখন কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন।

বাস্তবে গিয়ে অনেকেই বুঝতে পারেন—বিদেশের জীবন শুধু টাকা আয়ের গল্প নয়। অনেকের ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়। বাসায় ফিরে নিজের রান্না, রুমের কাজ, সবকিছু নিজেকেই সামলাতে হয়। আবার এমন প্রবাসীও আছেন, যারা মাসের পর মাস কাজ করেও সময়মতো বেতন পান না বা নানা সমস্যার মুখোমুখি হন।

এই প্রবাসীও জানিয়েছেন, তাঁর নিজের জীবনেও একাধিক জায়গায় এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। তাই তিনি অভিজ্ঞতা থেকে নতুনদের সতর্ক করতে চেয়েছেন।

আপনার কী মনে হয়? বিদেশে থাকা কেউ যদি বলে, "ভাই, আইসেন না, অবস্থা ভালো না"—তখন দেশের মানুষ কি সেই কথাটা বিশ্বাস করে?

কেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন ব্যক্তিগত সহায়তা দিতে পারে না?প্রতিদিন আমাদের কাছে অসংখ্য মানুষের আবেদন আসে। সরাসরি অফিসে, ফেস...
07/08/2026

কেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন ব্যক্তিগত সহায়তা দিতে পারে না?

প্রতিদিন আমাদের কাছে অসংখ্য মানুষের আবেদন আসে। সরাসরি অফিসে, ফেসবুকে কিংবা ইমেইলে।

কেউ ৫ হাজার টাকার ঋণে দিশেহারা, কারো ঋণ আবার ৫০ কোটি টাকা।

প্রতিটি আবেদনই সংবেদনশীল, আমাদেরকে ব্যথিত করে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রতিদিন যে পরিমাণ আবেদন আসে, তার মোট পরিমাণ আমাদের পুরো বছরের বাজেটের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি।

বিশাল জনগোষ্ঠীর বাংলাদেশের পুরো বছরের মোট জাতীয় বাজেট প্রায় ৯ লক্ষ কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ বাজেটের পরও মানুষের বহুমুখী সমস্যা ও স্বাস্থ্য খাতের সংকট পুরোপুরি দূর করা সম্ভব হয় না।

সেখানে বছরে মাত্র ১০০ কোটি টাকা বাজেটের একটি চ্যারিটি প্রতিষ্ঠান থেকে সব ধরনের ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধান আশা করা বাস্তবসম্মত নয়। চাহিদার মহাসমুদ্রের বিপরীতে আমাদের সামর্থ্য অত্যন্ত সীমিত।

এই সীমিত বাজেট দিয়ে যদি আমরা ব্যক্তিগত ঋণ বা চিকিৎসার জন্য সরাসরি নগদ অর্থ বিতরণ শুরু করি, তবে বড় একটি নীতিগত ও প্রশাসনিক সংকট তৈরি হবে।

দেখা যাবে, বিভিন্ন সুপারিশ, তদবির বা চেনাজানার বৃত্তেই পুরো তহবিল শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে সেই প্রান্তিক অভাবী মানুষ, যার সুপারিশ করার কেউ নেই, সেই মানুষগুলো পুরোপুরি বঞ্চিত হবে। যা কখনো একটি আদর্শ চ্যারিটি প্রতিষ্ঠানের নীতি হতে পারে না।

আমরা মনে করি, একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ কেবল তাৎক্ষণিক টাকা বিতরণ করা নয়। বরং দাতার আমানতের সর্বোচ্চ ‘ভ্যালু ক্রিয়েট’ করা। যা একজন দাতার ব্যক্তিগত উদ্যোগে করা সম্ভব নয়।

একটি বাস্তব উদাহরণ দেওয়া যাক। গত বছর আমরা ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬ টি ট্রেডে ২,১০০ জনেরও বেশি নারী-পুরুষকে কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়েছি।

আলহামদুলিল্লাহ, প্রথম বছর শেষেই সেই শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে আয় করেছেন প্রায় ৪২ কোটি টাকা, যা প্রতি বছর বাড়তেই থাকবে।

১৩ কোটি টাকা সরাসরি বিলিয়ে দিলে মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে উপকৃত হতেন এবং টাকাটা ওখানেই শেষ হয়ে যেত।

কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনার কারণে সেই একই টাকা একসময় হাজার কোটি টাকার স্থায়ী কল্যাণে রূপ নেবে, ইনশাআল্লাহ।

কাউকে প্রতিদিন মাছ কিনে দেওয়ার চেয়ে তাকে মাছ ধরা শিখিয়ে দেয়া আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের মূল দর্শন।

হ্যাঁ, ব্যক্তিগতভাবে ঋণগ্রস্তকে সাহায্য করা বা চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ।

তবে এক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক স্তরের চেয়ে ব্যক্তিগত বা এলাকাভিত্তিক উদ্যোগ বেশি কার্যকর।

কেন আমরা প্রজেক্টভিত্তিক কাজ করি?

এর প্রধান কারণ স্বচ্ছতা। কোন খাতের অনুদান কোন প্রজেক্টে ব্যয় হবে, তা আমাদের ওয়েবসাইটে স্পষ্ট উল্লেখ থাকে। ফলে দাতার আমানত খেয়ানত হওয়ার সুযোগ নেই।

আরেকটি কারণ ইনসাফ। প্রতিটি প্রজেক্টে নির্ধারিত নিয়মে আমাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক পেজে ঘোষণা দিয়ে উন্মুক্ত আবেদন আহ্বান করা হয়। এরপর মাঠপর্যায়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত হকদারদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়। এখানে স্বজনপ্রীতি বা সুপারিশের কোনো স্থান নেই।

আল্লাহর রহমতের পর আপনাদের দোয়া, আস্থা ও ভালোবাসাই আমাদের পথচলার মূল শক্তি। আল্লাহ আমাদের সবার নেক প্রচেষ্টাগুলো কবুল করুন। আমীন।
সংগৃহীত!

Address

Barishal

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Posted By Asad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share