Learning Quran By MNQ

Learning Quran By MNQ প্রিয় বোন,ঘরে বসে অনলাইনে সহীহ্ শুদ্ধভাবে কুরআন শিখতে চান?তাহলে আমাকে ইনবক্সে ম্যাসেজ করুন!ইংশাআল্লহ!

৩০ দিন রোজা রাখার পর যদি জানতে পারেন আপনার একটা রোজাও কবুল হয়নি!প্রতিদিন ১৩ ঘণ্টার বেশি না খেয়ে রোজা রাখলেন। লুকিয়েও ...
17/03/2024

৩০ দিন রোজা রাখার পর যদি জানতে পারেন আপনার একটা রোজাও কবুল হয়নি!
প্রতিদিন ১৩ ঘণ্টার বেশি না খেয়ে রোজা রাখলেন। লুকিয়েও কিছু খাননি। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে কষ্ট করেছেন, তবুও রোজা ভাঙ্গেননি।
কিন্তু, মাস শেষে যদি জানার সুযোগ থাকতো, আর আপনি জানতে পারলেন আপনার একটা রোজাও হয়নি, তখন কেমন লাগবে? রোজা রেখেছেন, সওয়াব পাননি। বিনিময়ে শুধু ক্ষুধার্তই থেকেছেন! আমাদের সমাজের অনেকেরই এমন হয়!
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: “কত রোজাদার আছে যাদের রোজার বিনিময়ে ক্ষুধা ছাড়া আর কিছুই জোটে না!” [সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৬৯০]
তারা কারা? রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: “যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তাঁর এ পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।” [সহিহ বুখারী: ১৯০৩]
অর্থাৎ, রমাদান মাস শুধুমাত্র উপোষ থাকার মাস না। কেবল না খেয়ে থাকলেই রোজা হবে না। রোজার সওয়াব পেতে হলে আপনাকে চরিত্রবান হতে হবে। মিথ্যা বলা ত্যাগ করতে হবে, আমানত রক্ষা করতে হবে, কাউকে গালি দেয়া যাবে না, গীবত করা যাবে না।
অথচ আমরা অহরহই এমন করি।
বাইরে কাজকর্ম করে বাসায় এসে কোনো কিছু এলোমেলো দেখলে স্বামী রাগারাগি করে, স্ত্রীকে বকা দেয়, গালি দেয়। রিক্সা ভাড়া ঠিক না করে রিক্সায় চড়ে নামার সময় ঝগড়া করে। সময় কাটানোর জন্য বন্ধুদের সাথে বসে বসে গীবত করে। রোজা রেখে মিথ্যা বলে, ঘুষ খায়।
আপনি হয়তো ভাবছেন রোজা রাখছেন। কিন্তু, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলছেন- এগুলো রোজা না, এমন রোজার আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। আল্লাহ এমন রোজা কবুল করেন না। তাহলে কীভাবে পরিপূর্ণভাবে রোজার সওয়াব পাওয়া যাবে? নিজের চরিত্রকে উন্নত করা। সচ্চরিত্রবান হওয়া।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: “যে ব্যক্তি তার চরিত্রকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছে, আমি তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে একটি ঘরের জিম্মাদার।” [সুনানে আবু দাউদ: ৪৮০০]

Ikhlas - ইখলাস

কুরআন পড়তে কী লাগে? লাহান(সুর)?  দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে পড়তে পারা? অপরের সুর নকল করা? না বরং কুরআন পড়তে লাগে মাখরাজ আর সিফাতের...
17/03/2024

কুরআন পড়তে কী লাগে?
লাহান(সুর)? দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে পড়তে পারা? অপরের সুর নকল করা?
না বরং কুরআন পড়তে লাগে মাখরাজ আর সিফাতের পরিপূর্ণ হক আদায় করা।
এক পেজ কুরআন তাতে মাখরাজের পরিপূর্ণতা, আর হারফগুলোতে সিফাত আদায়ের কিচিরমিচির শব্দ, নিজস্ব ভঙ্গিমায়, সুরে তিলওয়াত করা, মাদগুলোকে তাদের সময় দেওয়া, একটু দিল থেকে পড়া। আস্তে ধীরে পড়া। পড়তে পড়তে রবের প্রেমে ডুব দেওয়া। কুরআন পড়তে এই কয়টি উপকরণেই লাগে।

পড়া শেষে দেখলেন এক পেজ পড়তেই আপনার ৪০ মিনিট লেগেছে! তাতে কী? এই যে হক আদায় করার তীব্র চেষ্টা; পড়া শেষে আপনাকে এমন অনুভূতির সম্মুখীন করবে যে মনে হবে - পড়ার স্বাদ মুখে লেগে আছে। আইন হারফের অনুশীলনে গলা ব্যাথা হচ্ছে, দ্বদ পড়তে গিয়ে জিভে কামড় লেগেছে, আর ছোট হা কে আনতে গিয়ে নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু ওই যে পড়ার যে স্বাদ আপনি পাবেন সেটা ৪০ মিনিটে কোনোরকম কুরআনের ১৫ পেজে পড়ে নিলেন ; সেখানে কিন্তু পাবেন না। কারণ আপনার সেই রান্নাতে না মাখরাজের যত্ন ছিলো, না সিফাতের। জানেন তো হাত পুড়ে যে রান্নাটা করা হয় তাতে অনেক মায়া লুকিয়ে থাকে। কষ্ট করে যে কুরআন শিখা হয়, তাতে ও অনেক আবেগ লুকিয়ে থাকে। কুরআন সংশোধনে সময় দিন। ভেঙে ভেঙে পড়ুন, এক আয়াত বারবার পড়ুন। আর পড়া শেষে প্রতিটি হারফের মিস্টি স্বাদ গ্রহন করুন।

06/03/2024

আয়াত টা কতটা ভ!য়ং!ক!র!!

"আমি ইচ্ছে করলেই সবাইকে হিদায়ত দান করতে পারতাম। কিন্তু আমার এ কথা অবশ্যই সত্য যে, আমি নিশ্চয়ই জিন ও মানুষ উভয় দ্বারা জা!হা!ন্নাম পূর্ণ করবো"!🖤

[সুরা-আস সাজদাহ আয়াত -১৩]

আল্লহ সবাইকে সঠিক জ্ঞান দান করুক! আমিন!~اَللّٰهُمَّغْفِرْلِيْ.
30/01/2024

আল্লহ সবাইকে সঠিক জ্ঞান দান করুক!
আমিন!

~اَللّٰهُمَّغْفِرْلِيْ.


30/01/2024

সাঁতার না জানা ব্যক্তি যেমন সাগরের মধ্যে অসহায়; ঠিক তেমনি নামাজ না পড়া ব্যক্তি কবরের মধ্যে অসহায়।

~اَللّٰهُمَّغْفِرْلِيْ.

মন্দ কাজ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ভালো কাজ করার দ্বারা গোনাহ মাফ হয়। আল্লহ তাআলা বলেন, ‘নিঃসন্দেহে সৎ কাজ মুছে ফেলে মন্দ কাজ...
30/01/2024

মন্দ কাজ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ভালো কাজ করার দ্বারা গোনাহ মাফ হয়।
আল্লহ তাআলা বলেন, ‘নিঃসন্দেহে সৎ কাজ মুছে ফেলে মন্দ কাজ।’
[-সুরা হুদ : ১১৪]

🔴 মাহরাম🟢 গায়রে মাহরাম/নন-মাহরাম ইসলামি শরিয়তে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য গায়রে মাহরামের (নন-মাহরাম) সামনে পর্দা করা ফরজ। পর...
29/01/2024

🔴 মাহরাম
🟢 গায়রে মাহরাম/নন-মাহরাম

ইসলামি শরিয়তে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য গায়রে মাহরামের (নন-মাহরাম) সামনে পর্দা করা ফরজ। পর্দার সঙ্গে মাহরাম ও গায়রে মাহরামের সম্পর্কের বিষয়টি জড়িত। নারী-পুরুষ পরস্পর যাদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ বৈধ তারা মাহরাম। আর যেসব নারী-পুরুষের দেখা-সাক্ষাৎ বৈধ নয় বরং হারাম, বাধ্যতামূলক পর্দা করতে হয়; তারা গায়রে মাহরাম। তাহলে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য মাহরাম এবং গায়রে মাহরাম কারা?

আলাদা আলাদাভাবে নারীর মাহরাম-গায়রে মাহরাম এবং পুরুষের মাহরাম ও গায়রে মাহরমদের পরিচিতি ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে।

নিম্নে উল্লেখিত এসব নারী-পুরুষের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ বৈধ ও হারাম হওয়ার ব্যাপারে কোরআনুল কারিমের একটি আয়াতে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাহলো-

حُرِّمَتۡ عَلَیۡکُمۡ اُمَّهٰتُکُمۡ وَ بَنٰتُکُمۡ وَ اَخَوٰتُکُمۡ وَ عَمّٰتُکُمۡ وَ خٰلٰتُکُمۡ وَ بَنٰتُ الۡاَخِ وَ بَنٰتُ الۡاُخۡتِ وَ اُمَّهٰتُکُمُ الّٰتِیۡۤ اَرۡضَعۡنَکُمۡ وَ اَخَوٰتُکُمۡ مِّنَ الرَّضَاعَۃِ وَ اُمَّهٰتُ نِسَآئِکُمۡ وَ رَبَآئِبُکُمُ الّٰتِیۡ فِیۡ حُجُوۡرِکُمۡ مِّنۡ نِّسَآئِکُمُ الّٰتِیۡ دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ ۫ فَاِنۡ لَّمۡ تَکُوۡنُوۡا دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَیۡکُمۡ ۫ وَ حَلَآئِلُ اَبۡنَآئِکُمُ الَّذِیۡنَ مِنۡ اَصۡلَابِکُمۡ ۙ وَ اَنۡ تَجۡمَعُوۡا بَیۡنَ الۡاُخۡتَیۡنِ اِلَّا مَا قَدۡ سَلَفَ ؕ اِنَّ اللّٰهَ کَانَ غَفُوۡرًا رَّحِیۡمًا
তোমাদের উপর হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতাদেরকে, তোমাদের মেয়েদেরকে, তোমাদের বোনদেরকে, তোমাদের ফুফুদেরকে, তোমাদের খালাদেরকে, ভাতিজিদেরকে, ভাগ্নীদেরকে, তোমাদের সে সব মাকে যারা তোমাদেরকে দুধপান করিয়েছে, তোমাদের দুধবোনদেরকে, তোমাদের শ্বাশুড়ীদেরকে, তোমরা যেসব স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়েছ সেসব স্ত্রীর অপর স্বামী থেকে যেসব কন্যা তোমাদের কোলে রয়েছে তাদেরকে, আর যদি তোমরা তাদের সঙ্গে মিলিত না হয়ে থাক তবে তোমাদের উপর কোনো পাপ নেই এবং তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রীদেরকে এবং দুই বোনকে একত্র (বিয়ে) করা (তোমাদের উপর হারাম করা হয়েছে)। তবে অতীতে যা হয়ে গেছে তা ভিন্ন কথা। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’
(সুরা নিসা : আয়াত ২৩)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব নারী-পুরুষকে কোরআনের নির্দেশ মেনে হারাম নির্দেশনা থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমীন!
©

29/01/2024



মূল্যবৃদ্ধির এই শহরে মধ্যবিত্তের ভীষণ ভয়!
সুখের নাকি দাম বেড়েছে; চড়া দামে
কিনতে হয়!

29/01/2024

❝ত্বলিবানে ইলমের কর্তব্য হলো উস্তাদের জন্য দুআ করা, হে আল্লহ, যাদের দ্বারা আমরা উপকৃত হচ্ছি, যাদের দ্বারা আমরা ইলম হাছিল করছি, যিন্দেগির ময়দানে রাহনুমায়ী হাছিল করছি তাদের তুমি ভরপুর জাযা দান করো; তাদের তুমি হিফাজত করো নফস ও শয়তানের সমস্ত শর থেকে।❞

[-শ্রদ্ধেয় আদিব হুজুর!]

Address

Barishal
8210

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Learning Quran By MNQ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share