༄ মায়াবিনী ࿐

༄ মায়াবিনী ࿐ ✾⚅✼⚄✼⚃✼⚂✼⚁✼⚀✾
┊ ┊ ┊ ┊ ┊ ┊
╭══• ೋ﷽ೋ•══╮

🖤✦.لَآ اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللّٰهِ.✦🖤

╰══• ೋ﷽ೋ•══╯
(2)

রাতে ঘুমানোর আগে শক্তিশালী আমল1। আয়াতুল কুরসি একবার পড়া2। ইস্তেগফার ১০০ বার (Astaghfirullah)3। সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস ...
25/12/2025

রাতে ঘুমানোর আগে শক্তিশালী আমল

1। আয়াতুল কুরসি একবার পড়া
2। ইস্তেগফার ১০০ বার (Astaghfirullah)
3। সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস প্রতিটি ৩ বার পরে গায়ে ফু
দেওয়া।
4। দরুদ শরীফ (১০ বার)।
5। সুবহানাল্লাহ (৩৩ বার) ।
6। আলহামদুলিল্লাহ (৩৩ বার) ।
7। আল্লাহু আকবার (৩৩ বার)।
৪। বিসমিল্লাহ ২১বার।
9। মৃত মুসলিমদের জন্য দুয়া করা।
১০। সূরা মূলক (সম্পূর্ণ)।
১১। সূরা কাফিরুন (১ বার)।
১২। লা ইলা-হ ইল্লাল্লাহু (১০০ বার)।
১৩। ঘুম না আসা পর্যন্ত আস্তাগফিরুল্লাহ পড়া।
১৪। ডান কাত হয়ে শুয়া।
১৫। ঘুমানোর দোয়া পড়া।
১৬। ওজু করে ঘুমাতে যাওয়া।
১৭। সূরা ফাতিহা, কালেমা তামজিদ, (৪বার) ।
১৮। সূরা ইখলাস, দরুদ (৩বার)।
১৯। আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলা-হা ইল্লা হুয়াল হায়্যুউল
কাইয়ুম ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা
ইল্লা বিল্লাহিল আলিউল আজিম। (১০বার
২০। সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া।












সালাতুল হাজত নামাজের নিয়মঅজু: প্রথমে উত্তমভাবে অজু করতে হবে।উদ্দেশ্য: মনে মনে বৈধ কোনো প্রয়োজন পূরণের জন্য এই নামাজ পড়...
20/12/2025

সালাতুল হাজত নামাজের নিয়ম

অজু: প্রথমে উত্তমভাবে অজু করতে হবে।

উদ্দেশ্য: মনে মনে বৈধ কোনো প্রয়োজন পূরণের জন্য এই নামাজ পড়ার নিয়ত করতে হবে।

রাকাত সংখ্যা: সাধারণত দুই রাকাত নফল নামাজ পড়তে হয়, তবে ইচ্ছা করলে চার বা তার বেশি রাকাতও পড়া যায়।

নামাজের পদ্ধতি:
প্রথম রাকাত: 'আল্লাহু আকবার' বলে নামাজ শুরু করে সুরা ফাতিহার পর অন্য কোনো সুরা পড়তে হবে। এরপর রুকু, সিজদা ও অন্যান্য নিয়ম মেনে প্রথম রাকাত শেষ করতে হবে।

দ্বিতীয় রাকাত: একইভাবে সুরা ফাতিহার পর একটি সুরা পড়ে রুকু, সিজদা ও তাশাহহুদ পড়ে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করতে হবে।

নামাজ শেষে:
নামাজ শেষে আল্লাহর প্রশংসা করতে হবে এবং নবী করিম (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করতে হবে।

তারপর নিজের প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহর কাছে দু'আ করতে হবে!

সালাতুল হাজত হলো একটি নফল নামাজ যা যেকোনো বৈধ প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে পড়া হয়। এই নামাজ আদায়ের নির্দিষ্ট নিয়ম নেই, তবে সাধারণত দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া হয়। এতে উত্তমভাবে অজু করে কিবলামুখী হয়ে স্বাভাবিক নফল নামাজের মতোই নিয়ম মেনে নামাজ আদায় করতে হয়। এই নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর ওপর বিশ্বাস দৃঢ় হয় এবং এতে অনেক ফজিলত রয়েছে।

ইসলামে মেয়েদের জন্য ৯ টি হারাম কাজ ১। বড় নখ২। পরপুরুষকে চুল দেখানো৩। ভ্রু তোলা৪। সুগন্ধি ব্যবহার করা ৫। টাইট- ফিট পোশ...
16/12/2025

ইসলামে মেয়েদের জন্য ৯ টি হারাম কাজ

১। বড় নখ
২। পরপুরুষকে চুল দেখানো
৩। ভ্রু তোলা
৪। সুগন্ধি ব্যবহার করা
৫। টাইট- ফিট পোশাক পরা
৬। জোরে কথা বলা
৭। উঁচু করে খোঁপা বাধা
৮। ঘন্টিযুক্ত পায়েল পরা
৯। অমুসলিমকে বিয়ে করা

হে প্রিয় বোন আমার তোমরা আল্লাহকে ভয় করো আর ইসলামের পথে চলে আসো, হারাম কাজ থেকে বিরত থাকো,যিনার কাজ থেকে বিরত থাকো, আল্লাহ তায়ালা যা করতে নিষেধ করেছেন তার থেকে সরে আসো।












প্রিয় বোন, আব্বুকে, ভাইকে, স্বামীকে, ছেলে খুব ভালোবাসেন তাই না? তাহলে কেনো? বেপর্দা হয়ে নিজের বাবা,ভাই,স্বামী,ছেলেকে ...
08/12/2025

প্রিয় বোন,
আব্বুকে, ভাইকে, স্বামীকে, ছেলে খুব ভালোবাসেন তাই না?
তাহলে কেনো? বেপর্দা হয়ে নিজের বাবা,ভাই,স্বামী,ছেলেকে দাইয়ুস বানাচ্ছেন?

একজন বেপর্দা নারীর জন্য চার জন পুরুষ জাহান্নামে যাবে।
১. তার বাবা
২. তার বড় ভাই
৩. তার স্বামী
৪. তার বড় ছেলে

বোন আপনি কি চান আপনার জন্য আপনার বাবা,ভাই, স্বামী, ছেলে জাহান্নামে যাক?তাহলে কেনো আপনি পর্দা করতাছেন না?

প্রিয় বোন, প্রত্যেকটা নারীর জন্য পর্দা করা ফরজ।
নারীরা হচ্ছে ঝিনুকের মধ্যে লুকাইতো মুক্তার মতো। তারা মহামূল্যবান।।
মাহারাম ছাড়া তাদের চাইলেও যে কেউ দেখতে পারবে না।।
একজন নারী পর্দাতেই সুরক্ষিত।
যে মহান আল্লাহ তায়ালা আপনাকে এতো সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন। তার আদেশ কিভাবে আপনি অমান্য করেন??

সূরা নূরের ৩১ নাম্বার আয়াতে তিনি এরশাদ করেন: আপনি মুমিন নারীদের বলে দিন।তারা যেনো তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে;এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাজত করে।এবং তারা যেনো সাধারণত যা প্রকাশ থাকে তাছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। এবং তারা যেনো তাদের চাদর শ্রিয় বক্ষের অপর জড়িয়ে রাখে।

প্রিয় বোন, তাহলে কেনো আপনি নিজের সৌন্দর্য পরপুরুষের সামনে প্রকাশ করেন??আপনি কি এতোই সস্তা?? আপনার সৌন্দর্য কেবল আপনার স্বামীর জন্য। তাই পরিশেষে আপনাকে একটা কথাই বলবো পরিপূর্ন পর্দাকে আঁকড়ে ধরুন।এবং রবের ভালোবাসায় ফিরে আসুন।।

আল্লাহ আমাদের সকল বোনদেরকে যথাযথ পদা মেইন্টিং করার তৌফিক দান করুন।। আমিন।। 🤲

✍️ ༄ মায়াবিনী ࿐












06/12/2025

আজকে ৬ ই ডিসেম্বর রোজ শনিবার
আমাদের কোরআন শরীফের ১৪৪৯
বছর পূর্ন হলো!! 📖✨🌸
( আলহামদুলিল্লাহ 🤲)

"নারী"তুমি এতো সস্তা নয় "নারী"        তুমি"বাজারের"কোন পণ্য,নয় যে,               তোমাকে"দেখবে,ধরবে স্পর্শ করবে...!!তুম...
04/12/2025

"নারী"তুমি এতো সস্তা নয় "নারী"
তুমি"বাজারের"কোন পণ্য,নয় যে,
তোমাকে"দেখবে,ধরবে স্পর্শ করবে...!!

তুমি"কতটুকু সুন্দর"কতোটুকু মোটা চিকন,
তোমার"গঠন উচ্চতা"গায়ের রং কেমন তা কেন পর পুরুষ
জানবে.....!!?

কেন বোন নিজেকে বাজারের পণ্য বানাচ্ছো....!?

পাঁচ টাকা দামের কলা তার"গাঁয়ের উপর খোসা দিয়ে,, পর্দায় নিজেকে আবদ্ধ করে ঢেকে রেখেছে। তুমি"কী পাঁচ,টাকা দামের কলার থেকে ও সস্তা....?

কেন এই বেহায়াপনা"নারীদের মতো বেপর্দা পিক"সোশ্যাল মিডিয়া তে আপলোড দিচ্ছ.....?

কেন স্বামীর হক নষ্ট করছো"স্বামীর
আমানত পরপুরুষের সামনে প্রকাশ করছ কেন ?
ফেৎনা ছড়াচ্ছ অন্য মানুষ কে ও নিজের প্রতি আকর্ষণ করছো....!!?

সামান্য লাইক ফলোর জন্য কেন জাহান্নামের দিকে নিজেকে ঠেলে দিচ্ছ....!!!

তুমি"নারী তুমি"অনেক,দামী তুমি জান্নাতের"রমণী ঘরের রানী"স্বামীর অর্ধাঈিনী"তুমি সুহাসিনী তুমি মায়াবিনী"তুমি মায়াবতী,,তুমি সঈীনি তুমি আঁধাররের আলো তুমি নারী অনেক দামী....!!!

আল্লাহ তোমায় দুনিয়াতে
সবচেয়ে সম্মান ও মর্যাদা দিয়ে পাঠিয়েছেন...!!

বোন তুমি অনেক দামী তুমি তো ঝিনুকের মধ্যে
ঢেকে থাকা মুক্তোর মত দামি"নারী তুমি অনেক দামী নারী তুমি কেন বেহায়াপনা নারীর মতো হতে যাবে? না...!!

তুমি নারী তুমি হবে...!
হজরত ফাতেমা (রাঃ)
হযরত খাদিজা (রাঃ)
বিবি আসিয়া (আঃ)
রাবেয়া বসরী (রহ.)
বিবি মরীয়ম (আঃ)
হযরত আয়েশা (রাঃ)
তাদের মতো।

মহান আল্লাহতালা সকল বোনদেরকে বুঝার জন্য তৌফিক দান করুক আমিন..🤲🤲🤲












30/11/2025

আগামী ৬ এ ডিসেম্বর রোজ শনিবার আমাদের পবিত্র কুরআনের ১৪৪৯ বছর পূ’র্ণ হবে "
আলহামদুলি’ল্লা’হ 🥰🤎

29/11/2025

তওবা!🌸
আস্তাগফিরুল্লাহ্-হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি,লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযী'ম"🤍

পড়া হলে আলহামদুলিল্লাহ্!☺️🌸

* * ইয়াজুজ মাজুজ কারা? তারা কোথায় আছে ? কখন পৃথিবীতে আসবে?একদিন মহানবী (সাঃ) হাসিমুখে বসে ছিলেন। হঠাৎ তিনি গম্ভীর হয়ে...
26/11/2025

* * ইয়াজুজ মাজুজ কারা? তারা কোথায় আছে ? কখন পৃথিবীতে আসবে?

একদিন মহানবী (সাঃ) হাসিমুখে বসে ছিলেন। হঠাৎ তিনি গম্ভীর হয়ে গেলেন এবং হাতের দুটি আঙ্গুল দিয়ে একটা রিং রানিয়ে বললেন৷ ইয়াজুজ মাজুজের প্রাচীরে এই পরিমাণ একটা গর্ত তৈরী হয়েছে। হয়ত এটার মানে এরকম যে, তাদের আসার দিন ঘনিয়ে এসেছে। ১৪০০ বছর আগেই যদি এই অবস্থা হয়, এখন তাহলে কি অবস্থা?
কিয়ামতের বড় আলামতের একটি হলো পৃথিবীতে ইয়াজুজ মাজুজের আগমন। এখন প্রশ্ন আসে এই ইয়াজুজ মাজুজ কারা ও তারা কখন পৃথিবীতে আসবে?

ইয়াজুজ মাজুজ হলো একটি বর্বর ও শক্তিশালী জাতি।
এই জাতিটি সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণা রয়েছে, যেমন তারা হযরত আদম (আঃ) বা হযরত নূহ (আঃ) এর বংশধর।
কেউ কেউ মনে করেন তারা "গগ ও ম্যাগোম" নামে পরিচিত, যা বাইবেল এবং কোরআনের প্রাচীন ধর্মগ্রন্থে উল্লেখিত আছে।
তাদের "ইয়াজুজ" এবং "মাজুজ" নামের উৎপত্তি আরবি "মওজ" (মওজ) শব্দ থেকে হতে পারে, যার অর্থ "দ্রুতগামী"।

ইয়াজুজ মাজুজ সম্প্রদায় এখন কোথায় আছে ? তাদের ধ্বংস হবে কিভাবে ?
ইয়াজুজ মাজুজ হলো হযরত আদম (আঃ) বা হযরত নূহ (আঃ) এর বংশধর।। তারা কিয়ামতের আগে ঈসা (আঃ) এর সময় পৃথিবীতে আগমন করবে। তারা লুকায়িত আছে একটা লোহার প্রাচীরের মধ্যে। কিন্তু কিভাবে তারা এই প্রাচীরে মধ্যে আটকা পড়লো?

ইসলামিক বর্ণনা অনুযায়ী, তারা জুলকারনাইন কর্তৃক নির্মিত একটি প্রাচীরের আড়ালে বন্দী।
প্রাচীরটি দুটি পর্বতের মাঝে অবস্থিত, যেখানে সূর্য উদিত হয়।
এই প্রাচীরটি কোথায় অবস্থিত তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে, তবে কিছু ধারণা অনুসারে এটি বর্তমান আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের দিকে হতে পারে।

তাদের কে আটকে রেখে ছিল জুলকারনাইন এবং কিয়ামতের আগে আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছায় তারা মুক্তি পাবে। জুলকারনাইন ছিলেন অত্যন্ত ন্যায়পরায়ণ কঠোর রাজা তিনি ঘোড়ায় চড়ে পৃথিবী ঘুরে বেড়াতেন এবং যেখানেই অন্যায় দেখতেন তার বিচার করতেন এবং মানুষকে আল্লাহর পথে নিয়ে আসতেন। আল্লাহ যেভাবে যে আইন দিয়েছিলেন তার সময়ে তিনি কঠোরভাবে তা প্রণয়ন করতেন। তার নিয়ম ছিল এইটা -
"যে ভাল কাজ করবে,
আমি তাকে বিশাল পুরস্কার দিব।
যে খারাপ কাজ করবে, দূর্নীতি করবে, আমি তাকে শাস্তি দিব। আমি তো দিবই এই পৃথিবীতে, আর শেষ বিচারের জন্য আল্লাহ তো আছেনই। তিনি ছিলেন ভালোর ভালো মন্দের যম। এভাবে তিনি ঘুরতে ঘুরতে দুইপাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে পৌঁছালেন এবং সেখানে তিনি এমন এক জাতির সন্ধান পেলেন যারা তার ভাষা ভালভাবে বুঝতে পারছিলেন না। অতঃপর তিনি খুব দ্রুত তাদের ভাষা রপ্ত করলেন।
তারা বললেন, হে জুলকারনাইন ইয়াজুজ ও মাজুজ দেশে অশান্তি সৃষ্টি করেছে। আপনি বললে আমরা আপনার জন্যে কিছু কর ধার্য করব এই শর্তে যে, আপনি আমাদের ও তাদের মধ্যে একটি প্রাচীর নির্মাণ করে দিবেন ।

জুলকারনাইন উত্তর দিলেন - তোমাদের টাকার আমার কোন দরকার নাই,আল্লাহ আমাকে যা দিয়েছেন তা যেকোন সম্পদের চেয়ে উত্তম। আমি তোমাদের সাহায্য করব। যদি তোমরা তোমাদের জনবল দিয়ে আমাকে সাহায্য কর, আমি তোমাদের ও তাদের মাঝে একটা ছিদ্রহীন, ত্রুটিহীন বা নিখুঁত প্রাচীর তৈরি করে দিব।"
আমাকে লোহা এনে দাও !! হাজার হাজার টন লোহা আনা হল, তিনি দুই পাহাড়ের মধ্যে সেই লোহা রাখলেন।
লোহা দিয়ে প্রথমে একটা ফাপা দেয়াল বানালেন, দুইটি পর্বতের মধ্যে লোহার দেয়াল, তাতে > এখন আগুন দেওয়া হল যে লোহা গলে গেল অতঃপর গলিত তামা কে তিনি ঢেলে দিলে গলিত লোহার সাথে তৈরি হল রদ’মা। নিশ্ছিদ্র এক নিরাপত্তা বেষ্টনী। পৃথিবীর বুক থেকে হাজার হাজার বছর ধরে একটি পাশরিক জাতিকে সরিয়ে রাখার জন্যে। এভাবে পৃথিবীর বুকে এখন তারা একটি রহস্যহয়ে আছে। অনেক নাস্তিকেরা মানতে নারাজ বিস্ময়েরই এই যুগে যখন মানুষ অতল সমুদ্রে চলে গেছে তখন এমন জায়গা থাকা কি করে সম্ভব যা মানুষের অজানা। ইয়াজুজ মাজুজ এমন কোন প্রাচীরে লুকায়িত থাকলে অবশ্যই তা এতদিনেই বিজ্ঞানীরা বের করে ফেলার কথা। (নাউজুবিল্লাহ)
কিন্তু যেই সৃষ্টি কর্তা এই বিশ্ব মন্ডল তৈরী করেছেন তার পক্ষে কি এটা খুব কঠিন কাজ যে তিনি কিছু লুকিয়েই রাখতে পারবেন না? নিশ্চয়ই না ।
পবিত্র কোর আনে উল্লেখ আছে, এটা আমার পালন-কর্তার অনুগ্রহ। যখন আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুত সময় আসবে এখন তিনি একে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে
দেবেন এবং আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুতি সত্য।
[ সূরা কাহাফ]
অর্থাৎ ঐ প্রাচীর ভেঙ্গে তারা একদিন বেরিয়ে আসবে। কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো এতো পোক্ত প্রাচীর ভেদ করে তারা কিভাবে বের হয়ে আসবেন?

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। প্রাচীরের বর্ণনা দিতে গিয়ে নবী করীম (সাঃ) বলেন, অতঃপর প্রতিদিন তারা পাচীর ছেদন কার্য লিপ্ত হয়। ছিদ্র করতে করতে যখন পুরোটা উন্মোচনের উপক্রম হয় এখনই তাদের একজন বলে, আজ তো অনেক করলাম, চল! বাকীটা আগামীকাল করব। পরদিন আল্লাহ পাক সেই প্রাচীরকে পূর্বের থেকেও শক্ত ও মজবুত রূপে পূর্ণ করে দেন। ফলে তারা আর বেরিয়ে আসতে পারে না। অতঃপর যখন সেই কাঙ্ক্ষিত সময় আসবে এবং আল্লাহ পাক তাদেরকে বের হওয়ার অনুমতি দিবেন, তখন তাদের মধ্যে একজন বলে, উঠবে, আজ চল। বাকিটা ইনশাআল্লাহ।
অর্থাৎ আল্লাহ যদি চাহেন তো আগামীকাল পূর্ণ খোদাই করে ফেলব। এবং পরদিন এসে দেখবে প্রাচীর আগের অবস্থায় আছে ফলে তারা পূর্ণ খোদাই করে। প্রাচীর ভেঙে বেরিয়ে আসবেন। তিরমিযী, মুসনাদে আহমদ, মুস্তাদরাকে হাকিম ]
ইয়াজুজ মাজুজ বের হয়ে আসার পর কি ঘটকে ? সেদিন তারা ফিলিস্তিনে এসে Tiberian Lake থেকে পানি খাওয়া শুরু করবে! সামনে যেখানে পানি পাবে খাওয়া শুরু করবো।
এমনকি তাদের প্রথম দলটি নদীর পানি খেয়ে শেষ করে ফেলবে এবং শেষ দলটি এসে দেখবে কোন পানি নেই এবং তারা বলবে হয়ত এখানে কোন একসময় নদী ছিল এবং তাতে পানি ছিল। তারা পৃথিবীর সবকিছু খেয়ে ফেলবে। খাবারের এমন অভাব হবে যে একটুকরা মাংস মানুষের কাছে এক ব্যাগ স্বর্ণমুদ্র থেকে বেশি দামি মনে হবে। এদের মূল অস্ত্র হচ্ছে নিজেদের মধ্যে একতা। বর্তমান দুনিয়ার ব্যাপারে এদের বিন্দুমাত্র কোন ধারনা নেই। এরা সংখ্যায় হবে অগনিত। হত্যা, ডাকাতি, দুর্নীতি, অরাজকতা, ধর্ষণ যা ইচ্ছা তাই করবে। এদের মূল লক্ষ্য একটাই তা হল পৃথিবীকে দখল করে নেওয়া। মাত্র দুইবার পৃথিবীতে স্রোতের মতন মানুষ বের হবে। একবার বের হবে যখন ইয়াজুজ মাজুজ ছাড়া পাবে, আর একদিন বের হবে যেদিন ইসরাফিল (আঃ) তার শিঙ্গায় দ্বিতীয় ফুঁ দিবেন। তারা মানুষ মারবে। তাদের সাথে কেউ লড়াই করতে পারবে না। এক সময় তারা বায়তুল মুক্বাদ্দাসের এক পাহাড়ে গিয়ে বলবে, দুনিয়াতে যারা ছিল তাদের শেষ করেছি। এখন আকাশে যারা আছে তাদের হত্যা করব। তারা আকাশের দিকে তীর নিক্ষেপ করবে।

আল্লাহ তাদের তীরে রক্ত মাখিয়ে ফেরত পাঠাবেন। আর তখন ওরা ভাববে, যে সত্যিই, তারা আকাশের সবাইকে মেরে ফেলেছে। এই সব দেখে যারা দুর্বল বা নড়বড়ে ঈমানের মানুষ তাদের ঈমান থাকবে না। তারা ইয়াজুজ মাজুজকে খোদা মেনে নিবে (নাউজুবিল্লাহ)
একই সময় ঈসা (আঃ) ও দুনিয়াতে থাকবেন এবং তিনি তাদের থেকে রক্ষার জন্যে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন। তারপর আল্লাহর নির্দেশে ঈমানদার লোকদের নিয়ে ঈসা (আঃ) জেরুজালেস এ লুকাবেন। অতঃপর আল্লাহ এক প্রকার কীট পাঠাবেন যেগুলো ইয়াজুজ মাজুজদের আক্রমণ করবেন। এক রকম মহামারী শুরু হবে। সব ইয়াজুজ মাজুজ মারা মাঝে। পুরা পৃথিবী ভরে যাবে পচা গলা দেহ দিয়ে। ঈসা (আঃ) আবার দোয়া করবেন। আল্লাহ এবার পাখি পাঠাবেন। বিশাল বড় বড় পাখি। তারা দেহগুলো নিয়ে নাহবাল নামক স্থানে পানিতে ফেলে দেবে। আল্লাহ এইবার বৃষ্টি পাঠাবেন। বৃষ্টি দিয়ে ধুয়ে দিবেন পৃথিবী।

মুসলিমরা তাদের তীর ও ধনুকগুলো সাত বছর জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করবে। [বুখারী, মুসলিম, মিশকাত্]

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে, ইয়াজুজ মাজুজসহ সকল ফিতনা থেকে ঈমান রক্ষা করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহুম্মা আমীন।

22/11/2025

কোনো মেয়ে যদি তিনটি কাজ করে মৃত্যুর সাথে সাথে জাহান্নামে চলে যাবে।।


22/11/2025

শীঘ্রই তোমার রব তোমাকে এত দিবেন যে, তুমি খুশি হয়ে যাবে ।" (সূরা-দোহা ০৫)

Address

Barishal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ༄ মায়াবিনী ࿐ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share