02/06/2025
প্রতারনা করা, ধোঁকা দেয়া , চিট করা , পরকীয়া করা এখন নিত্যদিনের ভাত মাছের মতো বর্তামান সময়ে কিছু সংখ্যক মানুষদের কাছে।
আবার “সবাই কিন্তু না”
যার চরিত্রে প্রথম দিয়াই গু 💩 জানতেছো , বুঝতেছো !
সে আজ হোক ,কাল হোক ,যেকোন পরিস্থিতিতে হোক মুখ অন্য জায়গায় লাগাবেই। আর ঐ জায়গায় যদি লয়্যালিটি, বিশ্বাস, ভরসার আশা রাখো সেটা নিতান্তই ভুল।
এজন্য জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ডিসিশনগুলো নিয়ে ১০০ বার ভাবা উচিত। পচা শামুকে পা কাটার আগে নিজেকে সরিয়ে আনা উচিত।
এখন ১০০ বারের জায়গা যদি ১০ বার না ভেবেই
সবকিছু একদিন ঠিক হয়ে যাবে এই আশায়
কেউ যদি আগুনে ঝাঁপ মারে -তাহলে তো আর কিছু করার থাকে না।
তারপরও বলবো - এই জীবন একটাই, আমরা কেউই চিরস্থায়ী না ।এজন্য নিজের শান্তিকে সবার আগে প্রায়রিটি দেয়া উচিত।
বিশ্বাস করেন “সবকিছু একদিন ঠিক হয়ে যাবে”, “মানুষটা একদিন পরিবর্তন হয়ে যাবে” এই কনসেপ্টটাই একটা ভুল কনসেপ্ট।
হ্যা আল্লাহ্ চাইলে অবশ্যই সবকিছু একদিন ঠিক হয়ে যাবে- সেটা আল্লাহ যখন চাইবে
কিন্তু ভুল কিছু চেয়ে যদি এই কনসেপ্ট টা ধরে রেখে বসে থাকো-
ভাই তাহলে কিচ্ছু ঠিক হবে না কোনোদিন , কেউ পরিবর্তন হবে না কোনোদিন ।
কারন আল্লাহ্ তার বান্দার মঙ্গল চায়
উত্তম পরিকল্পনাকারী তিনিই।
তা রাত জেগে আমরা যতোই একটা চিটার, বাটপারের জন্য সুন্দর পরিকল্পনাই করি না কেনো!
কারন উপরে যে আছে
সে তো সবই দেখতেছে আর হাসতেছে।
তাই অসুস্থ / চরিত্রহীন মানুষের সাথে একটা সম্পর্ক
দিন কে দিন টেনে নেয়ার থেকে সেই সম্পর্ক টা থেকে বেড়িয়ে গিয়ে কষ্ট পাওয়া হাজার গুন ভালো ।কারন কষ্ট একটা টাইমে আল্লাহর রহমতে শেষ হয়েই যায়।𝐄𝐯𝐞𝐫𝐲𝐭𝐡𝐢𝐧𝐠 𝐢𝐬 𝐭𝐞𝐦𝐩𝐨𝐫𝐚𝐫𝐲
সময়ের সাথে সাথে সব বদলে যায়।
আর আমার কাছে সবথেকে হাস্যকর লাগে এই বিষয়টা -
বেশিরভাগ পাবলিক রে দেখতেছি
কিছু একটা পাইলেই হইলো
মানে পাদ একটার জায়গায় দুইটা ক্যান মারলো তাহলেই নজর লাইগা গেছে-
নজর , নজর , কইরা টাগরার অর্ধেক শুকাইয়া ফালায়।
বর্তমানে সময়ে কারও দুঃখ দেখলেই
কমন ডায়লগ নজর লাগছে, বদনজর দিছে মানুষ-
কমেন্ট বক্স, ক্যাপশন দিয়া পুরা সুস্থ মস্তিষ্কটা অসুস্থ বানাইয়া ফালায়
মনে হয় এইটাও একটা ট্রেন্ড।
আরেহ্ ভাই সুখ- দুঃখ জীবনে অংশ একটা থাকবেই।
হ্যা বদনজর সত্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে-
কিন্তু সবকিছুই নজর দিয়ে বিবেচনা কেনো করেন আপনারা-
এটাও তো বলা যায়
“থাক চিন্তা করো না
আল্লাহ যা করছে ভালোর জন্যই করছে “
একটা পজিটিভিটি থাকে কথাটার মধ্যে।
প্রতিটা মানুষের জীবনে চড়াই- উতরাই আছে
আর এই চড়াই - উতারাই গুলো পার করে মানুষ
আবার ঘুরে দাঁড়ায় -
একটা সময় তখন সুখ পায়, আনন্দ পায়
আর এগুলো নিয়েই পথচলা জীবনের।
এর মানে কি এইটা দাড়ায় পৃথিবীর প্রতিটা মানুষের বদনজর লাগছে!
আল্লাহ তা’য়ালা মানুষের জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক,বিবেচনা বলেও কিছু কিছু জিনিস দিয়ে দিছে যা আমরা সঠিক সময়ে কাজে লাগাতে পারি।
কিন্তু সঠিক সময়ে এগুলো কাজে না লাগিয়ে
বদনজরের বলে চালিয়ে দিলে তো আর হয়না।
আর এই সামান্য সিম্পলি বোধটুকু আবেগপ্রবণ জনগনের ঘিলুতে নাই যারা বদনজর বদনজর বলে চিল্লায় মরে সারাক্ষন
কারন মুখস্থ ডায়লগ এটা একটা।
আশেপাশে এমন অনেক মানুষ দেখেছি যারা বছরের পর বছর তাদের সুন্দর সম্পর্ক ,সবকিছু গোপন রাখছে!
একটা সময় গিয়ে শুনতে পেয়েছি , দেখতে পেয়েছি গোপনেই তাদের বিচ্ছেদ হয়ে গেছে, চোখের সামনে হাস্যজ্জ্বল মানুষ গুলো মনমড়া হয়ে দিন কে দিন ভেঙে যাচ্ছে ভেতর থেকে ।
তাদের কে নজর লাগাইছে বলতে পারেন !
তারা তো কিছু পাব্লিক করে নাই ,শো- অফ করে নাই
তাহলে তাদের কেনো বিচ্ছেদ হলো!
নসীবে যদি না থাকে আল্লাহ যদি না চায়
আপনি - আমি শতো চেষ্টা করলেও কাউকেই ধরে রাখা যায় না।
আর জোড় করে কেউ কোনোদিন তার পার্টনারে ধরে রাখতে পারেও নাই।
আমি আবার ও কিছু মানুষ দেখতে পাই প্রতিনিয়ত
পাব্লিকলি তাদের সুন্দর মুহূর্ত গুলো ক্যাপচার করে শেয়ার করতেছে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে বছরের পর বছর যাবত ।দেখতেও ভালোলাগে , পজিটিভ একটা ফিল পাওয়া যায়।
দিব্বি ভালো আছে তারা।
কই তাদের তো কখনও বদনজর বদনজর বলে হাপিত্তিস করে গলা শুকাতে দেখিনা।
হুদাই সুস্থ মস্তিষ্কটা বদনজর নামক নেগেটিভিটি দিয়ে ভরানো কোনো মানে নেই।
তার থেকে বর্তমান সময়ে এইটা মাথায় রাখা উত্তম
𝐃𝐨𝐧’𝐭 𝐭𝐫𝐮𝐬𝐭 𝐚𝐧𝐲𝐨𝐧𝐞 𝐞𝐚𝐬𝐢𝐥𝐲. 𝐈𝐟 𝐬𝐨𝐦𝐞𝐨𝐧𝐞 𝐜𝐡𝐞𝐚𝐭𝐬 𝐨𝐧𝐜𝐞, 𝐭𝐡𝐞𝐲 𝐰𝐢𝐥𝐥 𝐚𝐥𝐰𝐚𝐲𝐬 𝐛𝐞 𝐚 𝐜𝐡𝐞𝐚𝐭𝐞𝐫 𝐚𝐧𝐝 𝐰𝐢𝐥𝐥 𝐝𝐨 𝐢𝐭 𝐚𝐠𝐚𝐢𝐧.