23/02/2026
রোজার ফজিলত সম্পর্কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাদিসগুলোর অন্যতম হলো, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যে ব্যক্তি একদিন রোজা রাখবে, আল্লাহ তাকে ৭০ বছরের দূরত্বে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন"। এছাড়া, রোজা হলো ঢালস্বরূপ, যা মানুষকে পাপ কাজ থেকে বিরত রাখে এবং জান্নাতের দরজা খুলে দেয়।
রোজার ফজিলত সম্পর্কে প্রধান হাদিসসমূহ (আরবি ও অর্থ):
১. রোজা ঢালস্বরূপ:
قال الله - عَزَّ وَجَلَّ -: كُلُّ عَمَلِ ابْنِ آدَمَ لَهُ إِلاَّ الصِّيَام، فَإِنَّهُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ، وَالصِّيَامُ جُنَّةٌ
অর্থ: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, "মহান আল্লাহ বলেছেন, আদম সন্তানের প্রত্যেকটি আমল তার নিজের জন্য, কিন্তু রোজা ভিন্ন; কারণ তা একমাত্র আমার জন্য এবং আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব। রোজা হলো (জাহান্নাম থেকে) ঢালস্বরূপ"।
২. জান্নাতের সুসংবাদ:
إذا جاء رمضان فتحت أبواب الجنة وغلقت أبواب النار وصفدت الشياطين
অর্থ: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, "রমজান মাস এলে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানকে শিকলবন্দী করা হয়"।
৩. রোজাদারের মুখের গন্ধ:
والذي نفس محمد بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله يوم القيامة من ريح المسك
অর্থ: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "সেই সত্তার শপথ, যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, রোজাদারের মুখের গন্ধ কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে মেশকের (কস্তুরী) সুঘ্রাণের চেয়েও বেশি প্রিয়"।
সংক্ষিপ্ত সার:
★ রোজার পুরস্কার সরাসরি আল্লাহ তায়ালা প্রদান করবেন।
★ রোজাদার কিয়ামতের দিন আর-রাইয়ান নামক দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
★ রোজাদারদের জন্য ইফতার করানো গুনাহ মাফের ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ।