Akash Bangla

Akash Bangla Online Newspaper in Bangladesh

আলহাজ্ব নুরুল আমিন-আব্বাস কমিটিসাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপিতেনিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাংগঠনিক গতি...
18/08/2026

আলহাজ্ব নুরুল আমিন-আব্বাস কমিটি
সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপিতে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপিতে। প্রায় দুই যুগ ধরে ঝিমিয়ে পড়া কমিটি বাতিল করে গত ১৪ অক্টোবর ২০২৫ইং তারিখ আলহাজ্ব নুরুল আমিনকে আহ্বায়ক ও সাইফুল ইসলাম আব্বাসকে সদস্য সচিব করে কেন্দ্র থেকে আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেন। এর পরপরই সদর উপজেলা বিএনপিতে সুবাতাস বইতে থাকে। ঘটা করে প্রতিটি দলীয় কর্মসূচি পালন। সংগঠনের ব্যানারে সভা সেমিনার, ইউনিয়ন পর্যায়ে খেলাধুলার আয়োজনসহ দলের কর্মী সমর্থকদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে যতসব আয়োজন। যা ইতিপূর্বে কেউ দেখেনি। এছাড়া দলের আহব্বায়ক দানবীর বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলহাজ্ব নুরুল আমিন ১০ইউনিয়নে বিভিন্ন কৃষ্টি কালচার উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে দানের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। যা গত ১২ জুলাই ১৬১ বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটি অনুমোদন পরবর্তীতে আরো বেশী করে লক্ষ্য করা গেছে। আহব্বায়ক কমিটির সদস্য মোঃ নাছির উদ্দিন হাওলাদার, মোঃ আলাউদ্দিন,
মোঃ আনোয়ার হোসেন, আতিকুর রহমান, মোঃ বেল্লাল এ প্রতিবেদককে জানান, আলহাজ্ব নুরুল আমিন এবং সাইফুল ইসলাম আব্বাসের নেতৃত্বে সেরা কমিটি হয়েছে। যে কমিটি প্রতিটি দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি যেভাবে সামাজিক কর্মকাণ্ড পালন করে আসছে তা আমরা বিগত দিনের কমিটিতে দেখিনি। দেখেছিলাম একটি নাম সর্বস্ব কমিটি। আমিন-আব্বাস কমিটির হাতেই বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপি নিরাপদ।

16/08/2026

বরিশাল সদর উপজেলায় ফ্যামেলি কার্ডে তথ্য সংগ্রহ সুপারভাইজার নিয়োগে দূ*র্ণী*তি*র দাবি করে সদর উপজেলা ছাত্রদলের বি*ক্ষো*ভ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব ম...
13/08/2026

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মনোনয়ন গ্রহণ করেছেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট ২০২৬) দলের স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে দলের পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে ভারতের সঙ্গে নতুন সম্পর্কের বার্তাএস এম শাহ্ জালাল সাইফুল :কূটনীতিতে স্থায়ী শত্রু বা স্থায়ী বন...
10/08/2026

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে ভারতের সঙ্গে নতুন সম্পর্কের বার্তা

এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল :
কূটনীতিতে স্থায়ী শত্রু বা স্থায়ী বন্ধু বলে কিছু নেই। থাকে জাতীয় স্বার্থ, পারস্পরিক প্রয়োজন এবং আলোচনার সুযোগ। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের সাম্প্রতিক বাস্তবতায় সোমবারের একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ সেই পুরোনো কূটনৈতিক সত্যটিকেই নতুন করে সামনে এনেছে।

কূটনীতিতে কোনো দরজা চিরদিনের জন্য বন্ধ থাকে না। মতপার্থক্য যত গভীরই হোক, আলোচনার পথ খোলা রাখাই রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের সবচেয়ে কার্যকর কৌশল। প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সমস্যা থাকতেই পারে; কিন্তু সেই সমস্যাকে বৈরিতায় পরিণত করলে ক্ষতি হয় উভয় দেশের। বরং সংকট যত বেশি, সংলাপের প্রয়োজনও তত বেশি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সোমবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ তাই নিছক আনুষ্ঠানিক বৈঠক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে এটিই তাঁর প্রথম সাক্ষাৎ। দুই দেশের সম্পর্কে যখন নানা ইস্যুতে অস্বস্তি, অনাস্থা ও উত্তেজনা বিরাজ করছে, তখন এই বৈঠক একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বার্তা দিয়েছে—মতপার্থক্য থাকলেও সম্পর্কের দরজা বন্ধ করা যাবে না।

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক গত দুই বছরে কঠিন সময় অতিক্রম করেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্কে দ্রুত টানাপোড়েন বাড়ে। ভিসা কার্যক্রমে সীমাবদ্ধতা, কূটনৈতিক পর্যায়ে পাল্টাপাল্টি তলব, সীমান্তকেন্দ্রিক বিরোধ এবং রাজনৈতিক বক্তব্যের কারণে পারস্পরিক আস্থার জায়গাটি দুর্বল হয়েছে। দুই দেশের সাধারণ মানুষের যোগাযোগও নানা বাধার মুখে পড়ে।

তবে জনগণের আবেগ ও রাষ্ট্রীয় কূটনীতিকে এক করে দেখলে ভুল হবে। কোনো প্রতিবেশী দেশের জনগণের একটি অংশের মধ্যে ক্ষোভ বা অসন্তোষ থাকতেই পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই এমন উদাহরণ রয়েছে। কিন্তু দায়িত্বশীল সরকার সেই আবেগকে রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক পরিচালনার একমাত্র ভিত্তি করে না। জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় তারা যোগাযোগ বজায় রাখে এবং মতপার্থক্যের সমাধান খোঁজে।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রয়োজন ছিল এমনই বাস্তববাদী কূটনীতি। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ভারতকে ঘিরে উত্তেজনাকর রাজনৈতিক বক্তব্য ও পারস্পরিক সন্দেহ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বা ‘সেভেন সিস্টার্স’ নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মন্তব্যও দিল্লিতে অস্বস্তি তৈরি করে। তৎকালীন সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টার বক্তব্যও দুই দেশের আস্থার পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হয়নি।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—ভারতের সঙ্গে রাজনৈতিক দূরত্ব বাড়লেও অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ কি ভারতনির্ভরতা কমাতে পেরেছে? বাস্তবতা তা বলে না। ভারত থেকে পণ্য আমদানি অব্যাহত থেকেছে। অথচ ভিসা জটিলতা, সীমান্ত সমস্যা ও বাণিজ্যিক নানা সীমাবদ্ধতার কারণে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়েছেন। অর্থাৎ রাজনৈতিক বক্তব্যে দূরত্ব বাড়লেও অর্থনৈতিক বাস্তবতা দুই দেশকে পরস্পরের কাছাকাছিই রেখেছে।

পররাষ্ট্রনীতির সাফল্য শুধু বিদেশ সফর বা আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের সংখ্যায় নির্ধারিত হয় না। দেখতে হয়, সেই যোগাযোগ দেশের জন্য কী বাস্তব সুফল বয়ে আনছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সক্রিয়তা নিয়ে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হলেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, ভিসা সুবিধা কিংবা বিদেশে বাংলাদেশিদের যোগাযোগ সহজ করার ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসেনি।

রোহিঙ্গা সংকট তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান বাংলাদেশের অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তার ওপর চাপ তৈরি করছে। অথচ নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। নতুন করে রোহিঙ্গা প্রবেশ পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করেছে। এ সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারসহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে কার্যকর কূটনৈতিক তৎপরতা জরুরি।

একইভাবে বিদেশে পড়াশোনা, চাকরি ও ব্যবসার জন্য বাংলাদেশিদের ভিসা পাওয়া কঠিন হয়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ভিসা সেন্টার ঢাকায় আনার প্রত্যাশাও বাস্তবে বড় কোনো অগ্রগতি দেখেনি। বিভিন্ন দেশের ভিসা নীতিতে কঠোরতা এবং শ্রমবাজারের সংকোচন বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য নতুন ভোগান্তি তৈরি করেছে।

এই প্রেক্ষাপটে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে জাতীয় স্বার্থকেন্দ্রিক ও বাস্তববাদী ধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে কিছু ইতিবাচক অর্জন এসেছে। বাংলাদেশের পাসপোর্টের অবস্থানের উন্নতি এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের নির্বাচিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অর্জন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায় হওয়াটিও তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সফরের পর শ্রমবাজার পুনরায় সক্রিয় করার উদ্যোগ জোরদার হয়েছে। অর্থাৎ পররাষ্ট্রনীতিকে এখন শুধু রাজনৈতিক সম্পর্ক নয়, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও মানুষের স্বার্থের সঙ্গেও যুক্ত করার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে।

ভারতের ক্ষেত্রেও একই বাস্তববাদী অবস্থান গ্রহণ করা হচ্ছে। সম্পর্কের সমস্যাগুলোকে অস্বীকার না করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে। ভারতের পক্ষ থেকেও সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আগ্রহের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। দীনেশ ত্রিবেদীর ঢাকায় নিয়োগ এ ক্ষেত্রে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদী পেশাদার কূটনীতিক নন। দুই দেশের ৫৫ বছরের সম্পর্কের ইতিহাসে একজন সক্রিয় রাজনীতিবিদকে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানোর ঘটনা তাই আলাদা গুরুত্ব বহন করে। ঢাকায় দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর বক্তব্যেও দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ ও যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

গত ২৫ জুন রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করে তিনি ঢাকায় ভারতের ১৬তম হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন। এরপর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে তাঁর একাধিক বৈঠক হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারত ধীরে ধীরে ভিসা কার্যক্রমও স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও এরই মধ্যে সীমান্তে পুশইন, সীমান্ত হত্যা এবং ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মতো কয়েকটি বিষয়ে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ উত্তেজনার মধ্যেও যোগাযোগ অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্তই কূটনৈতিক পরিপক্বতার পরিচয়।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেন গুরুত্বপূর্ণ, তার উদাহরণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনেই রয়েছে। কোনো কৃষিপণ্যের সংকট তৈরি হলে প্রতিবেশী দেশ থেকে দ্রুত আমদানি করে বাজার স্থিতিশীল করা সম্ভব হয়। সম্প্রতি কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার পর ভারত থেকে আমদানি করে বাজার নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ছোট্ট ঘটনাই দেখিয়ে দেয়, প্রতিবেশীর সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক সাধারণ মানুষের জীবনেও সরাসরি প্রভাব ফেলে।

দুই দেশের সম্পর্ক শুধু বাণিজ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি, যোগাযোগ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, নদীর পানি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার মতো বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এর সঙ্গে যুক্ত। অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানও বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

সামনে আরও গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে। নতুন করে এ বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে হলে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও ধারাবাহিক আলোচনা প্রয়োজন। তিস্তা চুক্তির ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সমাধান করতে হলে উত্তেজনা নয়, আলোচনাই হতে হবে প্রধান হাতিয়ার।

বন্ধুত্ব মানে সব বিষয়ে একমত হওয়া নয়। আবার মতপার্থক্য মানেই শত্রুতা নয়। একটি পরিণত রাষ্ট্র নিজের স্বার্থে দৃঢ় থাকে, একই সঙ্গে অন্য দেশের স্বার্থ ও সংবেদনশীলতাও বিবেচনায় নেয়। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই ভারসাম্য জরুরি।

বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে সমতা, সম্মান ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে। বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি বাংলাদেশের ভূখণ্ডও কোনোভাবেই ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার হতে দেওয়া উচিত নয়। একইভাবে ভারতের মাটিও যেন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র না হয়—এ প্রত্যাশা বাংলাদেশের যৌক্তিক অধিকার।

ভারতের কাছেও একটি বিষয় স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন—বাংলাদেশকে ‘বিগ ব্রাদার’ মনোভাব দিয়ে নয়, সমমর্যাদার প্রতিবেশী ও অংশীদার হিসেবে দেখতে হবে। সীমান্ত হত্যা, পুশইন, পানি বণ্টন, বাণিজ্যিক ভারসাম্য কিংবা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড—প্রতিটি বিষয়ে পারস্পরিক সম্মান ও সংবেদনশীলতার সঙ্গে সমাধান খুঁজতে হবে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। এর অর্থ কোনো দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া নয়; বরং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সবার সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা। ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব যেমন প্রয়োজন, তেমনি বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ ও ভারতের ভৌগোলিক অবস্থান, ইতিহাস, অর্থনীতি ও মানুষের যোগাযোগ দুই দেশকে গভীরভাবে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। তাই সম্পর্কের ক্ষেত্রে সংঘাত নয়, সহযোগিতাই হওয়া উচিত ভবিষ্যতের পথ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক সেই নতুন পথচলার সূচনা হতে পারে। সামনে কঠিন অনেক ইস্যু থাকবে, মতপার্থক্যও থাকবে। কিন্তু সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে সব বিষয়ে মতৈক্য প্রয়োজন হয় না; প্রয়োজন নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনার।

অতীতের তিক্ততা ভুলে বাংলাদেশ ও ভারত যদি পারস্পরিক সম্মান, সমতা, আস্থা এবং জাতীয় স্বার্থকে ভিত্তি করে সামনে এগিয়ে যায়, তাহলে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন একটি ইতিবাচক অধ্যায়ে প্রবেশ করতে পারে। বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট—প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই, কিন্তু তা হতে হবে মর্যাদার সঙ্গে। দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কোনো বন্ধুত্ব নয়; বরং স্বার্থ রক্ষা করেই পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক—এটাই হওয়া উচিত বাংলাদেশ ফার্স্ট কূটনীতির মূল দর্শন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে গৌরনদীতে আন্তঃধর্মীয় সংলাপগৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধিতথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন ...
10/08/2026

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে গৌরনদীতে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ
গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের বন্ধু ও মিত্র।
সোমবার সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা সদরের ক্যাথলিক চার্চে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠি আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সোমবার (১০ আগস্ট)সকাল সাড়ে ১০ টায় গৌরনদী উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ক্যাথলিক চার্চে এ সংলাপ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে গৌরনদী উপজেলা প্রশাসন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আরো বলেন, আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করব, পাশাপাশি অন্যের ধর্ম ও বিশ্বাসের প্রতি সম্মান দেখাব। বিপদে-আপদে একে অপরের পাশে দাঁড়াব এবং ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার বন্ধন আরও শক্তিশালী করব।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
ধর্মীয় সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্তের ওই সংলাপ অনুষ্ঠানে মুসলিম, হিন্দু ও খ্রিস্টান ধর্ম ও সম্প্রদায়ের স্থানীয় প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন।
বাংলাদেশের ও বিশেষ করে গৌরনদী-আগৈলঝাড়ার আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন বিষয় সংলাপের আলোচনায় উঠে আসে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করতে হবে।
গৌরনদী ক্যাথলিক চার্চের প্রধান পুরোহিত ফাদার লিটন ফ্রান্সিস গোমেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই আন্তঃ ধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠানে তিন সম্প্রদায়ের মানুষের সম্প্রীতির চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ফাদার মাইকেল মিলন দেউরী। মুসলিম ধর্মের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন কাসেমাবাদ কামিল মাদ্রসার সহকারী শিক্ষক মাওলানা মোঃ আসাদুজ্জামান, হিন্দু ধর্মের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন আগৈলঝাড়া বিএইচপি একাডেমীর প্রধান শিক্ষক যতিন্দ্র নাথ মিস্ত্রী, খৃষ্টান ধর্মের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সিসিডিব সহসভাপতি পলাশ রায়, নাগরিকদের মধ্যে থেকে বক্তব্য রাখেন, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাত হান্নান, আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোল্লা বশির আহম্মেদ পান্না। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদুত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন স্ত্রী, গৌরনদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মেহেদী হাসান, ওসি তারিক হাসান রাসেল, বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ মিজানুর রহমান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা আহবায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, তথ্য মন্ত্রীর মিডিয়া সমন্বয়কারী খোন্দকার কাওছার হোসেন, গৌরনদী প্রেসক্লাব সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহির, সাবেক সভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন মিয়া, খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, পৌর বিএনপির আহবায়ক মোঃ জাকির হোসেন শরীফ, সদস্য সচিব সফিকুর রহমান শরীফ স্বপনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সমাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ ইব্রাহীম। অনুষ্ঠান শেষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদুত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনকে দুজনের একটি পিন্টিং উপহার দেন। অনুষ্ঠান শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদুত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন স্বস্ত্রীক মন্ত্রীর আমন্ত্রনে তার সরিকলস্থ বাসভবনে মধ্যহ্ন ভোজে অংশ নেন ও বিশ্রাম করেন। # #

09/08/2026

কল্যাপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে গ্রাম পুলিশ জলিলের কি ঘ'ট'না ঘ'টে'ছি'লো

কীর্তনখোলা নদীর দুই তীর বিসিসির আওতায় এনে বরিশালকে আধুনিক বাণিজ্যিক ও পর্যটন নগরী করার প্রস্তাব মহানগর এনসিপি নেতা আনোয়...
09/08/2026

কীর্তনখোলা নদীর দুই তীর বিসিসির আওতায় এনে বরিশালকে আধুনিক বাণিজ্যিক ও পর্যটন নগরী করার প্রস্তাব মহানগর এনসিপি নেতা আনোয়ারের

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘প্রাচ্যের ভেনিস’খ্যাত ও ঐতিহ্যবাহী কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত বরিশালকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত বাণিজ্যিক ও পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মহাপরিকল্পনা গ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির বরিশাল মহানগরের সদস্য সচিব এম. আনোয়ার হোসেন সিকদার।

বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকার কৌশলগত পরিকল্পনা উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে ৯ আগষ্ট ২০২৬ তারিখ অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে আনোয়ার হোসেন সিকদার এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

আনোয়ার হোসেন সিকদার তাঁর বক্তব্যে বলেন, কীর্তনখোলা নদীর দুই তীরকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও সিটি কর্পোরেশনের সমন্বয়ে একটি বাস্তবমুখী ও দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে কীর্তনখোলা নদীকে কেন্দ্র করে বরিশালকে আধুনিক বাণিজ্যিক ও পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি বলেন, নদীর দুই তীরে পরিকল্পিত অবকাঠামো, আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা, পর্যটনকেন্দ্র ও বিনোদন সুবিধা গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে নদীকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

তবে নগরীর পরিবেশ ও বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে বৃহৎ শিল্প-কারখানা ও শিল্পাঞ্চল বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে পরিকল্পিত শিল্প জোন স্থাপন করা উচিত বলে মত দেন তিনি। এসব শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে বরিশাল নগরীর কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নগরকেন্দ্রে শিল্পের প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ রাখা যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, নগরীর দাপ্তরিক, প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য বহুতল ভবন ও আধুনিক অফিস কমপ্লেক্স নদীর দুই তীরকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। এতে একদিকে যেমন নগরের সৌন্দর্য ও নান্দনিকতা বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে কীর্তনখোলা নদীকে কেন্দ্র করে একটি আধুনিক বাণিজ্যিক নগরকেন্দ্র গড়ে উঠবে।

আনোয়ার হোসেন সিকদারের মতে, পরিকল্পিতভাবে আবাসিক, বাণিজ্যিক, প্রশাসনিক, পর্যটন ও শিল্পাঞ্চল নির্ধারণ করা গেলে বরিশালের জন্য একটি বাস্তবমুখী, টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি নগর উন্নয়ন কাঠামো তৈরি করা সম্ভব। কীর্তনখোলা নদীকে কেন্দ্র করে দুই তীরের সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে বরিশালকে দেশের অন্যতম আধুনিক বাণিজ্যিক ও পর্যটন নগরীতে রূপান্তর করাও তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন।

বিসিসিকে আধুনিক ও বাণিজ্যিক নগরীতে রূপ দিতে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব শীঘ্রই দেয়া হবে বলে জানান বরিশাল মহানগর এনসিপির সদস্য সচিব এম আনোয়ার হোসেন সিকদার।

09/08/2026

বি‌এন‌পি সরকার বগুড়াকে বিশেষ গুরুত্ব দেয় না: সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবি‌উল আলম, এমপি

09/08/2026

বরিশালের ঐতিহাসিক বেলস্ পার্ক মাঠে ১৫ দিন ব্যাপী বৃক্ষ মেলা উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, বন ও কৃষি বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তাগন।

09/08/2026

ব‌রিশাল দপদপিয়া সেতুর বেহাল দশা!
চরম ঝুঁ*কিতে যানবাহন ও যাত্রীরা

Address

Barishal
8200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Akash Bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Akash Bangla:

Shortcuts

Share