03/08/2026
কারেন্ট দে হারামজাদা, নইলে পাওয়ার স্টেশন খাবো!
ভীষণ উত্তাপ শরীরে, ত্বক জুড়ে ঘেমে যাওয়া জল
অনুভূত হতে থাকে সর্বগ্রাসী ছাত্রের দল ।
চৈত্রের অনাবৃষ্টি যেমন জ্বালায় ধরার বুকে আগুন,
তেমনি লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় পুড়ে যায় জীবনের ফাল্গুন।
দু’বেলা দু’মুঠো কারেন্ট পেলে মোটে নেই অন্য কোনো দাবি!
অনেকে চেয়েছে কত কি- বিলাসের প্রাসাদ, শীতল এসি, দামি গ্যাজেট ভরা সুখের সংসার,
কারো স্বপ্ন ঝলমলে আভিজাত্য, কারো লোভ নতুন প্রযুক্তির বাহার।
আমার দাবি এতটুকুই- গরমের দরুন মাথা যখন হয়ে যায় আগুন,
তখন শুধু চাই একটু কারেন্ট নামের ফাগুন।
হাইভোল্টেজ কিংবা লো, এক ফেজের সস্তা লাইন, অথবা ডিরেক্ট তার কোন অভিযোগ নাই,
শুধু মাথার উপর ফ্যান টা একটু ঘোরা চাই।
দু’বেলা দু’মুঠো কারেন্ট পেলে শান্তিতে একটু ঘুমাতে পারি!
যদি না মেটাতে পারো আমার এই সামান্য দাবি,
তোমার পাওয়ার স্টেশন উড়িয়ে দিব আমি।
অন্ধকারে নিমজ্জিত মানুষের কাছে নেই ইষ্টানিষ্ট, আইন-কানুন –
সমুখে যা পাবেন তা দিয়েই বাতাস করুন।
যদি দৈবাৎ সম্মুখে তোমাকে পেয়ে যাই,
তোমার কিন্তু রেহাই নাই, রাক্ষুসে এই গরমের দরুন ধরে তোমাকেই ফ্যান বানাবো।
সর্বপরিবেশগ্রাসী হলে সামান্য এই বিদ্যুতের চাহিদা
ভয়াবহ পরিণতি করব নিমন্ত্রণ করে যমদা!
মোবাইলের চার্জ থেকে পাওয়ার ব্যাংকের চার্জ অবধি ধারাবাহিকতায় খেয়ে ফেলেছি সবই,
অবশেষে খাবোঃ ডানের মশা, বাঁয়ের মাছি।
চার্জার ফ্যান আর হাতে তালপাখা নিয়েও ঘেমে যায় বইকবাসি,
আর নোটিশ ছাড়াই বিদ্যুৎ নিয়ে যায় ডেস্কে বসা অফিসারী—
আমার ক্ষোভের কাছে কিছুই খেলনা নয় আজ।
কারেন্ট দে হারামজাদা, নইলে পাওয়ার স্টেশন খাবো!
--Sakib Hossein (EEE-06)