Ms Moyuri

Ms Moyuri Hi,This is Ms Moyuri.Iam a blogger. It's my page please follow me to get my videos everytime��

22/05/2026

20/05/2026

[আপনার গোটা লাইফ একটা মিথ্যায় জর্জরিত।]

আপনি যখন স্কুলে পড়তেন আপনি ভাবতেন হয়তো আরেকটু বড় হইলেই সব সমস্যা শেষ। আপনি কলেজে যাওয়ার পর আপনি আরো হতাশ হন যে নাহ আপনাকে ইউনিভার্সিটিতে ঢুকতে হবে, তবেই লাইফের রেস শেষ হবে। ইউনিভার্সিটিতে ঢোকার পর দেখেন যে হয় আপনি যেই সাবজেক্টে পড়তেছেন ওইটার ভালো ফিউচার নাই, না হয় যদি ভালো সাবজেক্টও পান ওইটারও দেশে অত ভালো চাকরি নাই। আপনি এই সেই করতে করতে ভার্সিটি লাইফটা শেষ করে বুঝতে পারেন জীবন মাত্র শুরু।

একটা জব পাইলে ভাবেন যে এইবার হয়তো রেসটা শেষ হবে। কিন্তু আপনি ততদিনে বুঝে গেছেন, আপনি ৩০-এর কাছাকাছি পৌঁছাইতে পৌঁছাইতে এখন আপনার পরিবার, সমাজ সবাইকে দেয়ার পালা। এইবার জব করেন, রেসপন্সিবিলিটি নেন।

এইসবের মাঝে আপনি একজন মনের মানুষ খোঁজা শুরু করেন সেই স্কুল থেকে। কেউ কেউ ইউনিভার্সিটি থেকে। যার কপাল ভালো সে একজন লাইফ পার্টনার পেয়ে যায়, আর যার কপাল খারাপ সে একটার পর একটা ধরা খাইতে থাকে।

এই করতে করতে আপনি দেখেন যে আপনি এখন ৩০+। আপনার ভালোলাগার মানুষ থাকুক বা না থাকুক, দেখে শুনে হয়তো একটা বিয়ে করে ফেলেন। যদি কপাল ভালো হয় সংসার টিকবে, যদি কপাল খারাপ হয় আপনি হয়তো এমন কাউকেই লাইফে পাইছেন যে তার আগের লাইফ পার্টনার, বিএফ, জিএফ কে নিয়ে এখনো মনে মনে কষ্টে আছে।

আপনি সব দিক দিয়ে ধরা। ৩৭-৩৮ এ ইতিমধ্যে আপনার বেশ কিছু বন্ধুবান্ধব হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে, আপনারও ইদানীং মাথা একটু ঘুরায়। ডাক্তারের কাছে গিয়ে আবিষ্কার করলেন আপনার সুগার গড়বড় করে, আপনার ডায়াবেটিসও হয়ে যাচ্ছে।

৪০ ছুঁইতে ছুঁইতে আপনার কিছু বন্ধুবান্ধব অলরেডি ২-৩ টা বিয়ে করে ফেলছে, বা ডিভোর্স হয়ে গেছে, আপনারও এখন আর আগের মতো শরীর চলে না। এর মধ্যেও কিছু বন্ধু বয়স ধরে রেখে রংঢং করে বেড়াইতেছে, আপনার এইসব একদমই ভালো লাগে না।

বাচ্চাকাচ্চা হইছে, এরা এখন স্কুল, কলেজে যায়, আপনি মোটামুটি হার্টের ব্যারাম সহ আগের থেকে আরো বেশি উইক হইছেন। এখন আপনার আর দুনিয়ার কোনো কিছু খুব একটা আকৃষ্ট করে না।

আপনার মিষ্টি খাইতে মন চায় কিন্তু ওইটা খাওয়া নিষেধ। আপনার কাছে নিজের বাচ্চাকাচ্চা, বউ এইসব ছাড়া বাকি সবই অতিরিক্ত কাজ। এখন আপনি নিজের চেয়ে বেশি কনসার্ন আপনার অনুপস্থিতিতে আপনার বাচ্চাকাচ্চার কী হবে, আপনার পরিবারের কী হবে।

তারপর কোনো একদিন আপনি হয়তো বুঝতে পারবেন আপনি মেবি মারা যাচ্ছেন, আপনি চোখের সামনে কয়েক সেকেন্ডে গোটা জীবন দেখে ফেলবেন।

আপনি বুঝতে পারবেন আপনি যে এতো হিংসা, লালসা করছেন, অন্যের ক্ষতি করছেন, কিছু না পেয়ে দিনের পর দিন কষ্ট পাইছেন, আপনার অমুক বন্ধু তমুককে না পেয়ে আত্মহত্যা করছে, আপনার ওই বিশাল অ্যাওয়ার্ড যেইটা দেখে ফেসবুকে মানুষ বাহবা করছে, এর সবই অর্থহীন, আর কিছুক্ষণ পর চোখ বুজে ফেললে আপনার এই গোটা জার্নিটা আপনার সাথেই শেষ হয়ে যাবে।

-মান্জুরুল আহসান
Copy post

বাচ্চাটা ছেলে না হলে ২৫ লাখ টাকায় বিক্রি হয়ে যেতো 🙂একজন আপু বললেন, একটা শাড়ী নিবো আমার ছেলের প্রথম জন্মদিন ১ তারিখ। আর এ...
20/05/2026

বাচ্চাটা ছেলে না হলে ২৫ লাখ টাকায় বিক্রি হয়ে যেতো 🙂

একজন আপু বললেন, একটা শাড়ী নিবো আমার ছেলের প্রথম জন্মদিন ১ তারিখ। আর একটা গল্পও বলতে চাই আমার সেই ছেলের জন্ম নিয়ে, আসলে সে ছেলে হয়ে জন্মেছে বলেই সে আমার কাছে আছে আজকে, তার জন্মদিন টা এতো খুশির আমার কাছে।

আমার বিয়ের পরে ২ মাসের মাথায় প্রথম বেবি কন্সিভ হয়। তখন সবাই অনেক খুশি হয়ে যায় কারন আমার শ্বশুর বাড়িতে অনেক বছর পরে বাচ্চা খেলবে।

কন্যা সন্তান এর জন্ম হলো আলহামদুলিল্লাহ , আমরা খুবই খুশি, পরিবারের মানুষ ও খুশি তবে হ্যা আমার শ্বাশুড়ি চাচ্ছিলেন আমার ছেলে সন্তান হোক, প্রথম দিকে মুখটা একটু কালো কালো হলেও পরবর্তী তে খুশিই দেখা গেলো।

এরপরে আমার প্রথম মেয়ের যখন আড়াই বছর তখন সেকেন্ড বেবি কন্সিভ হয় এবং তখনও সবাই অনেক খুশি, আমার শ্বাশুড়ি এবার সবার সামনেই বলে দিলেন, এবার আমার একটা নাতি চাই, বংশের প্রদীপ চাই।

কিন্তু সেকেন্ড টাও মেয়ে,,যদিও আমি আগেই জানতাম মেয়ে কারন একটা আলট্রা থেকে জেনে গিয়েছিলাম কিন্তু এগুলো বাসায় প্রকাশ করিনি।

তো আমার সেকেন্ড মেয়ে হওয়ার পর পরই আমার ননদ এর বিয়ে হয়। তার বিয়ের পরেই তার শ্বশুর বাড়ির মানুষ তাদের কাছে সন্তান আশা করে, তারাও আশা করে, কিন্তু সব তো আল্লাহর ইচ্ছে, আল্লাহ দেন নি।

তো আমার বড় মেয়ে তখন ৫ বছর, ছোট মেয়ের তখন প্রায় ২ বছর। তখন আবার আমি কন্সিভ করলাম।

তখন সেই নিউজ টা প্রায় ৩ মাস হাইড রাখা হলো আমার ননদ এর কাছে, যাতে সে কষ্ট না পায়।

যাই হোক কয়েকদিন পর সে জেনেই যায় নিউজ টা, তখন সে কান্না করে অনেক, আফসোস করে এবং তার কান্না দেখে আমার শ্বাশুড়ি চট করে তাকে বলে দিলেন, এবার যদি মেয়ে হয় তোকে দিয়ে দিবো। কারন এই ঘরে আর মেয়ের দরকার নাই। আর তোর একটা বাচ্চার দরকার। এতো বড় একটা কথা বলার সময় আমাকে বা আমার হাজবেন্ড কে জিজ্ঞেস করার দরকারই মনে করলো না কেউ।

ওই সময় আমার হাজবেন্ড এর ব্যবসায় বিরাট লস হয়, এবং সে তার ক্যারিয়ার এভাবে নষ্ট হতে দিতে চায়না। তাই সে বাইরে যাওয়ার জন্য এপ্লাই করে, এবং হয়েও যায়। তবে টাকা লাগবে ২৫ লাখ। কিন্তু তার জমানো টাকা ছিলো না ওরকম। তখন আমার ননদ বলে সে পুরো টাকা টাই দিবে তবে শর্ত একটাই। আমার পেটে যে সন্তান আছে সেটা তাদেরকে চিরতরে দিয়ে দিতে হবে, কোনো প্রকার অধিকার খাটানো যাবেনা,,ভূলেও কোনোদিন নিজের বাচ্চা বলে দাবি করা যাবে না। অবাক করা ব্যাপার হলো আমার হাজবেন্ড রাজি হয়ে গেলো।

কিন্তু আমি ভেতরে ভেতরে শেষ হয়ে যাচ্ছিলাম, আমার ঘুম আসতো না, ভয় লাগতো। পাগলের মতো লাগতো। কারো কাছে কিছু বলার সুযোগ নেই, কোথাও আমার কেউ নেই, কারন আমার হাজবেন্ড আমার সাপোর্টে নাই।

আরো ২ টা বাচ্চার মুখের দিকে চেয়ে আমাকে সুস্থ থাকতে হতো, নিজেকে শক্ত রেখে আমি আল্লাহর কাছে কান্না করতাম, আল্লাহ কে বলতাম, তখন একমাত্র উনিই আমাকে হেল্প করতে পারবেন। আল্লাহ চাইলেই সব সম্ভব।

আলহামদুলিল্লাহ আমার ছেলে হলো, এবং আমার শ্বাশুড়ি তার বংশের প্রদীপ কে রেখে দিলেন, আমার সন্তান আমার কাছেই থাকলো, আমার কোলেই থাকলো, আল্লাহ আমার দোয়া কবুল করেছেন।

তবে হ্যা ২৫ লাখ টাকার জন্য আমার সন্তানকে আমার হাজবেন্ড বিক্রি করে দিতে চেয়েছিলো সেই কষ্ট টা আমাকে আজও খুঁড়ে খুঁড়ে খায়, আমি তাকে এখনো মাফ করতে পারিনি৷ গল্প টা আমি আমার ছেলেকে কোনোদিন ও বলতে পারবো বা কারন তাকে কিভাবে বলবো তার জন্মদাতা পিতা তাকে ২৫ লাখ টাকার জন্য বিক্রি করতে চেয়েছিলো, তবে আমি চাই গল্প টা সবাই জানুক, আমার আর আমার ছেলের নাম না জেনেই জানুক তারপরও জানুক পৃথিবীতে এমন কিছু বাবাও আছে যাদের কাছে তাদের সন্তান থেকেও তাদের ক্যারিয়ার বড় 🙂

মেসেজ : জেন্ডার রিভিল করা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করলেও এটা কড়াকড়ি ভাবে কার্যকর করাটাও খুবই জরুরি, তাহলেই পেটের সন্তান নিয়ে এমন বেচাকেনার কাহিনি কমে আসবে, পেটের সন্তান কে ছেলে বা মেয়ে হওয়ার কারনে শেষ করে ফেলার কাহিনি কমে আসবে।

৫ বছর আগে মীরা মারা গেছে, কিন্তু প্রতি মাসে আমি নিয়ম করে ওর মাকে ২৮,৫০০ টাকা পাঠাতাম। ভেবেছিলাম উপকূলীয় এক গ্রামের এক অস...
15/05/2026

৫ বছর আগে মীরা মারা গেছে, কিন্তু প্রতি মাসে আমি নিয়ম করে ওর মাকে ২৮,৫০০ টাকা পাঠাতাম। ভেবেছিলাম উপকূলীয় এক গ্রামের এক অসহায় বিধবা শাশুড়িকে খাওয়াচ্ছি। কিন্তু যখন ব্যাংক জানালো অ্যাকাউন্টে সমস্যা হয়েছে, আমি নিজেই মিষ্টি আর ওষুধ নিয়ে রওনা হলাম মীরার গ্রামে। গিয়ে দেখি প্রতিবেশিরা অবাক হয়ে বলছে, "বাবা, শান্তি দেবী তো তিন বছর আগেই মারা গেছেন!"
ঠিক সকাল ৯টায় আমার ফোনটা ডাইনিং টেবিলে কেঁপে উঠল।
ট্রান্সফার সাকসেসফুল।
প্রাপক: শান্তি দেবী।
আমার শাশুড়ি।
৫ বছর ৩ মাস ২ দিন আগে মীরা আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। পুলিশ রিপোর্ট বলেছিল—কক্সবাজার যাওয়ার পথে ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ। গাড়িটা এতোটাই দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছিল যে ওরা আমাকে মীরার মুখ দেখতে দেয়নি। কফিন সিল করা ছিল। শাশুড়ি শান্তি দেবী আমার হাত ধরে বলেছিলেন, "মীরাকে তো হারালাম বাবা, এখন আমার আর কেউ নেই।"
সেদিন মীরার লাশের সামনে দাঁড়িয়ে কথা দিয়েছিলাম, "আম্মা, আপনি চিন্তা করবেন না। মীরা সারাটা জীবন আপনার কথা ভেবেছে, আমি ওর হয়ে আপনার খেয়াল রাখবো।"
সেদিন থেকে ৫ বছর আমি প্রতি মাসে টাকা পাঠিয়ে গেছি। আমার বন্ধুরা বলত, "রোহান, তোর বয়স মাত্র পঁয়ত্রিশ। এভাবে কতদিন?"
আমি বলতাম, "এটা শান্তি দেবীর জন্য না, এটা মীরার জন্য।"
মাসের প্রথম দিনে যখন ট্রান্সফার মেসেজটা আসত, আমার মনে হতো আমি এক সেকেন্ডের জন্য হলেও মীরার হাতটা ছুঁলাম। যেন মীরা কোথাও থেকে দেখছে আর হাসছে।
শান্তি দেবীর সাথে প্রথম দিকে ফোনে কথা হতো। তারপর তিনি ধীরে ধীরে ফোন ধরা কমিয়ে দিলেন। শুধু ভয়েস নোট আসত— "টাকা পেয়েছি বাবা, ওষুধ কিনেছি।" আমি সেই ছোট মেসেজগুলোও সেভ করে রাখতাম।
হঠাৎ একদিন ব্যাংক থেকে চিঠি এলো। শান্তি দেবীর অ্যাকাউন্টের তথ্যে গরমিল আছে, ভেরিফিকেশন লাগবে। আমি আম্মাকে ফোন দিলাম। ফোন বন্ধ। পরের দিনও বন্ধ। তিনদিন পর আমার বুকে এক অদ্ভুত ভয় বাসা বাঁধল। ভাবলাম, বৃদ্ধ মানুষটা একা কি অসুস্থ হয়ে পড়ল?
অফিস থেকে ছুটি নিয়ে সোজা গ্রামের বাড়িতে রওনা হলাম। সুটকেসে ওনার প্রিয় সন্দেশ, রক্তচাপের ওষুধ আর একটা সুন্দর শাল নিলাম। ফেরার পথে মীরার ছবির দিকে তাকিয়ে বললাম, "তোমার আম্মাকে দেখে আসছি, মীরা।"
বিকেলে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালাম। টিনের চালের বাড়িটা একদম নিঝুম। উঠানে শুকনো পাতা জমে আছে। দরজায় মরচে ধরা তালা। আমি যখন দরজায় ধাক্কা দিচ্ছি, তখন পাশের বাড়ির এক বুড়ি মা এগিয়ে এলেন।
"কাকে খুঁজছেন বাজান?"
"শান্তি দেবীকে। আমি উনার জামাই, রোহান।"
বুড়ি মার মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেল। তিনি বিড়বিড় করে বললেন, "শান্তি তো মারা গেছে তিন বছর হলো!"
আমার হাত থেকে মিষ্টির প্যাকেটটা মাটিতে পড়ে গেল।
"বলছেন কী? উনি আমাকে মেসেজ পাঠান, প্রতি মাসে টাকা তোলেন!"
বুড়ি মা করুণ চোখে তাকালেন। "কে টাকা তোলে জানি না, কিন্তু শান্তি মরার পর মাঝে মাঝে রাতে একটা মেয়ে এই ঘরে ঢুকত। ঘোমটা দিয়ে আসত বলে কেউ মুখ দেখেনি।"
আমার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। মীরা মারা গেছে ৫ বছর আগে। তবে কে এই ঘরে আসে? বুড়ি মা আরও নিচু স্বরে বললেন, "মীরার জানাজার রাতে শান্তি দেবী পেছনের আঙিনায় অনেক কাগজ পুড়িয়েছিলেন। আমি শুধু একটা কথা বারবার বলতে শুনেছিলাম— 'ও যেন কখনও এর মুখ দেখতে না পায়!'"
আমি হন্তদন্ত হয়ে গ্রামের বাজারে গেলাম। সেখানকার এক চা দোকানি আমার ছবি দেখে চিনে ফেলল।
"আপনার ছবি এক মহিলা আমায় দিয়েছিল। সে-ই ব্যাংক থেকে টাকা তুলত।"
"কে সে? দেখতে কেমন?"
দোকানি ইতস্তত করে বলল, "তিন মাস আগে সে যখন এসেছিল, সাথে একটা ৪-৫ বছরের মেয়ে ছিল। মেয়েটা হুবহু আপনার মতো দেখতে।"
আমার নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছিল। মীরা মারা গেছে ৫ বছর আগে। ৪ বছরের বাচ্চা কোত্থেকে আসবে? যদি না... যদি না পুরো গল্পটাই মিথ্যে হয়!
দোকানি আমায় এক পুরনো বাতিঘরের পাশে একটা পোড়ো বাড়ির ঠিকানা দিল। সন্ধ্যার বৃষ্টিতে ভিজে আমি সেই বাড়িতে পৌঁছালাম। বাইরে থেকে জানালা দিয়ে দেখলাম—ভেতরে একটা ছোট মেয়ে দৌড়াচ্ছে। কোঁকড়া চুল, ঠিক আমার মতো চোখ।
আর ভেতর থেকে একটা নারীকণ্ঠ ভেসে এল— "তারা, দৌড়াদৌড়ি করো না, পড়ে যাবে!"
'তারা'... এই নামটা আমি আর মীরা আমাদের অনাগত মেয়ের জন্য ঠিক করেছিলাম।
আমি কাঁপতে কাঁপতে দরজায় ধাক্কা দিলাম। দরজা খুলে গেল। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটাকে দেখে আমার পৃথিবী থমকে গেল। মীরা বেঁচে আছে। একদম সামনে।
সে আমাকে দেখে চমকে উঠল না। জড়িয়ে ধরল না। শুধু স্থির চোখে তাকিয়ে ম্লান স্বরে বলল—
"রোহান, তোমার তো আমাদের খুঁজে পাওয়ার কথা ছিল না।"
মীরা মারা যায়নি। তাকে 'মেরে ফেলা' হয়েছিল আমার জীবন থেকে। আর এই ৫ বছরের টাকা ছিল তার আত্মগোপনের পাথেয়, যা তার মা নিশ্চিত করেছিলেন। এক নিমিষে ৫ বছরের শোক আর ভালোবাসা সব কেমন যেন অর্থহীন হয়ে গেল।

গল্প :মিথ্যে_জা*নাজা
পর্ব_ ১

নিজেদের প'ছন্দে পা/লিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিল চার বছর আগে। বিয়ের পর থেকেই পা'রিবারিক দ্ব/ন্দ্ব নিয়ে চলতো তাদের মধ্যে ক/ল...
14/05/2026

নিজেদের প'ছন্দে পা/লিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিল চার বছর আগে। বিয়ের পর থেকেই পা'রিবারিক দ্ব/ন্দ্ব নিয়ে চলতো তাদের মধ্যে
ক/লহ। দুই পরিবারের সি/দ্ধান্তে তাদের ডি/ভো/র্স করানো হয়।
ডি/ভো/র্সের

দে/নমোহরের টাকা হাতে তুলে দেয়ার সময় কা/ন্নায়
ভে/ঙে পড়ে স্বামী বলেছিল ছে'ড়ে যেও না। তবে তারই কথায় মন গ'লেনি ওই তরুণীর। কাজ শেষ করে বাসায় ফেরার পথে গাড়িতে
স্টো/ক করে মা/রা যায় ওই যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁ।

আমাদের দেশে একটা জাদুকরী বিজনেস আছে। ইনভেস্ট করবেন ১ টাকা, রিটার্ন আসবে ৩ টাকা। কোনো রিস্ক নেই, শুধু লাগবে কিছু অসৎ বুদ্...
14/05/2026

আমাদের দেশে একটা জাদুকরী বিজনেস আছে। ইনভেস্ট করবেন ১ টাকা, রিটার্ন আসবে ৩ টাকা। কোনো রিস্ক নেই, শুধু লাগবে কিছু অসৎ বুদ্ধি আর ভেতরের খবর।

​ব্যবসাটা কী? সরকারি জমি অধিগ্রহণ!😁
​সরকার যখন রাস্তা বা বড় প্রজেক্টের জন্য জমি নেয়, জনগণের কথা ভেবে দাম দেয় তিনগুণ। আর এই সুযোগে একদল সুযোগ সন্ধানী হায়েনা প্রজেক্ট পাস হওয়ার খবর পেলেই ওই জমিতে রাতারাতি সস্তা টিন দিয়ে ঘর তোলে, সস্তায় দোকান বানায় কিংবা ফলের বাগান সাজায়।
লক্ষ্য একটাই সরকারের কাছ থেকে ওই আলতু-ফালতু অবকাঠামোর বিপরীতে তিনগুণ ক্ষ- তিপূরণ পকেটে ভরা। ​কিন্তু এবার খেলা ঘুরে গেছে!🤭

'​হাসনাত আব্দুল্লাহ্ ' যা দেখালেন, সেটাকে বলে চোরের ওপর মোড়লগিরি। না, এটা বাটপারি না, এটা হলো সত্যিকারের দেশপ্রেমিক বাপগিরি।

​ঘটনা চান্দিনা-দেবিদ্বার সড়কের। ফোর লেন হবে, প্রজেক্ট রেডি। চোরেরা যখন কোমর বাঁধছে নতুন ঘর তুলে সরকারের কোটি কোটি টাকা মা*র*বে বলে, হাসনাত ভাই তখন এক ধাপ এগিয়ে।

​প্রকল্পের ঘোষণা দেওয়ার আগে, তিনি পুরো এলাকার নিখুঁত ড্রোন শট নিয়ে নিয়েছেন।
​কোথায় একটা ইঁদুরের গর্ত আছে, আর কোথায় ভাঙা বেড়া সবকিছুর ডিজিটাল রেকর্ড এখন হাসনাতের পকেটে।

​হাসনাত ভাই জনসভা ডাকলেন। সবাই ভাবল নরমাল সভা। কিন্তু সেখানে প্রজেক্টরে যখন ড্রোনের ফুটেজ ভেসে উঠল, তখন অনেক ইনভেস্টর চো- রের কপালে ঘাম ঝরতে শুরু করেছে।

​সরাসরি ঘোষণা দিলেন, এই ভিডিওর পর যদি কেউ এক ইঞ্চি গাঁথুনিও দেন, তবে এক পয়সাও ক্ষ- তিপূরণ পাবেন না। রেকর্ড আমাদের কাছে আছে!

​এটাকে বলে সিস্টেম দিয়ে সিস্টেমকে টাইট দেওয়া। আপনি যদি মনে করেন আপনি বাপ, তবে জেনে রাখুন আপনার ওপরেও বাপ আছে।😁

​বাটপারদের রুখতে লাঠি লাগে না, লাগে শুধু সদিচ্ছা আর আধুনিক বুদ্ধি। ৩ গুণ লাভের আশায় বসে থাকা ওই শ/কুনদের ডানা ছেঁটে দেওয়ার জন্য এমন 'হাসনাত আবদুল্লাহ' ভাই এখন প্রতিটা উপজেলায় দরকার।

​সারা দেশের ৩০০ আসনে এমন বাপের ওপর বাপ জন্মাক, যারা সরকারি টাকা চু/রির ধান্দা আগেই নস্যাৎ করে দেবে

​স্যালুট হাসনাত আবদুল্লাহ! 🤗
এভাবেই ধোলাই হোক সব ডিজিটাল চো*র*দের।

~diary of she

14/05/2026

10/05/2026

অভিনেত্রী দিলারা জামান কে প্রশ্ন করা হলো,
"আপনি ২০ বছর বয়সী দিলারা জামানকে যদি এখন একটা ফোন কল করতে পারতেন, লাইফ দেখার পর ওকে আপনি কী এডভাইস দিতেন?

উনি উত্তর করলেন-
"স্বামী ভালোবাসলো না, স্বামী তাকালো না বলে মন খা'রা'প করার কিছু নেই। তখন বোকার মতো না খেয়ে থাকতাম। একবার এমন সারাদিন না খেয়ে বসে আছি সে আসবে তারপর খাবো। সে আসার পরে বাথরুম থেকে গোসল করে এসে পেপার নিয়ে বসে গেলো। আর সে কি অভিমান। না খেয়ে বসে থাকতাম, কাঁ'দতাম। এখন মনে হয় এটা কোনো Wise decision ছিলো না"

আমরা মেয়েরা স্বামী, সংসারের পেছনে সেল্ফলেসলি ইনভেস্ট করি। করতে করতে একসময় দেখা যায় পাওয়ার খাতায় বড় একটা শূন্য পেয়ে বসে আছি। অথচ অতটুকু ভালো নিজেকে বাসলে হয়তো আজকের এই আফসোসটা করতে হতো না।

মেয়ে এখনই নিজেকে উজাড় করে ভালোবাসো। যাতে ২০ বছরের তোমার কাছে ফিরলে মিষ্টি হেসে নিজেকে অভিবাদন জানাতে পারো।
আজ এক্ষুনি প্রাণ ভরে বাঁচো❤️

©copy post.

01/05/2026

আমার ছেলে ফোন করে বলল, “মা, আমি আগামীকাল বিয়ে করছি। আর হ্যাঁ… তোমার সব টাকা আমি তুলে নিয়েছি। আর কক্সবাজারের সী-ফেসিং ফ্ল্যাটটাও বিক্রি করে দিয়েছি।” সে ভেবেছিল এক ফোনেই আমাকে শেষ করে দিয়েছে। কিন্তু আমি তখন বারান্দায় বসে ছিলাম, সামনে অসীম সমুদ্র, ঢেউ আসছে যাচ্ছে, আর আমি… হেসে ফেললাম। কারণ আমার চালাক ছেলে জীবনের সবচেয়ে বড় ভুলটা করে ফেলেছে।
আমার নাম শারমিন আহমেদ। বয়স চৌষট্টি। আমার জীবনে যা কিছু আছে—এক টাকাও আমি কারও দয়া বা ভাগ্যের জোরে পাইনি। আমি আর আমার স্বামী, সাইফুল আহমেদ, শুরু করেছিলাম একেবারে শূন্য থেকে। খুলনার এক গলির মাথায় ছোট্ট একটা বেকারি। দোকানের নাম ছিল “সুইট ওভেন”। সেই দিনগুলো এখনো মনে আছে—বৃষ্টির দিনে দোকানে পানি ঢুকছে, গ্যাস নেই, কেক পুড়ে যাচ্ছে, গ্রাহক ঝগড়া করছে, আর আমরা সারারাত না ঘুমিয়ে কাজ করছি। কিন্তু আমরা হাল ছাড়িনি। একটা দোকান থেকে দুইটা। দুইটা থেকে চারটা। তারপর আমরা ছোট একটা সুপারশপ খুললাম। লোকজন তখন বলত—“মেয়েমানুষ হয়ে এত বড় ব্যবসা করবে?” আমি হাসতাম। কারণ আমি জানতাম, আমি থামবো না।
বারো বছর আগে আমার স্বামী মা*রা গেলেন। সবাই ভাবল আমি ভেঙে পড়ব। কিন্তু আমি ব্যবসাটা বিক্রি করলাম, টাকা ইনভেস্ট করলাম জমি, ফ্ল্যাট, শেয়ার—সবকিছুতে। তারপর ঠিক করলাম—এবার আমি একটু শান্তিতে বাঁচবো। ভ্রমণ করব। নিজের মতো সময় কাটাবো। আর আমার একমাত্র ছেলে—আরমানকে—একটা নিরাপদ ভবিষ্যৎ দিয়ে যাব। কিন্তু আরমান… সে শর্টকাট ভালোবাসত। সে মেহরিন নামের এক চতুর মেয়ের পাল্লায় পড়ে আজ আমাকে পথে বসানোর স্বপ্ন দেখছে।
ফোনটা রাখার পর আমি কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে সমুদ্রের গর্জন শুনলাম। মেহরিন ভেবেছে এই বৃদ্ধাকে বোকা বানানো সহজ। আরমান ভেবেছে মায়ের বিশ্বাস ভাঙলে পুরস্কার পাওয়া যায়। তারা জানে না, শারমিন আহমেদ যখন ব্যবসা শুরু করেছিল, তখন তাকে প্রতিনিয়ত বাঘের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে। এই ছোটখাটো শেয়ালদের আমি কীভাবে সামলাতে হয়, তা খুব ভালো করেই জানি।
আমি উঠে দাঁড়ালাম। ধীর পায়ে ভেতরে এসে আমার ব্যক্তিগত ডেস্কের সামনে বসলাম। ল্যাপটপটা খুলে ‘আহমেদ লেগেসি হোল্ডিংস’-এর মূল সার্ভারে লগ-ইন করলাম। আমার স্বামী সাইফুলের একটা কথা খুব মনে পড়ছে আজ— “শারমিন, মানুষ যখন খুব দ্রুত উপরে উঠতে চায়, তখন সে নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত আছে কি না তা দেখতে ভুলে যায়।” আরমানও তাই করেছে। সে যে ফ্ল্যাট বিক্রির বায়না করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, সেই ফ্ল্যাট আসলে ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে কোনোদিন রেজিস্ট্রিই ছিল না। ওটা কোম্পানির একটি রিসোর্ট প্রপার্টি, যার সোল অথরিটি শুধুমাত্র আমার বায়োমেট্রিক এবং ডিজিটাল সিগনেচারে চলে। আরমান যে কাগজে সই নিয়েছিল, ওটা ছিল একটা সাব-পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি, যা কোম্পানির বোর্ড রেজোলিউশন ছাড়া অর্থহীন।
আমি কল করলাম আমার দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত আইনজীবী ও বাল্যবন্ধু ব্যারিস্টার রফিককে।
"রফিক, সময় হয়েছে। অপারেশন ‘ক্লিন সুইপ’ শুরু করো।" ওপাশ থেকে রফিক হাসল। সে জানত এই দিনটা আসবে। সে বলল, “শারমিন, আরমান তো তোমার ছেলে। এখনো ভাবো, শেষ সুযোগ দেবে কি না?”
আমি দৃঢ় কণ্ঠে বললাম, “সন্তানকে শাসন করা মায়ের দায়িত্ব। সে যদি অপ*রাধী হয়, তবে বিচার করাও আমার কর্তব্য। ও আমার টাকা চু*রি করেনি রফিক, ও আমার বিশ্বাসকে নিলামে তুলেছে। যারা অন্যায়ভাবে অন্যের হক কেড়ে নিতে চায়, তাদের জন্য ক্ষমা নেই।”
আমি ব্যাংকের ফ্রড ইনভেস্টিগেশন ইউনিটের প্রধানকেও একটা মেইল করলাম। আমার অ্যাকাউন্ট থেকে যে টাকাগুলো সরানো হয়েছে, সেগুলো সব ট্রেস করা আছে। আরমান ভেবেছে সে টাকাগুলো মেহরিনের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিলেই নিরাপদ। কিন্তু সে জানে না, মেহরিনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি মাস দুয়েক আগেই আমার আন্ডারকাভার অডিটরদের নজরদারিতে ছিল।
আমি জানলার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। কাল আরমানের বিয়ে। ঢাকার একটা ফাইভ স্টার হোটেলে গ্র্যান্ড সেলিব্রেশন। মেহরিন নিশ্চয়ই এখন বিয়ের লেহেঙ্গা পরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভাবছে, সে কত বড় জয়ী! আর আরমান? সে হয়তো বন্ধুদের সঙ্গে দামী ম*দ খুলে আমার ‘পরাজয়’ সেলিব্রেট করছে।
আমি মনে মনে হাসলাম। কালকের রাতটা হবে তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজ। তারা যখন বিয়ের পিঁড়িতে বসার জন্য তৈরি হবে, যখন চারদিকে সানাই বাজবে আর অতিথিরা হাসিমুখে অভিনন্দন জানাবে—ঠিক তখনই শুরু হবে আসল নাটক।
আরমান ভেবেছিল সে আমাকে এক ফোনে শেষ করে দিয়েছে। কিন্তু আমি এখন যে ঘুঁটি চালছি, তাতে শুধু আরমান না, পুরো মেহরিন সাম্রাজ্য তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। আমি ডায়েরিতে একটা লাইন লিখলাম— “শত্রু যখন ঘরের ভেতরে থাকে, তখন তাকে আ*ঘাত করতে হয় তার অহংকারের জায়গায়।”
আমি আমার ড্রাইভারকে ডাকলাম। "রহিম, গাড়ি বের করো। আমরা কাল ভোরেই ঢাকা রওনা হবো। তবে সরাসরি হোটেলে নয়, আমরা যাব ধানমন্ডির আমাদের পুরোনো সেই বেকারির সাইটে। যেখানে আমার সংগ্রাম শুরু হয়েছিল।"
রহিম অবাক হয়ে তাকাল। সে জানে আজ ম্যাডামের মাথায় কোনো একটা বিশাল পরিকল্পনা ঘুরছে। আমি আয়নার দিকে তাকালাম। চৌষট্টি বছর বয়সেও আমার চোখের তেজ একবিন্দু কমেনি। আরমানকে আমি শূন্য থেকে শুরু করতে শিখিয়েছিলাম, সে শেখেনি। এবার আমি তাকে শেখাব—শূন্যে ফিরে যাওয়া কাকে বলে।
যাওয়ার আগে আমি সেই বিয়ের কার্ডটা আবার হাতে নিলাম। কার্ডের ওপর সোনালি অক্ষরে লেখা— “আরমান ও মেহরিনের শুভ বিবাহ”। আমি একটা কলম দিয়ে ‘শুভ’ শব্দটা কেটে সেখানে লিখলাম ‘বিচার’।
যতক্ষণ পারো উপভোগ করো, বাবা… কারণ তুমি যখন বিয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকবে, প্রথম যারা ঢুকবে তারা অতিথি না… তারা হবে পুলিশের একটা বিশেষ দল এবং দুদকের ইনভেস্টিগেশন অফিসাররা। মেহরিনের আয়ের উৎস আর আরমানের এই জালিয়াতি—সবকিছুর হিসেব কাল বুঝিয়ে দিতে হবে।

চলবে...

পর্ব ০১
সংগৃহীত পোস্ট

29/04/2026

মানিকগঞ্জে ভয়াবহ ও হৃদয়বিদারক ঘটনা
মাত্র ৮ বছরের এক নিষ্পাপ শিশুকে তিনজন মিলে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।
এই নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর ক্ষোভ ফেটে পড়ে, এবং গণপিটুনিতে অভিযুক্তদের মৃত্যু হয়।
এটা শুধু একটা ঘটনা না—এটা আমাদের সমাজের জন্য বড় একটা সতর্কবার্তা।
শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখনই জরুরি।
আমাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে, নইলে এমন ঘটনা থামবে না।
ন্যায়বিচার, নিরাপত্তা ও সচেতনতা—এখনই দরকার।
হ্যাশট্যাগ:

হাঁস ডাকে প্যাক প্যাক,গরু ডাকে হাম্বা। ১৭ বছর গুপ্ত ছিলো,কারেন্ট চো"র খাম্বা।🙂
28/04/2026

হাঁস ডাকে প্যাক প্যাক,গরু ডাকে হাম্বা।
১৭ বছর গুপ্ত ছিলো,কারেন্ট চো"র খাম্বা।🙂

Address

Bhatara

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ms Moyuri posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ms Moyuri:

Share