71bangla24.com

71bangla24.com সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন

চলে গেলেন বোয়ালমারীর বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ খন্দকার রফিকুল ইসলাম কামাল।(ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজে'ঊন)। ৬ জুলাই সকা...
06/07/2025

চলে গেলেন বোয়ালমারীর বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ খন্দকার রফিকুল ইসলাম কামাল।
(ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজে'ঊন)।

৬ জুলাই সকালে ৮:৪৫ মিনিটের দিকে তিনি ফরিদপুর হৃদরোগ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

খন্দকার রফিকুল ইসলাম কামাল আরবিয়ান বংশদ্ভূত সম্ভ্রান্ত গঞ্জেরাজ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন।

তাঁর রয়েছে একদিকে পারিবারিক ঐতিহ্য অন্য দিকে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন। খন্দকার কামাল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির বোয়ালমারী উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি ও সম্প্রতি ঘোষিত উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য ছিলেন।

তিনি বিএনপির সাবেক মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুর রহমান ও খন্দকার রফিকুল ইসলাম কামাল একই বংশের লোক।

১২০০খ্রিস্টাব্দ বা তার আগে ইসলাম প্রচারে ইরাকের বাগদাদ থেকে ফরিদপুর আসেন বিশিষ্ট ইসলাম প্রচারক শাহ আব্দুর রহমান গঞ্জেরাজ (রহ) ও তার ভাগ্নে আব্দুর রহমান দানেশমন্দি (রহ)।

আব্দুর রহমান গঞ্জেরাজ (রহ) ফরিদপুর সদরের খাবাসপুরে বসতি স্থাপন করেন। এই গঞ্জেরাজ পরিবারই পরে খন্দকার পরিবার হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

খন্দকার রফিকুল ইসলাম কামাল এর পিতা খন্দকার সিরাজুল ইসলাম ছোলনার ভূস্বামী শমসের মিয়ার কন্যার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বোয়ালমারীতে শ্বশুরালয়ে বসতি গড়েন। তাঁর দাদা খন্দকার আব্দুস সামাদও বৈবাহিক সূত্রে ঘোষপুর ইউনিয়নের বালিয়াপাড়ায় বসতি স্থাপন করেন।

অপর দিকে শাহ আব্দুর রহমান গঞ্জেরাজ (রহ) এর ভাগ্নে আব্দুর রহমান দানেশমন্দি (রহ) নগরকান্দা লস্কারদিয়ায় বসতি স্থাপন করে ইসলাম প্রচার করেন। ওবায়দুর রহমান দানেশমন্দি (রহ) বংশধর।


14/06/2025
চুয়াডাঙ্গা -১ আসনের সাংসদ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুনের জানাজায় ...
14/06/2025

চুয়াডাঙ্গা -১ আসনের সাংসদ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুনের জানাজায় সাধারণ মানুষের ঢল।

সোলায়মান ভাই এর আত্মার শান্তি কামনা করছি।

02/06/2025

শিক্ষা ছাড়া মধ্যবিত্তের মুক্তি নেই!

মধ্যবিত্তকে সুরক্ষার একমাত্র মাধ্যম শিক্ষা। পড়াশোনা ঠিকমতো করলে অন্তত টিউশনি করে হলেও চলা যাবে।

আজ যারা দুনিয়াটাকে ফুটবল ভেবে ঠিকমতো পড়াশোনা করছে না, পরীক্ষায় বসছে না কিংবা লাইব্রেরির দিকে হাঁটছে না—তাদেরকে মাত্র বছর পনেরো পরে দেখো। দুনিয়াই তাদেরকে ফুটবল বানাবে। এর ওর কাছে হাত পাতবে, সাহায্য চাইবে, করুণা ভিক্ষা করবে।

শিক্ষা বলতে কেবল বই, স্কুল এবং সার্টিফিকেট অর্জনকে বলছি না। দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হওয়া দরকার। পৃথিবীর আগামী হবে দক্ষতানির্ভর। জীবন ও জীবিকার জন্য যেকোনো এক অথবা একাধিক বিষয়ে দক্ষ হতেই হবে। ছাত্রজীবনে পড়াশোনা বাদ দিয়ে উৎসব-উল্লাস করে কাটালে পরিণামে দুঃখ বোধ করতেই হবে। উত্তরাধিকারসূত্রে যদি টাটা-বিরলার সন্তান না হও, তবে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করা উচিত।

সম্প্রতি গুলতেকিন খানের একটি লেখার শেষ লাইনে—“জীবনে যত ঝড় আসুক, পড়াশোনা শেষ করতেই হবে”—চোখ আটকে গেছে। হৃদয় কেড়ে নিয়েছে এই বাক্যটি। দিনভর ভাবাচ্ছে।

বিশ্বের কত দেশের তরুণ-তরুণীরা হাজারো প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার জন্য দেশে-বিদেশে ছুটছে। অথচ আমাদের দেশে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ প্রায় দুয়ারে দুয়ারে। রাষ্ট্রীয়ভাবে নাগরিক সেবায় নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক এবং শিক্ষা উপকরণে বিশেষ কোনো অপ্রতুলতা নেই।

দুঃখ শুধু, শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কম। অভিভাবককে লেগে থাকতে হয়, শিক্ষকদের রোজ খোঁজ নিতে হয়—তারপরেও শিক্ষার্থীদের পড়ায় মনোযোগ নেই। আজকালকার শিক্ষার্থীদের দিয়ে রাজ্যের সব কাজ তরানো যায়, কেবল পড়াশোনা বাদে।

শহরের গ্রন্থাগারগুলো পাঠকের অভাবে ধুঁকছে, লাইব্রেরিগুলোতে পাঠক গল্প-উপন্যাস খোঁজে না। শিক্ষার্থীরা শ্রেণি-পাঠ্যের গাইড বই ছাড়া অন্য কোনো ভালো বইয়ের নাম জানে না! সারা বাংলাদেশের প্রায় একই চিত্র। ক্লাসে উপস্থিতি নেই। পরীক্ষার খাতা পড়ে নম্বর দিলে পাশ করানো কঠিন। হোমওয়ার্ক দিলে সে শিক্ষক অপ্রিয় হয়ে ওঠে।

নানা সমীকরণ মিলিয়ে কেউ কেউ প্রাইভেট টিউটরের কাছে যায়। মোটকথা, পেছন থেকে তাগিদ না দিলে সন্তান পড়ছে না। যারা অভিভাবক হিসেবে সচেতন, শুধু তাদের কতিপয় সন্তানেরা ভালো করছে। বাকিদের অবস্থা গতানুগতিক—কেবল সার্টিফিকেট সর্বস্ব পড়াশোনা। এহেন পড়াশোনা জাতিকে হাজার বছর পিছিয়ে দিচ্ছে।

ছেলের মাস্টার্সের সার্টিফিকেট আছে, কাজেই তার দ্বারা কৃষিকাজ হবে না; শ্রমিক ভিসায় বিদেশে যেতে পারবে না। ফলাফলে দেশে লাখ তিরিশেক বেকার।

মেয়ে অনার্স-মাস্টার্স পাশ, তবুও বিয়ে হচ্ছে না। বয়স এবং শিক্ষা মিলিয়ে পাত্র পাওয়া যাচ্ছে না। ফলাফলে অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

আজ যারা নামকাওয়াস্তে পড়াশোনা করছে, তাদের সামনের দুর্দিন তারা অনুধাবন করতে পারছে না। ঠিকমতো পড়াশোনা না করলে সার্টিফিকেট গলার কাঁটা হবে।

কাজেই মধ্যবিত্ত থেকে উত্তরণের জন্য দক্ষতানির্ভর পড়াশোনা করতে হবে। আর কিছু না হোক, শিক্ষার নিজস্ব মূল্য আছে। পরিণামে যদি ধ্বংসও থাকে, তবুও তা যদি শিক্ষিতের পন্থানুসরণে হয়—তাহলে তা সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

বারবার বলি, পড়াশোনায় মনোযোগী হও। রোজ নিজেকে অতিক্রম করো। পড়াশোনা কোনোদিন কাউকে ন্যায্যতা থেকে বঞ্চিত করেনি। পড়াশোনায় ভালো না হলে সারা দুনিয়া তোমাকে লজ্জা দেবে।

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে স্বাক্ষর না হলে রোজ পিছিয়ে পড়বে। নিজেকে আবিষ্কারের জন্য, জাত চেনানোর জন্য বই মানুষকে পথ দেখায়। যারা তোমায় পড়তে বলে, রোজ নতুন কিছু শিখতে বলে—তাদের কথা ও ভাষা এই সময়ে তিক্ত ঠেকতে পারে, কিন্তু ভবিষ্যতে আফসোস করবে।

মাত্র কয়েকটি বছর জ্ঞানসাধনায় ব্যয় করলে সারাজীবন সুখেই যেতো। জ্ঞানের নিজস্ব আলো আছে। সকল সীমাবদ্ধতা থেকে উত্তরণের জন্য জ্ঞান পথ সৃষ্টি করে। যারা জ্ঞানী এবং যারা জ্ঞানী নয়—তারা কোনোভাবেই এক নয়।

অশিক্ষিত মানুষ অর্থ-সম্পত্তির মালিক হলে তা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়। সম্পদ যদি সুপথে ব্যয় করা না যায় তবে তা ধ্বংস অনিবার্য করে।

সেজন্য শিক্ষিতজন সীমিত সম্পদের মালিক হলেও, সেসব সুষম বণ্টনের মাধ্যমে সুখ-প্রশান্তি নিশ্চিত করতে পারে। অশিক্ষিত ধনবান অধিকাংশ ক্ষেত্রে অসুখী।

শিক্ষার্থীরা, পড়ো, পড়ো এবং পড়ো। শিক্ষা অর্জনে ‘মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন’ সূত্রে দশটি বছর বিনিয়োগ করো। বাকি সত্তর বছর সেটার ফল পাবে। উত্তরাধিকারের জন্য রেখে যেতে পারবে সোনালি দিন।

তুমি অন্ধকারে থেকে এই সমাজের কাউকে আলোর সন্ধান দিতে পারবে না। অথচ প্রত্যেকের আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বলে হওয়ার সুযোগ ছিল।

শিক্ষা সেই সুযোগ সবার সামনে এনেছিল। কেউ হাত বাড়িয়ে নিয়েছে, কেউ পিঠ দেখিয়ে অবহেলা করেছে। কে জিতেছে আর কে ঠকেছে—ইতিহাস থেকে শিখো।

আজ যারা সঠিক পথে নেই, চাইলেই কাল পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। শিক্ষা সবসময় দ্বিতীয় সুযোগ দেয়, যদি মনোযোগী হও।

শিক্ষা আলোর পথ, যার পাশে হেঁটে তুমি হতে পারো উজ্জ্বল নক্ষত্র। নিজেকে গড়ার শ্রেষ্ঠ সময় হলো আজ, এখন। বিলম্ব মানেই পিছিয়ে যাওয়া।

পড়ো, শিখো, জ্ঞানী হও—কারণ অন্ধকারে আলোর খোঁজ শুধুই বিভ্রম।
- সংগৃহীত

শিক্ষক নেতা কাওসার আহমেদ
21/05/2025

শিক্ষক নেতা কাওসার আহমেদ

📌 চালাক মানুষ চেনার উপায়। # # **চালাক মানুষ চেনার ৭টি স্পষ্ট উপায় (বিশ্লেষণসহ)****অবশ্যই শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো*...
21/05/2025

📌 চালাক মানুষ চেনার উপায়।

# # **চালাক মানুষ চেনার ৭টি স্পষ্ট উপায় (বিশ্লেষণসহ)**
**অবশ্যই শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো**
---

**১. তারা বেশি কথা না বলে পর্যবেক্ষণ করে**
চালাক মানুষ প্রথমেই নিজেকে প্রমাণ করতে চায় না।
তারা চুপচাপ সবকিছু দেখে, পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এবং যখন সময় আসে, তখনই বলে— তাও সংক্ষেপে।
> _“যে কম বলে, সে বেশি বোঝে। যে বেশি বোঝে, সে কম ভুল করে।”_

---

**২. আবেগে ভাসে না, আবেগ বোঝে**
চালাক মানুষ রাগ, অভিমান বা ভালোবাসায় গা ভাসিয়ে দেয় না।
তারা আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে, অন্যের আবেগ পড়ে বুঝতে পারে কোন কথা কখন বলা উচিত আর কখন নয়।
> _“তারা জানে, আবেগ দিয়ে সম্পর্ক টেকে না— বোঝাপড়া লাগে।”_

---

**৩. তারা কখনও নিজেকে সবার সামনে বড় দেখাতে চায় না**
চালাক মানুষ চুপচাপ নিজেকে তৈরি করে।
তারা নিজের শক্তি গোপন রাখে, কারণ তারা জানে—
**"যারা নিজের শক্তি দেখায়, তারা ভয় পায় হারানোর।"**
আর চালাকরা হারার ভয় পোষে না— জেতার কৌশল খোঁজে।

---

**৪. তারা পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজেকে বদলাতে জানে**
চালাক মানুষ জেদি নয়, নমনীয়।
আজ যদি কঠোর হতে হয়, হয়— আর কাল যদি নরম হতে হয়, সেখানেও পিছু হটে না।
> _“চালাকরা জানে, টিকে থাকার জন্য জয় নয়, বদলই আসল চাবিকাঠি।”_

---

**৫. তারা সকলের বন্ধু হলেও, খুব কমজনকে বিশ্বাস করে**
স্মার্ট মানুষের মুখে হাসি সবার জন্য থাকে,
কিন্তু মন খুলে কথা বলে শুধু গুটিকয়েকের সঙ্গে।
তারা জানে—
**"বিশ্বাস ভুল জায়গায় রাখলে, আঘাত নিশ্চিত।"**

---

**৬. ভুল করলে শেখে, কিন্তু বারবার সেই ভুল করে না**
চালাক মানুষ ব্যর্থতা থেকে পালায় না— বরং সে ব্যর্থতা থেকেই তার শিক্ষা তুলে নেয়।
> _“একবার ভুল করা স্বাভাবিক, কিন্তু একই ভুল বারবার করা বোকার কাজ।”_

---

**৭. তারা কখন কাকে কী বলতে হয়, সেটা খুব ভালো বোঝে**
তারা অপ্রয়োজনে নিজের মনের কথা উজাড় করে না।
কারণ তারা জানে,
**"সব কথা সবাইকে বলার নয়— আর সব কান সত্য শোনার যোগ্য নয়।"**

---

# # # **শেষ কথা:**
চালাক মানে শুধু ডিগ্রি বা বই পড়া নয়।
চালাক সেই, যে মানুষ, সময় ও অনুভূতিকে বুঝে
**নিজেকে সেভাবে গড়ে তোলে— জেতার জন্য নয়, টিকে থাকার জন্য।**

---

**এই লেখাটা যদি ভালো লাগে, পোস্ট করে দাও নিজের টাইমলাইনে।
কারণ আজকের দিনে চালাক না হলে, ভালো থাকাও একটা চ্যালেঞ্জ।**

---**অবশ্যই একটা ভালো বা খারাপ কমেন্ট করবেন, এটা আপনাদের থেকে আমার আবদার ,ধন্যবাদ আমাদের সাথেই থাকব।

13/05/2025

ফরিদপুরের বোয়ালমারীর ময়না এসিবোস ইন্সটিটিউটে শিক্ষার্থী কতৃক প্রধানশিক্ষক লাঞ্চিত

17/04/2025

বোয়ালমারীতে টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষ

বনের রাজা সিংহ রোদ পোহাচ্ছিল।এমন সময় বাঁদর এসে তার লেজ ধরে একটা ঝাঁকি দিল! লাঠি দিয়ে খোঁচাখুঁচিও করল!সিংহ যতটা না অবাক হ...
10/04/2025

বনের রাজা সিংহ রোদ পোহাচ্ছিল।এমন সময় বাঁদর এসে তার লেজ ধরে একটা ঝাঁকি দিল! লাঠি দিয়ে খোঁচাখুঁচিও করল!

সিংহ যতটা না অবাক হলো, তার চেয়ে বিরক্ত হলো বেশি। বাঁদরের ভ্রুক্ষেপ নেই।সে সিংহকে ভেংচি কেটে লাফাতে লাফাতে চলে গেল।

শিয়াল পাশ থেকে পুরো ঘটনা লক্ষ্য করে সিংহকে উদ্দেশ্য করে বলল, “বনের রাজার সাথে এত্ত বড় বেয়াদবি! আর আপনি কিনা তাকে কিছুই বললেন না!”

সিংহ মৃদু হেসে বলল, বলার সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি! একটু অপেক্ষা করো, সবকিছু দেখতে পাবে।”

কয়েকদিন পর হঠাৎ করেই বাঁদর সিংহের সামনে পড়ল এবং সিংহ তাকে সেখানেই এক থাপ্পড়ে শেষ করে দিল।

শিয়াল অবাক হয়ে সিংহকে জিজ্ঞাসা করল, “সেদিন বাঁদর অত অন্যায় করল, আপনি তাকে কিছুই বললেন না। অথচ আজকে সে তেমন কিছু করেনি, কিন্তু আপনি তাকে মেরে ফেললেন!"

জবাবে সিংহ বলল, “দিস ইজ পলিটিক্স! সেদিনের পর বাঁদর ভালুককে পিছন থেকে লাথি মেরেছে! হাতির শুঁড় ধরে দুলেছে! গন্ডারের পিঠে চড়ে নেচেছে! হায়নাকে কাতুকুতু দিয়েছে! বাঘকে খোঁচা মেরেছে! আর সবাইকেই বলছে, রাজাকেই আমি মানি না! সেখানে তুমি কে?”

“সেদিন ওরে মারলে সবাই বলত, আমি বনের রাজা হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করছি।"

"আজকে একটু পর দেখবে সবাই এসে বলবে, থ্যাংক ইউ, রাজা সাহেব!”

"বুঝলে তো! মাঝে মাঝে লাই দিয়ে মাথায় তুলতে হয়। যাতে শক্ত করে আছাড় দিলে কেউ কিছু মনে না করে এবং আপদ শেষ হয়ে যায় একেবারে!"

02/04/2025
07/12/2023

Address

Boalmari

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when 71bangla24.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to 71bangla24.com:

Share

Category