05/06/2026
আস্সালমুয়ালইকুম…এত বড় বিপদের সম্মুখীন আমি হব আশা করি নি..
২ তারিখ এ আমি একটা পার্সেল পাঠাই ঢাকার উদ্দেশ্যে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস এ..এত জঘন্য সার্ভিস..আমি এখনও পর্যন্ত পার্সেল হাতে পাইনি..আমাকে বলা হয়েছিল ৩ ও ৪ তারিখের মধ্যে পেয়ে যাবেন.. ৪ তারিখ এ আমি মিরপুর ১০ এ মেইন অফিস এ যাই গিয়ে আমি পার্সেল পাই না..দেখাচ্ছিল ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে..দেন আমি আবার বগুড়া স্টেশন রোড অফিস এ ফোন করি জানানো হয়..আমাকে বলা হয় সন্ধ্যার মধ্যে পেয়ে যাবেন..সন্ধ্যার পেরিয়ে রাত পর্যন্ত ওয়েট করলাম তারপরও পাই নি..আজকে ৫ তারিখ সকাল থেকে ফোন দিচ্ছি লাস্ট এ ৭৭ নাম্বার এ ফোন অফ..দেন আরেকটা নাম্বার এ কল দে উনি বলেন আরেকটা নাম্বার এ কল দিতে সেই নাম্বার এ কল দিলে বলে আরেক নাম্বার এ কল দিতে যিনি সব কিছুর দায়িত্বে আছেন..তাঁকে ফোন দিয়ে জানানোর পর আমাকে বলা হয় ম্যাম পার্সেলটা আপনি লেট এ পাবেন আপনাকে বলা হয়নি..দেন আমি বললাম না আমাকে জানানো হয়নি..দেন বলল আমাদের অনেক পার্সেল হয়ে গেছে এই জন্য এই অবস্থা হয়েছে..সরি ম্যাম কালকেই পার্সেল পেয়ে যাবেন..
আমার কথা হচ্ছিলো যে জিনিসটা আমি তাড়াতাড়ি দিতে পারবনা সেই জিনিসটা আমি নিব কেন আর বলব কেন যে কাল পরশু পেয়ে যাবেন.. আমি ঢাকাতে শিফট হইছি তাহলে আপনারা বুঝেন আমি কোন পরিস্থিতির মধ্যে আছি..জাস্ট মেঝেতে একটা চাদর পেরে আছি..তোষক,বালিশ,পাতিল প্রয়োজনীয় সব কিছু আমার আমার ওই বস্তার মধ্যে আটকে আছে..একদিকে আমার ঠান্ডা লেগেছে আমার একটুতেই ঠান্ডা লাগে তার মধ্যে এই পরিস্থিতি..আমি বলবো দয়া করে কেউ সুন্দরবন কুরিয়ার এ কোনও পার্সেল পাঠাবেন না এদের কোনও রেসপন্সিবিলিটি নেই..অনেক বাজে একটা পরিস্থিতির মধ্যে পরে যাবেন..এদের সার্ভিস একদম এ ভালো না..
এমনকি আমি মীরপুর ১০ হেডঅফিস গিয়ে জানতে পারি আরেকজনের পার্সেল ১ তারিখ এ পাঠাইছে সেও পাই নি.সে দুই বস্তা পেঁয়াজ,এক বস্তা রসুন পাঠাইছে তাহলে এই গরম এ ওগুলার কি অবস্থা হইছে একবার ভেবে দেখেন..