Kahaloo

Kahaloo Kahaloo is my town.Where I was born.I love my town and feel from my heart.

লোগোর বিবরণঃ-
সবুজের সমারহে আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ। রক্তে রঞ্জিত স্বাধীনতা। এই দুইয়ে সমন্বয়ে সবুজ ভূমির উপর লাল রং দিয়ে লিখা ‘কাহালু’। সাদা রং ইংরেজিতে লেখার উদ্দেশ্য কাহালুর অধিবাসিরা সাদা মনের মানুষ।মাঝের সমন্বিত হতের উদ্দেশ্য- সমন্বিত হতের মিলিত বন্ধনের মাধ্যমে আমরা কাহালুর প্রতিটি মানুষের সাফল্যের সূর্য ছিনিয়ে আনবো। যত বাধাই আসুক আমাদের মিল বন্ধনের মাধ্যমে সূর্যের আলোর মতো আমাদের সাফল্

যে আলো চারেদিকে ছড়াবেই। মাঝে স্বর্ণের ও দুই পাশে সাদা-কালো রং এর তারকা চিহ্ন- প্রতিটি এলাকায় ভালো-মন্দ মানুষ আছে। আমাদের এখানেও থাকতে পারে। তবে এই ভালো-মন্দ মানুষকে দিয়েই আমরা খাটি স্বর্ণের মতো খাটি হবো। সাদা-কালো মানুষগুলোও একসময় নিজেদের ভূল বুঝতে পারবে। এবং খাটি স্বর্ণে পরিনত হবে।
- মো.সাইফুর রহমান,কাহালু,বগুড়া।

বগুড়া কেন সেরা★ বগুড়ায় অনুর্ধ ১৯ বিশ্বকাপের ম্যাচ হয়।★ বগুড়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ হয়।★ বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের ৫ ...
09/06/2026

বগুড়া কেন সেরা

★ বগুড়ায় অনুর্ধ ১৯ বিশ্বকাপের ম্যাচ হয়।
★ বগুড়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ হয়।
★ বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের ৫ তারকা হোটেল আছে।
★ বগুড়া কোটিপতিদের শহর। অন্যতম অর্থনৈতিক ও ধনী জেলা।
★ বগুড়ায় হবে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর।
★ উত্তরবঙ্গের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের হোটেল নাজ গার্ডেন বগুড়ায়।
★ ব্যবয়াসিক হাব বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের রাজধানী বগুড়া।
★ সার্ক এর সাংস্কৃতিক রাজধানী বগুড়া।
★ প্রচীন বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী বগুড়া।
★ রাজশাহী কে ছাপিয়ে শিক্ষা নগরী এখন বগুড়া।
★ বিদেশে পণ্য রপ্তানিতে এগিয়ে বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে জনবহুল জেলা বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে উচু ভবন বগুড়ায়।
★ উত্তর বঙ্গ/ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি হাসপাতাল tmss medical বগুড়ায়।
★ বগুড়া উত্তর বঙ্গ ও বাংলাদেশ কে Represent করে তার আন্তর্জাতিক মানে অবকাঠামো ও পরিচিতির মাধ্যমে।
★ বগুড়ায় ২ টি ক্যান্টনমেন্ট আছে। যা অন্য জেলায় নেই।
★ বিভাগীয় জেলা না হয়েও বগুড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও ভারতীয় এম্বাসির শাখা রয়েছে।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যাংক ও তার শাখা আছে বগুড়ায়
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কলকারখানা আছে বগুড়ায়।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ রিজার্ভ আছে বগুড়ার ব্যাংকগুলো তে।
★ উত্তর বঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সোনা হিরা কেনা বেচা হয় বগুড়া তে।
★ রাজশাহী বিভাগে একমাত্র RDA আছে বগুড়া তে।
★উত্তর বঙ্গে মধ্যে বগুড়া সবচেয়ে ব্যয়বহুল জেলা
★উত্তরবঙ্গে ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (VTTI) রয়েছে একটি তা বগুড়ায়।
★ উত্তর বঙ্গে সবচেয়ে বেশি BCS ক্যাডার বগুড়া থেকেই হয়।
★ উত্তরবঙ্গে বগুড়ার মানুষ আয় বেশি এবং ব্যায় ও করে বেশি।
★ উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় NGO বগুড়ার Tmss
★ বেসরকারি চিকিৎসা সেবায় উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে উন্নত জেলা বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি tax আসে বগুড়া থেকে।
★ হালকা প্রকৌশল শীল্পে উত্তরবঙ্গের রাজধানী বগুড়া।
★ কৃষি পণ্য ও হালকা যন্ত্রপাতি বিদেশে রপ্তানি তে উত্তরবঙ্গের শীর্ষ জেলা বগুড়া।
★ দেশির প্রযুক্তিতে বাস ট্রাক পাওয়ারটিলার ভটভটি নির্মাণে উত্তরবঙ্গের শীর্ষ জেলা বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবজি বিদেশে রপ্তানি তে বগুড়া শীর্ষে
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘনবসতি পূর্ণ শহর বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করে বগুড়ার মানুষ।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিদেশি কোম্পানি বগুড়ায় আছে।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কোম্পানির অফিস বগুড়ায় আছে।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে কম খরচে হেলিকপ্টার সেবায় এগিয়ে বগুড়া
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সদর উপজেলা শিক্ষায় বগুড়া এগিয়ে।
★ উত্তর বঙ্গের একমাত্র কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নেকটার বগুড়ায় অবস্থিত।
★ উত্তরবঙ্গে একমাত্র বগুড়া তেই কেবল কার সার্ভিস MoMoInn এ আছে।
★ উত্তরবঙ্গে একমাত্র BAF শাহীন কলেজ বগুড়ায় আছে।
★ উত্তরবঙ্গের একমাত্র মেরিন একাডেমি বগুড়ার Tmss এ অবস্থিত।
★ উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্রান্ডের শো রুম আছে বগুড়ায়
★ উত্তর বঙ্গের সবচেয়ে ব্যস্ততম শহর বগুড়া।

20/12/2025
এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কী? এতে যেসব সুবিধা থাকেহঠাৎ করেই কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেন। দেশের ভেতরে সে রোগের যথাযথ চিকিৎসা ...
15/12/2025

এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কী? এতে যেসব সুবিধা থাকে

হঠাৎ করেই কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেন। দেশের ভেতরে সে রোগের যথাযথ চিকিৎসা সম্ভব নয়। প্রতিটি মিনিট তখন অমূল্য, কারণ সময়ই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ। এমন সংকটময় মুহূর্তে যখন স্থলপথে বা সাধারণ বিমানে রোগী পরিবহন অসম্ভব বা ঝুঁকিপূর্ণ, ঠিক তখনই রানওয়েতে অবতরণ করে একটি বিশেষায়িত বিমান। বিমানের ভেতরে রয়েছে পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ ব্যবস্থা, আধুনিক ভেন্টিলেটর, জীবনরক্ষাকারী মনিটর এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্সদের একটি দল। এটি কোনো সাধারণ যাত্রীবাহী বিমান নয়—এটি একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, যার একমাত্র লক্ষ্য হলো জীবন রক্ষা করা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গুরুতর ও জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের এক দেশ থেকে অন্য দেশে দ্রুত ও নিরাপদে স্থানান্তরের জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে এ বিশেষ পরিষেবাটি সম্পর্কে এখনও অনেক মানুষের পরিষ্কার ধারণা নেই। বিশেষ করে আকাশপথে যাতায়াতের সময় রোগীর চিকিৎসা কীভাবে চালু রাখা হয়, সে বিষয়টি অনেকের কাছেই অজানা। তাই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আসলে কী, এর ভেতরে কী ধরনের চিকিৎসা সুবিধা থাকে এবং এটি কীভাবে কাজ করে—সেসব বিষয় জানা জরুরি।

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ধারণাটি নতুন নয়। বিশ শতকের শুরুতে সামরিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে এটি ছিল এক যুগান্তকারী উদ্ভাবন। যদিও বর্তমান সময়ে বিষয়টি আমাদের কাছে স্বাভাবিক মনে হয়, তখন আকাশপথে রোগী পরিবহনের ধারণা ছিল অত্যন্ত কঠিন, ঝুঁকিপূর্ণ এবং ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। সামরিক বাহিনী, সরকারি কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক সমাজ এমনকি সাধারণ মানুষও একে অনেকাংশে অবাস্তব ও বিপজ্জনক বলে মনে করত।

এ ধারণাকে বাস্তবে রূপ দেয়ার পেছনে অনেকেই কাজ করেছেন। তবে যার অবদান সবচেয়ে গভীর ও প্রভাবশালী, তিনি হলেন ফ্রান্সের মারি মারভাঁ। তিনি ছিলেন একাধারে একজন অসাধারণ ক্রীড়াবিদ, ফ্রি বেলুন পাইলট, প্রশিক্ষিত সার্জিক্যাল নার্স এবং বিশ্বের তৃতীয় নারী ফিক্সড-উইং বিমানচালক। নিজের বহুমাত্রিক দক্ষতা ও দূরদর্শী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে তিনি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ধারণাকে বাস্তব ভিত্তি দেন।

মারি মারভাঁ আকাশপথে রোগী সরিয়ে নেয়ার বিষয়টি নিয়ে ছিলেন সময়ের তুলনায় অনেক এগিয়ে থাকা একজন চিন্তাবিদ। ১৯১২ সালেই তিনি কেমন ধরনের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করা যেতে পারে এবং এর ভেতরে কী কী চিকিৎসা সুবিধা থাকা প্রয়োজন—সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেন। সে সময়ে এ ধারণা ছিল প্রায় কল্পবিজ্ঞানের মতো। পরবর্তী জীবনে তিনি এ ভাবনাকে সামরিক ও বেসামরিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় স্বীকৃতি দেয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। জীবদ্দশাতেই তিনি দেখতে পান, তার কল্পনা বাস্তবে রূপ নিয়ে বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ইতিহাসে তার নাম আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

বর্তমানে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হলো হেলিকপ্টার এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, অন্যটি হলো ফিক্সড-উইং এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বা মেডিক্যাল জেট। রোগীর শারীরিক অবস্থা, যাতায়াতের দূরত্ব এবং ভৌগোলিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ দুই ধরনের সেবা ব্যবহার করা হয়।

হেলিকপ্টার এয়ার অ্যাম্বুলেন্স অত্যন্ত দ্রুত সাড়া দিতে সক্ষম এবং জরুরি মুহূর্তে তাৎক্ষণিক উদ্ধারকাজে এর জুড়ি নেই। পাহাড়ি অঞ্চল, দুর্গম এলাকা বা যেখানে সাধারণ বিমানের অবতরণ সম্ভব নয়, সেখানে হেলিকপ্টার সহজেই পৌঁছাতে পারে। হাসপাতালের হেলিপ্যাড কিংবা প্রয়োজনে দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছিও এটি নামতে পারে। তবে এর গতি ও দীর্ঘপথ অতিক্রমের সক্ষমতা তুলনামূলকভাবে সীমিত।

অন্যদিকে ফিক্সড-উইং এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সাধারণত বিশেষভাবে প্রস্তুত মেডিক্যাল জেট বিমান। এসব বিমান দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রমে সক্ষম এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশে রোগী স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর। উচ্চ গতি ও দীর্ঘ পাল্লার কারণে আন্তর্জাতিক চিকিৎসা পরিবহনে এ ধরনের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বেশি ব্যবহৃত হয়। তবে এগুলোর জন্য রানওয়ে প্রয়োজন হওয়ায় দুর্গম স্থানে সরাসরি পৌঁছানো সম্ভব হয় না।

হেলিকপ্টার হোক কিংবা ফিক্সড-উইং বিমান—উভয় ধরনের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সেই থাকে উন্নতমানের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষিত মেডিক্যাল টিম। এসব বিমানের ভেতরে রোগীকে আইসিইউ-এর সমমানের চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা থাকে, যাতে পুরো যাত্রাপথজুড়ে রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল রাখা যায়।

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সকে প্রায়ই “উড়ন্ত আইসিইউ” বলা হয়। কারণ এটি কেবল রোগী পরিবহনের মাধ্যম নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ইউনিট। রোগীর অবস্থার ওপর ভিত্তি করে যন্ত্রপাতি নির্বাচন করা হলেও সাধারণভাবে এখানে থাকে বিশেষ স্ট্রেচার ও ভ্যাকুয়াম ম্যাট্রেস, যা উড্ডয়নের সময় ঝাঁকুনি ও চাপ থেকে রোগীকে সুরক্ষা দেয়।

এছাড়া বিমানে থাকে বিপুল পরিমাণ মেডিক্যাল অক্সিজেন—প্রায় ছয় হাজার লিটার পর্যন্ত। দীর্ঘ ফ্লাইটের জন্য অতিরিক্ত অক্সিজেন সিলিন্ডার যুক্ত করা হয়, যাতে কোনো জরুরি অবস্থায় অক্সিজেনের অভাব না হয়। মাল্টিপ্যারামিটার মনিটরের মাধ্যমে সারাক্ষণ রোগীর হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ ও শ্বাসপ্রশ্বাস পর্যবেক্ষণ করা হয়।

শ্বাসকষ্ট বা জটিল শ্বাসপ্রশ্বাস সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য থাকে উন্নত ভেন্টিলেটর। হৃদরোগীদের জন্য রাখা হয় ১২-চ্যানেল ইসিজি সিস্টেম। পাশাপাশি পালস অক্সিমিটার, ব্লাড গ্যাস অ্যানালাইজার, ডিফিব্রিলেটর ও এক্সটারনাল পেসমেকারের মতো জীবনরক্ষাকারী যন্ত্রও মজুত থাকে। আকাশে থাকলেও পৃথিবীর যেকোনো হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয় স্যাটেলাইট ফোন।

এসবের পাশাপাশি জরুরি ওষুধ, বিশেষ স্ট্রেচার বেড এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স ও প্যারামেডিকদের একটি দল সার্বক্ষণিকভাবে রোগীর পরিচর্যায় নিয়োজিত থাকে। পুরো যাত্রাপথেই রোগীর অবস্থা মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালু রাখা হয়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, গুরুতর অসুস্থ রোগীদের অনেক সময় ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর কিংবা ইউরোপের উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে। তবে দেশে এ পরিষেবা এখনও সীমিত এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিদেশি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কোম্পানির ওপর নির্ভর করতে হয়, যার জন্য সরকারি অনুমোদন ও মেডিক্যাল বোর্ডের সুপারিশ প্রয়োজন হয়।

সবশেষে বলা যায়, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কেবল একটি বিমান নয়। এটি হলো প্রযুক্তি, আধুনিক চিকিৎসা এবং মানবিক দায়িত্বের এক অনন্য সমন্বয়—যা সময়ের সঙ্গে লড়াই করে মানুষের জীবন বাঁচাতে কাজ করে। ভবিষ্যতে যদি বাংলাদেশে নিজস্ব ও বিস্তৃত এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাহলে জরুরি চিকিৎসা সেবায় দেশ এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করবে।

মেয়েটির স্তনের একটি অংশ কাটা ছিল, লালচে দগদগে জমানো রক্তে সারা শরীর ভেজা। মাটির ঢিবির পাদদেশে মেয়েটির চোখ বাঁধা ক্ষত-বিক...
15/12/2025

মেয়েটির স্তনের একটি অংশ কাটা ছিল, লালচে দগদগে জমানো রক্তে সারা শরীর ভেজা। মাটির ঢিবির পাদদেশে মেয়েটির চোখ বাঁধা ক্ষত-বিক্ষত লাশ পড়ে ছিল। মেয়েটির মুখ ও নাকের কোন আকৃতি নেই, নরপিশাচেরা অস্ত্র দিয়ে তা কেটে খামচিয়ে তুলে নিয়েছিল ।
মেয়েটি কে জানেন --- সাংবাদিক সেলিনা পারভীন
১৯৭১ সন। ১৩ ডিসেম্বর, সকালে কুলাংগার হায়েনারা তুলে নিয়ে গেয়েছিল সাংবাদিক সেলিনা পারভীনকে। শীতের সকালে ছেলে ছোট্ট সুমন জাহিদকে গোসল করাবার জন্য শরীরে তেল মাখিয়ে দিচ্ছিলেন তিনি। চুলায় রান্না চড়ানো ছিল, দরজায় হাজির হলো ওরা। শাড়িটাও বদলাতে দেয়নি পিশাচের দল।
ঐ মুহুর্তে ঐ অবস্থাতেই যাবার আগে ছেলে সুমনের মাথায় হাত বুলিয়ে মা শুধু এতোটুকু বলেছিলেন, সুমন তুমি মামার সাথে খেয়ে নিও। আমি যাব আর চলে আসব।’
সুমনের কাছে দেয়া কথা মা আর রাখতে পারেনি, আর ফিরে আসেনি ছোট্ট সুমনের কাছে।
আজ ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস 🙂
বিনন্র শ্রদ্ধা হে মহীয়সী নারী, গভীর ভালবাসা আপনার পরিবারকে, আপনার ছোট্ট সেই সুমনকে, আপনারাই রক্তিম বাংলাদেশ, আপনাদের ত্যাগেই আমাদের গর্বিত জন্মভূমি
🇧🇩— feeling sad in Bangladesh.

26/11/2025

কিছু সিংহ মিলে একটি গাধাকে বন্দী করলো। সেই সিংহের মধ্যে একটি সিংহ বলল, একে মেরো না। আমার কাছে একে নিয়ে একটি বড় পরিকল্পনা আছে।
সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাধাটিকে সিংহ তাদের নিজেদের সাথে রাখল এবং খুব আদর যত্ন করে গাধাটির বিশ্বাস জিতে নিল। তারপর একদিন একে গাধার সমাজে ছেড়ে দিল কিন্তু এবার গাধাটি আর গাধার মত নয় বরং সিংহের মত রাজা হয়ে উঠলো গাধার সমাজে।
যেহেতু এই গাধার সাথে সিংহের বন্ধুত্ব ছিল তাই অন্য গাধারা একে ভয় পেতে লাগলো। এরা ওর বিরুদ্ধে কোন কথা বলতে ভয় পেত।
সিংহ যখন গাধাটির সাথে দেখা করতে আসতো, তখন গাধাটি রাজার মত তার পিছনে একটি গাধার দল নিয়ে সিংহের সাথে দেখা করতে আসতো। আর সিংহের যাওয়ার সময় তাকে গাধা উপহার দিত খাওয়ার জন্য।
এই গাধা সিংহের মতো ক্ষমতাবান হয়ে গেল কিন্তু সে সিংহের কাছে সেই গাধাই রয়ে গেল। গাধারাজা গাধা সমাজে রাজা হয়ে গিয়েছিল ঠিকই কিন্তু সে এমন একটি শক্তির সাথে আটকে গিয়েছিল, যেখান থেকে সে পালাতে পারছিল না।
যার কারণে সে হাজার হাজার নিরপরাধ গাধাকে কোরবানি দিয়েছিল শুধু এই ভেবে যে, এতে করে সে আরো বেশি শক্তিশালী হবে এবং সে তার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে পারবে। কিন্তু এমন একদিন এলো যেদিন সব গাধারা একজোট হয়ে সেই গাধার অন্যায়ের বিরোধিতা করলো এবং সিদ্ধান্ত নিল এরপর যখনই সিংহ আসবে তখন তাদের মধ্যে কেউ গাধারাজার সাথে সেখানে যাবে না। তা এর পরিণাম যতই খারাপই হোক না কেন।
পরের দিন যখন সিংহ এলো, তখন সেই গাধারাজা একাই তার সাথে দেখা করতে গেল। তার পিছনে কোন গাধার পাল ছিল না। তখন গাধারাজা সিংহকে অনুরোধ করে বলল যে, তার ভয় এখন গাধাসমাজ থেকে শেষ হয়ে গেছে। তাকে এখন আর কেউ ভয় পায় না, তার কথাও কেউ শোনে না।
এই কথা শুনে সিংহরা সিদ্ধান্ত নিল, এই গাধা তো এখন আর কোন কাজে আসবে না। তাই তারা ওই গাধাটিকে সাথে নিয়ে গেল তাদের খাওয়ার জন্য। এইভাবে শেষ পর্যন্ত সেই গাধাটিরও শিকার হয়ে গেল।।
ঠিক এইরকমই প্রত্যেকটা সমাজে এমন গাধা অবশ্যই থাকে যে নিজের লোভের কারণে, নিজের শক্তি বাড়ানোর জন্য, নিজের ক্ষমতার জন্য, নিজের সমাজকেই বিপদে ফেলে দেয়।

13/11/2025

ব্রিটিশ শাসনের সময় এক ব্রিটিশ অফিসার এক ভারতীয় যুবকের মুখে থাপ্পড় দেন। সাথে সাথে যুবকটিও তাঁর সমস্ত শক্তি দিয়ে বৃটিশ অফিসারকে এতো জোরে থাপ্পড় মারে অফিসার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

এই অপমানে হতবাক হয়ে যাওয়া অফিসার ভাবলেন সামান্য এক ভারতীয় যুবক কীভাবে এমন এক সাম্রাজ্যের সেনা অফিসারকে থাপ্পড় মারল যে সাম্রাজ্যের সূর্য কখনো অস্ত যায় না।

তিনি দ্রুত তার পোস্টে গিয়ে ওই ভারতীয়কে কঠোর শাস্তি দেওয়ার জন্য দাবী করলেন।
কিন্তু উচ্চপদস্থ কমান্ডার তাকে শান্ত করে বললেন ভারতীয় লোকটিকে শাস্তি না দিয়ে বরং তাকে পুরষ্কৃত করতে। আর পুরষ্কার হিসাবে তাকে দশ হাজার রুপি উপহার দিতে।

অফিসার ঘৃণায় চিৎকার করে বললেন এটা শুধু আমার, আপনার অপমান না। বরং এটা বৃটিশ মহারাণীরও অপমান। আর আপনি বলছেন তাকে শাস্তি না দিয়ে আরো পুরষ্কৃত করতে।

কমাণ্ডার এবার বললেন- এটা একটি সামরিক আদেশ আর তুমি দেরি না করে এ আদেশ পালন করবে।
জুনিয়র অফিসার তার কমান্ডারের আদেশ মেনে দশ হাজার রুপি সাথে নিয়ে ওই ভারতীয়ের কাছে গিয়ে বললেন- অনুগ্রহ করে আমাকে ক্ষমা করে দিন। আর এই দশ হাজার রুপি উপহার হিসাবে গ্রহণ করুন।

ভারতীয় যুবক উপহার গ্রহণ করলেন এবং ভুলে গেলেন যে তাকে তার দেশের মাটিতে এক ঔপনিবেশ সেনা অফিসার দ্বারা থাপ্পড় মারা হয়েছে।

সেই সময়ে দশ হাজার রুপি অনেক বড় অর্থ। তিনি এই অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে কয়েক বছরের মধ্যে জীবনের মান উন্নত করে বেশ বিত্তশালী হয়ে ওঠলেন। আগে ছিলেন একজন সাধারণ যুবক। এখন সমাজে বেশ প্রতিষ্ঠিত।


অনেক বছর পর সেই ইংরেজ কমান্ডার তার জুনিয়র অফিসারকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললেন- তুমি কি সেই ভারতীয়কে মনে রেখেছো- যে তোমাকে থাপ্পড় মেরেছিলো?

অফিসার বলল: সেই অপমান আমি ভুলি কেমন করে?

কমান্ডার বললেন: এখন সময় এসেছে।তুমি তাকে খুঁজে বের করো এবং জনসম্মুখে তাকে জোরে থাপ্পড় মেরে এসো।
অফিসার বলল: সেটা কিভাবে সম্ভব। যে গরীব থাকা অবস্থায় আঘাতের পাল্টা জবাব দিয়েছিলো। আর এখন সে বেশ বিত্তবান। সেতো আমাকে মেরেই ফেলবে।

কমান্ডার বললেন: আমি যা বলছি তাই করো। এটাও তোমার উপর আদেশ।
জুনিয়র অফিসারকে আদেশ মানতে হয়। তিনি সেই ভারতীর কাছে গেলেন এবং খুর জোরে তাকে থাপ্পড় মারলেন।
কিন্তু এবার ঘটলো সম্পূর্ণ উল্টো ঘটনা।

ভারতীয় যুবক এবার কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা গেল না। এমনকি সাহস করে অফিসারের দিকে তাকাতে পর্যন্ত পারলো না।

অফিসার হতবাক হয়ে ফিরে এসে তার কমান্ডারের কাছে গেলেন।
কমান্ডার বললেন: আমি তোমার মুখে বিস্ময়ের ছাপ দেখছি। তুমি এতো বিস্মিত কেন?

অফিসার বলল: যখন সে দরিদ্র ছিলো। তখন সে পাল্টা আঘাত করেছিলো। কিন্তু আজ যখন তার বিত্ত রয়েছে তখন সে চোখ তুলে তাকাতে পর্যন্ত পারলো না। এটা কেমন করে সম্ভব।

ইংরেজ কমান্ডার ধীরভাবে বললেন: প্রথমবার তার কাছে তার সম্মান ছাড়া আর কিছু ছিল না। সে সেটাকেই সবচেয়ে মূল্যবান মনে করেছিল এবং তা রক্ষার করার জন্য সে মৃত্যু ঝুকি নিয়েও লড়েছিলো। আর এখন সে আর সেটা রক্ষার চেষ্টা করে নি। কারণ তার কাছে এখন তার সম্মানের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে বিত্ত। যেদিন সে দশ হাজার রুপি উপহার হিসাবে গ্রহণ করেছে সেদিনই সে তার মর্যাদা, আত্ম সম্মানবোধ রুপির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।

আর বিত্তের কাছে মানুষের আত্ম সম্মানবোধ যখন বিক্রি হয়ে যায় তখন যে কোন মানুষের মেরুদণ্ডও বাঁকা হয়ে যায়।

আসুন আত্মসম্মানবোধ বজায় রাখি। পদ , উপহার কিংবা কোনো কিছুর লোভে নিজেকে বিক্রি না করে নিজের মেরুদণ্ড শক্ত রাখি।

- Arif Mahmud

অনেকেই ভাবছেন BDS জরিপ যখন আসবে তখন কাগজপত্র ঠিক করবো। আরে ভাই আপনি তখন সময় পাবেন না, কারণ তারা আপনার জন্য বসে থাকবে না।...
28/10/2025

অনেকেই ভাবছেন BDS জরিপ যখন আসবে তখন কাগজপত্র ঠিক করবো। আরে ভাই আপনি তখন সময় পাবেন না, কারণ তারা আপনার জন্য বসে থাকবে না। তাই সময় থাকতে সম্মানীত ভূমি মালিকগণের ৮টি করণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা রয়েছে তা পালন করুণ। না হলে জমি হারাবেন।
🔴 ১️⃣ সীমানা চিহ্নিতকরণ :
✅ নকশা প্রস্তুত কালে মাঠে উপস্থিত থাকবেন।
✅ নিজের জমির সীমানা বাঁশ বা পিলার দিয়ে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করবেন।
🔴 ২️⃣ নকশা যাচাই :
✅ নকশা প্রস্তুত হওয়ার পর জরিপ দল মাঠে যাবে, আপনি অবশ্যই উপস্থিত থাকবেন।
✅ আপনার জমির নকশা সঠিকভাবে মিলিয়ে দেখবেন।
🔴⃣ রেকর্ড যাচাই ও তথ্য প্রদান:
✅ ভোটার আইডি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ মাঠে উপস্থিত থাকবেন।
✅ নিজের নাম, ঠিকানা, অংশ, যোগফল ইত্যাদি তথ্য সঠিকভাবে রেকর্ড করাবেন।
Razibul©️ Islam
🔴 ৪️⃣ পর্চা গ্রহণ ও সংশোধন :
✅ প্রতিটি খতিয়ানের একটি পর্চা পাবেন — ভালোভাবে যাচাই করবেন।
✅ বানান, অংশ বা ঠিকানায় ভুল থাকলে সাথে সাথেই তসদিক কর্মকর্তার মাধ্যমে সংশোধন করাবেন।
🔵 ৫️⃣ খসড়া প্রকাশনা ও আপত্তি দায়ের (Red):
✅ তসদিকের পর ৩০ দিন পর্যন্ত খসড়া প্রকাশনা চলবে।
✅ কোনো ভুল বা আপত্তি থাকলে নির্ধারিত ফরমে কোর্ট ফি সহকারে ৩০ দিনের মধ্যেই আপত্তি (৩০ বিধি) দায়ের করবেন।
❌ ৩০ দিন পার হলে (তামাদী হলে) আর আপত্তি দায়েরের সুযোগ থাকবে না।
🔵 ৬️⃣ আপীলের সুযোগ (Green & Red):
✅ আপত্তি (৩০ বিধি) কেসের রায়ে অসন্তুষ্ট হলে ৩০ দিনের মধ্যে আপীল (৩১ বিধি) কেস দায়ের করতে পারবেন।
❌ সময় পার হয়ে গেলে বিশেষ আপীল করার সুযোগ থাকবে না।
🔵 ৭️⃣ ট্রাইব্যুনাল বা দেওয়ানী আদালত (Red):
❌ আপত্তি (৩০ বিধি) কেস না থাকলে আপীল (৩১ বিধি) কেস দায়ের করা যাবে না।
✅ একমাত্র ট্রাইব্যুনাল বা দেওয়ানী আদালতে কেস দায়ের করতে হবে।
🔵 ৮️⃣ জরিপ দলের সাথে যোগাযোগ রাখুন (Green):
✅ সব সময় জরিপ দলের সাথে যোগাযোগ রাখবেন।
✅ এতে আপনার জমির তথ্য সঠিক ও নিরাপদ থাকবে।
✨ ✅ সচেতন ভূমি মালিকই নিরাপদ ভূমির নিশ্চয়তা।
🇧🇩 🟢 নিজের জমি নিজেই দেখুন — জরিপে অংশগ্রহণ করুন! 🌱
#বিডিএস

অস্থির এক জেনারেশনের সাথে আছি আমরা। বিলিভ ইট অর নট, এই জেনারেশনের নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য নেই, আদর্শিক কোনো এমবিশান নেই, প...
28/10/2025

অস্থির এক জেনারেশনের সাথে আছি আমরা। বিলিভ ইট অর নট, এই জেনারেশনের নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য নেই, আদর্শিক কোনো এমবিশান নেই, পবিত্র কোনো মিশন নেই।

এরা রোদে হাঁটতে পছন্দ করে না, বৃষ্টিতে ভিজতে চায় না। কাঁদামাটি, ঘাস, লতাপাতায় এদের এলার্জি। এরা আধা কিলোমিটার গন্তব্যে যেতে আধা ঘন্টা রিক্সার জন্য অপেক্ষা করে। এরা অস্থির, প্রচণ্ড রকম অস্থির এক জেনারেশন।

এরা গান শোনে না, সিনেমা দেখে না, খেলাধুলাতেও এদের অনীহা। এরা এক্সারসাইজ করে না, সকালে ব্রেকফাস্টও করে না।

এরা সিনিয়রদের সম্মান করে না — না দেখার ভান করে পাশ কাটিয়ে হেঁটে চলে যায়, গায়ে ধাক্কা দিয়ে বা পায়ে পাড়া দিয়ে দাঁত কেলিয়ে হাসে। সরি বলার টেণ্ডেন্সিও এদের মধ্যে নেই। গুরুজনদের সাথে অনর্থক তর্ক জুড়ে দিতে এদের জুড়ি মেলা ভার।

এদের মাঝে না পাবেন বিনয়ী ভঙ্গি, না পাবেন কৃতজ্ঞতাবোধ। এদের উদ্ধত আচরণ, ড্যাম কেয়ার অ্যাটিটিউডে আপনি পদে পদে বিব্রত হবেন। সংযত হওয়ার উপদেশ দিতে চাইলেই বিপদ, অপর পক্ষের নাজেহাল হওয়ার সম্ভাবনা একশোতে একশো।

আপনি পাবলিক বাসে চড়ছেন, দেখবেন খালি সিটটায় জায়গা পেতে সবচেয়ে জুনিয়র ছেলেটাই বেশি প্রতিযোগিতা করছে। আপনাকে ধাক্কাটাক্কা দিয়ে সটান বসে পড়বে। তার বয়সের দ্বিগুণ হয়েও দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া আপনার তেমন কিছু করার থাকে না।

বলছিলাম বর্তমান জেনারেশনের কথা। সবচেয়ে ভয়াবহ কথা, যে আসরে এদের দাঁড়িয়ে থাকার কথা, সেই আসরে এরা নিজের জন্য চেয়ার খোঁজ করে। যেখানে চুপ থাকার কথা, সেখানে জ্ঞান দিতে চেষ্টা করে।

সারা রাত ধরে অনলাইনে থাকে, সারা সকাল ঘুমায়। এরা সূর্যোদয় দেখে না, সূর্যাস্ত দেখে না। সূর্যোদয়ে বিছানায় থাকে, সূর্যাস্তে মোবাইলে থাকে।

এরা মোবাইল গেমস আর ফার্স্টফুডে আসক্ত। নির্দিষ্ট করে বললে মূলত অনলাইন গেম, ফেসবুক, ইউটিউব, রিলস দেখা এদের ফার্স্ট প্রায়োরিটি।

এরা ইতিহাস জানে না, সাহিত্য বোঝে না, শিল্প সংস্কৃতি কি বস্তু তা চেনে না। এরা বই কেনে না, এরা বই পড়ে না, বই বোঝে না।

এরা নন-স্কিলড। এরা হাঁটতে পারে না, দৌড়াতে পারে না, গাছে চড়তে জানে না, সাঁতার কাটতে পারে না, গান গাইতে পারে না, ছবি আঁকতে পারে না। এদের মধ্যে সাগর পাড়ি দেওয়ার দু:সাহস নেই, পাহাড় কেটে পথ তৈরি করার অদম্য মনোবল নেই। এদের উচ্ছ্বাস নাই, আবেগ নাই, ভালোবাসা নেই। এদের একটাই স্কিল, স্মার্ট ফোন দ্রুত স্ক্রল করতে পারা৷

এদের না আছে মূল্যবোধ, না আছে শ্রদ্ধাবোধ, না আছে শৃঙ্খলা। কখন চলতে হবে, কখন থামতে হবে, কখন বলতে হবে, কখন শুনতে হবে, এরা জানে না। এরা কি যে জানে না সেটাও জানে না।

বগুড়ায় ভাতা সহ বিনামূল্যে ৩ মাস ব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দিবে বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)।   #বগুড়...
20/10/2025

বগুড়ায় ভাতা সহ বিনামূল্যে ৩ মাস ব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দিবে বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)।

#বগুড়া #ভাতাসহবিনামূল্যেপ্রশিক্ষণ #বাংলাদেশশিল্পওকারিগরিসহায়তাকেন্দ্র #বিটাক

জোঁক বনাম লবণ — রসায়নের এক বাস্তব যু*দ্ধ!জানেন কি, জোঁকের শরীরে লবণ ছিটালে কেন সে কুঁকড়ে যায় বা মা*রা যায়? এর পেছনে লুক...
16/10/2025

জোঁক বনাম লবণ — রসায়নের এক বাস্তব যু*দ্ধ!
জানেন কি, জোঁকের শরীরে লবণ ছিটালে কেন সে কুঁকড়ে যায় বা মা*রা যায়? এর পেছনে লুকিয়ে আছে এক আশ্চর্য রসায়ন—অসমোসিস (Osmosis) প্রক্রিয়া।
জোক একটি জলজ প্রাণী, যার শরীরের ভেতর পানির পরিমাণ অনেক বেশি (এই জন্যই জোঁককে হাতে স্পর্শ করলে অনেক নরম লাগে) এবং লবণের ঘনত্ব কম। যখন এর গায়ে NaCl বা সাধারণ লবণ ছিটানো হয়, তখন লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে Na⁺ এবং Cl⁻ আয়নে বিভক্ত হয়। এই আয়নগুলো চারপাশের দ্রবণের ঘনত্ব অনেক বাড়িয়ে দেয়। ফলে জোকের শরীরের কোষের ভেতরে থাকা পানি বাইরে চলে যায়, কারণ পানি সবসময় কম ঘন দ্রবণ থেকে বেশি ঘন দ্রবণের দিকে যায়—এটাই অসমোসিসের মূল রাসায়নিক নীতি।
এর ফলে জোকের কোষগুলো তাদের ভেতরের পানি হারিয়ে ফেলে, কোষের ভেতরের চাপ কমে যায়, এবং পুরো দেহ শুকিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত কোষগুলো সঙ্কুচিত হয়ে ফেটে যায়, আর জোক মারা যায়।
এই প্রক্রিয়াটি কোনো বিষক্রিয়া নয়, বরং এক নিখাদ রাসায়নিক ভারসাম্য পরিবর্তন মাএ। রসায়নের এই মৌলিক নীতি শুধু জোকের মৃত্যুতেই সীমাবদ্ধ নয়, একই নীতি ব্যবহার করা হয় খাবার সংরক্ষণে—যেমন মাছ বা আচার শুকানোর সময় লবণ ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করা হয়। তাই দেখা যায়, লবণ শুধু রান্নাঘরের উপাদান নয়, এটি জীববিজ্ঞান ও রসায়নের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা প্রকৃতির ভারসাম্য ও জীবনের রসায়ন বোঝাতে সাহায্য করে।
ধন্যবাদ সবাইকে 🖤

Address

Kahaloo
Bogura
5870

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kahaloo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kahaloo:

Share